হোম পেজ

আলজাজিরায় প্রচারিত ডকুড্রামার বিশ্লেষণ এবার কাটুক অন্ধকার....

সত্যদর্শী ॥ কোন কিছুর সত্য জানতে হলে পুরো প্রেক্ষাপটকে ধরেই এগুতে হয়। মহান সাধক আনোয়ারুল হক এঁর অমৃত কথা ‘দর্শন- উপলব্ধিতে হয় সত্য, অন্যের কথায় নয়’ । জগৎ-সংসারে কোন কিছুই অযাচিত নয়, হঠাৎ ঘটে না। কারণের কারণ থাকে। ঘটনার নেপথ্যে থাকে ঘটনার উপযোগিতা। একটি বোমা বিস্ফোরিত হলে আমরা শব্দ শুনতে পাই, বোমাটির শক্তি, ক্ষয়-ক্ষতি, বিস্ফোরণের কারণ জানতে পারি। কিন্তু অনুসন্ধানে ধরা পরে পুরো বিষয়টির সত্য। যা আমাদেরকে নিয়ে যায় সেই সত্যের কাছে, যে সত্যের নেপথ্যে একটি গোষ্ঠীগত স্বার্থ, সক্ষমতা, চরিত্র লাভ কিংবা সুদূরপ্রসারী কোন প্রাপ্তি যোগ রয়েছে। আমরা আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে, অশান্ত অস্থির মনোভাবের কারণে কোন কিছুর গভীরে প্রবেশ করতে পারি না বলে হুজুগ, গুজব, বিভ্রান্তি, অতি কাল্পনিক, গাল গল্পে মশগুল হয়ে পড়ি। সত্য চোখের সামনে এসে আবার মিলিয়ে যায়। লালন ফকির ভণিতায় এসে বারবার নিজেকে ভেড়ো স্বভাবের সাথে তুলনা করে প্রকারান্তরে বাঙালি চরিত্রের গভীর ক্ষত দিকটিই তুলে [বিস্তারিত...]

বাংলা আমার অহংকার, বাংলা আমার পরিচয়

ড. খাঁন সরফরাজ আলী ॥ বাঙালি জাতির আত্ম-পরিচয়, স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্যের মূলে যে মহান দিনটির অবদান রয়েছে তা নিঃসন্দেহে আমাদের মহান শহীদ দিবস ও ভাষা দিবস। নিজস্ব ভাষার অধিকার আদায়ে পৃথিবীর অন্যতম দেশ বাংলাদেশের একজন গর্বিত নাগরিক হিসেবে আমরা ভাগ্যবান। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার মধ্য দিয়ে অর্জিত আমাদের ভাষার অধিকারের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা জানানোর প্রয়াসে জাতিসংঘ কর্তৃক দিবসটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান প্রকারান্তরে বাংলা ভাষাভাষী এদেশের জনসাধারণের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের শামিল। একজন পেশাজীবি হিসেবে পরিচয় যাই হোক না কেন সর্বপ্রথম আমি বাঙালি। বাংলা মায়ের সন্তান। বাংলা ভাষাভাষী ও একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমি গর্বিত। ৫২’র ভাষা আন্দোলন স্বচক্ষে দেখার সুযোগ না হলেও বাল্যকাল হতেই একুশের প্রথম প্রহরে প্রভাত ফেরীতে অংশ নেয়া ও শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। দেশপ্রেম ও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পনের বোধ আসে মূলতঃ স্কুল জীবনে। আশির দশকের শেষে [বিস্তারিত...]

আল-জাজিরার প্রতিবেদন - চটকদার অন্তঃসার শূন্যতা

হাসান জামান টিপু ॥ ফেব্রুয়ারির প্রথমদিন কাতারভিত্তিক আল জাজিরা টেলিভিশনে All the prime minister's সবহ নামে যে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রথমপর্ব প্রচারিত হলো তাতে বাংলাদেশের জনমত দুইভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। সরকার কিছুটা বেকায়দায় পড়েছে বিষয়টার গুরুত্ব অনুধাবনে ও প্রতিক্রিয়া দেখাতে। জনগণের যে অংশটি সরকারবিরোধী তারা উল্লাসিত এই জন্য যে প্রতিবেদনটিতে সরকারের মধ্যে যে মাফিয়া তন্ত্রের প্রভাব এতো গভীর তাতে তারা জনসম্মুখে প্রকাশিত হওয়ার উল্লাসিত এবং ভবিষ্যতে সরকার পতনের একটা ভিত্তি তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। তারা আরও উল্লাসিত কারণ জানা গেছে এরকম আরো পর্ব ধারাবাহিকভাবে আসবে। সবচেয়ে বড় কথা দেশের গোপনীয় ও স্পর্শকাতর কিছু বিষয় একটা বিদেশী টিভি ক্যামেরা ধারণ করে নিলো যা সচেতন মানুষকে ভাবাচ্ছে। All the prime minister's সবহ এ কি কি আছে ? ১. সেনা প্রধানের পরিবারের লোকজন মাফিয়া, খুনি ও সরকারের অনুকম্পা পাওয়ার অভিযোগ। ২. বিডিআর প্রধান থাকাকালে সরকারকে ভোটে জয় ও সেনা প্রধান হিসাবে [বিস্তারিত...]

‘হক’ এর বচন- ‘গুরু যোগ্য ভক্তের চক্ষু কর্ণে জিহবায় এসে বসেন’

নজরুল ইশতিয়াক ॥ ভক্তের ভালবাসা, প্রেম, পূজা পেতেই গুরুর আসা, আবির্ভাব। ভক্তের দ্বারে বাধা আছেন সাঁই। সাধক কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন -‘কৃষ্ণ তো রাধাময় দেহ’। এমন শত সহস্র উপাধি দেয়া যায় গুরু এবং শিষ্যের সম্পর্ক নিয়ে। সূফী সাধক শেখ আবদুল হানিফ বললেন- ‘গুরু যোগ্য ভক্তের চক্ষু, কর্ণে, জিহবায় এসে বসেন। ভক্ত কে দর্শন করেন। ভক্তকে দর্শন করে চলে যান। সম্পর্ক হলে আর কিছু লাগে না’। তিনি আরো বললেন- ‘যোগ্য ভক্তের সাথে গুরুর এই চোখাচোখি, অনুরাগ কোনদিন কোন কালে শেষ হয়না। ইন অল আসপেক্ট-এ ভক্ত গুরুকে পান’। সম্পর্ক নামক শব্দটি দিয়ে সম্পর্ক বুঝা যায় না। সম ভাব, সম ক্ষেপণ, সম চিন্তন, স্পন্দন, মানকেই নির্দেশ করে। এতে গুরুর গুরুত্ব কমে যায় না। প্রকৃত ভক্ত জানেন গুরু সব সময় গুরুই। তবু সূফী সাধক শেখ আবদুল হানিফ বললেন- গুরু যোগ্য ভক্তকে এগিয়ে দিয়ে আনন্দ পান। সূফী সাধক শেখ আবদুল হানিফ একটি [বিস্তারিত...]

স্ব-ভাবে স্বভাবী হওয়ার প্রতিজ্ঞা নিয়ে নিজেকে নিজে গড়ি

সংলাপ ॥ মানুষ জন্মাবার পর পারিপার্শ্বিকতা হতে তার অভ্যাসের মাধ্যমে স্বভাব গড়ে তোলে। প্রথমে সে চোখকে বেশি কাজে লাগায়। অনুকরণ ও অনুসরণ করতে চেষ্টা করে পরিবারের সদস্যদের এবং চোখ দিয়ে যা দেখছে সেগুলোকে। অতঃপর চোখ, কান, নাক, জিহ্বা ও ত্বকের সহযোগিতায় হাত, পা, মুখ, পায়খানা ও প্রসাবের রাস্তা সমূহের দ্বারা বিভিন্ন কর্মের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত করে। যখনই কোন কর্ম করে তখনই সে সুখ, দুঃখ বা ঔদাসীন্যের সঙ্গে জড়িত হয়, কর্মফলের উপর নির্ভর করে। এভাবেই ধীরে ধীরে সে বড় হতে থাকে পরিবেশগত কর্মের মাধ্যমে। গবেষকদের মতে একজন পূর্নাঙ্গ মানুষ ৭ (সাত) হাজার হতে ৮ (আট) হাজার কর্মের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখে প্রতিদিন। প্রতিদিনের এই কর্মগুলোর মধ্য দিয়েই একই পরিবেশ অন্তর্ভুক্ত কর্মের বারবার বাস্তবায়নে তার গড়ে ওঠে অভ্যাস। এই অভ্যাসের বার বার প্রকাশ ভঙ্গিকেই আমরা স্বভাব বলে থাকি। ধর্মীয় আঙ্গিকে স্বভাবের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। স্বভাবের উপর বেশি প্রাধান্য [বিস্তারিত...]

জনসেবার রাজনীতির ঐতিহ্যে প্রত্যাবর্তন!

শেখ উল্লাস ॥ ‘সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করাই হবে মুজিব বর্ষের লক্ষ্য, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ উন্নত জীবনযাপন করতে পারে। দেশের ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে ঘর দিতে পারার চেয়ে বড় কোনো উৎসব আর কিছুই হতে পারে না।’ গত ৯ মাঘ ১৪২৭, ২৩ জানুয়ারি রোববার সারা দেশে ৬৬টি হাজার ১৮৯টি পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান ও ৩ হাজার ৭১৫টি পরিবারকে ব্যারাকে পুনর্বাসন এবং এ উপলক্ষে অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যে শান্তিপ্রিয় দেশবাসী নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছে। বিশেষ করে পাকা বাড়ি ও জায়গা পাওয়া একদা ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষদের আবেগ-অনুভূতি-উপলদ্ধি যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে তাতে রাজনীতিবিমুখ এদেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষদের নতুন আশা উদ্দীপনার সঞ্চার করেছে। এ যেন এদেশের রাজনীতিতে দেশসেবা ও জনসেবার ঐতিহ্যের প্রত্যাবর্তনের আর এক নতুন যাত্রা! স্মরণ করতে হয়, ১৯৭১’এর ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধুর উচ্চারিত ‘এদেশকে আমরা গড়ে তুলবো, এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক মুক্তি পাবে।’              বস্তুত রাজনীতি-ব্যবসা-বাণিজ্য-চাকুরি-বাকরি-ধর্মীয় আচার- ওয়াজ মাহফিল-পূজা-পার্বন-বক্তৃতা- ‘বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা’ [বিস্তারিত...]

অপচয় ও অপব্যয় জাতিকে পিছনে টানছে

সংলাপ ॥ অপচয় ও অপব্যয় ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ক্ষতি বয়ে আনে, পেছনে টেনে নিয়ে যায়। ইসলাম অপচয় ও অপব্যয়কে ঘৃণা করে। প্রয়োজনাতিরিক্ত ব্যয়ই হলো ইসরাফ বা অপচয়। অপচয় ও অপব্যয়-এ শব্দ দুটি অনেক ক্ষেত্রে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মাত্রায় ব্যয় করার নামই অপচয়, যা আরবীতে ‘ইসরাফ’ বলা হয়। অন্যদিকে, অপব্যয় হচ্ছে অন্যায় ও অযৌক্তিক উপায়ে সম্পদের অপব্যবহার, যাকে আরবীতে ‘তাবযীর’ বলা হয়। পবিত্র কুরআনে তাবযীর বা অপব্যয় সম্পর্কে অনেকগুলো আয়াত রয়েছে। সূরা বনী ইসরাইলের ২৮ আয়াতে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয় অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই। শয়তান তার প্রতিপালকের প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ।’ যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু ব্যয় করলে তা অপচয় হবে না এবং ব্যক্তি বিশেষে এই ব্যয়ের পরিমাণে তারতম্য হতে পারে। অনেক সময় ব্যক্তির সামাজিক অবস্থানের উপরও তার ব্যয়ের পরিমাণ নির্ভর করে। এছাড়া এক্ষেত্রে সামর্থ্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অপচয়ের অর্থ হলো বিনা কারণে সম্পদ ব্যয় [বিস্তারিত...]

করোনার টিকা নিয়ে বিতর্ক, গুজব ও অনীহা!

হাসান জামান টিপু ॥ সারাবিশ্ব জুড়েই করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। টিকা তৈরীকারক কোন কর্তৃপক্ষই দাবী করেননি টিকাটি ১০০% ভাগ কার্যকর। টিকা এখন বিশ্বজুড়ে মানুষ গ্রহণ করছেন নানান বিতর্কের মধ্যে। বিতর্কগুলি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ ঘটা করে প্রচার-অপপ্রচার চলছে- বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম নয়। ভ্যাকসিন আসার আগে মানুষের আগ্রহ ছিল। আসার পর সেই আগ্রহে যেন ভাটা পড়েছে। ভ্যাকসিন নিয়ে এক ধরনের অনাস্থা দৃশ্যমান। চলছে বিতর্ক। শুধু বাংলাদেশেই নয়, কমবেশি আস্থাহীনতা ও বিতর্ক চলছে প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের আরও অনেক দেশে। ভ্যাকসিন নিয়ে অনাস্থা কেন? মূল কারণ কী? অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন ভারতে উৎপাদন করছে সেরাম ইনষ্টি টিউট অব ইন্ডিয়া। যার ভারতীয় নাম ‘কোভিশিল্ড’। দেশীয় প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মাধ্যমে সেই ভ্যাকসিনই কিনেছে বাংলাদেশ। ভারত থেকে যে ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন বাংলাদেশ উপহার হিসেবে পেয়েছে, সেটাও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন। এর বাইরে রয়টার্সের একটি সংবাদ নিয়ে দ্বিধা দেখা দিয়েছে যে, ভারত তাদের প্রতিষ্ঠান ‘ভারত বায়োটেক’ [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা....

‘হক’ এর বচন- ‘সাড়ে সাতশো কোটি মানুষের ধর্ম সাড়ে সাতশো কোটি’ নজরুল ইশতিয়াক ॥ যিনি ঘর (ঘোর, ঘেরাটোপ, মায়া, মোহ, সংকীর্ণতা) থেকে বের হয়েছেন কিংবা হতে পেরেছেন, গোটা পৃথিবীই তার দরবার, তীর্থভূমি, এবাদতের স্থান। সূফী সাধনপীঠে দরবার হলো সেই তীর্থ, সেই পাঠাগার, সেই দর্শন কেন্দ্র যেখানে আত্মদর্শনের অভূতপূর্ব পরিবেশ বিরাজ করে। দরবারে এসেই নিজেকে দর্শন করে নিতে হয়। আসতে হয় আশেক হয়ে। তখন ধরা পড়ে জীবন সত্য। পিছনের সত্য দেখা হয়। ফলে দেখা হয় পরকাল, বারবার মৃত্যু, বারবার জন্মের সত্য। গোটা পৃথিবীই একটা দরবার। ভিতরে বাইরে সব একাকার হয়ে যায় ভক্ত রূপি সত্য পথযাত্রীর। নবী মুহাম্মদ (যাঁর কৃপা আমাদেও উপর বর্ষিত) বলেছেন- গোটা পৃথিবীর জমিনই মুমিনের মসজিদ। এই যে ঘর কিংবা ঘোর, ঘেরাটোপে আবদ্ধ জীবন, সেটিই তো অন্ধকার। নানান সংস্কারাবদ্ধ। আবদ্ধ জীবনের কোন খুঁটি নেই, আছে মায়া-মোহ সংকীর্ণতার সুক্ষ্ণ জাল।  সীমাহীন পরনির্ভরশীলতা, সংঘাত-সংঘর্ষ। মায়ার পাহাড় উচু হতে হতে চারদিক [বিস্তারিত...]

অনুরাগের মালায় জোড়ানো থাকে দেশ

সত্যদর্শী ॥ দেশ ধারণা সৃষ্টি না হলে ধর্ম, কর্ম, সচেতনতা কোন কিছুই জাগে না। দেশ কি, কিভাবে দেশ জড়িয়ে রয়েছে প্রতিটি বুননে, অপরূপ কারুকার্য হয়ে, সেটা জানতে হয় সবার আগে। স্থুল ভালোবাসা মহত মহীয়ান হয়ে উঠে দেশপ্রেমের বৃহত্তর পরিসরে এসে। তীব্র অনুরাগ সৃষ্টি হয়। আর তাই তো দেশের জন্য মানুষ অকাতরে জীবন ত্যাগ করতে কুণ্ঠিত হয়না। সমুদ্রের পাশে দাঁড়িয়ে যেমন নিজেকে ক্ষুদ্র মনে হয়, তেমনি দেশের সামনে সামনে দাঁড়িয়ে একজন দেশপ্রেমিক নিজেকে গভীর কৃতজ্ঞতা বোধে পায়। জন্মভূমিকে ভালবেসে কোন দিন হৃদয়ের অনুরাগ শেষ হয় না। এখানে আকাশ যেন মায়ের দু’চোখ সারাদিন মেলে রাখে সোনার আলোক। গল্পের শেষ আছে, যেতে যেতে নদীও সাগরে গিয়ে মেশে তবু হৃদয়ের অনুরাগ শেষ হবে না জন্মভূমিকে ভালোবেসে। কথাটি গীতিকার আবু জাফরের। এই যে দেশ মাতৃকার প্রতি তীব্র অনুরাগ তা কি কখনো ফিকে হতে পারে কোন দূরদর্শী দেশপ্রেমিকের কাছে। কোন নেতা কিংবা প্রজাতন্ত্রের সেবকের? শিক্ষার [বিস্তারিত...]

লিবিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার করেনি তুরস্ক ও রাশিয়া

লিবিয়া থেকে সেনা প্রত্যাহার  করেনি তুরস্ক ও রাশিয়া সংলাপ ॥ লিবিয়ায় মোতায়েন বিদেশি সেনারা জাতিসংঘের নির্ধারিত সময়সীমা অনুযায়ী দেশটি ত্যাগ করেনি। তিন মাস আগে জাতিসংঘের মধ্যস্থতায় লিবিয়ার সংঘর্ষরত পক্ষগুলোর মধ্যে যে যুদ্ধবিরতি চুক্তি হয় তাতে বলা হয়েছিল, লিবিয়ায় মোতায়েন সব বিদেশি সেনা ২৩ জানুয়ারি শনিবারের মধ্যে দেশটি ত্যাগ করবে। কিন্তু বেধে দেয়া সময় পর্যন্ত কোনো দেশ তার সেনা প্রত্যাহার করেনি। লিবিয়ার রাজধানী ত্রিপোলিতে মোতায়েন সরকার আন্তর্জাতিক সমর্থনপুষ্ট এবং তুরস্কও ত্রিপোলি সরকারকে সমর্থন করছে। অন্যদিকে লিবিয়ার পূর্বাঞ্চল নিয়ন্ত্রণকারী জেনারেল হাফতার বাহিনীকে সমর্থন দিচ্ছে রাশিয়া, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মিশর। স্যাটেলাইট থেকে ধারণ করা ছবি ও ভিডিও ক্লিপ প্রচার করে সিএনএন জানিয়েছে, লিবিয়ার সির্ত শহরের কাছে বহু কিলোমিটার দীর্ঘ এলাকায় ‘রাশিয়ার সেনা’ মোতায়েন রয়েছে। দৃশ্যত লিবিয়ায় যেকোনো সমঝোতা থেকে নিজেদের স্বার্থ আদায় করে নেয়ার জন্য রাশিয়া ও তুরস্ক তাদের সেনা মোতায়েন রাখতে চায়। জাতিসংঘ মহাসচিব অ্যান্তোনিও গুতেরেস গত সপ্তাহে বলেছিলেন, লিবিয়া থেকে সেনা সরানোর ব্যাপারে গত ২৩ অক্টোবর যে সমঝোতা হয়েছিল সব আঞ্চলিক ও [বিস্তারিত...]

প্রতিবছর ২৫ শতাংশ হারে গবাদিপশুর খামার বাড়ছে

প্রতিবছর ২৫ শতাংশ হারে গবাদিপশুর খামার বাড়ছে সংলাপ ॥ দেশ এগিয়ে যাচ্ছে। স্বয়ংসম্পূর্ণ হবার পথে প্রতিনিয়ত এগিয়ে যাচ্ছে। বিশেষ করে কৃষিপণ্যে বাংলাদেশ সাফল্যেও ধারাবাহিকতা ধরে রাখছে। গবাদিপশুর খামার একটি অন্যতম কৃষিখাত। ছোট-বড় মিলিয়ে এখন খামারের সংখ্যা প্রায় ১২ লাখ। তিন বছরে দেশে গরু-ছাগলের সংখ্যা বেড়েছে প্রায় ২০ লাখ। সংকট থেকে যে নতুন সম্ভাবনার সৃষ্টি হতে পারে, তার বড় উদাহরণ বাংলাদেশের গবাদি পশু খাত। চার বছর আগেও দেশের চাহিদার বড় অংশ মিটত প্রতিবেশী দুই দেশ ভারত ও মিয়ানমার থেকে আমদানি করে। ২০১৪ সালে ভারতে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় এসে বাংলাদেশে গরু আসা বন্ধ করে দেয়। এতেই বাজারের চাহিদা মেটাতে বাংলাদেশে গবাদিপশুর লালনপালন ব্যাপক হারে বেড়ে যায়। গরু ও ছাগল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। শুধু কোরবানি ঈদের আগে দেশে ২০ থেকে ২২ লাখ গরু-ছাগল বৈধ-অবৈধ পথে বাংলাদেশে আসত। সারা বছরে এই সংখ্যা ৩০ লাখে ছুঁয়ে যেত। ভারত থেকে গবাদিপশু আসা বন্ধ হওয়ার পর দেশে প্রতিবছর ২৫ শতাংশ হারে গবাদিপশুর [বিস্তারিত...]

সুপ্রভাত বাংলাদেশ

সুপ্রভাত বাংলাদেশ একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না মুজিববর্ষে এটাই বড় উৎসব: শেখ হাসিনা সংলাপ ॥ সুপ্রভাত আসছে। বাঙালি সুপ্রভাতের আলো দেখতে পাচ্ছে। আলো ফুটবেই যদি এমন করে আধার কাটিয়ে উঠার পথ দেখানোর আর কর্ম সাধনের নেতা থাকে। সংবিধানে বর্ণিত মৌলিক অধিকারের প্রশ্নে এতদিন যে আধার ছিল তা যেন কাটতে শুরু করেছে। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘দেশে একজন মানুষও গৃহহীন থাকবে না, মুজিববর্ষে এটাই সবচেয়ে বড় উৎসব।’ সম্প্রতি তিনি ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের প্রায় ৭০ হাজার ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে সরকারের পক্ষ হতে জমি ও ঘর প্রদান করছেন।  শেখ হাসিনা বলেন, ‘আজকে আমার অত্যন্ত আনন্দের দিন। ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান করতে পারা বড় আনন্দের। আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মানুষের কথাই ভাবতেন। আমাদের পরিবারের লোকদের চেয়ে তিনি গরীব অসহায় মানুষদের নিয়ে বেশি ভাবতেন এবং কাজ করেছেন। এ গৃহ [বিস্তারিত...]

বিশ্বের বৃহত্তম রিজার্ভ ফোর্স এখন বাংলাদেশে

বিশ্বের বৃহত্তম রিজার্ভ ফোর্স এখন বাংলাদেশে সংলাপ ॥ রিজার্ভ আর্মি, রিজার্ভ সোলজার অথবা রিজার্ভ ফোর্স বা নিয়মিত বাহিনী বলতে একটি দেশের সেসব সৈন্যদের বোঝায় যারা তাদের সিভিলিয়ান লাইফের পাশাপাশি মিলিটারিতেও দায়িত্ব পালন করে। রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যদের সশস্ত্র সৈনিকদের মতই ট্রেনিং দেয়া হয়। প্রথমে তারা বেসিক কমব্যাট ট্রেনিং (BCT) ও পরে এডভান্সড ইন্ডিভিউজুয়াল ট্রেনিং (AIT) কোর্স সম্পন্ন করে, তারপর এরা যে যার মতো বেসামরিক কর্মজীবনে ফিরে যায়। কিন্তু তাদের সশস্ত্র বাহিনীর মতো অস্ত্র বহনের সুযোগ দেয়া হয় না। রিজার্ভ সৈন্যদের যুদ্ধের স্কিল ধরে রাখার জন্য মাসে একদিন এবং বছরে অন্তত দুই সপ্তাহ বাধ্যতামূলক ট্রেনিং নিতে হয়, যাতে করে তারা তাদের স্কিল গুলো ধরে রাখতে পারে। তবে রিজার্ভ ফোর্স আবার মিলিটারির রিজার্ভ ফরমেশন থেকে আলাদা, কারণ রিজার্ভ ফোর্সকে মিলিটারি কমান্ডাররা যুদ্ধে ডেপ্লয় করতে পারে না কেবল প্রতিকূল পরিস্থিতিতে, জাতীয় নিরাপত্তা হুমকিতে পড়লে অথবা জরুরী অবস্থায় সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত ম্যানপাওয়ারের প্রয়োজন হলে তখন এদের ব্যবহার করা হয়। অবসরপ্রাপ্ত সামরিক [বিস্তারিত...]

সুপ্রভাত বাংলাদেশ - বিদায়ী বছরে ২ হাজার কোটি ডলার রেমিট্যান্স

সংলাপ ॥ দেশকে এগিয়ে নেবার অন্যতম শক্তি প্রবাসী আয়। বাংলাদেশের বিশাল কর্মীবাহিনী বিশ্বের নানা প্রান্তে কাজ করছে আর পাঠাচ্ছে রেমিট্যান্স। বিদায়ী বছরে ২ হাজার ১৭৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা ২০১৯ সালের তুলনায় ১৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৮৩২  কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রবাসী আয় বাড়াতে ২০১৯-২০ অর্থবছর  থেকে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া শুরু করে সরকার। এরপর থেকেই প্রবাসী আয়ে গতি আসে। তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু পর তাতে নতুন মাত্রা দেখা দিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে বড় ধাক্কা লাগে।       মার্চ ও এপ্রিলে আয় কমে যায়। তবে এরপরই বড় উল্লম্ফন শুরু হয়। এখনও সেই প্রবণতা অব্যাহত আছে। যদিও এই সময়েই কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন প্রায় আড়াই লাখ প্রবাসী শ্রমিক। অনেকের বেতনও কমে গেছে। এরপরও রেমিট্যান্স বেড়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... নেতা ফিরেছিলেন স্বদেশে আমরা কি ফিরতে পেরেছি আজও?

নজরুল ইশতিয়াক ॥ ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশে ফিরেছিলেন। তিনি ফিরেছিলেন বিপুল বিস্ময়, আস্থা, ভালোবাসার প্রতীক হয়ে। বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন বাঙালির অমিত শক্তি ও তেজ। জনতার উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে তিনি যা বলেছিলেন তা অনুসন্ধানী মাত্রই জানেন। বহু বই পুস্তকে ডকুমেন্টারিতে ইউটিউবে সেদিনের চিত্র খুঁজে পাওয়া যাবে। চাইলেই আমরা তা দেখে নিতে পারি। তিনি তাঁর এই ফিরে আসা কে আখ্যায়িত করেছিলেন অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা হিসাবে। বঙ্গবন্ধু জানতেন নতুন শপথে নতুন প্রত্যয়ে এই পথ চলা শুরু করতে হবে। তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেছিলেন - শাসক কিংবা রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে নয়- আপনারা আমার ভাই, আমি আপনাদের ভাই, আমাদের পরিচয় হবে এভাবে। তিনি নারী, বৃদ্ধ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতী মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন সবাই ভাই ভাই। এই যে সম্বোধন এটির মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে অন্ধকারের অবসান মন্ত্র, আলোর পথে যাত্রার গভীর দর্শন, দিকনির্দেশনা। এগিয়ে [বিস্তারিত...]

জানুয়ারিতেই করোনার ভারতীয় টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ

সংলাপ ॥ সারাবিশ্বে যেভাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস সে তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা ভালো অবস্থানে। তবুও থেমে নেই মৃত্যু, থেমে নেই সংক্রমণ। প্রতিদিনই বাড়ছে লাশের আর সংক্রমনের মিছিল। দেশে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ২৫ হাজারের অধিক মানুষের দেহে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার ৮০০ জনের অধিক মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৭০ হাজারের বেশি। প্রায় দশমাস ধরে চলমান করোনা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবাইকে নিরাপদ থাকতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ দেন। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আওয়ামী লীগের এক আলোচনায় গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে শেখ হাসিনা সতর্ক করে বলেন- আগামী মার্চে করোনার আরেকটি ধাক্কা আসতে পারে। এসময় করোনার ভ্যাকসিন পেতে সরকারের আন্তরিকতার কথা জানিয়ে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, শিগগিরই ভ্যাকসিন পেতে সরকার অর্থ বরাদ্ধসহ সবরকম ব্যবস্থা করে রেখেছে।ওদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের টিকা উৎপাদনকারী কোম্পানি ফাইজার ও জার্মানির বায়োএনটেকের যৌথভাবে তৈরি করোনার টিকাও সংগ্রহের [বিস্তারিত...]

এই সপ্তাহে….

* ধাতুসুধায় লালনপাঠ – ২২

* গুরু নামের স্মরণ – ২

* ৩৩ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী মিলনমেলায় মিরপুর আস্তানা শরীফ

 

সত্য সন্ধানে সংলাপ