হোম পেজ

সত্য প্রতিষ্ঠার সময় বহমান

বাঙালির ব্যাকুলতা : স্বাধীনতা দিবস ৭ মার্চ বিভ্রান্তির বেড়াজাল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে এবং চরম সত্যকে প্রতিষ্ঠার জন্য সংসদকেই এগিয়ে আসতে হবে। সরকার সংকীর্ণমুক্ত হয়ে দূরদর্শিতার পরিচয় দিক এটাই বাংলাদেশের মানুষ দেখতে চায়। অতীতের দলীয়  অদূরদর্শিতায় ভুলের প্রায়শ্চিত্ত সত্য প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই করতে হয়। তবেই জাতি কৃতজ্ঞ থাকে সেই রাজনৈতিক  দলের প্রতি। * ৭ মার্চ বাংলার মানুষের শপথের দিন। * ৭ মার্চ থেকে বাংলার মানুষ জীবন উৎসর্গ করার জন্য প্রস্তুত হয়েছিলো। * ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের প্রতিটি বাক্য বাংলার মানুষের কাছে ছিল সত্য, বাস্তব ও প্রেরণামুখী। * বাংলা আর বাংলার মানুষ যতদিন থাকবে ৭ মার্চ থাকবে। * ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ একটি জাতিকে স্বাধীন করার জন্য অনুপ্রেরণা, জাতির অধ্যাত্মশক্তি এবং বিশ্ব স্বীকৃত। সংলাপ ॥ বাংলা-বাঙালি, বাংলাদেশ-এর জাতীয় জীবনে ৭ মার্চ ধ্রুব সত্য। সেই সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে, ১৫ কোটি মানুষের সাক্ষী গ্রহণ করা হলে, ৭ মার্চ স্বাধীনতা দিবস অবশ্যই পালন করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর ঘোষণা ছিলো যুদ্ধের ঘোষণা, [বিস্তারিত...]

নতুন আলোয় উদ্ভাসিত মার্চ ২০২১!

শেখ উল্লাস ॥ মার্চ ১৯৭১ থেকে মার্চ ২০২১। স্বাধীনতার সুবর্ণ জয়ন্তীর বছর। ৫০ বছর আগের মার্চ মাস আর আজকের মার্চ মাসের প্রেক্ষাপট নিশ্চয়ই এক নয়। এক হওয়ার কোনো কারণও নেই। পরিবর্তন, বিবর্তন ও রূপান্তরের মধ্য দিয়েই তো সময় এগিয়ে যায়। এই বাস্তবতা ও পরিবর্তনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে যারা চলতে পারে না তারাই হারিয়ে যায়। তবে মিথ্যাচার, মুনাফেকির আশ্রয় নিয়ে যারা টিকে থাকে, সমাজ ও মানুষের কল্যাণে এমন কি নিজেদের কল্যাণেও কিছুই করতে পারে না। সমাজে শুধু অশান্তি, বৈষম্য, অনাচার ও মিথ্যাচারের ধুম্রজালই তৈরি করতে পারে। কেউ কেউ আবার শত কোটি, হাজার কোটি টাকার মালিকও বনে যেতে পারে। কিন্তু টিকিয়ে রাখতে পারে না। ১৯৭১-এ বাংলার মানুষের বাস্তবতা ও চাওয়া-আকাঙ্খা যারা বুঝতে চায়নি, যারা নিজেদের স্বার্থে পাকিস্তানী শাসকগোষ্ঠীর সঙ্গে হাত মিলিয়ে যুদ্ধাপরাধ করেছিল, স্বাধীনতা সংগ্রামের বিরোধিতা করতে গিয়ে রাজাকার হিসেবে নিজেদেরকে চিহ্নিত করেছিল, কোটি মানুষের দুর্ভোগের কারণ হয়েছিল তাদের কথাও ঘৃণাভরে [বিস্তারিত...]

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে নাগরিকদের কণ্ঠরোধ!!!

মারুফ রসুল।। আইন তৈরি ও তার প্রয়োগের ওপর রাষ্ট্রের চরিত্র নির্ভর করে। বর্তমান ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মাধ্যমে নাগরিকদের কণ্ঠরোধ করার যে দুঃশাসন নীতি সরকার গ্রহণ করেছে তা থেকেই বাংলাদেশ রাষ্ট্রের বর্তমান প্রশাসনিক চরিত্র বোঝা যায়। একটি নিপীড়নমূলক আইন কেবল তৈরি নয়, তার প্রয়োগের ক্ষেত্রেও সরকারের বদ-উদ্দেশ্য বোঝা যায়। লেখক মোশতাক আহমেদ, কার্টুনশিল্পী আহমেদ কবির কিশোর বা এ যাবৎকালে এই নিপীড়নমূলক ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে গ্রেফতারকৃতদের তালিকা দেখলেই স্পষ্ট হয়ে যায়, এটা করাই হয়েছে তথাকথিত ‘সরকারবিরোধী’ ও ‘তার তল্পিবাহকবিরোধী’ মন্তব্য দমনের জন্য। আমার প্রশ্ন হচ্ছে, বাংলাদেশের কোন আইনে আছে যে, সরকারের বিরোধিতা করা যাবে না? সরকার ও তার প্রশাসনের লোকজন দুর্নীতি করবে, লুটপাট করবে, চুরি করবে, ক্ষমতার অপব্যবহার করবে আর জনগণ তার বিরোধিতা করবে না? সমালোচনা করবে না? এই ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের দমনমূলক ধারাগুলো নিয়ে বহুদিন ধরেই সচেতন নাগরিকরা প্রতিবাদ করে আসছেন। এই আইনের খড়গ সিংহভাগ সময়েই লেখক-প্রকাশক-বাউলশিল্পী-ব্লগারসহ সচেতন নাগরিকদের ওপর প্রয়োগ [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা....বঙ্গবন্ধুফ্রেমে বাঁধানো একটি ছবিমাত্র

নজরুল ইশতিয়াক ॥ ছবির রাজ্যে, ছবির হাটে বিস্তর ক্রেতা বিক্রেতা। একটি ছবির পরিচয়, নির্বাক ছবির গায়ে লাগিয়ে সেলফি, পোষ্ট, লাইক, শেয়ার, কিছু মুখস্থ বয়ান, এই তো চলছে বঙ্গবন্ধুর নামে। রাস্তার মোড়ে মোড়ে, অলিতে গলিতে দেয়াল লিখনে, স্টিকারে, ব্যাজ-ক্যাপে, অফিসের দেয়ালে, ড্রয়িং রুমে, টি শার্টে বঙ্গবন্ধুর ছবি। পোট্রেট, ভাস্কর্যে, ব্যানারে, প্রোফাইল পিকে বঙ্গবন্ধু। বাঙালির জাতির হাজার হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নানাভাবে বিভিন্ন জায়গায় থাকবে এটাই তো স্বাভাবিক। এটাই তো দেশপ্রেম, এটাই তো সচেতনতা, ভালোবাসা একটি প্রকাশ। বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে ঘরে বাইরে সব জায়গায় বঙ্গবন্ধু থাকবে এটাই তো আমরা চাই। বঙ্গবন্ধুকে ধারণ লালন পালনের মধ্যেই নিহিত রয়েছে বাঙালি জাতির সার্বিক উন্নতি অগ্রগতি। তিনিই তো আমাদের দিশারী। কিন্তু ছবির মানুষটি যদি কেবলই ফ্রেমে বাঁধানো ছবি হয়, বছরে কালে ভাদ্রে স্মরণ সভার বিষয়বস্তু হয়, দু’লাইন লেখনি, কিংবা কেবল আনুষ্ঠানিকতার গল্প হয়, তবে জাতি হিসাবে চরম লজ্জাকর পরিস্থিতির মুখোমুখি [বিস্তারিত...]

সুপ্রভাত বাংলাদেশ বাংলাদেশের পোশাক খাত ছাড়িয়ে গেল ভিয়েতনামকে

সুপ্রভাত বাংলাদেশ বাংলাদেশের পোশাক খাত ছাড়িয়ে গেল ভিয়েতনামকে সংলাপ ॥ করোনার কারণে এলোমেলো সারাবিশ্ব। যার সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়েছে অর্থনীতিতে। সেই করোনাকালীন আবহের মাঝেই তৈরি পোশাক খাতে ভিয়েতনামকে পেছনে ফেলল বাংলাদেশ। জাতিসংঘ ও বিশ্ববাণিজ্য সংস্থার অঙ্গ সংস্থা ইন্টারন্যাশনাল ট্রেড সেন্টার আইটিসির সর্বশেষ এক প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে। দেখা যায়, ২০২০ সালের জানুয়ারি থেকে ডিসেম্বর পর্যন্ত এই ১২ মাসে পোশাকের বিশ্ববাজারে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দেশ ভিয়েতনাম রফতানি করেছে ২৭ দশমিক ৫৭ বিলিয়ন ডলার আর বাংলাদেশ করেছে ২৯ দশমিক ২৩ বিলিয়ন ডলারের পোশাক। অর্থাৎ পোশাক রফতানি করে ভিয়েতনামের চেয়ে ১ দশমিক ৬৬ বিলিয়ন ডলার বেশি আয় করেছে বাংলাদেশ। অথচ ২০১৯ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের মে পর্যন্ত ১১ মাসে বাংলাদেশের চেয়ে ভিয়েতনামের আয় ২ দশমিক ৫৫ বিলিয়ন ডলার বেশি ছিল। ওই সময়ে তৈরি পোশাক থেকে বাংলাদেশের রফতানি আয় ছিল ২৫ দশমিক ৭১ বিলিয়ন ডলার আর ভিয়েতনামের ছিল ২৮ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার। তৈরি পোশাক প্রস্তুতকারক ও রফতানিকারকরা বলছেন, [বিস্তারিত...]

দুর্নীতির অভিযোগে কারাদন্ড ফ্রান্সের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজির

দুর্নীতির অভিযোগে কারাদন্ড ফ্রান্সের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজির সংলাপ ॥ দুর্নীতির অভিযোগে ফ্রান্সের প্রাক্তন প্রেসিডেন্ট নিকোলাস সারকোজিকে ৩ বছরের কারাদন্ডের নির্দেশ দিল একটি ফরাসি আদালত। তবে ৩ বছরের মধ্যে ২ বছররে কারাদন্ড মকুব করা হয়েছে। ফলে শারীরিক ভাবে জেলে যেতে হবে না সারকোজিকে। কী অভিযোগ সারকোজির বিরুদ্ধে? ২০০৭ সালের ভোটের প্রচারের জন্য ল’রিয়েল এর উত্তরাধিকারীর কাছ থেকে বেআইনি অর্থ নেওয়ার অভিযোগ উঠেছিল সারকোজির বিরুদ্ধে। এই অভিযোগে তাঁর বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু হয়। তদন্ত চলাকালীন একটি ফোন নম্বরে আড়ি পাতেন তদন্তকারীরা। তাতেই এই লেনদেনের কথোপকথন ধরা পড়ে। পরে তদন্তে প্রমাণিত হয়, একটি ভুয়ো নামে ওই ফোন নম্বর নথিবদ্ধ করা হয়েছিল। পাশাপাশি তদন্ত চলাকালীন ভিতরের খবর দেওয়ার জন্য এক বিচারপতিকে বড় চাকরির টোপ দেন সারকোজি। সেই মামলাতেই সোমবার প্যারিসের একটি আদালত তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করে ৩ বছরের কারাদন্ডের নির্দেশ দেয়। সরকার পক্ষের আইনজীবী চার বছরের কারাদন্ড দাবি করেন। তবে সেই আর্জি টেকেনি। ফ্রান্সের নিয়ম অনুযায়ী ২ বছর বা তার বেশি সাজা হলে [বিস্তারিত...]

মুম্বাইয়ের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পিছনে চীনা হ্যাকার!!!

মুম্বাইয়ের বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের পিছনে চীনা হ্যাকার!!! সংলাপ ॥ জল্পনা আগেই ছড়িয়েছিল। এবার মিলল বেসরকারি স্বীকৃতি। সীমান্ত নিয়ে নয়াদিল্লি-বেজিং সংঘাতের আবহে ভারতের পাওয়ার গ্রিডের উপর হামলা চালিয়েছে চীনের একদল হ্যাকার। তাদের সঙ্গে চীনা সরকারেরও যোগাযোগ রয়েছে। এমনই চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ করল এক মার্কিন সংস্থা। আর তারপরেই গত বছর মুম্বই বিদ্যুৎ বিপর্যয়ের কারণ নিয়ে সন্দেহ দানা বাঁধতে শুরু করেছে। প্রশ্ন, তবে কি গত অক্টোবরে অনলাইনে হানা দিয়েই হ্যাকাররা মুম্বইয়ে অন্ধকার নামিয়ে এনেছিল? বিভিন্ন দেশের নাগরিক ও সংস্থার ইন্টারনেট ব্যবহার নিয়ে গবেষণা চালায় মাসাচুসেটসের ‘রেকর্ডেড ফিউচার’ নামে এক সাইবার নিরাপত্তা সংস্থা। চীনের সঙ্গে যোগসাজশ থাকা ‘রেডইকো’ নামে এক সংস্থা প্রচার চালাচ্ছিল, ভারতীয় পাওয়ার সেক্টরকে তারা টার্গেট করেছে। রেডইকোর কার্যকলাপ ও সক্রিয়তা নিয়ে সম্প্রতি গবেষণা চালায় রেকর্ডেড ফিউচার। তারা সেই রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানেই ভারতের পাওয়ার গ্রিডের উপর চীনা হ্যাকার হানার তথ্য উঠে এসেছে। মার্কিন সংস্থা জানিয়েছে, চীন সরকারের মদতে সে দেশের হ্যাকাররাই ওই বিভ্রাট ঘটিয়েছিল। ২০২০ সালে গলওয়ানে ভারতীয় সেনার [বিস্তারিত...]

ডিসেম্বরে মেট্রোরেল চালু করতে চলছে শেষ ধাপের কাজ

ডিসেম্বরে মেট্রোরেল চালু করতে চলছে শেষ ধাপের কাজ সংলাপ ॥ স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর বছরেই মেট্রোরেল লাইন-৬ এর একাংশ চালু করতে সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)। এরই মধ্যে উত্তরা তৃতীয় প্রকল্প থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত সেগমেন্ট স্থাপন করা হয়েছে। ফলে দৃশ্যমান হয়েছে উত্তরা থেকে আগারগাঁও মেট্রোরেল। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এই অংশের কাজ আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে শেষ হয়ে যাবে। এর পরই চালু হবে দেশের প্রথম মেট্রোরেল। অন্যদিকে প্রকল্পের আগারগাঁও থেকে মতিঝিল অংশে পূর্ত কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৫১ দশমিক ২৬ শতাংশ। মেট্রোরেল লাইন-৬ এর কাজ যখন শুরু হয়েছিল তখনই বলা হয়েছিল, উত্তরা তৃতীয় প্রকল্প থেকে মতিঝিল পর্যন্ত প্রায় ২০ দশমিক ১০ কিলোমিটার দীর্ঘ দেশের প্রথম মেট্রোরেল লাইন-৬ এর উত্তরা থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত অংশ ২০২০ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে খুলে দেওয়া হবে। কিন্তু পরবর্তীতে সরকার এই সিদ্ধান্তে পরিবর্তন এনে জানিয়েছিল মেট্রোরেল প্রকল্পের পুরো কাজ শেষ হওয়ার পর ২০২২ সালের মাঝামাঝি সময়ের মধ্যে উত্তরা থেকে মতিঝিল পর্যন্ত একসঙ্গে মেট্রোরেল চালু [বিস্তারিত...]

আলজাজিরায় প্রচারিত ডকুড্রামার বিশ্লেষণ এবার কাটুক অন্ধকার....

সত্যদর্শী ॥ কোন কিছুর সত্য জানতে হলে পুরো প্রেক্ষাপটকে ধরেই এগুতে হয়। মহান সাধক আনোয়ারুল হক এঁর অমৃত কথা ‘দর্শন- উপলব্ধিতে হয় সত্য, অন্যের কথায় নয়’ । জগৎ-সংসারে কোন কিছুই অযাচিত নয়, হঠাৎ ঘটে না। কারণের কারণ থাকে। ঘটনার নেপথ্যে থাকে ঘটনার উপযোগিতা। একটি বোমা বিস্ফোরিত হলে আমরা শব্দ শুনতে পাই, বোমাটির শক্তি, ক্ষয়-ক্ষতি, বিস্ফোরণের কারণ জানতে পারি। কিন্তু অনুসন্ধানে ধরা পরে পুরো বিষয়টির সত্য। যা আমাদেরকে নিয়ে যায় সেই সত্যের কাছে, যে সত্যের নেপথ্যে একটি গোষ্ঠীগত স্বার্থ, সক্ষমতা, চরিত্র লাভ কিংবা সুদূরপ্রসারী কোন প্রাপ্তি যোগ রয়েছে। আমরা আমাদের জ্ঞানের সীমাবদ্ধতার কারণে, অশান্ত অস্থির মনোভাবের কারণে কোন কিছুর গভীরে প্রবেশ করতে পারি না বলে হুজুগ, গুজব, বিভ্রান্তি, অতি কাল্পনিক, গাল গল্পে মশগুল হয়ে পড়ি। সত্য চোখের সামনে এসে আবার মিলিয়ে যায়। লালন ফকির ভণিতায় এসে বারবার নিজেকে ভেড়ো স্বভাবের সাথে তুলনা করে প্রকারান্তরে বাঙালি চরিত্রের গভীর ক্ষত দিকটিই তুলে [বিস্তারিত...]

বাংলা আমার অহংকার, বাংলা আমার পরিচয়

ড. খাঁন সরফরাজ আলী ॥ বাঙালি জাতির আত্ম-পরিচয়, স্বকীয়তা ও স্বাতন্ত্র্যের মূলে যে মহান দিনটির অবদান রয়েছে তা নিঃসন্দেহে আমাদের মহান শহীদ দিবস ও ভাষা দিবস। নিজস্ব ভাষার অধিকার আদায়ে পৃথিবীর অন্যতম দেশ বাংলাদেশের একজন গর্বিত নাগরিক হিসেবে আমরা ভাগ্যবান। সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ সন্তান ভাষা শহীদদের আত্মত্যাগ ও সাহসিকতার মধ্য দিয়ে অর্জিত আমাদের ভাষার অধিকারের প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা জানানোর প্রয়াসে জাতিসংঘ কর্তৃক দিবসটিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা হিসেবে স্বীকৃতি দান প্রকারান্তরে বাংলা ভাষাভাষী এদেশের জনসাধারণের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদনের শামিল। একজন পেশাজীবি হিসেবে পরিচয় যাই হোক না কেন সর্বপ্রথম আমি বাঙালি। বাংলা মায়ের সন্তান। বাংলা ভাষাভাষী ও একজন বাংলাদেশী হিসেবে আমি গর্বিত। ৫২’র ভাষা আন্দোলন স্বচক্ষে দেখার সুযোগ না হলেও বাল্যকাল হতেই একুশের প্রথম প্রহরে প্রভাত ফেরীতে অংশ নেয়া ও শহীদ মিনারে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদনের অভিজ্ঞতা হয়েছে। দেশপ্রেম ও ভাষা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পনের বোধ আসে মূলতঃ স্কুল জীবনে। আশির দশকের শেষে [বিস্তারিত...]

আল-জাজিরার প্রতিবেদন - চটকদার অন্তঃসার শূন্যতা

হাসান জামান টিপু ॥ ফেব্রুয়ারির প্রথমদিন কাতারভিত্তিক আল জাজিরা টেলিভিশনে All the prime minister's সবহ নামে যে অনুসন্ধানী প্রতিবেদনের প্রথমপর্ব প্রচারিত হলো তাতে বাংলাদেশের জনমত দুইভাগে বিভক্ত হয়ে গেছে। সরকার কিছুটা বেকায়দায় পড়েছে বিষয়টার গুরুত্ব অনুধাবনে ও প্রতিক্রিয়া দেখাতে। জনগণের যে অংশটি সরকারবিরোধী তারা উল্লাসিত এই জন্য যে প্রতিবেদনটিতে সরকারের মধ্যে যে মাফিয়া তন্ত্রের প্রভাব এতো গভীর তাতে তারা জনসম্মুখে প্রকাশিত হওয়ার উল্লাসিত এবং ভবিষ্যতে সরকার পতনের একটা ভিত্তি তৈরি হয়েছে বলে তারা মনে করছেন। তারা আরও উল্লাসিত কারণ জানা গেছে এরকম আরো পর্ব ধারাবাহিকভাবে আসবে। সবচেয়ে বড় কথা দেশের গোপনীয় ও স্পর্শকাতর কিছু বিষয় একটা বিদেশী টিভি ক্যামেরা ধারণ করে নিলো যা সচেতন মানুষকে ভাবাচ্ছে। All the prime minister's সবহ এ কি কি আছে ? ১. সেনা প্রধানের পরিবারের লোকজন মাফিয়া, খুনি ও সরকারের অনুকম্পা পাওয়ার অভিযোগ। ২. বিডিআর প্রধান থাকাকালে সরকারকে ভোটে জয় ও সেনা প্রধান হিসাবে [বিস্তারিত...]

‘হক’ এর বচন- ‘গুরু যোগ্য ভক্তের চক্ষু কর্ণে জিহবায় এসে বসেন’

নজরুল ইশতিয়াক ॥ ভক্তের ভালবাসা, প্রেম, পূজা পেতেই গুরুর আসা, আবির্ভাব। ভক্তের দ্বারে বাধা আছেন সাঁই। সাধক কাজী নজরুল ইসলাম বলেছেন -‘কৃষ্ণ তো রাধাময় দেহ’। এমন শত সহস্র উপাধি দেয়া যায় গুরু এবং শিষ্যের সম্পর্ক নিয়ে। সূফী সাধক শেখ আবদুল হানিফ বললেন- ‘গুরু যোগ্য ভক্তের চক্ষু, কর্ণে, জিহবায় এসে বসেন। ভক্ত কে দর্শন করেন। ভক্তকে দর্শন করে চলে যান। সম্পর্ক হলে আর কিছু লাগে না’। তিনি আরো বললেন- ‘যোগ্য ভক্তের সাথে গুরুর এই চোখাচোখি, অনুরাগ কোনদিন কোন কালে শেষ হয়না। ইন অল আসপেক্ট-এ ভক্ত গুরুকে পান’। সম্পর্ক নামক শব্দটি দিয়ে সম্পর্ক বুঝা যায় না। সম ভাব, সম ক্ষেপণ, সম চিন্তন, স্পন্দন, মানকেই নির্দেশ করে। এতে গুরুর গুরুত্ব কমে যায় না। প্রকৃত ভক্ত জানেন গুরু সব সময় গুরুই। তবু সূফী সাধক শেখ আবদুল হানিফ বললেন- গুরু যোগ্য ভক্তকে এগিয়ে দিয়ে আনন্দ পান। সূফী সাধক শেখ আবদুল হানিফ একটি [বিস্তারিত...]

স্ব-ভাবে স্বভাবী হওয়ার প্রতিজ্ঞা নিয়ে নিজেকে নিজে গড়ি

সংলাপ ॥ মানুষ জন্মাবার পর পারিপার্শ্বিকতা হতে তার অভ্যাসের মাধ্যমে স্বভাব গড়ে তোলে। প্রথমে সে চোখকে বেশি কাজে লাগায়। অনুকরণ ও অনুসরণ করতে চেষ্টা করে পরিবারের সদস্যদের এবং চোখ দিয়ে যা দেখছে সেগুলোকে। অতঃপর চোখ, কান, নাক, জিহ্বা ও ত্বকের সহযোগিতায় হাত, পা, মুখ, পায়খানা ও প্রসাবের রাস্তা সমূহের দ্বারা বিভিন্ন কর্মের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত করে। যখনই কোন কর্ম করে তখনই সে সুখ, দুঃখ বা ঔদাসীন্যের সঙ্গে জড়িত হয়, কর্মফলের উপর নির্ভর করে। এভাবেই ধীরে ধীরে সে বড় হতে থাকে পরিবেশগত কর্মের মাধ্যমে। গবেষকদের মতে একজন পূর্নাঙ্গ মানুষ ৭ (সাত) হাজার হতে ৮ (আট) হাজার কর্মের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখে প্রতিদিন। প্রতিদিনের এই কর্মগুলোর মধ্য দিয়েই একই পরিবেশ অন্তর্ভুক্ত কর্মের বারবার বাস্তবায়নে তার গড়ে ওঠে অভ্যাস। এই অভ্যাসের বার বার প্রকাশ ভঙ্গিকেই আমরা স্বভাব বলে থাকি। ধর্মীয় আঙ্গিকে স্বভাবের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। স্বভাবের উপর বেশি প্রাধান্য [বিস্তারিত...]

জনসেবার রাজনীতির ঐতিহ্যে প্রত্যাবর্তন!

শেখ উল্লাস ॥ ‘সবার জন্য নিরাপদ বাসস্থানের ব্যবস্থা করাই হবে মুজিব বর্ষের লক্ষ্য, যাতে দেশের প্রতিটি মানুষ উন্নত জীবনযাপন করতে পারে। দেশের ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষকে ঘর দিতে পারার চেয়ে বড় কোনো উৎসব আর কিছুই হতে পারে না।’ গত ৯ মাঘ ১৪২৭, ২৩ জানুয়ারি রোববার সারা দেশে ৬৬টি হাজার ১৮৯টি পরিবারকে জমি ও ঘর প্রদান ও ৩ হাজার ৭১৫টি পরিবারকে ব্যারাকে পুনর্বাসন এবং এ উপলক্ষে অনুষ্ঠান উদ্বোধনকালে বঙ্গবন্ধুকন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর এ বক্তব্যে শান্তিপ্রিয় দেশবাসী নতুন করে উজ্জীবিত হয়েছে। বিশেষ করে পাকা বাড়ি ও জায়গা পাওয়া একদা ভূমিহীন-গৃহহীন মানুষদের আবেগ-অনুভূতি-উপলদ্ধি যেভাবে প্রকাশিত হয়েছে তাতে রাজনীতিবিমুখ এদেশের সর্বস্তরের সাধারণ মানুষদের নতুন আশা উদ্দীপনার সঞ্চার করেছে। এ যেন এদেশের রাজনীতিতে দেশসেবা ও জনসেবার ঐতিহ্যের প্রত্যাবর্তনের আর এক নতুন যাত্রা! স্মরণ করতে হয়, ১৯৭১’এর ৭ মার্চের ভাষণে বঙ্গবন্ধুর উচ্চারিত ‘এদেশকে আমরা গড়ে তুলবো, এদেশের মানুষ অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক মুক্তি পাবে।’              বস্তুত রাজনীতি-ব্যবসা-বাণিজ্য-চাকুরি-বাকরি-ধর্মীয় আচার- ওয়াজ মাহফিল-পূজা-পার্বন-বক্তৃতা- ‘বুদ্ধিবৃত্তিক চর্চা’ [বিস্তারিত...]

অপচয় ও অপব্যয় জাতিকে পিছনে টানছে

সংলাপ ॥ অপচয় ও অপব্যয় ব্যক্তি ও সমাজজীবনে ক্ষতি বয়ে আনে, পেছনে টেনে নিয়ে যায়। ইসলাম অপচয় ও অপব্যয়কে ঘৃণা করে। প্রয়োজনাতিরিক্ত ব্যয়ই হলো ইসরাফ বা অপচয়। অপচয় ও অপব্যয়-এ শব্দ দুটি অনেক ক্ষেত্রে সমার্থক হিসেবে ব্যবহৃত হলেও এর মধ্যে পার্থক্য রয়েছে। প্রয়োজনের চেয়ে বেশি মাত্রায় ব্যয় করার নামই অপচয়, যা আরবীতে ‘ইসরাফ’ বলা হয়। অন্যদিকে, অপব্যয় হচ্ছে অন্যায় ও অযৌক্তিক উপায়ে সম্পদের অপব্যবহার, যাকে আরবীতে ‘তাবযীর’ বলা হয়। পবিত্র কুরআনে তাবযীর বা অপব্যয় সম্পর্কে অনেকগুলো আয়াত রয়েছে। সূরা বনী ইসরাইলের ২৮ আয়াতে বলা হয়েছে, ‘নিশ্চয় অপব্যয়কারীরা শয়তানের ভাই। শয়তান তার প্রতিপালকের প্রতি অতিশয় অকৃতজ্ঞ।’ যতটুকু প্রয়োজন ঠিক ততটুকু ব্যয় করলে তা অপচয় হবে না এবং ব্যক্তি বিশেষে এই ব্যয়ের পরিমাণে তারতম্য হতে পারে। অনেক সময় ব্যক্তির সামাজিক অবস্থানের উপরও তার ব্যয়ের পরিমাণ নির্ভর করে। এছাড়া এক্ষেত্রে সামর্থ্যও একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে অপচয়ের অর্থ হলো বিনা কারণে সম্পদ ব্যয় [বিস্তারিত...]

করোনার টিকা নিয়ে বিতর্ক, গুজব ও অনীহা!

হাসান জামান টিপু ॥ সারাবিশ্ব জুড়েই করোনার ভ্যাকসিন নিয়ে আলোচনা ও সমালোচনা চলছে। টিকা তৈরীকারক কোন কর্তৃপক্ষই দাবী করেননি টিকাটি ১০০% ভাগ কার্যকর। টিকা এখন বিশ্বজুড়ে মানুষ গ্রহণ করছেন নানান বিতর্কের মধ্যে। বিতর্কগুলি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও বেশ ঘটা করে প্রচার-অপপ্রচার চলছে- বাংলাদেশেও তার ব্যতিক্রম নয়। ভ্যাকসিন আসার আগে মানুষের আগ্রহ ছিল। আসার পর সেই আগ্রহে যেন ভাটা পড়েছে। ভ্যাকসিন নিয়ে এক ধরনের অনাস্থা দৃশ্যমান। চলছে বিতর্ক। শুধু বাংলাদেশেই নয়, কমবেশি আস্থাহীনতা ও বিতর্ক চলছে প্রতিবেশী ভারতসহ বিশ্বের আরও অনেক দেশে। ভ্যাকসিন নিয়ে অনাস্থা কেন? মূল কারণ কী? অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার উদ্ভাবিত করোনাভাইরাসের ভ্যাকসিন ভারতে উৎপাদন করছে সেরাম ইনষ্টি টিউট অব ইন্ডিয়া। যার ভারতীয় নাম ‘কোভিশিল্ড’। দেশীয় প্রতিষ্ঠান বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালসের মাধ্যমে সেই ভ্যাকসিনই কিনেছে বাংলাদেশ। ভারত থেকে যে ২০ লাখ ডোজ ভ্যাকসিন বাংলাদেশ উপহার হিসেবে পেয়েছে, সেটাও অক্সফোর্ড-অ্যাস্ট্রাজেনেকার ভ্যাকসিন। এর বাইরে রয়টার্সের একটি সংবাদ নিয়ে দ্বিধা দেখা দিয়েছে যে, ভারত তাদের প্রতিষ্ঠান ‘ভারত বায়োটেক’ [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা....

‘হক’ এর বচন- ‘সাড়ে সাতশো কোটি মানুষের ধর্ম সাড়ে সাতশো কোটি’ নজরুল ইশতিয়াক ॥ যিনি ঘর (ঘোর, ঘেরাটোপ, মায়া, মোহ, সংকীর্ণতা) থেকে বের হয়েছেন কিংবা হতে পেরেছেন, গোটা পৃথিবীই তার দরবার, তীর্থভূমি, এবাদতের স্থান। সূফী সাধনপীঠে দরবার হলো সেই তীর্থ, সেই পাঠাগার, সেই দর্শন কেন্দ্র যেখানে আত্মদর্শনের অভূতপূর্ব পরিবেশ বিরাজ করে। দরবারে এসেই নিজেকে দর্শন করে নিতে হয়। আসতে হয় আশেক হয়ে। তখন ধরা পড়ে জীবন সত্য। পিছনের সত্য দেখা হয়। ফলে দেখা হয় পরকাল, বারবার মৃত্যু, বারবার জন্মের সত্য। গোটা পৃথিবীই একটা দরবার। ভিতরে বাইরে সব একাকার হয়ে যায় ভক্ত রূপি সত্য পথযাত্রীর। নবী মুহাম্মদ (যাঁর কৃপা আমাদেও উপর বর্ষিত) বলেছেন- গোটা পৃথিবীর জমিনই মুমিনের মসজিদ। এই যে ঘর কিংবা ঘোর, ঘেরাটোপে আবদ্ধ জীবন, সেটিই তো অন্ধকার। নানান সংস্কারাবদ্ধ। আবদ্ধ জীবনের কোন খুঁটি নেই, আছে মায়া-মোহ সংকীর্ণতার সুক্ষ্ণ জাল।  সীমাহীন পরনির্ভরশীলতা, সংঘাত-সংঘর্ষ। মায়ার পাহাড় উচু হতে হতে চারদিক [বিস্তারিত...]

এই সপ্তাহে….

* ধাতুসুধায় লালনপাঠ – ২২

* গুরু নামের স্মরণ – ২

* ৩৩ প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী মিলনমেলায় মিরপুর আস্তানা শরীফ

 

সত্য সন্ধানে সংলাপ