হোম পেজ

বিশ্বের বৃহত্তম রিজার্ভ ফোর্স এখন বাংলাদেশে

বিশ্বের বৃহত্তম রিজার্ভ ফোর্স এখন বাংলাদেশে সংলাপ ॥ রিজার্ভ আর্মি, রিজার্ভ সোলজার অথবা রিজার্ভ ফোর্স বা নিয়মিত বাহিনী বলতে একটি দেশের সেসব সৈন্যদের বোঝায় যারা তাদের সিভিলিয়ান লাইফের পাশাপাশি মিলিটারিতেও দায়িত্ব পালন করে। রিজার্ভ ফোর্সের সদস্যদের সশস্ত্র সৈনিকদের মতই ট্রেনিং দেয়া হয়। প্রথমে তারা বেসিক কমব্যাট ট্রেনিং (BCT) ও পরে এডভান্সড ইন্ডিভিউজুয়াল ট্রেনিং (AIT) কোর্স সম্পন্ন করে, তারপর এরা যে যার মতো বেসামরিক কর্মজীবনে ফিরে যায়। কিন্তু তাদের সশস্ত্র বাহিনীর মতো অস্ত্র বহনের সুযোগ দেয়া হয় না। রিজার্ভ সৈন্যদের যুদ্ধের স্কিল ধরে রাখার জন্য মাসে একদিন এবং বছরে অন্তত দুই সপ্তাহ বাধ্যতামূলক ট্রেনিং নিতে হয়, যাতে করে তারা তাদের স্কিল গুলো ধরে রাখতে পারে। তবে রিজার্ভ ফোর্স আবার মিলিটারির রিজার্ভ ফরমেশন থেকে আলাদা, কারণ রিজার্ভ ফোর্সকে মিলিটারি কমান্ডাররা যুদ্ধে ডেপ্লয় করতে পারে না কেবল প্রতিকূল পরিস্থিতিতে, জাতীয় নিরাপত্তা হুমকিতে পড়লে অথবা জরুরী অবস্থায় সেনাবাহিনীর অতিরিক্ত ম্যানপাওয়ারের প্রয়োজন হলে তখন এদের ব্যবহার করা হয়। অবসরপ্রাপ্ত সামরিক [বিস্তারিত...]

সুপ্রভাত বাংলাদেশ - বিদায়ী বছরে ২ হাজার কোটি ডলার রেমিট্যান্স

সংলাপ ॥ দেশকে এগিয়ে নেবার অন্যতম শক্তি প্রবাসী আয়। বাংলাদেশের বিশাল কর্মীবাহিনী বিশ্বের নানা প্রান্তে কাজ করছে আর পাঠাচ্ছে রেমিট্যান্স। বিদায়ী বছরে ২ হাজার ১৭৪ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা, যা ২০১৯ সালের তুলনায় ১৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ বেশি। ২০১৯ সালে রেমিট্যান্স এসেছিল ১ হাজার ৮৩২  কোটি ডলার। বাংলাদেশ ব্যাংকের হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য তুলে ধরা হয়েছে। প্রসঙ্গত, প্রবাসী আয় বাড়াতে ২০১৯-২০ অর্থবছর  থেকে ২ শতাংশ প্রণোদনা দেয়া শুরু করে সরকার। এরপর থেকেই প্রবাসী আয়ে গতি আসে। তবে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু পর তাতে নতুন মাত্রা দেখা দিয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ শুরু হলে বাংলাদেশের প্রবাসী আয় বা রেমিট্যান্সে বড় ধাক্কা লাগে।       মার্চ ও এপ্রিলে আয় কমে যায়। তবে এরপরই বড় উল্লম্ফন শুরু হয়। এখনও সেই প্রবণতা অব্যাহত আছে। যদিও এই সময়েই কাজ হারিয়ে দেশে ফিরেছেন প্রায় আড়াই লাখ প্রবাসী শ্রমিক। অনেকের বেতনও কমে গেছে। এরপরও রেমিট্যান্স বেড়েছে। ব্যাংক কর্মকর্তারা বলছেন, [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... নেতা ফিরেছিলেন স্বদেশে আমরা কি ফিরতে পেরেছি আজও?

নজরুল ইশতিয়াক ॥ ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারী জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান স্বদেশে ফিরেছিলেন। তিনি ফিরেছিলেন বিপুল বিস্ময়, আস্থা, ভালোবাসার প্রতীক হয়ে। বিশ্বকে বুঝিয়ে দিয়েছিলেন বাঙালির অমিত শক্তি ও তেজ। জনতার উদ্দেশ্যে প্রদত্ত ভাষণে তিনি যা বলেছিলেন তা অনুসন্ধানী মাত্রই জানেন। বহু বই পুস্তকে ডকুমেন্টারিতে ইউটিউবে সেদিনের চিত্র খুঁজে পাওয়া যাবে। চাইলেই আমরা তা দেখে নিতে পারি। তিনি তাঁর এই ফিরে আসা কে আখ্যায়িত করেছিলেন অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা হিসাবে। বঙ্গবন্ধু জানতেন নতুন শপথে নতুন প্রত্যয়ে এই পথ চলা শুরু করতে হবে। তিনি উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে বলেছিলেন - শাসক কিংবা রাষ্ট্র প্রধান হিসেবে নয়- আপনারা আমার ভাই, আমি আপনাদের ভাই, আমাদের পরিচয় হবে এভাবে। তিনি নারী, বৃদ্ধ, কৃষক, শ্রমিক, মেহনতী মানুষের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করে বলেন সবাই ভাই ভাই। এই যে সম্বোধন এটির মধ্যে লুকিয়ে রয়েছে অন্ধকারের অবসান মন্ত্র, আলোর পথে যাত্রার গভীর দর্শন, দিকনির্দেশনা। এগিয়ে [বিস্তারিত...]

জানুয়ারিতেই করোনার ভারতীয় টিকা পাচ্ছে বাংলাদেশ

সংলাপ ॥ সারাবিশ্বে যেভাবে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে করোনা ভাইরাস সে তুলনায় বাংলাদেশ কিছুটা ভালো অবস্থানে। তবুও থেমে নেই মৃত্যু, থেমে নেই সংক্রমণ। প্রতিদিনই বাড়ছে লাশের আর সংক্রমনের মিছিল। দেশে এখন পর্যন্ত ৫ লাখ ২৫ হাজারের অধিক মানুষের দেহে করোনার সংক্রমণ শনাক্ত হয়েছে। তাঁদের মধ্যে ৭ হাজার ৮০০ জনের অধিক মৃত্যু হয়েছে। সুস্থ হয়েছেন ৪ লাখ ৭০ হাজারের বেশি। প্রায় দশমাস ধরে চলমান করোনা পরিস্থিতির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সবাইকে নিরাপদ থাকতে স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলার তাগিদ দেন। ১০ জানুয়ারি বঙ্গবন্ধুর স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসে আওয়ামী লীগের এক আলোচনায় গণভবন থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে শেখ হাসিনা সতর্ক করে বলেন- আগামী মার্চে করোনার আরেকটি ধাক্কা আসতে পারে। এসময় করোনার ভ্যাকসিন পেতে সরকারের আন্তরিকতার কথা জানিয়ে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, শিগগিরই ভ্যাকসিন পেতে সরকার অর্থ বরাদ্ধসহ সবরকম ব্যবস্থা করে রেখেছে।ওদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের টিকা উৎপাদনকারী কোম্পানি ফাইজার ও জার্মানির বায়োএনটেকের যৌথভাবে তৈরি করোনার টিকাও সংগ্রহের [বিস্তারিত...]

সচিবালয়ে শব্দ দূষণ : পরিত্রাণে ১৯ সুপারিশ

সংলাপ ॥ দূষণে দূষণে ছেয়ে গেছে সারাদেশ। সারাদেশের সাথে তালমিলিয়ে দূষণের নগরী আজ ঢাকাও। নদী দূষণ, বায়ু দূষণ, শব্দ দূষণ- কেবল দূষণ আর দূষণ । এবার খোদ রাজধানিতে নীরব এলাকা ঘোষিত বাংলাদেশ সচিবালয়ের চারপাশে শব্দ দূষণ তীব্রতর হয়েছে। ২০২০ সালে করোনাকালে যানবাহন চলাচলে বিভিন্ন নিয়ন্ত্রণের কারণে সময়ের ব্যাপ্তিতে শব্দদূষণ কিছুটা কমলেও তীব্রতার দিক থেকে তা বেড়েছে। শব্দের সর্বোচ্চ মানের দিক থেকে ২০১৯ এর চেয়ে ২০২০ সালে দূষণ বেড়েছে ৭.৮ শতাংশ । বাংলাদেশ পরিবেশ আন্দোলন (বাপা) ও স্টামফোর্ড ইউনিভার্সিটি বাংলাদেশ এর বায়ুমন্ডলীয় দূষণ অধ্যয়ন কেন্দ্র (ক্যাপস) এর যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এক গবেষণায় জানা গেছে এ তথ্য। সম্প্রতি, ঢাকা  রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে সংবাদ সম্মেলনে নীরব এলাকা ঘোষিত সচিবালয়ের চারপাশে তীব্র শব্দ দূষণ- শীর্ষক এ গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করা হয় । সংবাদ সম্মেলনে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন বাপার যুগ্ম সম্পাদক এবং ক্যাপস-এর পরিচালক অধ্যাপক ড. আহমদ কামরুজ্জমান মজুমদার। বাপা এবং ক্যাপস-এর যৌথ [বিস্তারিত...]

যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করতে চেয়েছিল, আজ তারাই ব্যর্থ- শেখ হাসিনা

যারা বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে ব্যর্থ করতে চেয়েছিল, আজ তারাই ব্যর্থ-  শেখ হাসিনা ইতিহাসের মাহেন্দ্রক্ষণে জাতির প্রত্যাশা! শেখ উল্লাস ॥ ১৯৭০ এ জাতীয় ও প্রাদেশিক নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় ছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব তথা বাঙালিদের বিজয়। আওয়ামী লীগ ১৬৭ আসনে এবং জুলফিকার আলী ভুট্টোর পিপিপি ৮৮টি আসনে জয়লাভ করে। আর এই বিজয়ের মধ্য দিয়ে বাঙালিদের কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর যাতে না করতে হয় সে লক্ষ্যে ষড়যন্ত্রে মেতে উঠে ইয়াহিয়া-ভুট্টো। নির্বাচনের পর ২১ ডিসেম্বর ভুট্টোর উক্তি ছিল, গত তেইশ বছর পূর্ব পাকিস্তান দেশ শাসনে ন্যায্য হিস্যা পায়নি, তাই বলে আগামী ২৩ বছর পাকিস্তানের ওপর প্রভুত্ব করবে তা হতে পারে না। এদিকে ঢাকায় ৭১এর ৩ জানুয়ারি রেসকোর্সে বিরাট সমাবেশে বঙ্গবন্ধু বলেন, ছয়দফা এখন আর পার্টির সম্পত্তি নয়, জনগণের সম্পত্তি। ছয়দফা ও এগার দফার ভিত্তিতে প্রস্তাবিত সংবিধান প্রণীত হবে। এ ব্যাপারে কেউ আর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করতে পারবে না।  এ সময় জেনারেল ইয়াহিয়ার সঙ্গে ভুট্টোর একান্ত ও গোপন বৈঠকের খবর প্রকাশ হতে থাকে। [বিস্তারিত...]

জয় বাংলা - বাংলার জয় চেতনায় বিজয়

সংলাপ॥ বাঙালি জাতির পাঁচ হাজার বছরের ইতিহাসে মহত্তম ও গৌরবের অর্জন আমাদের মুক্তিযুদ্ধ। মহান মুক্তিযুদ্ধের সূচনায় যে স্বপ্ন বা আকাঙ্খা কাজ করেছে তা-ই মুক্তিযুদ্ধের চেতনা। কি ছিল সে চেতনা? আমাদের প্রাথমিক স্বপ্ন ছিল আমরা একটি স্বাধীন দেশের নাগরিক হবো। আমাদের পরবর্তী স্বপ্ন ছিল আমরা আমাদের রক্তার্জিত দেশটিকে সোনার বাংলায় রূপান্তরিত করব। সেই সোনার বাংলায় প্রতিটি নাগরিক হবে সোনার মানুষ, আর সামষ্টিকভাবে জাতিটি হবে সোনার জাতি। সেখানে প্রত্যেক বাঙালি সব ধরনের বৈষম্য, বঞ্চনা, অন্যায়, অবিচার, শোষণ, ত্রাস, অগণতান্ত্রিকতা, সাম্প্রদায়িকতা, আধিপত্যকামিতা বা ক্ষমতান্ধতা থেকে মুক্ত হয়ে এমন এক নৈয়ায়িক রাষ্ট্রের নাগরিক হবে, যেখানে ধর্ম-বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে একটি সমতাভিত্তিক শান্ত সমাজ প্রতিষ্ঠিত হবে। মুক্তিযুদ্ধের অসাম্প্রদায়িক ও শোষণ মুক্তির চেতনাকে ধরে রাখার জন্য আমরা একটি অসাধারণ দলিল প্রণয়ন করেছিলাম। সেই দলিলটিরই নাম ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের সংবিধান’ (আজও জনগণতন্ত্রী হলো না)। অসাম্প্রদায়িক চেতনাকে পুষ্ট করে তোলার জন্য, রাষ্ট্রের জন্য আমরা চারটি মূলনীতি বিধিবদ্ধ করেছিলাম। জাতীয়তাবাদ, [বিস্তারিত...]

বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় মৃত্যু শেখ হাসিনার নব উত্থান

নজরুল ইশতিয়াক॥ ১৯৭৫ সালে মহান জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন-  কোন কারণে দৈহিকভাবে আমার একবার মৃত্যু হলেও পরবর্তীতে লুটেরা, দলীয় চরিত্রহীন, নষ্ট  বিভ্রান্তদের হাতে নেতৃত্ব গেলে দ্বিতীয় মৃত্যু হবে। সেটা হবে ভয়াবহ। বিস্তৃ অতল গহ্বরে দীর্ঘকাল হারিয়ে থাকবে আওয়ামীলীগ। তিনি বলেছিলেন স্বাধীন দেশে লুটপাট ধনপতি হবার সুযোগ বেড়েছে। দলকে কাজে লাগিয়ে কেউ কেউ সেটা কাজে লাগাবে। জাতির জনকের এই গভীর উপলব্ধি হতে প্রাপ্ত সত্য থেকে কতদূরে আমরা অবস্থান করছি? কঠিন অথচ সত্য জানার তাগিদেই যদি প্রশ্ন আসে ১৯৭৫ এর ১৫ অগাস্ট পরবর্তী সময়ে কতবার বঙ্গবন্ধুকে মরতে হয়েছে? সেই হিসেব কি মিলবে বাঙালি জাতির? তবু দেশ থাকে, থাকে দেশমাতা, থাকে সত্য। থাকে প্রকৃতি প্রতিবেশ ও মানবিক সৃজনশীল চিন্তার অপূর্ব এক উদ্যান। যা গোপনে গভীর আবেদন রেখে চলে। এই পথ চলা হয়তো শেষ হয়না। বঙ্গবন্ধুর দ্বিতীয় মৃত্যু হয়তো হয়েছে,  শুধু একবার দুইবার কেন শত শত বার হয়তো বঙ্গবন্ধুর মৃত্যু হয়েছে। সেটা [বিস্তারিত...]

হুর এবং সওয়াবের আশায় ঈবাদত করা মূর্খতার উচ্চ শিখরে বাস করার নামান্তর

সাইমা (মাস্কাট)॥ সূফী সাধক শেখ আবদুল হানিফ -অনুগ্রহ বশতঃ, একদিন এই বাণীটি এক জনসমাবেশে জনসাধারণকে সচেতন করার জন্য উচ্চারণ করেছিলেন। আল্লাহ্ মানুষকে ভীষণ ভালোবাসেন। আল্লাহ্ মানুষকে ভালোবেসে, মানুষ-কে নিজ অবয়বে সৃষ্টি করেছেন। আল্লাহ্র সকল গুন মানুষের নিকট বিদ্যমান। যেই স্থানে আল্লাহ্ আছেন- ঠিক সেই স্থানে ইবলিশও বর্তমান। মানুষ ব্যতীত আল্লাহ্ এবং ইবলিশের অস্তিত্ব নাই। পা থেকে মাথা পর্যন্ত শরীর অবয়বে; ঠিক কোন স্থানে আল্লাহ অবস্থান করছেন ? এটি পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে আবিষ্কার করা যায় না। আমার পা থেকে মাথা পর্যন্ত শরীর অবয়বে আল্লাহ্ অবস্থান করছেন- আমার এই নিজের বিষয়টি অন্যরা কিভাবে বলবে। আমার শরীরে ব্যথা কোথায় ইহা আমি নিদিষ্ট করে বলতে পারি। অথচ শরীরের কোন জায়গায় আল্লাহ্ বা ইবলিশ আছেন - ইহা আমি জানি না।  যেহেতু আমি বিষয়টি জানি না, সেহেতু আমি এই বিষয়ে মূর্খ ও অচেতন। এখানে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সংশ্লিষ্টতা নাই। নামাজ যাদু নয়-যে, নামাজ পড়লেই [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা....জনগণতন্ত্রী বাংলাদেশ এর প্রত্যাশায়

সংলাপ ॥ স্বাধীনতার ৪৭ বছর পার করে বাঙালি জাতি আরেকটি জাতীয় নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে। ১৯৭১ সালের ডিসেম্বরে জন্ম নেয় স্বাধীন সার্বভৌম বাংলাদেশ রার্ষ্ট্রের। ১৯৭২ সালে সদ্য ভূমিষ্ট রাষ্ট্রটির সংবিধান প্রণয়ণ কমিটি এর নামকরণ করেন ‘গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ’। ইংরেজী ভাষায় এর নামকরণ করা হয় The People's Republic of Bangladesh'. দেশের সকলেই জানেন সংবিধান প্রণয়ণ কমিটির সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছিলেন তৎকালীন আওয়ামীলীগ নেতা ড. কামাল হোসেন। বরাবরই তিনি বাংলাদেশের সংবিধানের প্রণেতা বলে পরিচিত ও প্রতিষ্ঠিত হয়ে আছেন এবং বর্তমানে তিনি বিএনপি ও মহান মুক্তিযুদ্ধের বিরোধীতাকারী মানবতাবিরোধী অপরাধী রাজাকারদের সাথে রাজনৈতিক স্বার্থিক আত্মীয়তার বন্ধন গড়ে তোলা ঐক্যফ্রন্ট নেতা। ঐক্যফ্রন্ট নেতা হিসেবে তিনি বারবার জনগণের কাছে দেশের ক্ষমতা ফিরিয়ে দিতে চান। অথচ তার রচিত সংবিধানেই তিনি এদেশের নামকরণ করেছেন ‘প্রজাতন্ত্র’ হিসেবে। তিনি খুব ভাল করেই জানেন বাংলাদেশে কোন প্রজা নেই। জনগণকে সাংবিধানিকভাবে প্রজা সাজিয়ে সংবিধান রচনা করে জনগণের তন্ত্র প্রতিষ্ঠা করার [বিস্তারিত...]

করোনাভাইরাস প্রকল্পে দুর্নীতি; ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী গ্রেফতার

করোনাভাইরাস প্রকল্পে দুর্নীতি; ইন্দোনেশিয়ার মন্ত্রী গ্রেফতার সংলাপ ॥ ইন্দোনেশিয়ায় প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের মহামারীতে দুর্গত লোকজনের খাদ্যসহায়তা কর্মসূচি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে থেকে ঘুষ গ্রহণের অভিযোগে দেশটির সমাজকল্যাণ বিষয়ক মন্ত্রীকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মন্ত্রী জুলিয়ারি বাতুবারা ওই কর্মসূচি থেকে  ১২ লাখ ডলার ঘুষ খেয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ইন্দোনেশিয়ার দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা এরইমধ্যে বাতুবারার কয়েকটি সুটকেস, ব্যাকপ্যাক এবং কয়েকটি খাম আটক করেছে যার মধ্যে ১২ লাখ ডলার সমমূল্যের অর্থ পাওয়া গেছে। সম্প্রতি মন্ত্রীর বিরুদ্ধে সিরিজ অভিযান চালানো হয়। তাকে সন্দেহের তালিকায় রাখার কারণে নিজেই আজ দুর্নীতিবিরোধী সংস্থার সদর দপ্তরে হাজির হন। সামপ্রতিক সপ্তাহগুলোতে এই নিয়ে প্রেসিডেন্ট জোকো উইদোদো সরকারের দ্বিতীয় কোন মন্ত্রী দুর্নীতির ঘটনায় গ্রেফতার হলেন। জলিয়ারি বাতুবারাকে গ্রেপ্তারের পর প্রেসিডেন্ট উইদোদো বলেছেন, ‘এই অর্থ জনগণের, করোনাভাইরাসের মহামারী ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় অর্থনীতি পুনরুদ্ধার করার অর্থ এটি।’ তিনি অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন, কোনো দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তাকে তিনি সুরক্ষা দেবেন না।করোনাভাইরাসের মহামারীতে ইন্দোনেশিয়ার অর্থনীতি মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে দেশটির [বিস্তারিত...]

ভেনিজুয়েলায় জাতীয় নির্বাচনে মাদুরোর সমাজতন্ত্রী পার্টির বিজয়

সংলাপ ॥ ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোর নেতৃত্বাধীন ক্ষমতাসীন সমাজতন্ত্রী পার্টি দেশটির জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বড় ধরনের বিজয় লাভ করেছে। যখন আমেরিকাসহ পাশ্চাত্যের বহু সংখ্যক দেশ মাদুরো সরকারের ওপরে নিষেধাজ্ঞা আরোপসহ নানামুখী চাপ সৃষ্টি করেছে তখন তার দল এই বিজয় পেল। এ বিজয়ের মধ্যদিয়ে মাদুরো দেশটিতে তার ক্ষমতা আরো সুসংহত করতে সক্ষম হবেন বলে মনে করা হচ্ছে। মার্কিন সমর্থিত বিরোধী নেতা হুয়ান গুয়াইদো তার জোটকে নির্বাচন বয়কট করার আহবান জানিয়েছিলেন। এ সত্ত্বেও ভেনিজুয়েলার সাধারণ মানুষ ব্যাপকভাবে নির্বাচনে ভোট দিয়েছেন। ভেনিজুয়েলার জাতীয় নির্বাচন পরিষদের সভাপতি ইন্দিরা আলফোনজো জানিয়েছেন, মাদুরো ও তার ক্ষমতাসীন সমাজতন্ত্রী দল এ পর্যন্ত গণনা করা শতকরা ৮০ ভাগ ভোটের মধ্যে ৬৭.৭ শতাংশ ভোট পেয়েছে। বয়কট ভেঙে মাদুরো-বিরোধী যে জোট নির্বাচনে অংশ নিয়েছে তারা পেয়েছে শতকরা ১৮ ভাগ ভোট। বিপুল বিজয়ের মাদুরো সাংবাদিকদের বলেন, জাতীয় সংসদের বিরোধীদের চরম আধিপত্যের দিন শেষ হয়েছে। [বিস্তারিত...]

‘বর্তমান সংলাপ’ পালন করছে সাধক কাজী নজরুলের ‘ধূমকেতু’র ভূমিকা

শেখ উল্লাস ॥ বাংলাদেশের মিডিয়া জগতে বর্তমানে সাংবাদিকতার নামে বাণিজ্যিক স্বার্থোদ্ধারের তৎপরতা যখন স্পষ্টভাবে প্রতিভাত, সেই প্রেক্ষাপটে ধূমকেতুর মতো পত্রিকা এবং সাধক কাজী নজরুলের মতো সাংবাদিক-সম্পাদকের বড় প্রয়োজন।  মানুষ সাংবাদিকদেরকে দেখতে চায় এমন কবি হিসেবে, সাধক হিসেবে যাদের কাছে দেশ, জাতি আর দেশের মানুষের স্বার্থটাই হবে বড়, সাংবাদিকতা রুটি-রুজি উপার্জনের উপায় হিসেবেই শুধু নয়, সামাজিক অঙ্গীকারের দিকটাই এতে প্রাধান্য পাবে। যে সাংবাদিকতা মিশন নয় সেটাকে সাংবাদিকতা না বলে অন্য কিছুই বলাই শ্রেয়। কেন না, এতে কাজী নজরুল, তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়াদের মতো সাংবাদিকদের আত্মা কষ্ট পায়। সাংবাদিকতার সংজ্ঞা আজ তাই পরিবর্তনের সময় এসেছে। নতুন করে সাংবাদিকতার সংজ্ঞা নির্ধারিত হওয়া উচিত। নজরুল তাঁর ‘ধূমকেতু’তে লিখেছিলেন, ‘পূর্ণ স্বাধীনতা পেতে হলে সকলের আগে আমাদের বিদ্রোহ করতে হবে। .....আর বিদ্রোহ করতে হলে সকলের আগে আপনাকে চিনতে হবে। বুক ফুলিয়ে বলতে হবে, ‘আমি আপনারে ছাড়া করি না কাহারে কুর্নিশ।’ কুরআন বলেছে, ‘আত্মজয়ের চেষ্টাই সর্বশ্রেষ্ঠ [বিস্তারিত...]

বর্তমান সংলাপ-প্রতিষ্ঠার ২৮ বছর আমরা নিরপেক্ষ নই-সত্যের পক্ষে

বর্তমান সংলাপ-প্রতিষ্ঠার ২৮ বছর আমরা নিরপেক্ষ নই-সত্যের পক্ষে সাইমা (মাস্কাট) ॥ সূফী সাধক আনোয়ারুল হক আর্শীবাদপুষ্ট এবং সূফী সাধক শেখ আবদুল হানিফ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত বর্তমান সংলাপ পত্রিকা দীর্ঘ ২৮ বছর যাবৎ দেশের গণ-মানুষকে সত্যের একমাত্র দিকপাল হিসাবে মানুষকে সত্যের দিকে আহ্বান করে চলেছে। বাংলাদেশে সত্য প্রচারে অসামান্য অবদান এ পত্রিকার। একটি জাতিকে সুস্থ ও স্বাভাবিক করতে হলে, নিশ্চিত সত্য পথ ধরে চলতে হবে- ইহাই প্রচলিত নিয়ম।  কিন্তু দেশের গণ-মানুষ জানে না-সত্য কি ? মুখে শুধু সত্য সত্য বললেই কেহ সত্য হয় না। জানা আবশ্যক, সত্য কি? এবং ইহা কোথায় থাকে। কিছু জানতে হলে, যিঁনি জানেন, তাঁর নিকট  থেকে শিখতে হয়। সাভারে ট্যানারী শিল্পের বর্জ্য ধলেশ্বরী নদীতে পড়ছে। ফলে ধলেশ্বরী নদীর পানি বিষাক্ত তথা বিষে পরিণত হয়েছে। কেউ যদি ধলেশ্বরী নদী থেকে ২ বা ৫ মিলিগ্রাম পানি পান করেন, তবে তাঁর জীবন রক্ষা করতে হলে, একটি বিশেষায়িত হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে। ট্যানারী বা শিল্প প্রতিষ্ঠানের বর্জ্যে যদি ধলেশ্বরী নদীর পানি বিষাক্ত হয়, [বিস্তারিত...]

আত্মপরিচয়ের সন্ধানে আপ্রাণ প্রয়াস!

সংলাপ ॥ ভাষার কারুকার্যে, কথার  বুননে, শব্দের গাঁথুনি দিয়ে হয়তো দেশ-স্বাধীনতা-মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে রচনা করা যাবে চটকদার কোন প্রবন্ধ বা হৃদয়াবেগ। কিন্তু যথার্থ বাক্যে যথার্থ মর্যাদায় সত্য ইতিহাসকে তুলে ধরা কি কখনো যাবে? না যাচ্ছে? ইতিহাসের সত্যতা অটুট রেখে ইতিহাসের প্রকৃত আদলটা তুলে ধরা বিরল কাজ। কেননা, যা কিছু অতীত এবং সময়ের সাথে সংগ্রাম করে স্থান দখল করে থাকে বর্তমানের, তা কালের বিবর্তনে, কলমের পক্ষপাতিত্বে, স্বার্থের সংঘাতে, নীতির বেসাতিতে কখনো পাল্টে ফেলে রং, কখনো সাজে ঢং। এই বাস্তব সত্যের বিকল্প এখনো দেখা যায়নি। কিন্তু তাই বলে কি কালের জটাজালে নিবন্ধ হয়ে একটি ইতিহাস প্রজন্ম থেকে প্রজন্ম স্তরে ভুল আদলে, ভুল দর্শনে, ভুল উপাত্ত নিয়ে প্রচারিত হতে থাকবে? আর এই ভুলের বিপাকে বিভ্রান্ত হতে থাকবে নতুন প্রজন্ম? ধ্বংস হবে চৈতনিক উত্থান? কিন্তু - কেন? সঠিক ইতিহাস জানা একটি জাতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তার অতীত ইতিহাস থেকেই সে নিজেকে চেনে, নিজেকে জানে। ইতিহাস [বিস্তারিত...]

সামাজিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ে নিপতিত জাতি!

মায়ের জাতকে সর্বস্তরে অধিকার ও সম্মান দেয়াই হবে বিজয়ের সবচেয়ে বড় পরিচর্যা সংলাপ॥ শক্ত অপশক্তির বাধাকে পরাজিত করে বাঙালি জাতির প্রচেষ্টায় অর্জিত হয় স্বাধীনতা। সেই অর্জিত বিজয়ের সার্থকতা আসে চর্যার মধ্যে দিয়ে। বিজয় একটা অবস্থান, বাংলাদেশের জন্য এটা বড় প্রাপ্তি। এর পরিচর্যা না করলে, শুধুই আচার-নীতির মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকলে একসময় হারিয়ে যাবে প্রাপ্তিটুকুও। একটা দেশ শান্তির বাগান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে যখন মা-মাতৃভাষা-মাতৃভূমি-মানুষ সেই দেশে বেশি সম্মান ও গুরুত্ব পাবে। মায়ের জাতকে অবহেলা করে, দাবিয়ে রেখে বা ভোগের সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার করে কোনো জাতি বিশ্বে সম্মানজনক স্থান দখল করতে পারেনি। মা পারেন যেমন একটা সংসারকে সুখের আধার ও শান্তিধাম করে গড়ে তুলতে তেমনি সুযোগ পেলে সমাজ ও রাষ্ট্রেরও আমূল সংস্কার সাধন করতে পারেন মায়ের জাত। তাই মা ও মায়ের জাতকে আমাদের দেশে সর্বস্তরে সবচেয়ে বেশি অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্য দিয়ে জায়গা ছেড়ে দিতে হবে যাতে [বিস্তারিত...]

সূফী সাধক আবু আলী আক্তার উদ্দিন-এঁর বাণী তাৎপর্য অন্বেষণে

শাহ্ সূফী ড. এমদাদুল হক ॥ ‘সত্য’ একটি বহু অর্থবোধক শব্দ। সত্যের কোন সংজ্ঞা দেয়া যায় না। কারণ, সকল সংজ্ঞাই মানুষের ধারণা প্রসূত। সত্য কোন ধারণা নয় যাকে শব্দের সীমানায় আবদ্ধ করা যায়। ব্যাংকে টাকা জমানোর মতো কিংবা লাইব্রেরীতে বই সংগ্রহ করার মতো সত্য সংগ্রহ করা যায় না। সত্যকে স্মৃতিতে আটকে রাখা যায় না। বরঞ্চ স্মৃতি ও পূর্ব ধারণা আছে বলেই আমরা সত্যকে দেখতে পারি না। পানির সংজ্ঞা আমরা দিতে পারি। কিন্তু পানির সংজ্ঞা আর পানি এক নয়। এক ফোঁটা পানি সত্য, কিন্তু পানি সম্পর্কে হাজার পৃষ্ঠার বিবরণ ও বিশ্লেষণ পানি নয়। পানি সম্পর্কে তথ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ যেমন পানি নয়, সত্য সম্পর্কে পর্যালোচনাও তেমনি সত্য নয়। পানি পান করা ছাড়া পানি সম্পর্কে কোন জ্ঞান লাভ করা অসম্ভব। একইভাবে নিজের জীবনে সত্যকে প্রতিষ্ঠা না করে কেউ সত্যকে দেখতে পারে না। তাই হযরত আবু আলী আক্তার উদ্দীন বলছেন  ‘সত্য দেখার আগে [বিস্তারিত...]

এই সপ্তাহে….

* নিজের কথা ৫০

* ধাতু সুধায় লালন পাঠ – ২১

* মিরপুর আস্তানা শরীফের ‘জ্যোতিভবন’এ ‘আচরণ’ নিয়ে ৮ম পর্বের আলোচনা

* উপমহাদেশের উজ্জ্বল তারকা স্বামী বিবেকানন্দ-শুভ আবির্ভাব দিবস

* প্রবাহ

 

 

সত্য সন্ধানে সংলাপ