তালেবান আগের চেয়েও শক্তিশালী হচ্ছে !!!!

সংলাপ ॥ আফগানিস্তানে মার্কিন আগ্রাসনের ১৪ বছর পরেও তালেবানের অবস্থান আগের চেয়ে শক্তিশালী হয়েছে। মার্কিন কংগ্রেসে দেয়া প্রতিবেদনে এ কথা বলেছেন স্পেশাল ইনপেক্টর জেনারেল ফর আফগানিস্তান রিকনস্ট্রাকশন বা এসআইজিআর। গতকাল এ প্রতিবেদন কংগ্রেসে পেশ করা হয়েছে।

এতে আরো স্বীকার করা হয়েছে, ২০০১ সালে মার্কিন বাহিনীর আগ্রাসনের পর এখন তালেবান গোষ্ঠী দেশটির সবচেয়ে বেশি taleban1জায়গা নিয়ন্ত্রণ করছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগানিস্তানের নাজুক অর্থনীতির অবনতি ঘটছে। এছাড়া দেশটি পুনর্গঠন তৎপরতার ক্ষেত্রে কলঙ্কজনক নানা জালিয়াতি ঘটেছে।

মার্কিন অর্থায়নে পুনর্গঠন প্রকল্পগুলো নিরাপত্তার অভাবে পরিদর্শন করা অসম্ভব হয়ে পড়েছে বলে জানানো হয়েছে এ প্রতিবেদনে। মার্কিন কর্মকর্তারা তো নয়ই, এমনকি আফগান কর্মকর্তারাও এসব প্রকল্প পরিদর্শনে যেতে পারছেন না বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

আফগানিস্তান পুনর্গঠনে আমেরিকা ১১৩ বিলিয়ন ডলার ব্যয় করেছে বলে দাবি করা হয় এ প্রেতিবেদনে।

দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের পর মার্শাল প্ল্যানের আওতায় পশ্চিম ইউরোপ পুনর্গঠনে যে অর্থ ব্যয় করা হয়েছিল ডলারের হিসাবে তার চেয়ে বেশি অর্থ ব্যয় হয়েছে আফগানিস্তানে।

মার্কিন লেফটেন্যান্ট জেনারেল জন উইলিয়াম নিকোলসন বলেছেন, আফগানিস্তানে সন্ত্রাস দমনে পাকিস্তানের সহযোগিতা নিতে হবে। সিনেটের আর্মড সার্ভিস কমিটির শুনানিতে এ কথা বলেন তিনি। নিকোলসনকে পুরোপুরি জেনারেল হিসেবে পদোন্নতি দেয়া এবং আফগানিস্তানে মোতায়েন ন্যাটো ও মার্কিন সেনাপ্রধান হিসেবে নিয়োগের বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়েছে। গত শনিবার তার এ বক্তব্য প্রকাশ করা হয়। তিনি আরো বলেছেন, সন্ত্রাসী তৎপরতা দমনে উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় পাক সেনাবাহিনীর অভিযানের গুরুত্ব রয়েছে। মার্কিন সিনেটে দেয়া লিখিত শুনানিতে তিনি বলেন, উপজাতি অধ্যুষিত এলাকায় পাক সেনাবাহিনীর চলমান অভিযানের মধ্য দিয়ে পাকিস্তান ভূখণ্ড ব্যবহার করে সন্ত্রাসীদের আফগানিস্তানে নাশকতা চালানোর সক্ষমতা কমে গেছে।

এছাড়া তিনি অভিন্ন সীমান্তে পাক-আফগান সহযোগিতার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন। সীমান্ত নিরাপত্তা এবং  সন্ত্রাসবাদ-বিরোধী অভিযানের জন্য এর গুরুত্ব রয়েছে বলে জানান তিনি।