হোম পেজ

রাজনৈতিক সৌজন্য জনস্বার্থ রক্ষা করে

সংলাপ ॥ গণতন্ত্রে জয় পরাজয় আছেই। সেটা মেনে নিয়েই রাজনৈতিক সৌজন্য বজায় রেখে এখন দেশের নেতা-নেত্রীদের আগামী দিনের লক্ষ্যে এগতে হচ্ছে।  সরকার ও বিরোধী উভয়কেই স্মরণ রাখতে হবে জনতার ভোটেই কিন্তু জয়-পরাজয় হয়েছে। জনতার রায়কে মান্যতা দিয়ে জনস্বার্থ রক্ষা করাটাই হোক সরকারের লক্ষ্য। মানুষের স্বার্থরক্ষা এবং উন্নয়ন হলে দেশকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার কাজটিও সহজ হবে। তাই কারও তরফেই এমন অসংযত আচরণ শোভা পায় না যাতে মানুষ বিভ্রান্ত ও বিরূপ হয়। পাশাপাশি এটাও স্মরণ রাখা দরকার, একটা দেশের অগ্রগতি তখনই সম্ভব যখন সে দেশের সব অঞ্চলগুলিতেও সমানতালে অগ্রগতি ও উন্নয়ন ঘটবে। তাই দেশের সামগ্রিক উন্নয়নের স্বার্থে সরকার ও তৃনমূল পর্যায়ের মধ্যে সুসম্পর্ক থাকাটা বিশেষ জরুরি। যার সুফল পাবে দেশের মানুষ। রাজনৈতিক শিষ্টাচার বজায় রেখেই তা করতে হবে। সেক্ষেত্রে আনুষ্ঠানিক সৌজন্য বজায় রাখতে হয়। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব অনেক, প্রত্যাশাও আছে [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... সতর্কতার সময়

সংলাপ ॥ বাংলাদেশের সংস্কৃতির চলমান ধারাটি হল - দিবে আর নিবে, মিলিবে মেলাবে। কিন্তু সেই সংস্কৃতি থেকে আমাদের সরিয়ে এনেছে অসহিষ্ণুতা আর স্বল্পবিদ্যা। আর সবথেকে বেশি জায়গা করে নিয়েছে বিদ্বেষ। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের প্রতি বিদ্বেষ। আর ধর্মীয় সম্প্রদায়গত বিদ্বেষ। এই দুটি ক্রমবর্ধমান। কারণ অত্যন্ত স্পষ্ট। দ্রুতহারে শিক্ষা, সংস্কৃতির চর্চা ও অনুশীলন কমে যাচ্ছে। তাহলে সামাজিক জীবনের দৈনন্দিন কী নিয়ে আবর্তিত হবে? সেই জায়গাটা নিয়েছে রাজনীতি আর ধর্মীয় বিদ্বেষ। তাই নিরন্তর আলোচনা, চর্চা আর মোবাইলে আলাপচারিতায় সবথেকে বেশি জায়গা করে নেয় এই দুটি বিষয়। অন্য বিষয় নিয়ে অনেকক্ষণ ধরে সময় অতিবাহিত করা কিংবা আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার সমস্যা হল অন্য বিষয়ে চর্চাই নেই। বই পড়া, গান শোনা, আন্তর্জাতিক ইস্যু, বিশ্ব রাজনীতি কিছুরই চর্চা নেই। তাই আজকাল দেখা হলে কিংবা কোনও হাই হ্যালো শুরু হওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই তৃতীয় বা চতুর্থ বাক্য হিসেবে [বিস্তারিত...]

সরকারের স্বচ্ছ ভাবমূর্তিই আসল

সংলাপ ॥ নির্বাচনে জিতে ফেরার পর যেখানে যা ঘাটতি আছে তা পূরণ করার কাজ এখনই শুরু করা দরকার। বহু মানুষের মধ্যে বিএনপিকে সমর্থনের প্রবণতা যে দেখা দিয়েছে তা অস্বীকার করার নয়। এই প্রবণতা আটকাতে হলে সবার আগে স্বচ্ছ ভাবমূর্তি তৈরি করতে হবে সরকারকে, বিশেষতঃ নির্বাচনের আগে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে যে সব বিষয়ে প্রচারের হাতিয়ার করেছিলেন বিরোধি রাজনীতিকরা এবং সেটা যে মানুষের মধ্যে যথেষ্ট প্রভাব ফেলেছিল তা অস্বীকার করা যায় না। তাই মানুষের আস্থা পেতে হলে সবার আগে ওইসব অভিযোগগুলি যাতে কোনওভাবেই আর না ওঠে সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ জরুরি। সরকারের জনহিতকর প্রকল্পগুলির সুযোগ-সুবিধা ভোগ করা সত্ত্বেও কেন নাগরিকরা বিরোধী দলগুলোর দিকে ঝুঁকছে, যা রাজীতিতে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে তা পর্যালোচনা করতে গিয়ে আসল সত্যটি উঠে আসছে। বিশ্লেষণের পর দেখা যাচ্ছে প্রশাসনের সর্বস্তরে ঘুষ, খাদ্যে ভেজাল এবং কমিশন খাওয়ার কারবার প্রধান [বিস্তারিত...]

প্রকৃতি বাঁচলে আমরা বাঁচব

প্রকৃতি বাঁচলে আমরা বাঁচব সংলাপ ॥ নির্বাচনের সময়েও পরিবেশ কতটা গুরুত্ব পেয়েছে, তা তলিয়ে দেখলে দেশের অবস্থা স্পষ্ট বোঝা যায়। রাজনৈতিক দলের প্রচারসভায় দুর্নীতি থেকে দিনের বাজারমূল্য, সব কিছু নিয়ে আলোচনা চললেও কিন্তু পরিবেশ নিয়ে একটা শব্দও বিবদমান দলগুলির মুখে শোনা যাচ্ছে না। কেন দেশ জুড়ে উন্নয়নের নামে বনাঞ্চল ধ্বংস করা হচ্ছে, কেনই-বা একের পর এক পরিবেশ-প্রতিষ্ঠানগুলিকে দুর্বল করা হচ্ছে, কেন ঢাকার বায়ুদূষণ কমাতে সরকার কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করছে না, কেন পরিবেশবান্ধব পরিবহণের ব্যবস্থা করা হচ্ছে না। কেন যাবতীয় আইনি প্রতিরোধ ব্যবস্থা থাকা সত্ত্বেও দেশের জলাভূমিগুলো ক্রমেই চুরি হয়ে যাচ্ছে। কেন নদীগুলোকে বাঁচানোর জন্য সরকার কোনও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিচ্ছে না! কিছু দিন আগে একটি আন্তর্জাতিক পরিবেশ-বিষয়ক সংস্থা তাদের গবেষণাভিত্তিক রিপোর্টে জানায় যে, ২০১৮ সালের বায়ুদূষণের নিরিখে পৃথিবীর সবচেয়ে দূষিত শহরের মধ্যে ঢাকার ঠিকানা আছে। প্রায় হাজার চারেক শহরের সেই তালিকায় ঢাকা আছে পঞ্চাশ [বিস্তারিত...]

কালো টাকা!

সংলাপ ॥ এবার বাজেটে কালো টাকা সাদা করার সুযোগ রাখা হয়েছে ৷ তবে কালো টাকা আসলে কী তা নিয়ে অস্পষ্টতা আছে৷ এর পরিমান নিয়ে নেই সুনির্দিষ্ট কোনো হিসাব৷ প্রশ্ন আছে, কালো টাকা সাদা করলে দেশের কোনো লাভ হয় কিনা? অর্থনীতির ভাষায় কালো টাকা বলতে সে সম্পদ বা আয়কে বুঝায় যে সম্পদ বা আয়ের বিপরীতে কর প্রদান করা হয়নি৷ কিন্তু এর আবার দু'টি ভাগ আছে, একটি হলো বৈধভাবে উপার্জিত সম্পদ, আরেকটি হলো অবৈধভাবে উপার্জিত সম্পদ৷ আইনে কালো টাকা হলো অপ্রদর্শিত আয়৷ যে আয়ের কর দেয়া হয়নি৷ সেই আয় বৈধ এবং অবৈধ দুটোই হতে পারে৷ কিন্তু এনবিআর আয়কর নেয়ার সময় আয়ের উৎস জানতে চায়না৷ এখানে আয় বৈধ না অবৈধ সেটা আলাদা করার সুযোগ নেই৷ তবে খরচের খাত যখন দেখানো হয় তখন তার আয়ের উৎস বলতে হয়৷ এটি আয়কর দেয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত [বিস্তারিত...]

প্রকৃতিচেতনা দেশীয় ঐতিহ্য

প্রকৃতিচেতনা দেশীয় ঐতিহ্য সংলাপ ॥ শুধুমাত্র চারাগাছ রোপণ করলেই হবে না, তার যত্ন নিতে পানি দিতে হবে, যাতে সে একটা বৃক্ষে পরিণত হতে পারে- সাধক বাণী। বাণীটা সুশ্রাব্য। কিন্তু যে কোনও সুশ্রাব্য কথাই মূল্যহীন হয়ে পড়ে, যদি না তাকে কার্যে পরিণত করা যায়। প্রসঙ্গত, হোয়াইট হাউসের প্রাঙ্গণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ফরাসি প্রেসিডেন্ট ইমানুয়েল মাকরঁ গত বছর যুগ্ম ভাবে যে ওক গাছের চারাটি ঘটা করে  রোপণ করেছিলেন, সেটা মারা গেছে। সে একা মারা যায়নি। পরিবেশ দিবস উপলক্ষে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে প্রচুর চারাগাছ রোপণ করা হয়, কিন্তু তার সামান্য অংশই বেঁচে থাকে। প্রতিটি চারাকে উপযুক্ত যত্নে লালন করে বৃক্ষে পরিণত করবার মতো ধৈর্য মানবসমাজ হারাচ্ছে। দেশে পরিবেশ সংক্রান্ত সচেতনতাও এখন চারাগাছের স্তরে। আড়ম্বরের সঙ্গে একটা আস্ত দিন উপহার দিয়ে তার সূচনা হয়েছে ঠিকই, কিন্তু বৃক্ষে পরিণত হয়নি। সর্বাঙ্গে তার অযত্নের ছাপ স্পষ্ট। [বিস্তারিত...]

ইউরোপ : আশা-আশঙ্কায়

সংলাপ ॥ গণতন্ত্র ও মধ্যপন্থা ছেড়ে ইউরোপ নির্ধারকভাবে এবার দক্ষিণপন্থার দিকে ঝুঁকবে কিনা, ইউরোপীয় পার্লামেন্টের নির্বাচনের আগে এই আশঙ্কাই প্রবল ছিল মহাদেশের রাজনৈতিক মহলে। তবে ভোটের ফল বেরনোর পর ফিরেছে স্বস্তি। দেখা যাচ্ছে, মধ্যপন্থী দক্ষিণ ও বাম দলগুলি, যারা এতদিন ভোটারদের আস্থা অর্জন করেছিল, তারাই ইউরোপীয় ইউনিয়নের ৭৫১ আসনের মধ্যে প্রায় দুই তৃতীয়াংশ ধরে রাখতে পেরেছে। তবে গতবারের তুলনায় তাদের হাতছাড়া হয়েছে ৮০টি আসন। অন্যদিকে আশার কথা এই যে, লিবারাল ও গ্রিন পার্টি পেয়েছে গতবারের চেয়ে ৫০টি বেশি আসন। বিশেষ করে ইউরোপ জুড়ে পরিবেশবাদী গ্রিনদের সাফল্য উল্লেখ করার মতো। কট্টরপন্থী বামেরা এবার ভোটে তেমন সুবিধে করে উঠতে পারেনি। তবে উল্লেখযোগ্য হারে না হলেও কিছুটা শক্তি বেড়েছে পপুলিস্ট ও জাতীয়তাবাদী শক্তির। সামগ্রিক স্বস্তির মধ্যে এটা উদ্বেগের রেখা। পাঁচ বছর আগে ইউরোপীয় পার্লামেন্ট নির্বাচনে ভোট পড়েছিল ৪২.৬%। এবার ভোটদানের হার ৫০.৫%। [বিস্তারিত...]

আবারো সৌদি বিমানবন্দরে হামলা

আবারো সৌদি বিমানবন্দরে হামলা সংলাপ ॥ সৌদি আরবের আবহা বিমানবন্দরে আবারো ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইয়েমেনের হুথি আনসারুল্লাহ আন্দোলন সমর্থিত সেনারা। ইয়েমেনের শিশুদের ওপর নির্মম বিমান হামলার জবাবে আবহা বিমানবন্দরে এ হামলা চালানো হয়। গত রোববার ইয়েমেনি সেনারা কাসেফ-কে২ ড্রোন দিয়ে সৌদি বিমানবন্দরে হামলা চালায়। আল-মাসিরা টেলিভিশন এ খবর দিয়েছে। আবহা বিমানবন্দরটি আসির প্রদেশের জনপ্রিয় আবহা পাহাড়ি রিসোর্টের কাছে অবস্থিত। এর আগেও ইয়েমেনি সেনারা আবহা ও জিজান প্রদেশের একটি বিমানবন্দরে হামলা চালিয়েছে। গত কিছুদিন ধরে ইয়েমেনের সেনারা সৌদি আরবের সামরিক অবস্থানে প্রতিমোধমূলক হামলা জোরাদার করেছে। সৌদি আরবের দক্ষিণাঞ্চলীয় জিজান, নাজরান, আবহা ও খামিস বিমানবন্দরকেই প্রধান টার্গেট হিসেবে বেছে নিয়েছে ইয়েমেনি সেনারা। গত মাসে সৌদি আরবের রাজধানী রিয়াদে গুরুত্বপূর্ণ তেল স্থাপনায় হামলা চালিয়েছিল ইয়েমেনি ড্রোন। ইয়েমেনে সামরিক আগ্রাসনের সঙ্গে জড়িত দেশগুলোকে সম্প্রতি হুথি আন্দোলন সতর্ক করেছে বলেছে, এসব দেশের বিমানবন্দরসহ গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় তারা হামলা চালাবে। ইয়মেনের জনপ্রিয় হুথি [বিস্তারিত...]

সন্ত্রাসমুক্তি : মোদির হাতিয়ার!

সন্ত্রাসমুক্তি : মোদির হাতিয়ার! সংলাপ ॥ পাকিস্তান এবং সন্ত্রাস। আন্তর্জাতিক মঞ্চে এটাই যে নরেন্দ্র মোদির অন্যতম লক্ষ্য হতে চলেছে, তা স্পষ্ট বুঝিয়ে দিলেন প্রধানমন্ত্রী। কিরঘিজস্তানের রাজধানী বিশকেকে অনুষ্ঠিত সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশন সম্মেলনে মোদি বললেন, যে দেশ সন্ত্রাসে অর্থ জোগাচ্ছে, সমর্থন দিচ্ছে... জবাবদিহি করতে হবে সেই দেশকে। বিশ্বের সামনে তাদের মুখোশ খুলে দিতে হবে। প্রয়োজনে সন্ত্রাস দমন ইস্যুতে বিশ্বব্যাপী সম্মেলনের প্রস্তাব দিয়েছেন মোদি। প্রধানমন্ত্রী বলেছেন, গত সপ্তাহের রবিবার শ্রীলঙ্কার সেন্ট অ্যান্টনিজ গির্জায় গিয়ে সন্ত্রাসের ঘৃণ্য রূপ দেখেছি। শত শত নিরপরাধ মানুষ প্রাণ দিয়েছে সেখানে। আর এই প্রত্যেকটি বাক্য মোদি প্রয়োগ করেছেন ইমরান খানকে সামনে বসিয়ে। পাকিস্তানের ‘ওয়াজিরে আজম’। এমনিতেই সম্মেলনের উদ্বোধনের সময় যখন সব রাষ্ট্রনেতাই দাঁড়িয়ে ছিলেন, ইমরান চেয়ারে বসে থেকে সমালোচনার পাত্র হয়েছেন। তার উপর মোদির এই আক্রমণ। মোদি নিজে সরাসরি পাকিস্তানের নাম করেননি ঠিকই, কিন্তু তার লক্ষ্য যে প্রতিবেশী দেশই ছিল, সে [বিস্তারিত...]

এভারেস্টের চূড়ায় আবহাওয়া ষ্টেশন

এভারেস্টের চূড়ায় আবহাওয়া ষ্টেশন সংলাপ ॥ বিশ্বের সর্বোচ্চ আবহাওয়া স্টেশন বসল এভারেস্টের চুড়া। ইতিমধ্যেই সেই সাফল্যের খবর ঘোষণা করেছে ন্যাশনাল জিওগ্রাফিক সোসাইটি। আবহাওয়ার খবর পেতে নানরকম প্রযুক্তির সাহায্য নেন আবহাওয়াবিদরা। তবে এভারেস্টে, যেখানে তাপমাত্রা হিমাঙ্কের নীচে থাকে, সেখানে তাপমাত্রা পরিমাপ করতে অনেকটাই কষ্টের মুখে পড়তে হত আবহাওয়াবিদদের। কিন্তু সেই সমস্যার সমাধান হল অবশেষে। বলা চলে পাকাপাকি সমাধান হয়ে গেল। এভারেস্টের চূড়ায় বসল বিশ্বের সর্বোচ্চ আবহাওয়া ষ্টেশন। ফলে খুব সহজেই মুশকিল আসান হবে সেখানকার আবহাওয়াবিদদের। এভারেস্টের চূড়ায় অবস্থাপন করা হয়েছে একটি সম্পুর্ণ স্বয়ংক্রিয় মেশিন। যা খুব সহজেই আবহাওয়ার খবর দেবে আবহাওয়াবিদদের। তবে শুধু আবহাওয়াবিদরাই নন, গবেষক, পর্বতারোহী এমনকি সাধারণ মানুষও এই স্বয়ংক্রিয় মেশিনটির দ্বারা উপকৃত হবেন। কারণ এই মেশিনেই ফুটে উঠবে পাহাড়ের রিয়েল-টাইম তথ্য। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, বিশ্বে প্রথম এত উচ্চতায় আবহাওয়া দপ্তর স্থাপন করা হল। ন্যাশানাল জিওগ্রাফিক সোশ্যাইটির মার্কেটিং এবং কমিউনিকেশনের ডিরেক্টর একটি সাক্ষাতকারে জানিয়েছেন, [বিস্তারিত...]

অতীত হতে বর্তমানে উপলব্ধি!

সংলাপ ॥ এখন উচ্ছ্বাসকে কমিয়ে এনে কাজ করার সময়। যে প্রতিশ্রুতি শেখ হাসিনা সারা দেশজুড়ে বিলি করেছিলেন, মানুষ তাতে আস্থা রেখেছে। দু’হাত তুলে তাঁকে ভোট দিয়ে ক্ষমতায় এনেছে। মানুষের যে পূর্ণ আস্থা তিনি পেয়েছেন, এখন উচিত কাজের মধ্য দিয়ে সেই বিশ্বাসের পূর্ণ মর্যাদা রাখা। এখন দরকার মানুষের জন্য কাজ করা। এদেশের অধিকাংশ মানুষ কত অসহায়, তা তাঁর অজানা নয়। সেই অসহায় মানুষের ভোটেই তাঁর পুনরায় ক্ষমতায় আরোহণ। সুতরাং তাদের কথা ভুলে গেলে চলবে না। মন্ত্রিসভা গঠন করে চমক এনেছেন তিনি। এখন দেশ সব থেকে বেশি কর্মহীনতার গ্রাসে। তাই দেশের বেকারত্ব দূর, দূর্নীতি দমন এবং ভেজাল প্রতিরোধ করাটা তাঁর সামনে মস্ত চ্যালেঞ্জ। দেশে শিক্ষার হার বাড়বে। মানুষ ক্রমে উচ্চশিক্ষিত হবেই। কিন্তু তার সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বেকারের সংখ্যা বাড়বে, সেটা মোটেই কাম্য নয়। সরকারকে এর দায়িত্ব নিতে হবে। সমস্যার সুরাহা করতে [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... মানুষের অন্তরে দখল!

সংলাপ ॥ বাংলাদেশের রাজনৈতিক দলগুলোর উন্নত রাজনৈতিক চরিত্র অর্জনের কিংবা জনগণের ভেতর থেকে উন্নত চরিত্রের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের বাস্তবসম্মত ও যুক্তিসঙ্গত কোনো প্রচেষ্টা খুঁজে পাওয়া যায় না। ভালো কোনো উদ্যোগের প্রতি জনগণ আস্থা প্রকাশ করে না। এটা কেবল রাজনীতিকদেরই ব্যর্থতা নয়, এটা আমাদের গোটা জাতিরই ব্যর্থতা। সংবিধানে লেখা আছে রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, কিন্তু বাস্তবে কী দেখা যায়? দেশের শিক্ষাব্যবস্থাকে যে প্রকৃতি ও রূপ দেয়া হয়েছে, তা নিয়ে বাংলাদেশের রাষ্ট্রীয় ভবিষ্যৎ কোন দিকে ধাবমান তা সহজে জাতি অনুমান করতে পারছে। জনগণের অজ্ঞতাই এখন শাসক-প্রশাসকদের শক্তির উৎস। এই উপলব্ধি বাংলাদেশের শাসকশ্রেণির (সরকারি ও সরকারবিরোধী উভয় ধারার) লোকদের মধ্যে অত্যন্ত প্রবল। রাজনীতি বিশ্বাস করে যে, শুধু সমর্থক থাকলেই হয় না, থাকতে হয় সংগঠনের জোর। বড় দুর্ভাগ্যের কথা অনুচ্চারিত থাকে তা হল-সংগঠনের জোরটা অনেকাংশে নির্ভর করে শাসন ক্ষমতায় থাকা অথবা না-থাকার উপর। [বিস্তারিত...]

সমস্যাটা কতোটা গভীরে!!

সংলাপ ॥ মানবিকতা আর ধর্ম কি আলাদা? মুসলিম, হিন্দু, খ্রিস্টান সব ধর্মেই মানবিকতা আছে। সব ধর্মের মধ্যেই মানবিকতার জায়গা আছে, আবার যারা ধর্ম মানেন না, তারাও মানবতাবাদে বিশ্বাস করেন। যুদ্ধ বা দাঙ্গায় যারা ভিন ধর্মের ‘শত্রুকে বাঁচায়, দেখা যায় তারা বেশির ভাগই ধর্মভীরু পরিবারের সন্তান। সমস্যাটা কতোটা গভীরে! উনিশ শতকের আগেও ইংরেজি ‘রিলিজিয়ন’ শব্দটার প্রতিশব্দ কোনও ভারতীয় ভাষায় ছিল না। ছিল না অনড় কোনও ধর্মীয় পরিচিতি। হিন্দুসন্তান অশোক বৌদ্ধ হয়েছিলেন। আকবর ও তার উত্তরসূরি মুঘল বাদশাহরা নিজেদেরকে মুসলমান বলতেন। তাদের হিন্দু স্ত্রী’দের জন্য প্রাসাদে মন্দির থাকত। নবাব ওয়াজিদ আলি শাহ শিয়া মুসলমান, কিন্তু প্রাসাদে রাসলীলার আয়োজন করতেন, কৃষ্ণ সাজতেন। প্রতিটি ধর্মের মধ্যেই একটা সহিষ্ণুতার বার্তা আছে, সেখান থেকেই যুগে যুগে সাধককুল নারীশিক্ষা বিস্তারের কাজটা করেছিলেন, কাউকে ‘মানবতাবাদী’বা ‘নারীবাদী’ছাতার নীচে দাঁড়াতে হয়নি। যে তোমাকে বঞ্চিত করে, তাকে দান করো, যে [বিস্তারিত...]

সামাজিক স্বাধীনতা কত দূরে!

সংলাপ ॥ অনেকে বলতেই পারেন, মুসলমানরা যথেষ্ট উদার। তারা যথেষ্ট বৈচিত্রের কথা বলেন এবং শোনেন, তাদের অন্তরে ঘৃণা নেই, তারা অন্য জাতির প্রতি যথেষ্ট সহনশীল, তারা অন্য ধর্মের প্রতি সংবেদনশীল। তা হলে কী এমন ঘটল যে তারা অন্য সম্প্রদায়ের প্রতি ঘৃণা এবং বিদ্বেষ দেখাতে শুরু করলেন? মরুঝড় চলছে, কিন্তু অনেকেই বলছেন যে শ্রেণির লড়াই দিয়ে এই বিপদ ঠেকানো সম্ভব। শ্রেণির লড়াই নিশ্চিত জরুরি, কিন্তু শুধু শ্রেণির লড়াই করে কি এই ঘৃণা বিদ্বেষের পরিস্থিতি থেকে বের হওয়া সম্ভব? নাকি আর কিছু করণীয় আছে যা অনেকেই ভাবতে চাইছেন না? দেখা যাচ্ছে, গত দু-দশকে বাংলাদেশের কোণায়-কোণায় ধর্মীয় উগ্রবাদীদের বাড়বাড়ন্ত শুরু হয়েছে। বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে প্রায় সর্বক্ষণ ধর্ম সংকীর্তন চলছে । কেউ এর বাইরে বেরোতে পারছেন না। মা-বাবারা বাচ্চাদের এই অশান্ত সময়ে শান্ত করার নানা পদ্ধতির মধ্যে এটাকেও একটা প্রকরণ বলে অনেকে মনে [বিস্তারিত...]

পশ্চিমবাংলার ভাগ্য উন্নয়নে

সংলাপ ॥ ভারতবর্ষের স্বাধীনতা আন্দোলনে দেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে বাংলা। বাংলার রেনেসাঁ শিক্ষা সাহিত্য শিল্প সংস্কৃতি ধর্ম ও সমাজসংস্কার থেকে জীবনের নানা ক্ষেত্রে পথ দেখিয়েছে তৎকালীন সারা ভারতবর্ষকে। বাংলার এই অবদান এতটাই স্পষ্ট এখনও উমহাদেশের যে কারও পক্ষেই তা অস্বীকার করা সম্ভব হয়নি। উপমহাদেশের এবং বিশ্বে একটি নামী প্রতিষ্ঠান খুঁজে পাওয়া দুষ্কর যেখানে এক বা একাধিক বঙ্গসন্তান বিশেষ সাক্ষ্য রাখেননি বা রাখছেন না। স্মরণ করলে দেখা যায়, ভারতে সদ্য-অনুষ্ঠিত নির্বাচনের প্রচারে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি থেকে শুরু করে সমস্ত রাজনৈতিক দলের নেতা ও প্রার্থীরা পশ্চিমবাংলার অবদানের কথা মুক্তকণ্ঠে উচ্চারণ করেছেন। আর বাঙালির আক্ষেপটাও এখানে-সবকিছু দিয়েও ভারতের জাতীয় স্তরে পশ্চিমবাংলা এক উপেক্ষিত মাটি। পশ্চিমবাংলা শুধু দেবে, পরিণামে পাবে যাবতীয় উপেক্ষা বঞ্চনা। পরাধীন ভারতে বাঙালি ছিল ইংরেজ রাজশক্তির তীব্র বিরোধী। স্বাধীনতা উত্তরকালে সেই বাঙালির রাজনীতি বস্তুত আবর্তিত হচ্ছে কেন্দ্রের বিরোধিতাকে সম্বল করে। বাঙালির [বিস্তারিত...]

আরো বিস্ময় কি অপেক্ষা করছে?

আরো বিস্ময় কি অপেক্ষা করছে? সংলাপ ॥ ইয়েমেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী মুহাম্মাদ নাসের আল-আতিফি বলেছেন, প্রতিরক্ষা ক্ষেত্রে তার দেশ ভালো অগ্রগতি লাভ করেছে এবং সৌদি আরব ও তার মিত্ররা বিস্মিত হবে। গত ০১ জুন, শনিবার রাজধানী সানায় ইয়েমেনের প্রতিরক্ষা বিষয়ক কমিটির বৈঠকে আতিফি বলেন, তার দেশের সামরিক বাহিনী উন্নত অস্ত্র ও প্রযুক্তি তৈরি করেছে যা দেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও ঐক্য রক্ষার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয়তা পূরণ করবে। তিনি জোর দিয়ে বলেন, “আগ্রাসী সরকারগুলোর জন্য বিস্ময় অপেক্ষা করছে। এমন বিস্ময় অপেক্ষা করছে তারা যা কখনো দেখে নি ‘ইয়েমেনের প্রতিরক্ষামন্ত্রী বলেন, দেশের সামরিক বাহিনী ক্ষেপণাস্ত্র, রকেট, ড্রোন ও অনান্য অস্ত্র তৈরি করছে। আকাশ প্রতিরক্ষার ক্ষেত্রে বিভিন্ন ধরনের ব্যবস্থা তৈরির চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে ইয়েমেন। তিনি বলেন, ইয়েমেনের সেনারা পুরো দেশ মুক্ত এবং ভৌগালিক অখন্ডতা রক্ষা করবে। আতিফি বলেন, তার দেশের সেনারা এখন সৌদি আরবের গভীরে গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় হামলা চালাতে সক্ষম। গত বেশ [বিস্তারিত...]

কক্ষপথে মেঘনাদ!

কক্ষপথে মেঘনাদ! সংলাপ ॥ ভারতের এই গুপ্তচর উপগ্রহে আছে শত্রুশিবিরের জন্য বড় ‘ধাক্কা’। মহাকাশে মেঘনাদ বললে ভুল হবে না, সমুদ্রসীমানায় কোনও চিনা যুদ্ধজাহাজ লুকিয়ে আছে কি না অথবা পাকিস্তানের জঙ্গি ঘাঁটিতে সন্ত্রাসবাদীরা কী করছে, সেই গতিবিধি এক লহমায় চলে আসবে ভারতের কাছে। বুধবার ভোর ৫.৩০ মিনিট নাগাদ  অন্ধ্রপ্রদেশের শ্রীহরিকোটা থেকে মহাকাশে অত্যাধুনিক গুপ্তচর উপগ্রহ (রিস্যাট-২) পাঠাল ভারত। নির্ভুল ভাবে শত্রুশিবিরের উপর কড়া নজরদারি চালাতে মহাকাশে পাড়ি দিল ভারতের বিশ্বস্ত ‘গুপ্তচর’। ইসরোর মুকুটে যোগ হল নতুন পালক। সীমান্তের অন্য পারে শত্রুপক্ষের সেনাঘাঁটি বা জঙ্গিদের গোপন ঘাঁটির খুঁটিনাটি সভই চলে আসবে ভারতীয় মহাকাশ বিজ্ঞানীদের হাতে। ৬১৫ কিলোগ্রামের এই উপগ্রহটি স্থাপন করা হয়েছে পৃথিবীর নিম্ন কক্ষে ৫১৭ কিলোমিটার অর্বিটে।কোনও একটি নির্দিষ্ট লক্ষ্যবস্তুর ছবি দিনে দুই থেকে তিনবার তুলতে পারবে ভারতের ৬১৫ কেজি ওজনের এই নয়া ‘গুপ্তচর’। এর ফলে কোনও বাড়ি বা অঞ্চলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কী [বিস্তারিত...]

সত্য সন্ধানে সংলাপ