হোম পেজ

‘হাক্কানী দিবস’ প্রতীকী শপথের দিন, প্রতীকী সত্য দিবস

‘হাক্কানী দিবস’ প্রতীকী শপথের দিন, প্রতীকী সত্য দিবস শাহ্ ফাতেমা আফরোজ নাসরিন ॥ সত্য শাশ্বত - চির বহমান, চির অম্লান। হাক্কানী দিবস সার্বজনীন। সত্য সবার জন্য। মহাকাল এসে মিলে গেলো একটি বিন্দুতে। আকাশের বুকে গ্রহ নক্ষত্র আছে বলেই আকাশ এত সুন্দর। ফুল আছে বলেই প্রকৃতির রাজ্য এত মনোরম। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ আছে বলে সমুদ্র রূপময়। বিশ্ব চরাচর সত্যমানুষের রূপের ছটায় মুগ্ধ, ধন্য। তাঁদের স্নিগ্ধ জ্যোতিতে ত্রিভূবন আলোকিত। সে জ্যোতি দৃষ্টিকে ঝলসে দেয় না বরং আকর্ষণ করে। তাঁরা তাঁদের স্বর্গীয় প্রভায় পৃথিবীর শ্রীহীন মানুষের দীনতা দূর করেন। কখনও প্রকাশ্যে, কখনও গোপনে। অজ্ঞ মানুষ তা বুঝতেও পারেনা। মানুষের কল্যাণে সত্যের নিবিড় সাধনায় যাঁরা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেন - সাধারণ মানুষের সাধ্য কি তাদের মহিমা বুঝতে পারা? যাদের অঙ্গুলী হেলনে বিশ্ব প্রকৃতি, দেশ, রাষ্ট্র, রাজনীতি, অর্থনীতি নতুন রূপ লাভ করে। সেই ঊর্ধ্ব লোকাচারী মানুষ সাধারণের জানার সীমার অনেক ঊর্ধ্বে। তাঁরা মুক্তমানুষ, সত্যমানুষ, সত্যের আকাশে এক একটি ধ্রুবতারা। সমাজ সংস্কারের [বিস্তারিত...]

আবির্ভাবের মাহেন্দ্রক্ষণে.......

‘একদিনের জন্য হলেও নিজের সত্যকে উপলব্ধি করি - অন্তত একজনের নিকট হলেও সত্য কথা বলি’ সংলাপ ॥ সত্য শাশ্বত - চির বহমান, চির অম্লান। সত্য সার্বজনীন। সত্য সবার জন্য। মহাকাল এসে মিলে গেলো একটি বিন্দুতে। আকাশের বুকে গ্রহ নক্ষত্র আছে বলেই আকাশ এত সুন্দর। ফুল আছে বলেই প্রকৃতির রাজ্য এত মনোরম। সমুদ্রের উত্তাল ঢেউ আছে বলে সমুদ্র রূপময়। বিশ্ব চরাচর সত্যমানুষের রূপের ছটায় মুগ্ধ, ধন্য। তাঁদের স্নিগ্ধ জ্যোতিতে ত্রিভূবন আলোকিত। সে জ্যোতি দৃষ্টিকে ঝলসে দেয় না বরং আকর্ষণ ও উজ্জ্বল করে। তাঁরা তাঁদের স্বর্গীয় প্রভায় পৃথিবীর শ্রীহীন মানুষের দীনতা দূর করেন। কখনও প্রকাশ্যে কখনও গোপনে। অজ্ঞ মানুষ তা বুঝতেও পারেনা। মানুষের কল্যাণে সত্যের নিবিড় সাধনায় যাঁরা নিজেদের জীবনকে উৎসর্গ করেন - সাধারণ মানুষের সাধ্য কি তাদের মহিমা বুঝতে পারা? যাদের অঙ্গুলী হেলনে বিশ^প্রকৃতি, দেশ, রাষ্ট্র, রাজনীতি, অর্থনীতি নতুন রূপ লাভ করে - সেই ঊর্ধ্ব লোকাচারী মানুষ [বিস্তারিত...]

‘উপলব্ধি’ বিষয়ে শাহ্ সূফী শেখ আবদুল হানিফ

সূফী সাধক শেখ আব্দুল হানিফ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ হাক্কানী খানকা শরীফ পরিচালিত হাক্কানী চিন্তন বৈঠকে উপলব্ধি বিষয়ে ২৬টি পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। প্রতিটি পর্বে সত্যমানুষ উপস্থিত হয়ে বিষয়ের উপর আলোকপাত করেছেন। বৈঠকে উপস্থিত আলোচকদের আলোচনাকে এগিয়ে নেয়ার জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন। পথ দেখিয়েছেন। সম্মানিত আলোচকগণের চিন্তাশক্তিকে গভীর থেকে গভীরতম পর্যায়ে নিতে সহায়তা করেছেন। উপলব্ধি হচ্ছে প্রাপ্তির সৌন্দর্য এই সঙ্গা ধরেই হাক্কানী হওয়ার পথের যাত্রীরা তাদের উপলব্ধিকে নিয়ে শাণিত করছেন প্রতিমুহুর্ত, প্রতিদিন। ‘উপলব্ধি’ বিষয়ে শাহ্ সূফী শেখ আবদুল হানিফ আমি এক। এক ছাড়া আর কিছু কি আছে? সময় কি? আমি। অভ্যাস কি? আমি। আমি ছাড়া কেউ কি করতে পারবে? প্রাপ্তি এক, হানিফ এক, হানিফের প্রাপ্তি এক। ওয়াননেস ওয়িথ ওয়ান মানে- বল  আল্লাহ এক। হাক্কানী স্কুল অব থট বলছে - “তুমি এক উপলব্ধি কর”। প্রাপ্তি ঘটছে কিনা জানতে হলে তোমাকে অবশ্যই একটা বিন্দুতে সংযোগ করতে হবে। একটা নিয়ে চিন্তা করলে তা সঠিক হবে। তাই এক এ নিমগ্ন [বিস্তারিত...]

স্ব-ভাব

মানুষ জন্মাবার পর পারিপার্শ্বিকতা হতে তার অভ্যাস গড়ে তোলে। প্রথমে সে চোখকে বেশি কাজে লাগায়। অনুকরণ ও অনুসরণ করতে চেষ্টা করে পরিবারের সদস্যদের এবং চোখ দিয়ে যা দেখছে সেগুলোকে। অতঃপর চোখ, কান, নাক, জিহ্বা ও ত্বকের সহযোগিতায় হাত, পা, মুখ, পায়খানা ও প্রসাবের রাস্তা সমূহের দ্বারা বিভিন্ন কর্মের মধ্যে নিজেকে নিয়োজিত করে। যখনই কোন কর্ম করে তখনই সে সুখ, দুঃখ বা ঔদাসীন্যের সঙ্গে জড়িত হয়, কর্মফলের উপর নির্ভর করে। এভাবেই ধীরে ধীরে সে বড় হতে থাকে পরিবেশগত কর্মের মাধ্যমে। গবেষকদের মতে একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ ৫ (পাঁচ) হাজার হতে ৭ (সাত) হাজার কর্মের মধ্যে নিজেকে ব্যস্ত রাখে প্রতিদিন। প্রতিদিনের এই কর্মগুলোর মধ্য দিয়েই একই পরিবেশ অন্তর্ভূক্ত কর্মের বারবার বাস্তবায়নে তার গড়ে ওঠে অভ্যাস। এই অভ্যাসের প্রকাশ ভঙ্গিতেই আস্থা গড়ে ওঠে এবং পরবর্তীতে স্ব-ভাবে পরিণত হয়। ধর্মীয় আঙ্গিকে স্ব-ভাবের উপর বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়েছে। স্ব-ভাবকে দুই ভাগ করে সৎ স্ব-ভাব [বিস্তারিত...]

সত্যমানুষতত্ত্ব

শাহ্ শাহনাজ সুলতানা ॥ ‘সূফী মানে সত্যমানুষ। মানবপ্রজাতির মধ্যে আবহমান কাল ধরে সত্যমানুষের স্বরূপের সমাহারই সূফীজম বা সূফীতত্ত্ব বা সত্যমানুষতত্ত্ব। স্বরূপ ও স্বশিক্ষায় শিক্ষিত যে জন তিনিই সত্যমানুষ। তিনি বর্তমান। তিনি প্রাকৃতিকরূপে বিরাজমান। প্রতিটি পদক্ষেপে তিনি সত্য ছাড়া কিছুই দেখেননা। একেকজন একেক জনপদে আসছেন তিনি তাঁর মত করে তাঁর জনপদের উত্তরণ ঘটিয়ে যাচ্ছেন। এসবের সমাহারই সত্যমানুষতত্ত্ব। এটাই ঘটছে। এটাই আধ্যাত্মিকতা’। (-সূফী সাধক শেখ আব্দুল হানিফ) সত্যমানুষতত্ত্বের আধুনিক ও যুগোপযোগী রূপরেখা প্রণয়ণে নিরলস কাজ করেছেন বাংলাদেশ হাক্কানী খানকা শরীফ (বাহাখাশ) তত্ত্বাবধায়ক প্রধান সূফী সাধক শেখ আব্দুল হানিফ। সত্য অন্বেষণকারীদের প্রতি সত্যমানুষের বাণী, আহ্বান হাক্কানী স্কুল অব থট বা হাক্কানী চিন্তনপীঠ এর অন্তর্ভূক্ত। হাক্কানী চিন্তনপীঠ থেকে যা বলা হয় তা হচ্ছে হাক্কানী চিন্তন ধারা। এই ধারা থেকে বলা হচ্ছে-সবার উপরে সত্যমানুষ, তাঁহার উপরে নাই। সত্যমানুষতত্ত্বের আধুনিক রূপরেখার স্বরূপ কি? যে ব্যক্তি যে রূপে আপাদমস্তক পরিপূর্ণ থাকেন সেটাই তার [বিস্তারিত...]

কর্মই ধর্ম হোক

সংলাপ ॥ বাংলার মানুষ থাকতে চায় সার্বিক অঙ্গনে মুক্ত। বাঁধন থেকে মুক্তি। সবধরনের বন্ধন অবসান। সকল রাজনীতিক দুর্বৃত্তের-দুশ্চরিত্রের-দুঃশাসনের-দুর্নীতির আকাশচাপা অবরোধ দূর হোক - এই হচ্ছে বাংলার মানুষের প্রার্থনা। একপ্রকার প্রবল অনিশ্চয়তা, ব্যাখ্যাতীত ভীতির ছায়া ক্রমশই  গ্রাস করে চলেছে সমাজজীবন, নাগরিক, এমনকী ব্যক্তি-জীবনকেও। এখন বাংলাদেশের চল-চ্চিত্রায়ণে এমনই এক ইঙ্গিত। ইশারায় নয়, স্পষ্ট অভিব্যক্তিতে। হয়তো এ ভাবনার সমীচীনতা সকলে স্বীকার না করতেও পারেন, তবুও সন্দেহ নেই যে, বিপন্নতা বাড়ছে। না;এ কোনও বিষাদের বিলাপ নয়, বরং রাজনৈতিক সংকটের পূর্বাভাসে আগাম সতর্কতা। সরকার আছে। শুধু একে দুষে কোন লাভ নেই। কারণ অনেক কিছুরই যে অভাব সেখানে। প্রাজ্ঞতা, অভিজ্ঞতা, অধ্যবসায়, সাংগঠনিক পরম্পরা-দলীয় এবং প্রশাসনিক সব প্রয়োজনীয় উপাদানে পুষ্ট হওয়ার পূর্বেই ভূমিষ্ট হয়ে বাংলাদেশ আজ ৪৪ বছরের কীর্তিমান। কারও চেষ্টায় নয়, পরিকল্পিত পন্থাতেও নয়, কেবল পূর্বতন অজ্ঞ শাসকদের ভুলের ফলে ঘটেছে পূর্বান্তর। সরকার পরিচালনার দায়িত্ব চেপেছে মহাজোট সরকারের কাঁধে। কোনও প্রস্তুতি ছাড়াই। কারণ মানুষ এমনটাই চেয়েছিলেন। পরিবর্তনের হাওয়া [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... জাতি রাজনীতিক চায় না রাজনীতিবিদ চায়

সংলাপ ॥ বাংলাদেশে যারা রাজনীতি করেন তাদেরই আমরা রাজনীতিক বলি। তাদের মধ্যে অন্য পেশায় সাফল্য লাভে অক্ষমতার কারণে রাজনীতিকে পেশা হিসেবে নেন তাদের সংখ্যা বর্তমানে অনেক বেশী। এটা একাধারে যেমন পেশা তেমনি তাদের কাছে ব্যবসাও বটে। এ পেশা বা ব্যবসায় যেমন নূন্যতম শিক্ষাগত যোগ্যতার দরকার হয় না তেমনি দরকার হয় না পুঁজি বা মূলধনের। অবশ্য কিছু শিক্ষিত সচ্ছল এবং পেশাজীবী মানুষও এতে শামিল হয় বিভিন্ন পরিবেশ বুঝে। তাদের মূল উদ্দেশ্য থাকে রাষ্ট্রের শীর্ষ ক্ষমতায় আসীন হয়ে ব্যক্তিস্বার্থে ক্ষমতার ব্যবহার এবং সম্পদের পাহাড় গড়ে তোলা। দেশের বিরাট সংখ্যাগরিষ্ঠ গণমানুষের মঙ্গল ও মুক্তি সাধন তাদের মুখ্য উদ্দেশ্য থাকে না। যদিও তাদের বক্তৃতা-বিবৃতিতে এসব ব্যাপারে তারা থাকে মিথ্যাচারে উচ্চকণ্ঠ। গরিব দেশের গরিব মানুষের মঙ্গল ও মুক্তি বলতে বোঝায় দারিদ্র্য বিমোচন তথা অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যের সংস্থান। রাষ্ট্রীয় শক্তিকে যথার্থভাবে কাজে লাগিয়ে দারিদ্র্যের বিরুদ্ধে সংগ্রামই হলো বাংলাদেশের প্রকৃত রাজনীতি। এই গণমুখী [বিস্তারিত...]

রাজনৈতিক অঙ্গনে মেধার ঘাটতি!

সংলাপ ॥ লক্ষ্য করলে দেখা যায়, গত কয়েক দশক ধরে, ইউরোপ-আমেরিকার মতো উন্নত দেশগুলোয় যারাই রাজনৈতিক অঙ্গনে শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছেন, প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন, তারা প্রায় সবাই মেধাবী। মেধাই তাদের শীর্ষে ওঠার প্রধান মাধ্যম এবং বেশিরভাগ নেতাই ওইসব দেশের একেবারে সাধারণ পরিবার থেকে উঠে এসেছেন। জনগণ তাদের যোগ্যতাই বিচার করে, সামাজিক বা পারিবারিক অবস্থান বিচার করেনি। ওইসব দেশের তুলনায় আমরা এতটাই পশ্চাৎপদ যে, কোনোভাবেই কোন বিষয়ে তুলনা করা যায় না। স্বাধীনতার পর থেকে ধীরে ধীরে জাতীয় রাজনীতির চাবিকাঠি চলে যাচ্ছে সম্পদশালীদের হাতে। তারাই হয়ে উঠছে জনগণের ভাগ্য বিধাতা। গাড়ি-বাড়ি-অর্থ না থাকলে রাজনৈতিক নেতা হওয়া যায় না বর্তমানে। ‘ত্যাগের’ বিষয়টা এখন দৃশ্যের অন্তরালে। স্বাভাবিক কারণেই উঠে গেছে মেধার চর্চা। সাংগঠনিক শক্তি, মেধার শক্তি, ভালো বক্তৃতার যোগ্যতার বদলে স্থান করে নিয়েছে আজ অর্থশক্তি, পেশিশক্তি এমনকি অস্ত্রশক্তিও। বর্তমান রাজনীতির এই বাস্তবতা সঠিকভাবে উপলব্ধি করতে পেরেছে রাজনীতিক ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের এক বিরাট [বিস্তারিত...]

ঘুণে ধরা রাজনৈতিক অঙ্গন!

সংলাপ ॥ কাঁচা বাঁশে ঘুণ ধরে না। এটাই প্রকৃতির সাধারণ নিয়ম। কাঁচা বাঁশের শুকনা ছালের নিচে যে রস থাকে, তাতে ঘুণপোকাদের বাঁশ খেতে অসুবিধা হয়। খটখটে না হলে তারা খেতে পারে না। তবে প্রকৃতিতে অঘটনও ঘটে। কাঁচা বাঁশেও ঘুণে ধরে। সে বড় অলক্ষুণে। ঘুণে ধরা বাঁশ দাঁড়িয়ে থেকে বাঁশঝাড় শেষ করে দেয়। প্রকৃতির সেই অলক্ষুণে অঘটনটা রাজনীতিতে একটা সরকারের ও বিরোধীদলীয় রাজনীতিকদের ক্ষেত্রেও ঘটতে পারে। কাঁচা বয়সের সরকারে ও বিরোধী দলে ঘুণে ধরছে ভুলের জন্য। কুর কুর শব্দ করে খাচ্ছে। যারা সে শব্দ শুনছে আর মানুষকে শোনাচ্ছে, তাদের  ভয়ভাবনা হচ্ছে।  যারা ঘুণের শব্দ শুনেও শুনতে চায় না, তারা বাঁশটার দিকে তাকিয়ে আছে। ঘুণ কথাটার তিনটা অর্থ। একটি হলো ওই ঘুণপোকা। এরা রসহীন শুকনো খটখটে বাঁশে ধরে, কাঠে ধরে, মরাগাছের গিটে ধরে, গুঁড়িতে ধরে। খেয়ে খেয়ে অক্ষরের মত ক্ষত তৈরি করে। তাকেই বলে ঘুণাক্ষর। ঘুণ কথাটার আরেক অর্থ ছলাকলায়, গোঁজামিলে, নিপুণ, ওস্তাদ। তৃতীয় অর্থটি - ঈপ্সিত, আভাস। [বিস্তারিত...]

জাতীয়তা : বাঙালি বনাম বাংলাদেশী

সংলাপ ॥ ১৫ আগষ্ট ’৭৫ হত্যাকান্ডের মধ্য দিয়ে যারা রাষ্ট্রীয় ক্ষমতা দখল করেন, তাদের দ্বারা রাষ্ট্রে সাম্প্রদায়িক রাজনীতি চালু এবং ধর্মের রাষ্ট্রীয় ব্যবহারের দরুণ জনগণের ঐক্যের ভিতটাই আঘাতপ্রাপ্ত হয় এবং বিনষ্ট হয় জনগণের ইস্পাতকঠিন ঐক্য, যা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল ২৩ বছরের পাকি শোষণ বিরোধী আন্দোলন, সংগ্রাম ও ত্যাগ এবং ’৭১ এ মুক্তিযুদ্ধের মধ্য দিয়ে এবং চুর্ণ বিচুর্ণ করতে পেরেছিল যা, পাকি-পাঞ্জাবী হায়নাদের, বিশ্বের সেরা সৈনিক হওয়ার দর্প; অপরদিকে, যাদের ওরা তাচ্ছিল্য করে খেতাব দিয়েছিল, ‘ভেতো বাঙালি’ তাঁরা ভূষিত হলেন বিশ্বে, বীর বাঙালি অভিধায়। রাজনৈতিকভাবে দেশের জনগণের মধ্যে আজও জাতীয়তার প্রশ্নে সন্দেহ দেখা যায়। বাংলাদেশী নামের একটি ক্ষীণ ধারা যার স্রষ্টা, ধারক এবং বাহক নির্মম পরিণতির শিকার জেনারেল জিয়াউর রহমানের নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধ বিরোধীরা। অথচ আমরা বাঙালি। বাঙালি ও বাংলাদেশী - এ দু’য়ের মধ্যে মূলতঃ কোন বিরোধ নেই। আমার মাতৃভাষা বাংলা। অতএব জাতিসত্তায় আমি বাঙালি। যেমন মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহর মাতৃভাষা আরাবী হওয়ার কারণে [বিস্তারিত...]

‘শেখ সাব’, ‘মুজিব ভাই’ থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’-তারপর বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা

‘শেখ সাব’, ‘মুজিব ভাই’ থেকে ‘বঙ্গবন্ধু’-তারপর বাঙালির অবিসংবাদিত নেতা সংলাপ ॥ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের বজ্রকণ্ঠ ১৯৭১ সালে তৎকালীন পূর্ব পাকিস্তানের বাঙালি জনগোষ্ঠিকে মুক্তি ও স্বাধীনতার পথ নির্দেশনা দিয়েছিল। তিনি প্রথমে তাঁর দলীয় নেতা-কর্মীদের কাছে ছিলেন প্রিয় মুজিব ভাই, আর সারাদেশের জনগণের ছিলেন ‘শেখ সাব’। ‘মনে রাখবা- রক্ত যখন দিয়েছি, রক্ত আরও দেব, এদেশের মানুষকে মুক্ত করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ। এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম-এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা।’ ১৯৭১ সালের ৭ই মার্চ ঢাকার রেস কোর্স ময়দানের এক জনসভায় এই বজ্রঘোষণার মাধ্যমে শেখ মুজিব স্বাধীনতার ডাক দিয়েছিলেন এবং জনগণকে সর্বাত্মক অসহযোগ আন্দোলনের জন্য প্রস্তুত করেছিলেন। শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম ১৯২০ সালের ১৭ই মার্চ গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায়। তার বাবা শেখ লুৎফর রহমান ছিলেন গোপালগঞ্জ দায়রা আদালতের সেরেস্তাদার এবং মা সায়েরা খাতুন। ছয় ভাইবোনের মধ্যে তিনি ছিলেন তৃতীয় সন্তান। ১৯২৭ সালে শেখ মুজিব গিমাডাঙ্গা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পড়াশোনা শুরু করেন তাঁর সাত বছর বয়সে। খুবই অল্প বয়সে তিনি বিয়ে করেছিলেন সম্পর্কে আত্মীয় বেগম [বিস্তারিত...]

হাইকোর্টের রায়ে ‘জয় বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় ধ্বনি

হাইকোর্টের রায়ে ‘জয় বাংলা’ বাংলাদেশের জাতীয় ধ্বনি সংলাপ ॥ বাংলাদেশের সর্বস্তরে ‘জয় বাংলা’কে জাতীয় শ্লোগান ঘোষণা করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। আদালত একইসঙ্গে এ রায় কার্যকরে আগামী ৩ মাসের মধ্যে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। একটি রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ১০ মার্চ ২০২০, ২৬ ফাল্গুন ১৪২৬ মঙ্গলবার বিচারপতি এফ আর এম নাজমুল আহসান ও বিচারপতি কে এম কামরুল কাদের হাইকোর্টে বেঞ্চ এ রায় দেন। রায়ে বলা হয়েছে, প্রত্যেক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠান শেষে ‘জয় বাংলা’ বলতে হবে। একইসঙ্গে প্রত্যেক স্কুলে এসেম্বলি শেষে ‘জয় বাংলা’ বলতে হবে। আদালত পর্যবেক্ষণে বলেছে, ‘জয় বাংলা’ জাতীয় ঐক্যের শ্লোগান। ‘জয় বাংলা’ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রিয় শ্লোগান এবং ‘জয় বাংলা’ ৭ মার্চের ভাষণের সাথে সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।’ আদালত আরও বলেছে, ‘আবেদনকারী সংবিধানের ৩ ও ৪ নম্বর অনুচ্ছেদের ধারাবাহিকতায় জাতীয় শ্লোগান হিসেবে ‘জয় বাংলা’কে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করেছেন, এটা এই আদালতের এখতিয়ার বর্হিভূত। কারণ কোনো আইন প্রণয়ন করা এবং সংবিধান সংশোধন করার একমাত্র অধিকার [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা....স্বাধীনতা দিবস!

সংলাপ ॥ মানুষ আসছে। বাসে ট্রেনে নৌযানে পায় হেঁটে রিক্সায় ঘোড়ার গাড়িতে চড়ে যে যেভাবে পারছে, সেভাবেই ছুটে আসছে। মিছিলের পর মিছিল। কোনটা দীর্ঘ, কোনটা খন্ড খন্ড মানুষের মিছিল। উত্তাল-উন্মুখ মানুষ উজ্জীবিত মানুষ - উত্তপ্ত মানুষ। শুধু মানুষ - মানুষের ভিড়। লক্ষ লক্ষ জনতায় উত্তপ্ত তৎকালীন রেসকোর্স ময়দান। শ্রমিক কৃষক ছাত্র কেরানী দক্ষ-কারিগর শিক্ষক অভিনেতা শিল্পী কবি লেখক বুদ্ধিজীবী সংগ্রামী নেতা - আর এই জনতা। উপরে আকাশ আর নিচে এই রেসকোর্স ময়দান; বাকি সব পৃথিবী যেন স্তব্ধ হয়ে আছে এক মহামন্ত্রের অপেক্ষায়। রৌদ্র প্রখর মার্চের আকাশ জীবন্ত সূর্যের গলন্ত তাপ, উত্তপ্ত মানুষের ঘর্মাক্ত দেহ এতটুকু ক্লান্ত করতে পারেনি অপেক্ষার দৃঢ়তায়। তেমনি সারা দেশ উন্মুখ ছিল রুদ্ধশ্বাসে - কখন আর কতো দেরি! ইতোমধ্যে অনেক ঘটনা, নয়া ইতিহাসের প্রথম পাতা লেখা হয়ে গেছে। ঔপনিবেশিক শাসক গোষ্ঠী এবং তাদের ধর্মজীবী তাবেদাররা মরিয়া। ক্ষমতার ষড়যন্ত্রে বাঙালির আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকারকে গুড়িয়ে দিতে সেনা ব্যারাক পরিপূর্ণ। ম্যারাথন আলোচনা। দেশের [বিস্তারিত...]

জীবন এখানে অগভীর ক্ষীণকায় বদ্ধকূপ

নজরুল ইসতিয়াক ॥ সার্কাসের প্রাণী দেখার মতো করে নেতা নেত্রীদের দেখার জন্য সকাল থেকে উদগ্রীব হয়ে ভিড় জমানোর দিন হয়তো শেষ। এখন কেউ স্বেচ্ছায় মন থেকে আসে না, আসতে চায় না। নানান পন্থায় আনতে হয়। অনেকটা জোর করে শোনানো হয় নেতা নেত্রীদের ভাষন। নেতা দীর্ঘক্ষণ বড় বড় কথা বলেন, কর্মী সমর্থকরা যে কোন কথায় ঠিক মতো শোনেন না কিংবা শুনতে চান না তার প্রমান মেলে পরবর্তীতে। কোন উপদেশই গায়ে মাখেন না। শত শত উদাহরণ দেয়া যাবে। জনসভা-সমাবেশে লোক ভাড়া করে আনা হয় এটা সবাই জানেন। এই ভাড়া কখনো নগদ প্রদান করা হয় কখনো বা কোন কাজ দিয়ে পুষিয়ে দেয়া হয়। পদ পদবী কমিটিতে স্থান পাওয়ার ক্ষেত্রেও লোক হাজিরের বিষয়টি দলের কাছে নানান সময়ে গুরুত্ব পেয়েছে। কর্মীবান্ধব নেতা বলতে কর্মীর সমস্যা অর্থনৈতিকভাবে সমাধানই শেষ কথা। সরকার শোষিত শুদ্ধি অভিযানে যে দু’একজন চুনোপুটিকে গ্রেফতার করা হয়েছে এরা সবাই লোক [বিস্তারিত...]

সময়ের দাবী - একই সুরে একই তালে দেশ ও জাতির জয়ধ্বনি

সংলাপ ॥ ১২ মাসে তেরো পার্বন। কথাটি বহুল প্রচলিত। বাংলার ১২ মাসে পর্যায়ক্রমে এই পালা-পার্বন আবহমানকাল থেকে চলে আসছে। ঐতিহ্যের শেকড় থেকে, নাড়ির বন্ধন থেকে। বাস্তবে বাংলার হিন্দু, মুসলিম, খৃষ্টান, বৌদ্ধ সব ধর্মাবলম্বী আপামর জনসাধারণ এই উৎসবগুলোর সাথে জড়িত। তাদের শরীরে এই মাটির সোঁদা গন্ধ, পায়ে পলি মাটির কাঁদা, কপালে চিক্চিক্ করে পরিশ্রমী ঘাম। কর্মের পূর্ণতায়, অবসরের আনন্দে, সম্প্রীতিতে, ভ্রাতৃত্বে, বন্ধুত্বতায় রাম-রহিম-জন এক হয়ে যায়। এরা বাংলার কৃষক, ক্ষেতমজুর, শ্রমিক - এদের কন্ঠে আছে জারি-সারি, ভাটিয়ালী, ভাওয়াইয়া, লালন, বাউল গানের সুর - এরা বাঙালি। অবশ্য আমাদের শহুরে তথাকথিত আধুনিক প্যান্ট-শার্ট পরা ‘বঙ্গ’ সন্তানদের কথা আলাদা। এরা সংস্কৃতিতে পরজীবী, কর্মে মধ্যসত্ত্বভোগী, পোশাকে আরাবিয়ান বা খৃষ্টান, উৎসবে জগাখিঁচুড়ী - এরাও বাঙালি। এরা কথা বলে বাংলায়, স্বপ্ন দেখে কানাডা-লন্ডন-আমেরিকার বা আরবের। এরা স্বাধীন দেশের মর্যাদা সম্পন্ন নাগরিক হিসেবে বেঁচে থাকার চেয়ে অধিক পছন্দ করে পরদেশে দ্বিতীয় শ্রেণীর পরাধীন নাগরিক হিসেবে বেঁচে থাকতে। [বিস্তারিত...]

বাঙালির দিক নির্দেশনায় সাঁইজি

বাঙালির দিক নির্দেশনায় সাঁইজি সংলাপ ॥ লালন সাঁই (১৭৭২-১৮৯০) বাঙালির ভাব ও জীবন সাধনার এক দিক নির্দেশক। তিনি কবি, চিন্তাবিদ, দার্শনিক এবং সর্বোপরি এক সমাজসচেতন মানবপন্থী। বাউলদের ধর্ম-সাধনায় গুরুত্ব পেয়েছে ‘সহজিয়া’ পন্থা বা ‘সহজপন্থা’। ‘সহজিয়া সাধনা’র মূল কথা হলো ‘উজান-সাধনা’। এই পন্থা বুদ্ধিবাদী পন্ডিত ও শাস্ত্রীয় ধার্মিকের সাধনার মতো নয়। এদের পথ বিপরীতমুখী, উজানের দিকে। সাধারণ ভোগীর ইন্দ্রিয়সুখ নির্ভর গড্ডল প্রবাহের জীবনধারা এঁদের নয়। এঁদের পথ ‘সহজ’ সত্য স্বরূপের পথ। রূপ থেকে অরূপে পৌঁছাবার সাধনা। “বাইরের সব রূপের ভিতরে আত্মগোপন করে আছে যে ‘প্রত্যাগাত্মন’ তাই অমৃত-স্বরূপ-সেই -অমৃত-স্বরূপের সন্ধান লাভ করতে হলে ইন্দ্রিয়গুলোকে ফিরিয়ে নিতে হবে স্থূল থেকে সূক্ষ্মে। অধ্যাত্মসাধন তাই সর্বদাই উজান বা উল্টাসাধনা-বাইরের দেশ থেকে অন্তরের দেশে ফিরে যাওয়া। দ্বান্দ্বিক প্রক্রিয়ায় সেই আত্মোপলব্ধির জন্য মন্দির, বিগ্রহ ও ব্রাহ্মণের কোনো প্রয়োজন নেই, কারণ এ তো নিজের সাথে কথোপকথন, নিজের চেতনার উন্নতি সাধন” (অতীশ দাশগুপ্ত)। এই সহজ সাধনাকে সহজবোধ্য করার জন্য মাঝির গুণ টেনে [বিস্তারিত...]

তুরস্কের বিরুদ্ধে লড়বে মিশর-আমিরাতের নৌ কমান্ডো ইউনিট

তুরস্কের বিরুদ্ধে লড়বে মিশর-আমিরাতের নৌ কমান্ডো ইউনিট সংলাপ ॥ লিবিয়ার উপকূলে তুরস্কের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য মিশর এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত একটি যৌথ নৌ-কমান্ডো ইউনিট প্রতিষ্ঠা করেছে। এই নৌ কমান্ডো ইউনিট লিবিয়ার উপকূলে তুর্কি স্বার্থে আঘাত হানবে বলে লক্ষ্য ঠিক করেছে। মিশর এবং লিবিয়ার কয়েকটি সূত্রের বরাত দিয়ে গত সপ্তাহের সোমবার লন্ডনভিত্তিক আরবি দৈনিক আল-আরাবি আল-জাদিদ বলেছে, যেসব পথে তুরস্ক লিবিয়ায় সামরিক সহযোগিতা পাঠায় সেগুলোকে বাধা দেয়া হবে এই সামরিক স্কোয়াডের মূল লক্ষ্য। আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত লিবিয়ার সরকারের সঙ্গে সহযোগিতামূলক কাজ করছে তুর্কি সরকার। লিবিয়ার এ সরকারের নেতৃত্বে রয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ফায়াজ আল-সেরাজ।  কয়েকটি সূত্র বলেছে, মিশরের নৌবাহিনীতে প্রশিক্ষণ নিয়ে এরইমধ্যে ৫০ জন যোদ্ধা লিবিয়ার পূর্ব উপকূলের একটি নৌ ঘাঁটিতে ফিরেছে। ঘাঁটিটি তুরস্কের বিরুদ্ধে হামলা চালানোর জন্য প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। সূত্র বলছে, তুরস্কের বিরুদ্ধে অভিযান চালানোর জন্য সংযুক্ত আরব আমিরাত উন্নতমানের সামুদ্রিক বোট সরবরাহ করবে। এসব বোট লিবিয়ার বিদ্রোহী নেতা জেনারেল খলিফা হাফতারের যোদ্ধাদের কাছে হস্তান্তরের আগে মিশরের সামরিক বিশেষজ্ঞরা সার্বিক [বিস্তারিত...]

এই সপ্তাহে….

* আবির্ভাবের মাহেন্দ্রক্ষণে…….

* ‘উপলব্ধি’ বিষয়ে শাহ্ সূফী শেখ আবদুল হানিফ

* …. হাক্কানী সম্পর্ক ….

* স্ব-ভাব

* সত্যমানুষতত্ত্ব

 

 

সত্য সন্ধানে সংলাপ