হোম পেজ

দেশে কোন রাজনৈতিক সংকট নেই আছে স্বার্থের সংকট

নজরুল ইশতিয়াক ॥ আপাতদৃষ্টিতে রাজনীতির নামে ব্যাপক দৌঁড়ঝাপ, ছুটাছুটি দেখা গেলেও অনুসন্ধান বলছে দেশে কোন রাজনৈতিক সংকট নেই। তাহলে গণমাধ্যমে এত সংকটময় সংবাদ পরিবেশনের কারণ কি হতে পারে?  নেতারাই বা কেন এত পেরেশান হয়ে ছুটছেন দিক্বিদিক? এসব দৌঁড়ঝাপ দেখে প্রধানমন্ত্রীকেই বা কেন বারবার জাতির সামনে কথা বলতে হচ্ছে? এসবের কি মানে আছে? নিশ্চয়ই এসবের মানে আছে। অনুসন্ধান বলছে ক্ষমতায় আসা এবং থাকার এক নিরন্তর যুদ্ধ। ক্ষমতায় আসলে কোটি কোটি টাকার মালিক, যা খুশি তা করার সুযোগ মেলে। ছড়ি ঘুরানো যায় অন্যের উপরে। সারাজীবন সৎ একজন অফিসার যা কামাই করে তা হয়ত এক বছরে একজন সাধারণ রাজনৈতিক কর্মীর থলেতে আসতে পারে। আবার ক্ষমতা হারালে জেল জুলুম এবং অর্জিত সম্পদ খোয়া যাওয়ার ভয় থাকে। ক্ষমতার রাজনীতিতে পক্ষ দুটি; একটি পক্ষ ক্ষমতায় আছে অন্য পক্ষটি ক্ষমতায় যেতে ব্যাকুল। তাহলে জনগণের অবস্থান [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... কোন দুর্নীতিবাজকে আগামী সংসদে দেখতে চায় না জাতি

সংলাপ ॥ রাজনৈতিক অঙ্গনে মিথ্যাচারের চলমান ধারায় বাংলাদেশের জন্য ২০১৮ সাল হতাশাব্যঞ্জক। জনগণের জন্য বছরটি উদ্বেগজনক, আর সরকারের জন্য আত্মঘাতী। সবরকম অভিযোগকে সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে অস্বীকার করার প্রবণতা নিয়ন্ত্রণের সম্ভাবনাকে পদদলিত করেছে এবং বোঝা জনগণের ওপর চাপিয়ে দেয়া হয়েছে। নীতি ও শাসন কাঠামোতে দুর্নীতি-সহায়ক শক্তির প্রভাব ক্রমাগত বেড়েছে। বছরের শেষে ক্ষমতার অপব্যবহারের মাধ্যমে জনপ্রতিনিধি ও মন্ত্রীদের প্রশ্নবিদ্ধ সম্পদ আহরণের নগ্ন চিত্র প্রকাশিত হতে পারে। ক্ষমতায় থাকার ফলে পর্বতসম মুনাফা এবং সম্পদ আহরণের সুযোগ যে বাস্তবে রাজনৈতিক অঙ্গনের ক্ষমতার লড়াইয়ের মূল প্রণোদনা, তা দিবালোকের মতো পরিষ্কার হয়েছে। সর্বোপরি রাষ্ট্রক্ষমতা এক ধরনের চৌর্যোন্মাদনার করাভূত করতে চলছে ষড়যন্ত্র। সংসদ নির্বাচনে মহাজোট সরকারের বিপুল জনসমর্থন অর্জনে যে কয়েকটি উপাদান শীর্ষ ভূমিকায় ছিল, তার অন্যতম ছিল দুর্নীতি প্রতিরোধের অঙ্গীকার। শুরুটা মন্দ ছিল না। কিন্তু সরকারের উদ্যোগ দুর্নীতি প্রতিরোধে উল্লেখযোগ্য বাস্তব পরিবর্তন আনতে পারেনি। কারণ, সরকারের [বিস্তারিত...]

সত্য প্রতিষ্ঠার কঠিন সংগ্রামে শেখ হাসিনা

সত্য প্রতিষ্ঠার কঠিন সংগ্রামে শেখ হাসিনা ‘সত্য যদি হয় ধ্রুব তোর কর্মে যদি না রয় ছল ধর্মদুগ্ধে না রয় জল সত্যের জয় হবেই হবে আজ নয় কাল মিলবেই ফল’।                                              - সাধক কাজী নজরুল ইসলাম শেখ উল্লাস ॥ ঔপনিবেশিক পাকিস্তানী আমলে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বে ভাষার অধিকার, স্বাধীকার ও স্বায়ত্বশাসন আন্দোলনের সময় এদেশের মানুষ ছিল পাকিস্তানী শাসক-গোষ্ঠীর বৈষম্যের শিকার, নিপীড়িত ও নির্যাতিত। এক কথায় পরাধীন অবস্থায় একটি জনগোষ্ঠীর অবস্থাটি যেমন থাকার কথা তার বিন্দু পরিমাণ ব্যতিক্রম ছিল না এদেশের অবস্থা। ঢাকাসহ সারা দেশের সর্বক্ষেত্রে বিহারীদের দাপটে বাঙালি জনগোষ্ঠীর যে কী ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা ছিল তা এখন আর কয়জন স্মরণ করতে পারে? স্বাধীনতার ৪৭ বছর পর দেশের মানুষ আর্থ-সামাজিক ক্ষেত্রে  আজ যে অবস্থায় উপনীত সেখানে বৈষম্য, দারিদ্র্য, দুর্নীতি, সঙ্কীর্ণতা আছে ঠিক, কিন্তু [বিস্তারিত...]

দেশে পরিবেশ দূষণে বছরে মৃত্যু ৮০ হাজার!

দেশে পরিবেশ দূষণে  বছরে মৃত্যু ৮০ হাজার! সংলাপ ॥ ভয়াবহ পরিবেশ বিপর্যয়ের মুখে বাংলাদেশ। বিশ্বব্যাংকের সদ্য প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশে পরিবেশ দূষণের কারণে এক বছরে ৮০ হাজার মানুষ মারা যাচ্ছে। তাছাড়া, পরিবেশ দূষণের কারণে বাংলাদেশের বড় বড় শহরগুলোতে অর্থনৈতিক ক্ষতি হচ্ছে বছরে ৬৫০ কোটি মার্কিন ডলার। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৫৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা। দূষণের এ ক্ষতি ২০১৫ সালের মোট দেশজ উৎপাদন বা জিডিপির ৩ দশমিক ৪ শতাংশ। প্রতিবেদন প্রকাশ উপলক্ষে গত সপ্তাহের রোববার রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশে নিযুক্ত বিশ্বব্যাংকের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর রাজশ্রী পারালকার বলেছেন, নগরাঞ্চলে দূষণ ও পরিবেশের অবনতি হওয়ায় বাংলাদেশকে অনেক মূল্য দিতে হচ্ছে। এর ফলে দেশটির ভালো প্রবৃদ্ধিও এখন হুমকির মুখে। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পরিবেশগত দূষণ ও ঝুঁকির কারণে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত দেশের তালিকার একটি দেশ বাংলাদেশ। এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে তুলনা করতে গিয়ে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, সারা বিশ্বে পরিবেশ দূষণজনিত কারণে মৃত্যুর গড় [বিস্তারিত...]

জনস্বাস্থ্য রক্ষায় রাজনৈতিক কমর্সূচি!

সংলাপ ॥ ১৯৭৮ সালের ৬ থেকে ১২ সেপ্টেম্বর পূর্বতন সোভিয়েত ইউনিয়নের কাজাখ্স্তানের আলমা আটায়, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নেতৃত্বে তৈরি হল প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ঘোষণাপত্র। দাবি তুলল সবার জন্য স্বাস্থ্যের। ১৩৪টি দেশ স্বাক্ষর করল সেই ঘোষণায়, যা এক ধাক্কায় স্বাস্থ্যকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের চৌহদ্দির বাইরে টেনে এনে দাঁড় করাল বৃহত্তর সমাজের আঙিনায়। ঘোষনা এলো- দেশে দেশে, দেশের ভেতরে মানুষে মানুষে বেড়ে চলা স্বাস্থ্যগত বৈষম্য কোনও মতেই মেনে নেওয়া যায় না। গরিব মানুষেরা বেশি রোগে পড়বে, বেশি ভুগবে, পয়সার অভাবে ঠিক সময়ে ঠিক চিকিৎসা পরিষেবা পাবে না, এবং পরিণামে বেশি মরবে উন্নয়নশীল দুনিয়ায় এমন ছবি থাকতে পারে না। এই বৈষম্য নিশ্চিতভাবেই আর্থ-সামাজিক, অতএব রাজনৈতিক এবং মানবাধিকার লঙ্ঘনকারী। কী ভাবে ঘুচবে এই অসাম্য? বিভিন্ন বিকল্প পরীক্ষানিরীক্ষা থেকে শিক্ষা নিয়ে, আলমা আটা আস্থা জ্ঞাপন করেছিল প্রাথমিক স্বাস্থ্য ব্যবস্থায়, যা কিনা অবস্থানগতভাবে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক মানুষের সবচেয়ে [বিস্তারিত...]

আমেরিকা থেকে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত বহিষ্কারের নির্দেশ

আমেরিকা থেকে ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রদূত বহিষ্কারের নির্দেশ সংলাপ ॥ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ক্ষমতায় আসার পর দখলদার ইসরাইলের অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখার জন্য ফিলিস্তিনের বিরুদ্ধে নজিরবিহীন নানা পদক্ষেপ নিয়েছেন। ইসরাইলের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে আমেরিকা সবসময়ই ইসরাইলের পক্ষ অবলম্বন করে আসছে। এরই অংশ হিসেবে সর্বশেষ পদক্ষেপ হিসেবে মার্কিন সরকার সেদেশ থেকে ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত বহিষ্কারের নির্দেশ দিয়েছে। এর আগে আমেরিকা ফিলিস্তিন শরণার্থীদের জন্য জাতিসংঘের ত্রাণ সংস্থাকে সাহায্য বন্ধ করে দেয়ার ঘোষণা দিয়েছিল। আমেরিকায় নিযুক্ত ফিলিস্তিনের রাষ্ট্রদূত হেসাম জামলাত জানিয়েছেন, মার্কিন সরকার তার পরিবারের জন্য ২০২০ পর্যন্ত ভিসা দিলেও খনই তাদেরকে আমেরিকা ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে। এমনকি মার্কিন সরকার তার পরিবারের ব্যাংক একাউন্টও জব্দ করেছে। এদিকে, পিএলও'র নির্বাহী কমিটির সদস্য হানান আশরাভি মার্কিন এ পদক্ষেপকে ট্রাম্পের পক্ষ থেকে প্রতিশোধমূলক হিসেবে অভিহিত করে বলেছেন, এ থেকে নারী ও শিশুসহ নির্যাতিত ফিলিস্তিনিদের প্রতি আমেরিকার বিদ্বেষ ও নির্মমতা ফুটে উঠেছে। আমেরিকা গত ১০ সেপ্টেম্বরও ওয়াশিংটনে ফিলিস্তিনিদের [বিস্তারিত...]

ইয়েমেন যুদ্ধ: খিদের জ্বালায় লতা পাতা খাচ্ছে মানুষ

ইয়েমেন যুদ্ধ: খিদের জ্বালায় লতা পাতা খাচ্ছে মানুষ যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনে দেখা দিয়েছে খাদ্যসঙ্কট। কম–বেশি দেশের সবাই প্রায় সেই যুদ্ধে ভুক্তভোগী। রাষ্ট্রপুঞ্জের রিপোর্ট বলছে, ইয়েমেনে অন্তত দুই কোটি মানুষের প্রত্যেকদিন খাবার জুটছে না। খিদের জ্বালায় ইয়েমেনের বহু মানুষ এখন লতাপাতা সেদ্ধ করে খাচ্ছেন। ফলে সেখানে শিশু জন্ম নিচ্ছে অপুষ্টি নিয়ে। দেখা দিচ্ছে ডায়রিয়ার মতো অসুখ ঘরে ঘরে। ইয়েমেনের হাজ্জাজ প্রদেশের আসলামে বহু পরিবারকে দেখা গিয়েছে গাছের পাতা সেদ্ধ করছে, খাওয়ার জন্য। এমন একটি ছবি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। বাড়ির বড়দের পাশে খাবারের আশায় বসে রয়েছে শীর্ণকায়  শিশুরা। জানা গিয়েছে, ছবিটি গত ২৫ আগস্ট তোলা হয়েছে। এই ছবি দেখে গোটা বিশ্বের মানুষের চোখে জল এসে গিয়েছে। ইয়েমেনের মানুষের দুর্দশার ছবি সামনে আসতেই মনে পড়ে যাচ্ছে ২০১৫ সাল থেকে লাগাতার তিন বছর ধরে যুদ্ধবিধ্বস্ত ইয়েমেনের কি কঠিন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। এই যুদ্ধ কম করে ১৪ হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন। [বিস্তারিত...]

সর্বস্তরে সত্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবে

সর্বস্তরে সত্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবেবাংলাদেশ সত্যব্রত আন্দোলন’র প্রথম বর্ধিত সভায় বক্তারা- সর্বস্তরে সত্য প্রতিষ্ঠায় ভূমিকা রাখতে হবে সংলাপ ॥ বাংলাদেশ সত্যব্রত আন্দোলন-এর প্রথম বর্ধিত সভা গত ৩০ ভাদ্র ১৪২৫, ১৪ সেপ্টেম্বর ২০১৮ শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর মিরপুরে ৩৬৩ আহমদ নগর হাক্কানী আস্তানা শরীফের ফরিদা-সুরুজ কেন্দ্র মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত হয়। সত্যব্রত আন্দোলন’র সভাপতিম-লীর সদস্য খালেদা খানম রুনুর সভাপতিত্বে সভায় সংগঠনের নেতাকর্মীগণ সমাজে শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে দেশের সর্বস্তরে সত্য প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে অংশ নিয়ে যার যার অবস্থান থেকে কার্যকর ভূমিকা রাখার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন। সভায় আগামী একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং সরকার গঠনের সময় অপেক্ষাকৃত সৎ ও সত্যনিষ্ঠ মানুষেরা যাতে মনোনীত ও নির্বাচিত হতে পারে সে লক্ষ্যে সর্বস্তরে সত্য প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে জোরদার করার লক্ষ্যে সংগঠনের কর্মপন্থা ও কর্ম পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। দপ্তর সম্পাদক আব্দুল কাদের টিটুর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত বর্ধিত সভার প্রারম্ভে স্বাগত বক্তব্যে দলের মহাসচিব শাহ ড. [বিস্তারিত...]

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা কমছে : জাতিসংঘ মহাসচিব

যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষমতা কমছে : জাতিসংঘ মহাসচিব সংলাপ ॥ জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, বিশ্বের ঘটনাপ্রবাহে প্রভাব ফেলার সক্ষমতা হারাচ্ছে ওয়াশিংটন। মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য আটলান্টিক ম্যাগাজিনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, আমার মনে হয় এই মুহূর্তে যুক্তরাষ্ট্রের ‘সফট পাওয়ার’ কমে গেছে। অবশ্য গত সপ্তাহে প্রকাশিত ওই সাক্ষাৎকারে তিনি সতর্ক করে দিয়ে বলেছেন, পরিবর্তিত এই পরিস্থিতি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের ওপর নতুন এক চ্যালেঞ্জ হাজির করেছে। জাতিসংঘ মহাসচিব বলেন, বিশ্বের বেশিরভাগ সমস্যার সমাধান ওয়াশিংটন ছাড়া সম্ভব নয় একারণে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নতুন এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। গুতেরেস বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্র আজ বিভিন্ন ধরণের কয়েকটি সংঘাতে জড়িত-বাণিজ্যিক সম্পর্ক, অন্য পরিস্থিতি জনিত সম্পর্ক-আর এসবের অর্থ হলো কয়েক দশক আগে আন্তর্জাতিক সম্পর্কের ক্ষেত্রে আমেরিকান সোসাইটি যে মনোযোগ কাড়তে সক্ষম হতো আজ তা পরিস্কারভাবে কমছে’। ট্রাম্প প্রশাসনের নাম উল্লেখ না করলেও গুতেরেসের বক্তব্য থেকে এটা স্পষ্ট যে তাদের নেয়া বেশ কিছু বাণিজ্যিক পদক্ষেপের কারণে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প [বিস্তারিত...]

দুই কোরিয়ার যৌথ দপ্তর

দুই কোরিয়ার যৌথ দপ্তর সংলাপ ॥ কোরিয়া যুদ্ধের পর এই প্রথম যৌথভাবে লিয়াজো অফিস খুলেছে উত্তর ও দক্ষিণ কোরিয়া। এর মধ্য দিয়ে নিয়মিতই দু’পক্ষে যোগাযোগ হবে। শুক্রবার দুই কোরিয়ার সীমান্তের উত্তরের অংশে কায়েসং শহরে এ সংযোগ কার্যালয় খোলা হয়েছে। এতে করে দুই কোরিয়ার মধ্যে শান্তি ও সমৃদ্ধির পথে আরো এগিয়ে যাওয়ার নতুন আশা জেগে উঠেছে। দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলের একত্রীকরণ মন্ত্রী চো মায়ুং-জিওন বলেছেন, এ কার্যালয়ে দুই কোরিয়ার পক্ষ থেকে ২০ জন করে কর্মী রাখা হবে। দুই দেশই এ লিয়াজো অফিসের মাধ্যমে ‘২৪ ঘণ্টায় ৩৬৫ দিনই সরাসরি বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা’ করতে পারবে। তাছাড়া, দুদেশের উপমন্ত্রী পর্যায়ের কর্মকর্তাদের মধ্যে এ অফিসে সাপ্তাহিক বৈঠকও হবে। আগামী সপ্তাহে পিয়ংইয়ংয়ে তৃতীয় বৈঠকে বসবেন দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট মুন জে ইন এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উন। তার আগেই দু’দেশের মধ্যে এ অফিস খোলা হল। উত্তর কোরিয়াকে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের জন্য [বিস্তারিত...]

রাজনৈতিক মতাদর্শের ঊর্ধ্বে নৈতিক মূল্যবোধ জাগ্রত হলেই  আদর্শিক রাজনীতিক তৈরী হবে

সংলাপ ॥ আমরা সব সময় আমাদের সমাজের বিভিন্ন অবক্ষয়, অন্যায়, অত্যাচার নিয়ে ভ্রুকুটি তুলি আর দায়ী করি সমাজ ব্যবস্থা অথবা অপরাধীদেরকে। কিন্তু আমরা কি কখনও চিন্তা করেছি যে, আমাদের সমাজে যারা এইসব অপরাধকর্মে লিপ্ত তাদের সংখ্যা কত? আমরা জানি এর সংখ্যা বেশি নয়। হাতে গোনা কিছু অপরাধীই সমাজকে নিয়ে যাচ্ছে অন্ধকারের পথে। তার মূল কারণ যারা নিজেদের কথিত ভালো মানুষ হিসেবে দাবি করি তাদের নিষ্ক্রিয়তা। আমরা যদি আমাদের স্ব-স্থান থেকে অন্যায় ও অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে সচেষ্ট হই, তাহলে সামাজিক অবক্ষয় থেকে মুক্তি পাবো আর আমাদের আগামী প্রজন্ম পাবে একটি সুশৃঙ্খল সমাজ। আমরা আমাদের নৈতিক মূল্যবোধ কিংবা সামাজিক দায়িত্ববোধের প্রকাশভঙ্গিকে রাজনৈতিক দৃষ্টিকোণ থেকে বিচার করি। এতে আমাদের মধ্যে পারস্পরিক ভ্রাতৃত্ববোধের অবলোপন হচ্ছে দিনে দিনে। একে অন্যের প্রতি হয়ে যাচ্ছি বিদ্বেষী, আর লিপ্ত হচ্ছি নানান সংঘাতে। তাই এই মুহুর্তে আমাদের দরকার দল [বিস্তারিত...]

ইতিহাসের সত্যকে রাষ্ট্রীয়ভাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠার কৃতিত্ব শেখ হাসিনার

শাহ্ ফুয়াদ ।। এ দেশে, এ সমাজে দেখা যায়, অধিকাংশ মানুষই তাদের বাপ-দাদার নামে চলে, তাদের সম্পদ-সম্পত্তি ভোগ করে পৃথিবীতে বাস করে, বেঁচে থাকে। পূর্ব-পুরুষদের বসতভিটায়, আবার তাদেরই কারও নামে রেখে যাওয়া বংশের নামে-পরিচয়ে অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখে। অনেক ক্ষেত্রেই তথাকথিত পীরের ছেলে পীর হয়। কিন্তু তাদের বাপ-দাদা বা পূর্বপুরুষদের কেউ একটি আদর্শ রেখে গেলে তাকে ধারণ-লালন-পালন করে মানবতার মহান ব্রতে সেই আদর্শকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার উদাহরণ স্থাপন করতে পারেন কয় জন? এদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে বিষয়টি আরও বেশি প্রাসঙ্গিক। দেশ যখন পরাধীন ছিল তখন এদেশে যারা গণমানুষের মুক্তি, দেশের স্বাধীনতালাভসহ এ জাতীয় অন্যান্য ক্ষেত্রে অবদান রেখে অমরত্ব লাভ করে গেছেন তাদের উত্তরাধিকারদের কয় জন সে ঐতিহ্য ধরে রাখতে পারেন? বিগত প্রায় ১০ বছর ধরে বাংলাদেশ সরকারের একটানা প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্বে আসীন আওয়ামী লীগ প্রধান শেখ হাসিনা পিতার আদর্শ ধরে [বিস্তারিত...]

মন্তব্য প্রতিবেদন যে দেশে জাতির জনক খুন হয়....

নজরুল ইশতিয়াক ॥ বিমসটেক সম্মেলন শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী যর্থাথই বলেছেন যে দেশে জাতির জনক হত্যা হয় সে দেশে সব হতে পারে। তার এই মন্তব্যের মধ্যে তিনি যে বার্তা, যে নিগুঢ় সত্য-বাস্তবতা জাতির সামনে তুলে ধরলেন তা কি আমরা অনুধাবন করতে পেরেছি। একটি বারের জন্য হলেও কি তার এই উচ্চারণ আমাদেরকে ভাবিয়েছে, নিয়ে গেছে গভীর এক সত্যানুসন্ধানের দ্বারপ্রান্তে? গবেষক অনুসন্ধিৎসুরা কিংবা খোদ তার দলীয় নেতা কর্মীরাই-বা কি উপলব্ধি করলেন? তা নিতান্তই তাদের ব্যাপার। সত্য বড় নির্মম। বললেও যা, না বললেও তা। সত্য কাজ করে তার নিজস্ব পথে। তবে প্রধানমন্ত্রীর এই সাহসী সত্য উচ্চারণ যে তেমন কারো কর্ণকুহরে পোঁছাবে না সেটা বলা যায় । ইতোপূর্বেও তিনি বহু সত্য ভাষন দিয়েছেন। প্রায়শই নেতা কর্মীরা তাদের বক্তৃতায় শেখ হাসিনার প্রাণনাশের চেষ্টা নিয়ে বলেন। ‘কথার কথা’ মতো সেসব কথা তিমিরেই হারিয়ে [বিস্তারিত...]

আন্তর্জাতিক আদালতকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের!

আন্তর্জাতিক আদালতকে নিষেধাজ্ঞার হুমকি যুক্তরাষ্ট্রের! সংলাপ ॥ ক্ষমতার জোরে কি-ই-না করছে তারা। সারা বিশ্বকে বৃদ্ধাঙুলি দেখিয়ে মোড়লিপনার এক অসহনীয় অবস্থানে  পৌঁছে গেছে । প্রেসিডেন্ট, মন্ত্রী, উপদেষ্টা সবাই পাল্টা দিয়ে কথার তুড়ি ধামকি-হুমকি দিয়েই চলেছেন। তারা আর কেউ নন। বিশ্ব রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের দূর্বলতা আর ব্যক্তি ও গোষ্ঠীস্বার্থে বিকিয়ে যাওয়ায় সুযোগ সন্ধানী সৃষ্ট দানব আমেরিকা এবার কড়া ভাষায় আন্তর্জাতিক আদালতকে এ হুমকি-ধামকি দিয়েছেন। গোটা বিশ্ব যে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতকে (আইসিসি) বিচার প্রার্থনার সর্বোচ্চ এবং নির্ভরযোগ্য জায়গা বলে মেনে চলে, সেই সর্বমান্য আদালতকেই নিষেধাজ্ঞার খড়গে ফেলার হুমকি দিয়ে বসলো যুক্তরাষ্ট্র। কোনো আমেরিকানকে বিচারের মুখোমুখি করার চেষ্টা করতে চাইলে আন্তর্জাতিক আদালতকে এ নিষেধাজ্ঞার তরবারির মুখে পড়তে হবে বলে নজিরবিহীন হুমকিটি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা জন বোল্টন। গত বছর আন্তর্জাতিক আদালতের আইনজীবীরা আফগানিস্তানে সম্ভাব্য ‘বন্দি-নিপীড়নের’ বিচারের প্রসঙ্গটি তোলেন। আইসিসির আইনজীবী ফাতৌ বেনসৌদা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর উপস্থিতিতে আফগানিস্তানে সম্ভাব্য যুদ্ধাপরাধের পূর্ণ [বিস্তারিত...]

পাকিস্তানের নতুন প্রেসিডেন্ট আলভি

পাকিস্তানের নতুন প্রেসিডেন্ট আলভি সংলাপ ॥ পাকিস্তানের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হলেন বর্তমান প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের খুব কাছের মানুষ ডঃ আরিফ আলভি। পাকিস্তানের ১৩তম প্রেসিডেন্ট হিসেবে গত ৯ সেপ্টেম্বর ইসলামাবাদে প্রেসিডেন্ট হাউস আইওয়ান-ই-সাদরে তিনি শপথ নেন। পাকিস্তানের সংবাদমাধ্যম ডন জানিয়েছে, আরিফ আলভিকে শপথবাক্য পাঠ করান পাকিস্তানের প্রধান বিচারপতি মির্যা সাকিব নিসার। মঙ্গলবার নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন ৬৯ বছরের প্রাক্তন দন্ত চিকিৎসক আরিফ। প্রেসিডেন্টের লড়াইয়ে আরিফ ছাড়াও ছিলেন আরও দু’জন। প্রার্থী দেওয়া হয়েছিল পাকিস্তান পিপলস পার্টির তরফ থেকে। বাকি বিরোধী দলের তরফেও একজোট হয়ে প্রার্থী দেওয়া হয়। কিন্তু দু’জনকেই খুব সহজেই পরাজিত করে প্রেসিডেন্টের মসনদে বসেন আরিফ। গত ৪ সেপ্টেম্বর সকাল ১০টায় দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ভোটগ্রহণ হয়। ভোটে আলভি ৪৩০ ভোটের মধ্যে পেয়েছেন ২১২ ভোট। আলভী পাঁচ দশকেরও বেশি সময় ধরে দেশটির রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রয়েছেন। ছাত্রজীবনে লাহোরের একটি ডেন্টাল কলেজের ছাত্র ইউনিয়নের প্রেসিডেন্ট হিসেবে [বিস্তারিত...]

যুদ্ধ থামুক ইয়েমেনে!!!

যুদ্ধ থামুক ইয়েমেনে!!! সংলাপ ॥ পেরিয়ে গেছে তিনটে বছর। যুদ্ধ, রক্তপাত, বোমার শব্দ এখন নিয়মিত হয়ে গেছে। বিধ্বস্ত ইয়েমেনে অন্তত ১ কোটি ১৩ লক্ষ শিশু বিপন্ন। একটি ১৩ বছরের মেয়ের ভিডিও সম্প্রতি ছড়িয়ে পড়েছে ইন্টারনেটে। নাম তার নোরান। হুইলচেয়ারে বন্দি মেয়েটার হাত-পা-শরীর বেঁকে গেছে। ঘাড় সোজা করে বসতেও পারে না সে। গোটা বিশ্বের কাছে ভিডিও বার্তা দিয়ে সে আহবান জানিয়েছে-সাহায্য করার, তার মতো অসংখ্য শিশুর পাশে দাঁড়ানোর জন্য। নোরান চায় ইয়েমেনে যুদ্ধ থামুক । কারণ ওর মতো অনেক শিশুকে যুদ্ধে আহত হতে হয়। পঙ্গু হতে হয়। এটা একেবারেই অন্যায্য, বোঝাতে চায় সে। হুইলচেয়ারে ঝুঁকে বসেই মেয়েটা বলে যায়, ‘হেঁটে হেঁটে স্কুল যেতাম এক সময়। পড়াশোনা করতাম, খেলতাম। অন্য বাচ্চাদের মতোই। স্কুলের ডেস্কে চেয়ারে বসতাম, লিখতাম।’’ দু’বছর আগে আকাশপথে হামলার পরে শিরদাঁড়ায় আঘাত লেগে ভয়ঙ্কর জখম হয় সে। তারপর থেকে পঙ্গুত্বের বোঝা চেপে বসেছে। [বিস্তারিত...]

বল এখন আমেরিকার কোর্টে : কিম

বল এখন আমেরিকার কোর্টে : কিম সংলাপ ॥ ‘কোরীয় উপদ্বীপকে পরমাণু অস্ত্রমুক্ত করার জন্য তিনি আর এককভাবে কোনো পদক্ষেপ নেবেন না। এর পরিবর্তে তিনি এরইমধ্যে পিয়ংইয়ং’র পক্ষ থেকে নেয়া পদক্ষেপগুলোর বিপরীতে আমেরিকা কী করে সেটা দেখার জন্য অপেক্ষা করবেন’। রুশ পার্লামেন্টের উচ্চকক্ষ সিনেটের স্পিকার ভ্যালেন্তিনা ম্যাতভিয়েঙ্কো গত সপ্তাহে পিয়ংইয়ংয়ে উত্তর কোরিয়ার নেতার সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে কিম এসব কথা বলেন। ম্যাতভিয়েঙ্কো ওই সাক্ষাতের বরাত দিয়ে রুশ বার্তা সংস্থা রিয়া নোভোস্তিকে জানিয়েছেন, কিম তাকে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন ওয়াশিংটনের পক্ষ থেকে পাল্টা পদক্ষেপ না নেয়া পর্যন্ত উত্তর কোরিয়া পরমাণু নিরস্ত্রীকরণের জন্য আর কোনো কাজ করবে না। রুশ পার্লামেন্ট স্পিকার বলেন, উত্তর কোরিয়া চায় তারা যতটুকু অগ্রসর হবে আমেরিকার পক্ষ থেকে ততটুকু অগ্রসর হতে হবে। পিয়ংইয়ং’র ওপর থেকে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না করায় কিম জং-উন ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন। উত্তর কোরিয়ার নেতা বলেছেন, তার দেশ সব কাজ শেষ করার পর আমেরিকা [বিস্তারিত...]

সত্য সন্ধানে সংলাপ