হোম পেজ

ফাগুনের আহ্বান সত্যের পথে যুব সমাজ হও আগুয়ান

সংলাপ ॥ জাগো যুব সম্প্রদায় জাগো। ঘুমিয়ে থাকার দিন শেষ হয়ে গেছে। আর কত ঘুমাবে! বাংলার আকাশে আজ দূর্যোগের ঘনঘটা। ধর্মের নামে অধর্ম, রাজনীতির নামে রাজনীতিকদের ব্যক্তি ও গোষ্ঠী স্বার্থে উন্মাদনা, বিদেশীদের লোলুপ দৃষ্টি থেকে বাংলাকে বাঁচাতে - সামাজিক পরিবর্তনে মূল কান্ডারি যুব সম্প্রদায় - আগামী প্রজন্মের আলোর দিশারীদেরকে নেশাগ্রস্ত রাজনীতির ঘুম ভাঙিয়ে বাংলা মায়ের আহ্বানে ঝাঁপিয়ে পড়তে হবে মুক্তির জয়গান গেয়ে। সত্যের জয়গান গেয়ে। সময় আজ দ্বারপ্রান্তে। যুব সমাজের সার্বিক উন্নতি ছাড়া এদেশে উন্নতি হতে পারে না। যুব সমাজের উত্থান সময়ের দাবি। দারিদ্র, অজ্ঞতা আর রাজনীতিকদের নিপীড়নে হতবিহ্বল গণমানুষকে বাঁচাতে যুব সমাজের হৃদয় প্রসারিত হোক, মুক্তির চিন্তায় বিভোর হোক - সহানুভূতির ডালা নিয়ে সমাজের প্রতিটি স্তরের রন্ধ্রে রন্ধ্রে ঢুকে পড়ুক সব বাধা অতিক্রম করে - এটাই সময়ের আহ্বান। ভাবতে অবাক লাগে, যে যুব শক্তিকে জাতি সালাম জানিয়েছে স্বাধীনতা আন্দোলন থেকে আরম্ভ করে সাংস্কৃতিক আন্দোলন সমূহের জন্য, যে যুব শক্তি জাতির জন্যে জীবন দিয়ে [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা....চেতনার পদচারণা চলছে চলবে

সংলাপ ॥ সারা বিশ্বে বাঙালি জাতি অত্যুজ্জ্বল তার গৌরবময় স্বাতন্ত্রে। প্রত্যেক জাতিরই আছে নির্দিষ্ট ভাষা যার পুষ্পিত শাখায় প্রস্ফুটিত হয় সে জাতির স্বকীয় চিন্তা, চেতনা, ধ্যান-ধারণা অর্থাৎ তার স্বতন্ত্র সংস্কৃতি। ভাষাতেই প্রবাহিত হয় তার সত্তার সলিল ধারা।  ভাষা জাতির প্রাণের সম্পদ, অচ্ছেদ্য হৃদ-স্পন্দন। কখনো কেউ সে হৃদ-স্পন্দনে যমের কালো থাবা বসাতে চাইলে কিংবা প্রাণের সম্পদ জবর দখল করে ফলাতে চায় স্ব-ইচ্ছার ফসল তখনই জাতি সোচ্চার হয়ে ওঠে প্রতিবাদে, অস্তিত্বের ভিত্তি রাখতে সুদৃঢ় হয়ে ওঠে উৎসর্গিত প্রাণ। প্রমাণ করেছে একমাত্র বাঙালি জাতি সমস্ত বিশ্বের মধ্যে। নিঃসঙ্কোচে দূরন্ত সাহসে বুকের পবিত্র রক্তের বিনিময়ে সুরক্ষিত করেছে বাঙালি জাতি অমূল্য মানিক - বাংলা ভাষা। শুধু ইতিহাসের ধূলিধূসর কালো অক্ষরে নয়, সমস্ত বাঙালির সতেজ বুকে ৮ ফাল্গুন তাই এক অমর অমলিন রক্তাক্ত পোষ্টার। ৮ ফাল্গুন আসে। ৮ ফাল্গুন যায় না। প্রতিনিয়ত ৮ ফাল্গুন আমাদের বন্ধ দরজার কড়া নেড়ে আমাদের জাগায়। ৮ ফাল্গুন তার আলিঙ্গনে আমাদেরও [বিস্তারিত...]

আজও বাঙালি জেগে ঘুমাচ্ছে!

সংলাপ ॥ পৃথিবীর অন্যান্য জাতির মতো বাঙালি একটি জাতি। তাদের রয়েছে হাজার-হাজার বৎসরের ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস। সে ইতিহাস নিখুঁতভাবে আমরা আজও জড়ো করতে পারিনি। তা সত্ত্বেও যে ইতিহাস আজ পর্যন্ত আমরা পেয়েছি তাতে করে এই জাতির ভাষা, নৃতাত্ত্বিক পরিচয় এবং ভৌগলিক অবস্থান অনেক গৌরবময়। বহু জাতির সংমিশ্রণের ফলে বাঙালি জাতি একটি শংকর জাতিতে পরিণত হয়েছে শতাব্দির ধাপে ধাপে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় এই যে, অনেক জাতির সংমিশ্রণ হলেও এই জাতি নিজেদের বাঙালি অস্তিত্বকে বিলুপ্ত হতে দেয়নি। তাদের স্বাধীনতা ও পরাধীনতার অনেক উত্থান-পতনের মধ্যে কোনো অর্থনৈতিক মানদন্ড  তৈরি করে উর্দ্ধরণের পথে এগিয়ে যেতে পারেনি। বাংলাদেশ, ত্রিপুরা, আসামের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল তথা মেঘালয়, উত্তরবঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গ সহ বাঙালির ভৌগলিক পরিচয় নিয়ে এই জাতির আদিকাল থেকেই বসবাস। যে সমস্ত বাঙালি বিজ্ঞ রাজনীতিকরা বৃটিশ আমলে একটি স্বাধীন বৃহৎ বাংলা গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন তারা বৃটিশ এবং তৎকালীন দিল্লী কেন্দ্রিক রাজনীতিতে রাজনীতিকদের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা আদায় করতে পারেননি। এটাই ছিল বাঙালির [বিস্তারিত...]

সর্বপ্রথম পরমাণু চুল্লি তৈরিতে আমিরাতের সম্মতি প্রদান

সর্বপ্রথম পরমাণু চুল্লি তৈরিতে আমিরাতের সম্মতি প্রদান সংলাপ ॥ আরব বিশ্বের মধ্যে সংযুক্ত আরব আমিরাতই সর্বপ্রথম পরমাণু চুল্লি তৈরি করার জন্য কোনো বিদেশী বিশেষজ্ঞদেরকে সম্মতি দিয়েছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাজধানী আবুধাবির পশ্চিমে পারস্য উপসাগরের উপকূলে অবস্থিত বারাকাহ পরমাণু স্থাপনায় এই চুল্লি নির্মাণ করা হবে। তবে নানা কারণে এবং নিরাপত্তার দিক বিবেচনা করে চুল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করতে দেরি হয়েছে। দেশটির জাতীয় পরমাণু নিয়ন্ত্রক সংস্থা এখন চুল্লি নির্মাণের ব্যাপারে সবুজ সংকেত দিয়েছে। আন্তর্জাতিক আণবিক শক্তি সংস্থা বা আইএইএ-তে নিযুক্ত সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধি হামাদ আল-কাবি গত সপ্তাহের সোমবার এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি জানান, দেশটি চারটি পরমাণু চুল্লি নির্মাণ করবে তবে প্রাথমিকভাবে একটির নির্মাণ কাজ শুরু হবে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের কর্মকর্তারা জানুয়ারি মাসে জানিয়েছিলেন, ওই পরমাণু স্থাপনা আগামী কয়েক মাসের মধ্যে চালু হবে তবে হামাদ আল-কাবি গতকাল পরমাণু স্থাপনা চালুর ব্যাপারে কোনো নির্দিষ্ট সময় সূচি উল্লেখ করেন নি। সংযুক্ত আরব আমিরাতের এ পরমাণু স্থাপনা নির্মাণ করছে দক্ষিণ কোরিয়ার একটি জ্বালানি [বিস্তারিত...]

বিমান থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় সফল পাকিস্তান

বিমান থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষায় সফল পাকিস্তান সংলাপ ॥ পাকিস্তান গত মঙ্গলবার সফলভাবে বিমান থেকে একটি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। পাকিস্তানের আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর বা আইএসপিআর এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, রা'দ নামে এ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা সফল হওয়ায় পাকিস্তান কৌশলগত যুদ্ধের ক্ষমতা বাড়াতে সক্ষম হবে। আইএসপিআর জানিয়েছে, ক্ষেপণাস্ত্রটির পাল্লা ৬০০ কিলোমিটার। আইএসপিআর’র বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে-এ ক্ষেপণাস্ত্রের সাহায্যে পাকিস্তানি বিমান বাহিনী সমুদ্র এবং স্থলে হামলা চালাতে পারবে। ক্ষেপণাস্ত্রটিতে অত্যন্ত উন্নতমানের গাইডেন্স এবং নেভিগেশন সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে যার ফলে এ ক্ষেপণাস্ত্র লক্ষ্যবস্তুতে খুবই নিখুঁতভাবে হামলা চালাতে পারবে। পাকিস্তানের স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানস ডিভিশনের মহাপরিচালক ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের সফল পরীক্ষাকে তার দেশের যুদ্ধক্ষমতা বাড়িয়ে দেয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া, পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট, প্রধানমন্ত্রী এবং জয়েন্ট চিফ অব স্টাফের চেয়ারম্যান ক্ষেপণাস্ত্রটির সফল পরীক্ষার প্রশংসা করেছেন। [বিস্তারিত...]

বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিল সিরিয় বাহিনী

বিশাল এলাকা নিয়ন্ত্রণে নিল সিরিয় বাহিনী সংলাপ ॥ নজিরবিহীন সফলতার মধ্য দিয়ে সিরিয়ার সরকারি বাহিনী উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় আলেপ্পো প্রদেশের বেশিরভাগ শহর ও গ্রাম নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিতে সক্ষম হয়েছে। ইদলিব ও আলেপ্পোর প্রদেশের পরিস্থিতি নিয়ে যখন তুরস্ক এবং রাশিয়া আলোচনায় বসতে যাচ্ছে তার আগ মুহূর্তে সিরিয় বাহিনী এসব এলাকা নিজেদের নিয়ন্ত্রণে নিল। ইরানের ইংরেজি ভাষার টেলিভিশন প্রেস টিভি জানিয়েছে, নিয়ন্ত্রণে আনা পুরো এলাকায় সিরিয়ার সরকারি বাহিনী সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করতে সক্ষম হয়েছে। সিরিয়ার সেনারা এসব এলাকা মুক্ত করার আগে সেখানে রাশিয়ার বিমানবাহিনী সন্ত্রাসী গোষ্ঠীগুলোর ওপরে ব্যাপকভাবে হামলা চালায়। গত সপ্তাহের সোমবার রাশিয়া ও তুরস্কের মধ্যে আলোচনা হতে পারে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, রাশিয়া ও সিরিয়ার সেনাদের যৌথ প্রচেষ্টায় তুর্কি সীমান্তবর্তী আনাদান এবং হারিতান শহর দুটি মুক্ত হয়েছে। ব্রিটেনভিত্তিক কথিত মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানিয়েছে, ওই এলাকায় সিরিয়ার সরকারি সেনারা অত্যন্ত দ্রুতগতিতে এগিয়ে যেতে সক্ষম হয়। সিরিয়ার রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা সানা জানিয়েছে, ২০১২ সালের পর এই প্রথমবারের মতো সরকারি বাহিনী [বিস্তারিত...]

ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি প্রত্যাখ্যান

ইরাক থেকে সেনা প্রত্যাহারের দাবি প্রত্যাখ্যান সংলাপ ॥ ইরাক থেকে সব সেনা প্রত্যাহার করার ব্যাপারে দেশটির জাতীয় সংসদ যে প্রস্তাব পাস করেছে তা মেনে নিতে অস্বীকার করেছে মার্কিন সামরিক বাহিনী। তারা ইরাকের নিরাপত্তা কর্মকর্তাদের কাছে নতুন প্রস্তাব দিয়েছে যে, ইরাক থেকে মার্কিন বাহিনীর একটি অংশ প্রত্যাহার করতে তারা রাজি। অনলাইন ওয়েবসাইট মিডল ইস্ট আই গত সপ্তাহের রোববার এ খবর দিয়েছে। এর আগে মার্কিন বাহিনী সব সেনা প্রত্যাহারের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। গত সপ্তাহে জর্দানের রাজধানী আম্মানে কানাডার রাষ্ট্রদূতের বাসায় অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে দুপক্ষের মধ্যে বৈঠক হয়েছে। ওই বৈঠকের সাথে ঘনিষ্ঠ একটি সূত্র নাম প্রকাশ না করার শর্তে মিডল ইস্টকে এ তথ্য জানিয়েছে। মার্কিন সামরিক বাহিনীর একজন প্রতিনিধি ইরাকি পক্ষকে বলেছেন, ইরাকের শিয়া অধ্যুষিত এলাকাগুলো ছাড়তে প্রস্তুত রয়েছে মার্কিন সেনারা। এ ধরনের একটি ঘাঁটি হচ্ছে আল-বালাদ ঘাঁটি যা রাজধানী বাগদাদ থেকে ৮০ কিলোমিটার উত্তরে অবস্থিত। তবে ইরাকের আইন আল-আসাদ ঘাঁটি থেকে সেনা প্রত্যাহার করার কথা একেবারেই নাকচ করে দিয়েছে মার্কিন পক্ষ। তারা [বিস্তারিত...]

সুদানের আকাশ ব্যবহার করল ইসরাইল!

সুদানের আকাশ ব্যবহার করল ইসরাইল! সংলাপ ॥ ইহুদিবাদী ইসরাইল সুদানের আকাশ ব্যবহার শুরু করেছে। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এ তথ্য জানিয়ে বলেছেন, তাদের বাণিজ্যিক বিমান এই প্রথম সুদানের আকাশসীমা ব্যবহার করেছে। নেতানিয়াহু আরও বলেছেন, চলতি মাসে সুদানের অন্তবর্তী সামরিক সরকারের প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল বুরহানের সঙ্গে তার বৈঠকের ফলেই দেশটির আকাশ দিয়ে ইসরাইলি বিমান ওড়ানো সম্ভব হয়েছে। দখলদার ইসরাইল খুব দ্রুত সুদানের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করছে বলে তিনি জানান। সম্প্রতি উগান্ডায় ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর সঙ্গে বৈঠক করেন সুদানের অন্তবর্তী সামরিক সরকারের প্রেসিডেন্ট আব্দুল ফাত্তাহ আল-বুরহান। ইসরাইলের সঙ্গে আপোষের বিরুদ্ধে সুদানে প্রতিবাদ অব্যাহত রয়েছে। ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাতের প্রতিবাদে সুদানজুড়ে কয়েক দিন ব্যাপক প্রতিবাদ হয়েছে। হাজার হাজার সুদানি বিক্ষোভকারী রাজধানী খার্তুমের রাজপথে ইসরাইল-বিরোধী শ্লোগান দেন। বিক্ষোভকারীরা ‘আত্মসমর্পন করব না’,‘দেশ বিক্রি করব না’,‘ইহুদিবাদী ইসরাইলের সঙ্গে সম্পর্ক মেনে নেব না’ ইত্যাদি বলে শ্লোগান দেন। উগান্ডায় অত্যন্ত রাখঢাক করে সুদানের সামরিক শাসক ও দখলদার ইসরাইলি প্রধানমন্ত্রীর  মধ্যে সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হলেও তা শেষ পর্যন্ত গোপন থাকে নি। [বিস্তারিত...]

আমি বাঙালি আমাকে বাঁচতে হবে....

সংলাপ ॥ ‘অন্য কোন দর্শন নয় - আমি বাঙালি আমাকে বাঁচতে হবে বাঙালি সংস্কৃতির ধারক হয়ে’- উক্তিটি বাংলার একজন সূফী সাধকের। অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে তিনি উচ্চারণ করেন - আজকের এই রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক, সামাজিক ও সাংস্কৃতিক দেউলিয়াত্ব থেকে মুক্তি পেতে বাঙালিকে চিন্তা ও মননে বাঙালি হওয়া ছাড়া আর কোন বিকল্প নেই। বাঙালির জীবন চলার পথে আজ আর বাঙালির দর্শন নেই, আছে জগাখিঁচুড়ি। নেই তার জাতীয়তাবোধের আত্মশক্তি ও সাহস। যা দ্বারা একদিন সে শিরদাঁড়া সোজা করে বৈশ্বিক চেতনা ধারণ করতে পেরেছিল। আজকের বাঙালিকে ইতিহাসের ধারায় খুঁজে পাওয়া কিংবা চিনে নেয়া কষ্টকর। তার ঐতিহ্য ও সাংস্কৃতিক মূল্যবোধের ব্যাপ্তি ক্রমাগত ধর্মজীবীদের এবং রাজনৈতিক বেনিয়াদের হাতে লুন্ঠিত হতে হতে আজ এক ক্ষীণ দীপ শিখা মাত্র। এ জন্যেই সূফী সাধক উপদেশ দিলেন সর্বাগ্রে একজন বাঙালি হবার। এই বাঙালি দর্শনেই নিহিত আছে রাজনীতি, ধর্মনীতি, অর্থনীতি ও সমাজনীতি। একজন মানুষ তার নিজের মধ্যে আপন স্বকীয়তার অস্তিত্ব [বিস্তারিত...]

প্রয়োজন লক্ষ্য ভিত্তিক সামাজিক পরিবর্তন

সংলাপ ॥ এক সামাজিক পরিবর্তন। আমাদের অভিব্যক্তি এবং উদ্যোগই বলে দেবে কিভাবে দেশ শাসন করতে চাচ্ছি। কিভাবে সমাজের নানা স্তরের মানুষকে উপযুক্ত নাগরিক সুবিধা দিতে পারছি। সরকারের কাজই হলো তা নিশ্চিত করা। নাগরিক সমাজ, বেসরকারি ক্ষেত্র, সংবাদ মাধ্যমের পাশাপাশি বিচার ব্যবস্থারও সমান ভূমিকা এবং দায়িত্ব রয়েছে এই সামাজিক পরিবর্তন আনার ক্ষেত্রে। দেশ মানে মানুষ, দেশ মানে মৃত্তিকা নয়। অকাজে কেবল কথা না বলে কাজ করে যাওয়া। ভালো কাজ। জনকল্যাণমূলক কাজে নিজেদেরকে নিবেদন করলে যা করতে চাইছি, তার অনেকটাই সম্পূর্ণ হয়ে যায়। যা আরও পরবর্তী পদক্ষেপ নিতে উল্লেখযোগ্য অনুপ্রেরণা জোগায়। উৎসাহ দেয়। তৈরি করে কৌতূহল। তাই সময় এসেছে দেশ পরিবর্তনের। সুশাসনের। মজবুত অর্থনৈতিক ভিতের ওপর ভর করে দেশ আর্থিক বৃদ্ধির দিকে অগ্রসর হচ্ছে। একইভাবে সম্মিলিতভাবে আমাদের নজর দিতে হবে রাষ্ট্র, সামাজিক বুনন এবং পরিষেবায়। বিশেষত শিক্ষা এবং স্বাস্থ্যে। জীবন-যাপনের মানোন্নয়নই সবার ওপর দর্শনীয় হওয়া উচিত। গুণগত মানের শিক্ষাই হলো সার্বিক [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... - অ-ঘৃণা আদর্শের একটা প্রধান স্তম্ভ

সংলাপ ॥ দেশবসী জানেন, মন্দ কাজের জন্য শাস্তি না দিলে সমাজ চালানো কঠিন হয়ে পড়ে, কিন্তু তবুও ক্ষমা করা শ্রেয়। আমাদের উচিত ওদের চিন্তা পাল্টানোর জন্য চেষ্টা করা। ঘৃণা জিনিসটা নিয়ে গভীর ভাবে ভাবলে, ধর্মীয় জাতীয়তাবাদের জন্য কাউকে ঘৃণা করাটা জরুরি নয়। ভুল ভাবনায় ওদের দোষ দেয়া যায়না, ওদের জন্য কষ্ট অনুভব করতে হবে, ওরা একটা ভুল ভাবনার চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে। তাই, ওদের প্রতি, আমাদেরও প্রতি,সকলের প্রতি প্রশ্ন: আমি যা ঠিক বলে চিন্তা করি, আমার নিজেরই বাবা, মা, ছেলে, মেয়ে স্ত্রী যখন সেটা না করে, যখন কোনও ভুল করে, আমি কি তাকে ‘ঘৃণা’ করি, না কি তাদের বোঝানোর চেষ্টা করি? নিজের লোকেদের ক্ষেত্রে যখন তা-ই করি, অন্যের ক্ষেত্রেও সেই একই কাজ করব না কেন? তাদের ততটা আপন ভাবতে পারব না কেন? অ-ঘৃণা’ই আদর্শের একটা প্রধান স্তম্ভ। যে মুহূর্তে ঘৃণাকে বড় করে দেখা যায়, ঘৃণা ‘মহৎ’ হয়ে ওঠে। [বিস্তারিত...]

ইন্দ্রিয়সমূহের নিকট আগমনকারী সকল বিষয়বস্তু ও ইন্দ্রিয়সমূহের দ্বারা ঘটিত সকল কর্ম সূক্ষভাবে দর্শন করার মাধ্যমেই ঘটে আত্মদর্শন

বাণী তাৎপর্য অন্বেষণে - শাহ্ সূফী ড. এমদাদুল হক ॥ যে আল্লাহকে খোঁজে তার ভেতরেই তিনি থাকেন লুকিয়ে। অথচ উদভ্রান্ত মানুষ তাঁকেই খোঁজে বেড়ায় আকাশে-পাতালে, বনে-জঙ্গলে কিংবা পাহাড়ের গুহায়। যে খোঁজে সে, যা খোঁজে তা থেকে পৃথক নয়। আত্মদর্শনের মাঝেই আল্লাহ দর্শন। আত্মজ্ঞানই পরমাত্মজ্ঞান। মানুষ নিজেকে চিনতে পারলেই চিনতে পারে তার আল্লাহকে। মানুষ এবং আল্লাহর মধ্যে একমাত্র পর্দা মানুষ নিজেই। ‘আমি কে?’ নিজের মধ্যে এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজলে দেখা যাবে আমি বলে কিছু নেই। মানুষ নিজেকে যা ভাবে তা সে নয়। নিজেকে যা ভাবতে পারে না সে ঠিক তাই। এক অসীম শূণ্যতা। এক অভাবনীয়, অসীম শূণ্যতাই পারমার্থিক সত্তা। এ অসীম শূণ্যতা বোধ থেকেই আসে পূর্ণতা। কিভাবে হবে আত্মদর্শন? আমরা কি জানি নিজেকে? কতটুকু জানি? আমরা কি জানি আমাদের জীবনের লক্ষ্য? কোন্ লক্ষ্যে পৌঁছার জন্য যাপন করছি এ জীবন? কি পেলে আমরা শান্ত হবো, নিজেকে সার্থক ও সফল ভাবতে পারবো, [বিস্তারিত...]

নাগরিকত্ব আইন: বাংলাদেশি তাড়ানো দাবি

নাগরিকত্ব আইন: বাংলাদেশি তাড়ানো দাবি সংলাপ ॥ ওই রাজ্যের প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল 'মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা' দেশ থেকে অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের বিতাড়নের দাবিতে ও নতুন নাগরিকত্ব নাইনের সমর্থনে এই জনসভার ডাক দিয়েছিল। আর সেখানে দলনেতা রাজ ঠাকরে ঘোষণা করেছেন ‘ভারত কোনও ধর্মশালা নয়, এখান থেকে বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিদের তাড়িয়েই ছাড়া হবে।’ কথিত বাংলাদেশিদের দেশছাড়া করার বিষয়টি ভারতে একটি বড় রাজনৈতিক ইস্যু হয়ে উঠেছে বেশ কিছুকাল ধরেই। কিন্তু সেই ইস্যুতে এত বড় মাপের রাজনৈতিক কর্মসূচী এই প্রথম হল। মুম্বাইয়ের গোরেগাঁওতে হিন্দু জিমখানা গ্রাউন্ড থেকে শহরের দক্ষিণ প্রান্তে আজাদ ময়দান পর্যন্ত রাজ ঠাকুরের দল মহারাষ্ট্র নবনির্মাণ সেনা এদিন যে বিশাল পদযাত্রার আয়োজন করেছিল, ওই শহরে এত বড় মাপের জমায়েত অনেকদিন হয়নি। বিবিসি মারাঠির সংবাদদাতা ময়ূরেশ বলছিলেন, দলের গেরুয়া পতাকা নিয়ে হাজার হাজার কর্মী-সমর্থক এদিন যেন মুম্বাইকে গেরুয়াতে রাঙিয়ে তুলেছিলেন। অচল হয়ে গিয়েছিল মেরিন ড্রাইভ। আর এই জনসভার প্রধান দাবিই ছিল ভারতে অবৈধভাবে প্রবেশ করা বাংলাদেশি ও পাকিস্তানিদের [বিস্তারিত...]

রুশ প্রতিনিধিদলের তুরস্ক সফর ও নয়া সমঝোতা!

রুশ প্রতিনিধিদলের তুরস্ক সফর ও নয়া সমঝোতা! সংলাপ ॥ সিরিয়ার ইদলিবে সেদেশের সেনা ও মিত্রবাহিনীর অভিযানের ঘটনায় তুরস্ক নেতিবাচক প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছে। অপরদিকে রাশিয়া সিরিয়ার সার্বভৌমত্বের ওপর গুরুত্বারোপ করেছে। দ্বিপক্ষীয় এই মতবিরোধের ঘটনায় রাশিয়ার উচ্চ পর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল গতকাল তুরস্ক সফর করেছে।আঙ্কারায় তিন ঘণ্টাব্যাপী বৈঠকের পর আলোচনা চালিয়ে যাবার ব্যাপারে উভয়পক্ষ সম্মত হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিনিধি দলের নেতৃত্বে ছিলেন উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই ভারশিনিন এবং সিরিয়ায় রাশিয়ার বিশেষ দূত আলেকজান্ডার লভরেন্তিভ। তুরস্কের প্রতিনিধি দলের প্রধান ছিলেন তুরস্কের উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী সাদাত ওনাল। আঙ্কারায় রাশিয়ান ও তুর্কি প্রতিনিধিদের মধ্যে গতকালের ওই বৈঠকে উভয় পক্ষ ইদলিবকে শান্ত রাখতে এবং সিরিয়ার রাজনৈতিক প্রক্রিয়া এগিয়ে নিতে পদক্ষেপ নেওয়ার ওপর জোর দেয়। রুশ প্রতিনিধি দলে রাজনীতিবিদ,সামরিক এবং গোয়েন্দা কর্মকর্তারাও অন্তর্ভূক্ত ছিলেন। অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে উভয় পক্ষই চূড়ান্ত চুক্তি স্বাক্ষরের বিষয়টি বিবেচনা করছে এবং সেটা চলতি ফেব্রুয়ারি মাসের মধ্যেই হতে পারে। গুরুত্বের দিক থেকে আদানা'চুক্তি-২ বলা যেতে পারে এই চুক্তিকে। ১৯৯৮ সালের ২০ অক্টোবরে স্বাক্ষরিত ওই [বিস্তারিত...]

মুক্তিপাগল চেতনায়....

সংলাপ ॥ সারা বিশ্বে বাঙালি জাতি অত্যুজ্জ্বল তার গৌরবময় স্বাতন্ত্রে। প্রত্যেক জাতিরই আছে নির্দিষ্ট ভাষা যার পুষ্পিত শাখায় প্রস্ফুটিত হয় সে জাতির স্বকীয় চিন্তা,চেতনা,ধ্যান-ধারণা অর্থাৎ তার স্বতন্ত্র সংস্কৃতি। ভাষাতেই প্রবাহিত হয় তার সত্তার সলিল ধারা। ভাষা জাতির প্রাণের সম্পদ,অচ্ছেদ্য হৃদস্পন্দন। কখনো কেউ সে হৃদস্পন্দনে যমের কালো থাবা বসাতে চাইলে কিংবা প্রাণের সম্পদ জবর দখল করে ফলাতে চায় স্ব-ইচ্ছার ফসল তখনই জাতি সোচ্চার হয়ে ওঠে প্রতিবাদে, অস্তিত্বের ভিত্তি রাখতে সুদৃঢ় হয়ে ওঠে উৎসর্গিত প্রাণ। প্রমাণ করেছে একমাত্র বাঙালি জাতি সমস্ত বিশ্বের মধ্যে।নিঃসঙ্কোচে দূরন্ত সাহসে বুকের পবিত্র রক্তের বিনিময়ে সুরক্ষিত করেছে বাঙালি জাতি অমূল্য মানিক -বাংলা ভাষা। শুধু ইতিহাসের ধূলিধূসর কালো অক্ষরে নয়, সমস্ত বাঙালির সতেজ বুকে ২১ তাই এক অমর অমলিন রক্তাক্ত পোষ্টার। ২১ আসে। ২১ যায় না। প্রতিনিয়ত ২১ আমাদের বন্ধ দরজার কড়া নেড়ে আমাদের জাগায়। ২১ তার আলিঙ্গনে আমাদেরও রাঙিয়ে তোলে নিত্য নতুন চেতনায়। প্রতিবারের মতো এবারও ২১ আসছে সততঃ নিয়মে। [বিস্তারিত...]

বাঙালি আজ জেগেও স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে পারছে না!

সংলাপ ॥ পৃথিবীর অন্যান্য জাতির মতো বাঙালি একটি জাতি। তাদের রয়েছে হাজার হাজার বৎসরের ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস। সে ইতিহাস নিখুঁতভাবে আমরা আজও জড় করতে পারিনি। তা সত্ত্বেও যে ইতিহাস আজ পর্যন্ত আমরা পেয়েছি তাতে করে এই জাতির ভাষা,নৃতাত্ত্বিক পরিচয় এবং ভৌগলিক অবস্থান অনেক গৌরবময়। বহু জাতির সংমিশ্রণের ফলে বাঙালি জাতি একটি শংকর জাতিতে পরিণত হয়েছে শতাব্দির ধাপে ধাপে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় এই যে,অনেক জাতির সংমিশ্রণ হলেও এই জাতি নিজেদের বাঙালি অস্তিত্বকে বিলুপ্ত হতে দেয়নি। তাদের স্বাধীনতা ও পরাধীনতার অনেক উত্থান পতনের মধ্যে কোনো অর্থনৈতিক মানদন্ড তৈরি করে উর্দ্ধারণের পথে এগিয়ে যেতে পারেনি। বাংলাদেশ, ত্রিপুরা, আসামের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল তথা মেঘালয়, উত্তরবঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গ সহ বাঙালির ভৌগলিক পরিচয় নিয়ে এই জাতির আদিকাল থেকেই বসবাস। যে সমস্ত বাঙালি বিজ্ঞ রাজনীতিকরা বৃটিশ আমলে একটি স্বাধীন বৃহৎ বাংলা গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন তারা বৃটিশ এবং তৎকালীন দিল্লী কেন্দ্রিক রাজনীতিতে রাজনীতিকদের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা আদায় করতে পারেননি। এটাই [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা....বিবেকের কাছে প্রশ্ন -

শাহ্ ফুয়াদ ॥ *নিজের মাতৃভাষা বাংলা,এর ইতিহাস,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে আমরা এখন কতটুকু ভালোবাসি? ধর্মের নামে আরবি,শিক্ষার নামে ইংরেজি আর বিনোদনের নামে হিন্দি-তেই কি আমরা গা ভাসিয়ে দিবো?এ দুরাবস্থা থেকে বাংলা ভাষা ও বাঙালি জাতির উত্তরণের উপায় কি? * নিজের মাতৃভাষা,এর ইতিহাস,ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে ভালো না বাসলে,এর সাথে মিশে যেতে না পারলে কখনো ধার্মিক হওয়া সম্ভব কি?     * বিদেশি ভাষা ও সংস্কৃতির অন্ধ অনুকরণ করে নিজের উন্নতি কতটুকু সম্ভব? সমাজ ও দেশের উন্নতিই বা কতটুকু সম্ভব? বিশ্বমানব হওয়ার পূর্বশর্ত-কায়মনোবাক্যে বাঙালি হওয়ার শপথ নেয়ার দিন আজ নয় কি? * মহান ভাষা আন্দোলন ও শহীদ দিবসের অঙ্গীকার ছিল, এদেশে বাংলা ভাষা পরবাসী হবে না। অথচ আমরা জোর গলায় আজ বলতে পারছি কি বাংলা ভাষা আমাদের অহংকার? বৈদ্যুতিন মাধ্যমে হিন্দি অনুষ্ঠানের দাপটে শহরে, বন্দরে, গ্রাম-গঞ্জের সর্বস্তরে দেশীয় ভাষার অনুষ্ঠানগুলো আজ অপাংক্তেয় হয়ে উঠছে কেন? * বাংলাদেশ বিশ্বের একমাত্র রাষ্ট্র যেখানে বাংলা ভাষা সাংবিধানিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছে,বলা হয়েছে প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রভাষা [বিস্তারিত...]

এই সপ্তাহে….

খাজা মঈন উদ্দিন হাসান চিশতি ঃ জীবন ও দর্শন

মানবতাই ধর্ম

দয়ালের উপদেশ – ২২

ধর্মান্ধ মানুষ – মানুষ ধর্মান্ধ!

সত্য সন্ধানে সংলাপ