হোম পেজ

মুজিববর্ষের ক্ষণ গণনা শুরু ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হতে

অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা নজরুল ইশতিয়াক ॥ ১০ জানুয়ারি ১৯৭২ এ, দেশে ফিরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়কে ‘অন্ধকার থেকে আলোর পথে যাত্রা’ হিসেবে তুলে ধরেন। তিনি বলেন- ‘আমার বাংলাদেশ স্বাধীন হয়েছে। আমার জীবনের সাধ আজ পূর্ণ হয়েছে, আমার বাংলার মানুষ আজ মুক্ত হয়েছে’। কৃতজ্ঞতা চিত্তে তিনি মহান মুক্তিযুদ্ধে অবদানের জন্য বাংলার মায়েদের-সন্তানদের কথা স্মরণ করেন। ছাত্র-কৃষক-শ্রমিক-বুদ্ধিজীবীদের অবদানের কথা তুলে ধরেন। তিনি বাঙালির অনগ্রসরতা অস্পৃশ্যতা সম্বন্ধে বঙ্গমাতা কবিতায় লেখা বিশ্বকবির আক্ষেপের জবাব দিতে গিয়ে বলেন-‘কবিগুরু আপনি বলেছিলেন-সাত কোটি সন্তানের হে মুগ্ধ জননী, রেখেছ বাঙ্গালি করে মানুষ কর নি’। আপনার কথা মিথ্যা প্রমাণিত হয়েছে। বাঙালিরা আজ মানুষ হয়েছে। এত আত্মত্যাগ দুনিয়ার কোথাও হয়নি। কেউ আমাদের দাবিয়ে রাখতে পারেনি। দীর্ঘ বক্তৃতায় বঙ্গবন্ধু স্বাধীন বাংলাদেশ গঠনের নানা দিক তুলে ধরেন। রাষ্ট্রের চরিত্র, নীতি কাঠামোর বিষয়ে খোলাখুলি কথা বলেন। জাতির জনকের সেই সেই ভাষণটি আমরা চাইলেই দেখে নিতে পারি। ‘১৯৭২ থেকে ২০২০’ এই [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা....স্ব-স্ব কর্তব্য পালনে আন্তরিক হই নতুন বছরে....

সংলাপ ॥ ২০১৯ কে বিদায় জানিয়ে আরও একটি নতুন বছরে পা দিল বিশ্ব। ভালো-মন্দে কেটেছে আগের বছরটি। নতুন বছরে আমরা কেবল ভালোই চাইব। চাইব সারা বিশ্ব শান্তিতে থাকুক। বিশ্ববাসীর কল্যাণ হোক। বিগত বছরের যাবতীয় গ্লানি আর অপূর্ণতার পুনরাবৃত্তি চাই না। চাই কলুষমুক্ত বিশ্ব, পৃথিবীর আকাশ হোক যাবতীয় অকল্যাণের মেঘমুক্ত। ২০১৯-তে বিশ্বজুড়ে সন্ত্রাসী তৎপরতা আর যুদ্ধের দামামা কোটি কোটি মানুষের জীবনকে দুর্বিষহ করে তুলেছিল, শান্তি প্রতিষ্ঠার নামে চকচকে মোড়কে পাল্টা অশান্তি সৃষ্টির অপচেষ্টাও দেখতে হয়েছে বিশ্ববাসীকে। মুখে যত বড় বড় কথাই বলা হোক না কেন, ক্ষমতার দাপাদাপি আর রাজনৈতিক মিথ্যাচার যে শেষমেশ সাধারণ মানুষের উপরই কঠিন আঘাত হানে, বিগত বছরে তা মর্মে মর্মে উপলব্ধি করতে বাধ্য হয়েছে অসংখ্য নিরীহ প্রাণ। সামান্য সুখ আর স্বস্থির বেশি চাহিদা যাদের নেই, যারা কেবল কামনা করেন ‘আমার সন্তান থাক দুধে-ভাতে,’ তারাও নানান ক্ষমতাধরের দাবার চালে অসীম দুর্ভোগের শিকার হয়েছেন। এমন আর চায় না দেশবাসী [বিস্তারিত...]

নিজেদের চরিত্র না বদলালে দেশ ও জাতির চরিত্র বদলায় না

সংলাপ ॥ বিশ্ববাজার এবং বিশ্বমহাজনদের নিয়ন্ত্রিত উপমহাদেশে আর্থ-সামরিক নীতির স্বীকৃতি পেয়েছিলো বাংলাদেশ। দুর্নীতি দমনের নামে যে সন্ত্রাস এবং লুটপাট চালিয়েছিলো তদারকি সুশীলরা এবং তার আগের পাঁচ বছর তথাকথিত রাজনৈতিক ইসলামপন্থীরা, তা দেখে পৃথিবীর মানুষ বাংলাদেশের রাজনীতি নিয়ে গভীরভাবে চিন্তা করা আরম্ভ করেছিল। ইতিহাস বলছে, আমলা-সুশীল-সামরিক শাসনের থেকে যে-কোনও নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের শাসন ব্যবস্থা অনেক ভাল। পঁচতে পঁচতে তারা এক জায়গাতে থামতে বাধ্য হয় বলেই একসময় তারা বদলায়। সীমাহীন মিথ্যাচার, ভন্ডামী, বেঈমানী, অকৃতজ্ঞতা থেকে তারা সহজে নিজেদের বদলায় না। কিন্তু জনতার চাপ পড়লে এবং তাদের ওপর আঘাত আসলে বদলায় অতি দ্রুত। জমির চরিত্র বদল চাইলে, কৃষকের কৃষি-উত্তর বদল হয় না, মানুষের সংস্কার বদলাতে চাইলে, নিজের চারিত্রিক বদলও হয় না। এগুলোর বদল করতে গেলে বদলাতে হবে নিজেকে, ত্যাগ করতে হবে অনবরত মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অভ্যাস। নিজের মিথ্যা বলার অভ্যাস, বলতে বলতে একজন মাদক-আসক্তের মতো মিথ্যাবাদী হয়ে যায়। মসজিদের অনেক [বিস্তারিত...]

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চারণভূমিতে আতঙ্ক!

সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির চারণভূমিতে আতঙ্ক! সংলাপ ॥ সুদূর অতীত কাল থেকেই আমাদের বাংলাদেশ বা বঙ্গদেশে বিভিন্ন শাসক গোষ্ঠী শাসন করে গিয়েছে। স্থানীয় জনগণ নিজেরাই সেই শাসক গোষ্ঠীর সঙ্গে নিজেদের একাত্ম করে নিয়েছিলেন সময়ের সঙ্গে সঙ্গে। একই সঙ্গে শাসকও তার অধীন জনগোষ্ঠীকে নিজের আপন ভেবেই কাজ করে গিয়েছে। সুদীর্ঘ কাল এই ভাবেই চলেছে। বৌদ্ধ আমলেও বাংলার বিভিন্ন অঞ্চলে বিহার তৈরি হয়েছে। শিক্ষাদান হয়েছে। প্রাচীন বঙ্গদেশ থেকে শুরু করে ব্রিটিশ আমলের ঠিক আগে পর্যন্ত যে সব শাসকেরা এই দেশ শাসন করে গিয়েছেন, তাঁরা সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন সচেতন ভাবেই। চৈতন্যের বাংলায় সেই সম্প্রীতি এখনও লোকমুখে খুঁজে পাওয়া যায়। বৈষ্ণব সাহিত্যেও সেই ছবি লক্ষ্য করা যায়। যদিও হিন্দু বাঙালির মধ্যে কৌলিন্য প্রথার সংস্কার করেন বল্লাল সেন। তবুও বাংলায় ইসলামি শাসন প্রবর্তনের সময়ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ঘাটতি ছিল না। বাংলার ইসলামি শাসনের স্বর্ণযুগ ছিল হুসেন শাহের আমল। সেই আমলে বাংলায় হিন্দু-মুসলিম সম্প্রীতি ছিল চোখে পড়ার মতো।চৈতন্য এবং তাঁর অনুগামীদেরকে [বিস্তারিত...]

বাংলাদেশের অর্থনীতি: শংকা ও আশাবাদ

হাসান জামান টিপু ॥ বিশ্ব ব্যাংকের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ও যুক্তরাষ্ট্রের কর্ণেল বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতির অধ্যাপক কলকাতায় জন্ম নেওয়া বাঙালী অর্থনীতিবিদ কৌসিক বসু ‘হোয়াই বাংলাদেশ ব্লোমিং’ নামক প্রবন্ধে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সাফল্যের রহস্য উন্মোচনের চেষ্টা করেছেন। কিভাবে একটি “তলাবিহীন ঝুড়ি” থেকে বাংলাদেশ সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে যে  সফলতা অর্জন করেছে তা নিয়ে উনি গবেষণা করেছেন ও নানান দিক নিয়ে বিশ্লেষণের চেষ্টা করেছেন। তার ভাষায় বাংলাদেশ এখন এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে  “চমকপ্রদ ও অপ্রত্যাশিত” সাফল্যের একটি বড় উদাহরণ। এই প্রবন্ধে উনি দেখিয়েছেন কিভাবে একটি দরিদ্রপীড়িত ও দুর্ভিক্ষ পীড়িত দেশ হওয়া সত্বেও অর্থনীতি ও সামাজিক সূচকগুলিতে পাকিস্তান, এমনকি কোন কোন ক্ষেত্রে ভারতকেও ছাড়িয়ে গেছে। ২০০৬ সালে যখন বাংলাদেশকে অনেকেই “ব্যর্থ রাষ্ট্র” হিসাবে মনে করতো সে বছরই বাংলাদেশ পাকিস্তানকে ছাড়িয়ে গেলে তা অনেকের কাছেই অঘটন হিসাবে বিবেচিত হয়েছিলো। ২০০৬ সালের পরবর্তী বছরগুলিতে বাংলাদেশ সেই ধারাবাহিকতা বজায় রেখে পাকিস্তানের চেয়ে আড়াইগুণ বেশী প্রবৃদ্ধি অর্জন করে এবং বর্তমানে ভারতের শ্লথ অর্থনীতির [বিস্তারিত...]

এত বড় বিপদ স্বাধীন ভারতে আগে কখনও আসেনি

এত বড় বিপদ স্বাধীন ভারতে আগে কখনও আসেনি সংলাপ ॥  একটি লড়াইয়ের ভিতরে আর একটি লড়াই চলছে। বাইরের লড়াই সংশোধিত নাগরিকত্ব আইনের (সিএএ) বিরুদ্ধে, দেশ জুড়ে জাতীয় নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) প্রবর্তনের প্রস্তাবের বিরুদ্ধে। ভিতরের লড়াই চলছে ওই বাইরের লড়াইয়ের সংজ্ঞা, ধর্ম এবং গতিপথকে কেন্দ্র করে। সিএএ-এনআরসি’র বিরুদ্ধে আন্দোলন যাতে কেবলমাত্র মুসলমান সমাজের আন্দোলনে পর্যবসিত না হয়, ভিতরের লড়াই সেই উদ্দেশ্যে। ভিতরের লড়াইয়েই নিহিত রয়েছে বাইরের লড়াইয়ের প্রাণশক্তি। সেই লড়াই ব্যর্থ হলে ওই প্রাণশক্তি বিনষ্ট হবে। তা কেবল দুর্ভাগ্যজনক নহে, বিপজ্জনক। সেই বিপদ অত্যন্ত বড় আকারের, কারণ তা ভারতীয় রাজনীতিকে আড়াআড়ি ভাগ করে দিতে পারে, রাজনীতির মেরুকরণ ষোলো আনা সম্পন্ন করে মেরুকরণকেই রাজনীতিতে পরিণত করতে পারে। এত বড় বিপদ স্বাধীন ভারতে আগে কখনও আসে নাই। বিপদ এই কারণে গুরুতর যে, রাষ্ট্রনীতি নিজেই মেরুকরণের প্রধান হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। নুতন নাগরিকত্ব আইন মেরুকরণের জমি তৈরি করেছে, সেই জমিতে অতঃপর জাতীয় নাগরিক পঞ্জির ইমারত গড়া হবে। একটি কথা বুঝে নেয়া [বিস্তারিত...]

মসজিদের মাথায় ‘যুদ্ধের নিশান’ উড়াল ইরান

মসজিদের মাথায় ‘যুদ্ধের নিশান’ উড়াল ইরান সংলাপ ॥ ইরান তার দেশের মসজিদের মাথায় ‘যুদ্ধের নিশান’ লাল পতাকা ওড়াল। বেরিয়ে এল ২০১৫ এর পরমাণু চুক্তি থেকে। আর ও-দিকে খোদ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প টুইটারে হুঁশিয়ারি দিয়ে জানালেন, বেশি বাড়াবাড়ি করলে এ বার ‘খুব দ্রুত এবং ‘বড় হামলা’ হবে ইরানে। ইরানের ৫২টি ‘টার্গেট’ ঠিক করেছে আমেরিকা। জেনারেল কাসেম সোলেমানি খুনের বদলা চেয়ে গোড়া থেকেই ফুঁসছে ইরান। মুখে ‘যুদ্ধ চাই না’ বলছেন বটে, কিন্তু ধারাবাহিক হুমকি দিয়ে চলেছেন ট্রাম্পও। এই পরিস্থিতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিয়ো গুতেরেস। গত শুক্রবার ভোররাতে বাগদাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের বাইরে মার্কিন ড্রোন হামলায় নিহত হন ইরানের রেভোলিউশনারি গার্ড কোরের কাডস ফোর্সের কমান্ডার সোলেমানি। তার পরপরই ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াত উল্লাহ আলি খামেনেইকে বদলার দাবিতে সুর চড়াতে শোনা গিয়েছিল। গত সপ্তাহে শনিবার শিয়া অধ্যুষিত কোম শহরের ঐতিহ্যবাহী জামকরন মসজিদের উপর ধর্মীয় নীল পতাকার বদলে উড়তে দেখা গেল যুদ্ধের নিশানবাহী লাল পতাকা। বিশেষজ্ঞদের একটা বড় অংশের দাবি, ইরানের [বিস্তারিত...]

স্বাগত ২০২০ বাঙালির জয়রথে গতির সঞ্চার হোক

স্বাগত ২০২০ বাঙালির জয়রথে গতির সঞ্চার হোক নজরুল ইশতিয়াক ॥ নতুন বছরে দেশ নিয়ে প্রত্যাশা বাড়বেই। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে যে পরিবর্তন যাত্রার সূচনা হয়েছে তার যৌক্তিক ধারা অব্যাহত থাকবে এই প্রত্যাশা দেশের মানুষের। দিন বদলের সময় এসেছে। সময়টা কাজে লাগাতে হবে। নিজেদেরকে শুদ্ধ করার শিক্ষাই হলো সময়ের শিক্ষা।  রাজনীতির নামে প্রকারান্তরে প্রতারণার যে দীর্ঘ সময় অতিক্রান্ত হয়েছে, বারবার বাংলা-বাঙালির অস্তিত্বের উপর আঘাত হানা হয়েছে, বোধ-বিবেক রুদ্ধ করা হয়েছে, রক্তাক্ত হয়েছে বাংলার পথ প্রান্তর, সেসব তৎপরতার কফিনে পেরেক ঠুকে দিতে হবে। ধর্মের নামে, দারিদ্র বিমোচনের নামে যা যা হয়েছে তার বিপরীতে কল্যাণ যাত্রা, শুদ্ধি যাত্রার পাল্লা ভারি করতে হবে দিনে দিনে। সমাজে-মানুষের দৌঁড়গোড়ায় পৌঁছে দিতে হবে সৌরভ সৌন্দর্যের শুভবারতা। স্বপ্ন জাগানিয়া সব চিন্তা বাস্তবে রূপলাভ করবে এটাই তো সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা। অজ্ঞতা-অন্ধত্ব -বর্বরতার বিরুদ্ধে একটা শক্তিশালী জাগরণ ঘটানোর কাজটি করতে হবে সব শ্রেণী পেশার দেশপ্রেমিক মানুষদের সম্মিলনে। সাহস করে সত্য কথা বলার পরিবেশ তৈরীতে কাজ করতেই হবে, বোধ [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... মানুষের উৎস এক তবে এত বিভাজন কেন?

ধর্ম সুস্থ জীবনযাপনের দর্শন, মানুষে - মানুষে বিভেদ সৃষ্টির উপকরণ নয়। সংলাপ॥ মেডিক্যাল কলেজের অ্যানাটমির ক্লাসে শিক্ষক একটি মৃতদেহ ব্যবচ্ছেদ করে পড়াচ্ছিলেন। হঠাৎই মৃতদেহটি দেখিয়ে ছাত্রছাত্রীদের উদ্দেশে তিনি একটি প্রশ্ন করেন ‘বল তো এই ব্যক্তির ধর্ম, বর্ণ, জাত কী? তোরা তো রাস্তায় নেমে বাস, ট্রেন, সরকারি সম্পত্তি জ্বালিয়ে রাজনীতিতে নেমেছিস তা এই মৃতদেহটি কোন দলের?’ না মানুষের কোনও ধর্ম, জাত, বর্ণ হয় না। কিছু রীতিনীতি, নিয়মকানুন, সংস্কার মানুষের প্রতিটি শ্রেণি আলাদা রাখতে পারে, কিন্তু আমাদের একটাই পরিচয়। বায়োলজিক্যালি, আমরা মানুষ। একটি মানবশিশু ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর যতক্ষণ পর্যন্ত না তার মা-বাবা, পরিবার তাকে কিছু শেখায় ততদিন সে শুধুমাত্র মানবশিশুই থাকে। ঠিক যে মুহূর্ত থেকে তাকে শেখানো হয় সে কোন ধর্ম, কোন জাতের, কোন বর্ণের, কোন বংশের সেই মুহূর্ত থেকে মানবধর্ম চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে সে এক বিশেষ সম্প্রদায়ের মানুষ হয়ে যায়। আস্তে আস্তে তৈরি হয় দূরত্ব অন্য সম্প্রদায়ের মানুষের সঙ্গে। কিন্তু [বিস্তারিত...]

রাজনীতির প্রতি মানুষের আগ্রহবাড়ানোই নতুন বছরের চ্যালেঞ্জ

সংলাপ ॥ শুরু হলো খ্রীস্টিয় বর্ষপঞ্জি ২০২০ সাল-গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডারের নতুন বছর। বিদায় খ্রীস্টিয় বর্ষপঞ্জি ২০১৯ সাল। সেইন্ট (সাধু) গ্রেগোরিয়ান কর্তৃক তাঁর প্রভু যীশু খ্রীস্টের নামে প্রবর্তিত এই বর্ষপঞ্জি এদেশে কীভাবে বা কতটুকু অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িয়ে আছে তা নিয়ে বিশদ ব্যাখার প্রয়োজন পড়ে না-তা সকলেরই কমবেশী জানা। এটাই বাস্তবতা। থার্টি ফার্স্ট নিয়ে মাতামাতির কিছু না থাকলেও এই বর্ষপঞ্জিকে অস্বীকার করার উপায় নেই। এই গ্রেগোরিয়ান ক্যালেন্ডার দিয়েই আমাদের অর্থবর্ষ, জাতীয় দিবস, শিক্ষাবর্ষসহ সবকিছু গণনা ও হিসাবনিকাশের অনেক কিছুই জড়িত হয়ে গেছে। ডিসেম্বর, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, আগস্ট-ইত্যাদি এক একটি মাসের সাথে আমাদের জাতীয় ইতিহাসের আনন্দ-বেদনা সবকিছুই এখন একাকার হয়ে গেছে। তাই বলে প্রকৃতির সন্তান হিসেবে বাঙালি জনগোষ্ঠীর সাথে গ্রীষ্ম, বর্ষা, শরৎ, হেমন্ত, শীত, বসন্ত কালের সম্পর্ক এতটুকু ম্লান হওয়ার নয়। এখানে প্রকৃতি এক এক কালে-এক এক ঋতুতে এক এক বৈচিত্র নিয়ে হাজির হয়। এরই ধারাবাহিকতায় ২০১৯ সালের ডিসেম্বর মাস পেরিয়ে ২০২০ সালের জানুয়ারি মাসে পদার্পণ। [বিস্তারিত...]

মিল্ক ব্যাংকঃ ধর্মের নামে মানবিকতায় প্রতিবন্ধকতা!

হাসান জামান টিপু ॥ ‘অবশ্যই আল্লাহ তোমাদের জন্যে হারাম করেছেন রক্ত, শুকরের মাংস এবং যা জবাই কালে আল্লাহ ছাড়া অন্যের নাম উচ্চারণ করা হয়েছে। অতঃপর কেউ সীমালঙ্ঘন কারী না হয়ে নিরুপায় হয়ে পড়লে তবে, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু’। -সুরা আন নাহল, আয়াত-১১৫। ‘আপনি বলে দিন, যা কিছু বিধান ওহীর মাধ্যমে আমার কাছে পৌঁছেছে, তন্মধ্যে আমি কোন হারাম খাদ্য পাই না কোন ভক্ষণকারীর জন্যে, যা সে ভক্ষণ করে; কিন্তু মৃত অথবা প্রবাহিত রক্ত অথবা শুকরের মাংস এটা অপবিত্র অথবা অবৈধ; যবেহ করা জন্তু যা আল্লাহ ছাড়া অন্যের নামে উৎসর্গ করা হয়। অতপর যে ক্ষুধায় কাতর হয়ে পড়ে এমতাবস্থায় যে অবাধ্যতা করে না এবং সীমালঙ্ঘন করে না। নিশ্চয় আপনার পালনকর্তা ক্ষমাশীল দয়ালু।’ সুরা আনআম, আয়াত-১৪৫ ‘তিনি তোমাদের উপর হারাম করেছেন মৃত জীব, রক্ত, শুকর মাংস এবং সেসব জীব-জন্তু যা আল্লাহ ব্যতীত অপর কারো নামে উৎসর্গ করা হয়। অবশ্য যে লোক অনন্যোপায় হয়ে পড়ে [বিস্তারিত...]

কেন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে কৈশোর?

কেন অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে কৈশোর? সংলাপ ॥ শৈশব থেকে যৌবনে উত্তরণের মাঝের ধাপ হল কৈশোর। এই সময় শারীরিক বিকাশের সঙ্গে সঙ্গে মানসিক বিকাশও ঘটে। পরিবর্তন হয় পরিবার ও সমাজের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গির। আজকের কিশোর কিশোরীরাই ভবিষ্যতের নাগরিক। কিন্তু বর্তমানে প্রায়ই আমরা দেখতে পাচ্ছি কিশোর-কিশোরীরা নানা ঘৃণ্য অপরাধে জড়িয়ে পড়ছে। কিন্তু প্রশ্ন, যে বয়সে ক্ষুদিরামের মতো বিপ্লবীরা দেশের জন্য প্রাণ উৎসর্গ করেছেন সেই কিশোর বয়সেই এখনকার প্রজন্মের কিছু কিশোর-কিশোরী অসামাজিক কাজকর্মে জড়িয়ে পড়ছে কেন? কিশোর-কিশোরীদের চিন্তাভাবনা আর প্রাপ্তবয়স্কদের চিন্তা ভাবনার মধ্যে কিন্তু যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে। কৈশোর অনেক সময়ই আবেগ দ্বারা, কৌতুহল দ্বারা পরিচালিত হয়। পারিপার্শ্বিক পরিবেশ, ধর্মীয় উন্মাদনা ইত্যাদি সহজেই তাদের মনোজগতে আলোড়ন তৈরি করে। আর এর ফলে মানসিক ভাবে সম্পূর্ণ সুস্থ কিশোর- কিশোরীরাও জড়িয়ে পড়ে নানান অসামাজিক কাজে। এ তো গেল প্রাথমিক একটি সম্ভাবনা। বিষয়টি আরেকটু তলিয়ে দেখলে বুঝব, কৈশোর হল বন্ধুত্ব গড়ে তোলার সময়। ভাল বন্ধু যেমন ভাল আবহ, সুস্থ প্রতিযোগিতা, মানসিক উন্নয়নের কারণ হয়, তেমনই খারাপ বন্ধু [বিস্তারিত...]

বাংলা ও ভারতবর্ষের সম্প্রীতির বন্ধন আরো দৃঢ় হোক

সংলাপ ॥ ভারতবর্ষ সকল প্রতিবেশীকে না ভালবাসলেও বাংলাদেশের সাথে তার কূটনৈতিক সম্পর্কটি ভাল, বলতেই হবে। তার কারণ, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ ভারতের সাথে হার্দিক সম্পর্ক রক্ষায় রীতিমতো যত্নবান ও সচেষ্ট। মতান্তরের, এমনকি মনান্তরের, বিষয়ের যে অভাব ছিল, তা নয়। নদীর জলবণ্টন, সীমান্তে উত্তেজনা, অনুপ্রবেশ, ব্যবসা বাণিজ্যের চুক্তিশর্ত নিয়ে অসন্তোষ ছিল, আজও আছে। দিল্লির প্রতি ঢাকার বন্ধুতা ও বিশ্বস্ততার আতিশয্য সমালোচিত হয়েছে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে, দেশ বিকিয়ে দেবার অভিযোগও শেখ হাসিনাকে শুনতে হয়েছে বিস্তর। এতৎ সত্ত্বেও ভারতের সাথে বাংলাদেশের সম্পর্কে শৈত্য আসে নাই। কিন্তু এ বার ভারতে নাগরিক পঞ্জি এবং নাগরিকত্ব সংশোধন আইনের কারণে সেই সম্পর্কে এখন ঘনিয়ে আসছে আশঙ্কার মেঘ সচেতন মহল অন্তত তাই বলছেন। নয়া নাগরিকত্ব আইনে ভারতের প্রতিবেশী তিনটি দেশের ধর্মীয় অত্যাচারের শিকার সংখ্যালঘুদের ভারতের নাগরিকত্ব দেবার লক্ষ্যে অগ্রসর হয়েছে  ভারতের শাসক দল বিজেপি। পাকিস্তান ও আফগানিস্তানের সঙ্গে একই বন্ধনীতে ভারত জড়িয়ে দিয়েছে বাংলাদেশকে। বাংলাদেশের পক্ষে তা ঘোর অস্বস্তির কারণ। অন্য [বিস্তারিত...]

হাতে হাতে অস্ত্র মার্কিন নাগরিকদের : উৎকণ্ঠায় অপরাধ বিশেষজ্ঞরা!!!

হাতে হাতে অস্ত্র মার্কিন নাগরিকদের : উৎকণ্ঠায় অপরাধ বিশেষজ্ঞরা!!! সংলাপ ॥ আমেরিকায় গত বছর গোলাগুলির ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে পরিস্থিতি উদ্বেগজনক অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। গত বছর ৪১টি হত্যাকান্ডের ঘটনায় নিহত হয়েছে মোট ২১১ জন মার্কিনী। এরমধ্যে আল পাসোতে ২২ জন, ভার্জিনিয়া বিচে ১২ জন এবং আরো দু'টি ঘটনায় সবচেয়ে বেশি নিহতের ঘটনা ঘটেছে। বার্তা সংস্থা এসোসিয়েটেড প্রেস, ইউএসএ টুডে এবং নর্থ - ইস্টার্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের যৌথ গবেষণায় দেখা গেছে, গত বছর আমেরিকায় সবচেয়ে বেশি নিহতের ঘটনা ঘটেছে। গত কয়েক বছরে আমেরিকায় অস্ত্র নির্মাণ কোম্পানিগুলোর রমরমা ব্যবসা জমে উঠেছে। নজিরবিহীনভাবে হাল্কা ও অন্যান্য আগ্নেয়াস্ত্রের বিক্রি বহুগুণে বেড়ে গেছে। এক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, বর্তমানে আমেরিকায় প্রায় ৩ কোটি অস্ত্র ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। অর্থাৎ গড়ে প্রায় প্রতিটি নাগরিকের কাছে একটি করে অস্ত্র আছে। আরেকটি পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, আমেরিকার প্রতি ১০০ নাগরিকের কাছে মোট ১২০টি আগ্নেয়াস্ত্র রয়েছে। সাধারণ মানুষের কাছে অস্ত্র মজুদের দিক থেকে আমেরিকার অবস্থান বিশ্বে এক নম্বরে। বলা হচ্ছে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের [বিস্তারিত...]

মাদ্রাসায় পাকি সেনা জেনারেল!

মাদ্রাসায় পাকি সেনা জেনারেল! সংলাপ ॥ জঙ্গিদের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করেছে তারা। আন্তর্জাতিক মহলের কাছে পাকিস্তান এই দাবি করলেও সম্প্রতি পাক সেনার মুখপাত্র মেজর জেনারেল আসিফ গফুরের একটি ছবিতে তার উল্টো চিত্রটাই ধরা পড়ল। পাক সেনা প্রধান জেনারেল কমর বাজওয়ার সঙ্গে এ সপ্তাহের শুরুতেই করাচি সফরে গিয়েছিলেন গফুর। সফরে থাকাকালীন গত ২৭ ডিসেম্বর করাচির দক্ষিণ বন্দর এলাকায় কুখ্যাত জামিয়া রশিদিয়া মাদ্রাসায় যান গফুর। জইশ জঙ্গি সংগঠনের সঙ্গে এই মাদ্রাসার ঘনিষ্ঠ যোগ রয়েছে। শুধু তাই নয়, রাষ্ট্রপুঞ্জ এবং আমেরিকার কালো তালিকাতেও রয়েছে এই মাদ্রাসা। এ ছাড়া, ২০০২-এ ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল-এর রিপোর্টার ড্যানিয়েল পার্লের অপহরণ ও হত্যাকান্ডের সঙ্গে এই মাদ্রাসার জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। গফুর নিজে সেই মাদ্রাসা পরিদর্শনের ছবি পোস্ট করেননি ঠিকই, কিন্তু সেটা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায়। গফুর সেখানে পৌঁছতেই তাঁকে ‘হিরো’র মতো স্বাগত জানানো হয়। শুধু গফুরই নন, এ মাসের শুরুতেই পাক রেঞ্জার্সের বেশ কিছু অফিসার কুখ্যাত জঙ্গি সংগঠন আহলে সুন্নত ওয়াল জামাত-এর প্রধান ঔরঙ্গজেব [বিস্তারিত...]

২০২০ সাল শেষ হওয়ার আগেই ‘নর্ড স্ট্রিম-২’ চালু করব: রাশিয়া

২০২০ সাল শেষ হওয়ার আগেই ‘নর্ড স্ট্রিম-২’ চালু করব: রাশিয়া সংলাপ ॥ রাশিয়া বলেছে, দেশটি আগামী বছর শেষ হওয়ার আগেই জার্মানি পর্যন্ত ‘নর্ড স্ট্রিম-২’ পাইপলাইন চালু করবে। রাশিয়া থেকে জার্মানিতে গ্যাস সরবরাহ করার জন্য এই বিশাল প্রজেক্টের কাজ মাঝামাঝি থাকা অবস্থায় গত সপ্তাহে আমেরিকা এই প্রকল্পের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এ ফলে পাইপলাইনের শেষ অংশের কাজ বন্ধ করতে বাধ্য হয় এটির ঠিকাদার প্রতিষ্ঠান ‘অলসিস’। রাশিয়ার জ্বালানীমন্ত্রী আলেক্সান্ডার নোভাক বলেছেন, মার্কিন নিষেধাজ্ঞা অকার্যকর করে দেয়ার জন্য রাশিয়া নিজেই পাইপলাইনের বাকি নির্মাণকাজ সমাপ্ত করতে পারবে এবং ২০২০ সাল শেষ হওয়ার আগেই এ প্রকল্প চালু করবে মস্কো। মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত ২০ ডিসেম্বর ৭৩৮ বিলিয়ন ডলারের প্রতিরক্ষা আইন- ‘ন্যাশনাল ডিফেন্স অথোরাইজেশন অ্যাক্ট বা এনডিএএ’তে স্বাক্ষর করেন। ‘নর্ড স্ট্রিম-২’ পাইপলাইনকে ওই আইনের অন্তর্ভুক্ত করা হয়। এতে বলা হয়, ওই প্রজেক্টে জড়িত কোম্পানিসমূহ ও ব্যক্তিরা এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় আসবে। ট্রাম্পের ওই পদক্ষেপের [বিস্তারিত...]

প্রস্ফুটিত ফুল হয়ে উঠার মধুক্ষণ.... ২০২০ মুজিব বর্ষ ॥ ২০২১ স্বাধীনতার রজত জয়ন্তী

নজরুল ইশতিয়াক ॥ সময়ের মধ্যে আছে সময়। জীবনের মধ্যে আছে জীবন। সময় প্রকৃতির একটা ঘড়ি। সেই নিয়মে সময় অতিবাহিত হচ্ছে। দেখতে দেখতে ২০১৯ এর বিদায় ঘন্টা বাজতে শুরু করেছে। মহাকলের গর্ভে অবসান হবে আরেকটি বছরের। এই যে বছরের হিসেব-নিকেশ তার হয়তো কোন মূল্য নেই মহাকালের কাছে। তবু সময়ের রথে চড়েছে জীবন ও জগত উভয়েই। সময় সত্য হয়ে বলে যাচ্ছে, দেখিয়ে যাচ্ছে, প্রকাশ করে যাচ্ছে তার গর্ভে থাকা বিশালত্বের ঐশ্বর্য। ছড়িয়ে পড়ছে তার চিরসুন্দর আলোকছটা। জগত সুন্দরের বন্দনাগীত রচিত হচ্ছে মানুষের হাত ধরে, মানুষের কর্ম সাধনায়। দেহ নিজেও একটি ঘড়ি। এটি প্রাকৃতিক ঘড়ির একটি ক্ষুদ্র সংস্করণ। ক্ষুদ্রই-বা বলি কিভাবে! এই দেহ ঘড়ির আবর্তন হচ্ছে প্রকৃতির নিয়ম মেনেই। ফলে সময় নয়, বয়ে যাচ্ছে জীবন। এই বয়ে চলার পথে কিছু স্মারক, কিছু স্মৃতি চিহ্ন, কিছু দৃষ্টান্ত, কিছু নিদর্শন রেখে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র হাজারো অংকনের ছাঁপ আঁকা পড়ছে সময় নামক কালের রথে। সেসব [বিস্তারিত...]

এই সপ্তাহে….

* জীবনশৃঙ্খল

* নিজের কথা – ২০

* দয়ালের উপদেশ – ১৭

* ধর্মের নামে…. – ১৫

* সত্য প্রতিষ্ঠায় স্বেচ্ছাশ্রম যাহা নিত্য তাহাই সত্য – ১৫

* মিরপুরের ‘জ্যোতিভবন’-এ নেতৃত্ব বিষয়ে ৯ম পর্বের আলোচনা – মানুষকে যারা সরল পথ দেখান তারাই নেতা

* প্রবাহ

সত্য সন্ধানে সংলাপ