হোম পেজ

এক যুগেও কার্যকর হয়নি বিচার বিভাগ পৃথকীকরণ!

সংলাপ ॥ বাংলার মহান সূফী সাধক আনোয়ারুল হক বলেছেন “নিজের বিচার নিজে কর রাত্র দিনে”। সচেতন ব্যক্তি ছাড়া নিজের বিচার নিজে করতে পারা যে কত কঠিন তা সবাই বুঝতে পারে। নিজের কর্মের বিচার নিজে করতে সমর্থ না হলেই শুরু হয় দ্বন্দ্ব, ফ্যাসাদ, হানাহানি। আর তাই পারিবারিক, সামাজিক, রাষ্ট্রীয় নিয়মের ব্যত্যয় হয় আর বিচারের কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হয় সকলকেই। সেখানে সবারই প্রত্যাশা থাকে ন্যায় বিচার পাওয়ার। ন্যায় বিচারের জন্য নিরপেক্ষতা নয় প্রয়োজন সত্যের পক্ষাবলম্বন। কিন্তু প্রচলিত আইনের ধারায় তা যেন এক সোনার হরিণ। ব্যক্তিস্বার্থ আর গোষ্ঠীস্বার্থের ব্যাঘাত ঘটলে বিচারের নামে প্রহসন তৈরী হয়। ন্যায় বিচার বঞ্চিত হয় বিচার প্রত্যাশীরা। ন্যায় বিচার নিশ্চিত করার জন্য গঠিত আদালতে প্রভাব বিস্তার করার সুযোগ থাকলে সেখানে ব্যক্তিস্বার্থ আর গোষ্ঠীস্বার্থের জন্য তা প্রয়োগ করবেই। তাই প্রয়োজন নিরপেক্ষ প্রভাবমুক্ত বিচার বিভাগ। বাংলাদেশের বিচার বিভাগকে প্রভাবমুক্ত করার তাগিদেই [বিস্তারিত...]

সড়ক পরিবহণ আইন-২০১৮ কার্যকরে প্রয়োগ আর অপপ্রয়োগের চ্যালেঞ্জ!

সময়ের সাফ কথা.... সড়ক পরিবহণ আইন-২০১৮ কার্যকরে প্রয়োগ আর অপপ্রয়োগের চ্যালেঞ্জ! সংলাপ ॥ দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর অবশেষে কার্যকর হলো বহুল আলোচিত সড়ক পরিবহন আইন-২০১৮। গত ১ নভেম্বর হতে কার্যকর হলো আইনটি। গত বছরের ২৯ জুলাই রাজধানীর বিমানবন্দর সড়কের ঢাকা সেনানিবাস সংলগ্ন জিয়াকলোনী এলাকায় বেপরোয়া বাসের চাপায় শহীদ রমিজউদ্দিন কলেজের দুই শিক্ষার্থী নিহত হন। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে সারাদেশে রাস্তায় নেমে আসে স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীসহ সর্বস্তরের মানুষ।একটি সফল ও যুগান্তকারী আন্দোলনের মুখে একই বছরের ৫ আগস্ট মন্ত্রিসভায় অনুমোদন পায় আট বছর ঝুলে থাকা সড়ক পরিবহন আইন। গত সেপ্টেম্বরে সংসদে পাসের পর ৮ অক্টোবর তা গেজেট আকারে প্রকাশ পায়। এর এক বছর পর গত  ১ নভেম্বর’২০১৯ হতে কার্যকর হলো আইনটি যদিও সড়কের বাস্তব চেহারা এখনও আগের মতোই। এ আইন ভঙ্গ করার অপরাধে বিভিন্ন ধারায় সাজা বাড়ছে কয়েকগুণ। পরিবহন খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বিধিমালা প্রণয়ন এবং [বিস্তারিত...]

ভোগ থেকেই ভয়ের উৎপত্তি

নজরুল ইশতিয়াক ॥ কামনা কিংবা আকাঙ্খা থেকেই জন্ম হচ্ছে মানুষ। এটির নেপথ্যেও ভোগের সংশ্লেষ রয়েছে। জীবনের যে বহুমাত্রিক অস্থিরতা তার পিছনেও ভোগবাদী মনোভাবের যোগ। দখলদারিত্ব-আধিপত্য বিস্তার কিংবা কর্তৃত্ব জারি করার প্রবণতার পিছনে একই দৃষ্টিভঙ্গি কাজ করে মানুষের অজান্তেই। দেহকে আরাম দিতে দিতে, দেহের সৌন্দর্য বৃদ্ধির মলম মাখতে মাখতে, দেহকে উপাদেয় খাবার দিতে দিতে একসময় এই দেহটাই ভোগ্যবস্তুতে পরিণত হয়। দেহ নির্ভর কিংবা শরীর নির্ভর চিন্তা মানুষকে বাজারী মানুষে পরিণত করে। কেবলমাত্র জীবিকা সংগ্রহ ও সংরক্ষণ চিন্তার জীবন দূর্ভাগ্যজনক হয়ে আসে। জীবন থেকে জীবনের এই চলা। কর্ম অনুযায়ী পরিবেশ-মাতৃগর্ভ। এই আসা যাওয়ার নেপথ্যে গভীর থেকে গভীরতর সত্য আছে। সেই সত্য উপলব্ধির জন্য যে সহায়ক পরিবেশ পারিবারিক শিক্ষা দরকার সেটি না থাকায় পরিবারের অভিভাবকরা সন্তানদের ভোগবাদী জীবনের গল্প শোনাচ্ছে। এমন সব বিষয়ে পড়াশুনা করাচ্ছে যেগুলো প্রচুর অর্থ আয়বর্ধক। এ কারণে [বিস্তারিত...]

ধর্মের নামে.... - ৭

সংলাপ ॥ স্রষ্টা এক ধর্মও এক। এখানে সত্য ধর্ম আর মিথ্যা ধর্মের অবতারণ বোকামী। সত্তাগুণের নিয়ন্ত্রিত বিকাশ হলে সেটা ধর্ম। অনিয়ন্ত্রিত বিকাশ অধর্ম। ধর্ম সমাজের কোনো বিধি-বিধান নয়। মানুষের সৃষ্টি কোনো আইনের বাধনও নয়। স্রষ্টা কে? আমি কে ? আত্মা কী? আত্মা কিভাবে দেহে প্রবেশ করে? কিভাবে দেহ থেকে তা বেরিয়ে যায়? মন ও প্রাণ জীবের কোথায় থাকে? আত্মা কি জীবকোষের সমপরিমাণ? এসব প্রশ্নের উত্তর পরবর্তীতে আলোচনা করা হবে জন্ম রহস্যের পরম্পরায়। প্রশ্ন হতে পারে অনেক। আল্লাহর রূপ কী? আল্লাহ কি মানুষ ভাবাপন্ন? মানুষ শোনে, দেখে, বলে আর আল্লাহও তো শোনেন, বলেন এবং দেখেন। আল্লাহর প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষ রূপ কী? স্রষ্টা কি সৃষ্টি হতে ভিন্ন? আল্লাহ নিরাকার-প্রাণও নিরাকার। কার সাথে কার সম্পর্ক ? এসব কি অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িত ? আল্লাহ কি মানুষকে তার প্রকৃতির উপর ভিত্তি করে তৈরি করেছেন? [বিস্তারিত...]

সিজারিয়ান অপারেশন : দৃষ্টি দেয়ার এখনই সময়

হাসান জামান টিপু ॥ স্বাস্থ্যসেবার মানোন্নয়নে সরকারের পাশাপাশি অনেক বিদেশী সংস্থা কাজ করছে। এক্ষেত্রে বিরাট বাজেট প্রতিবছর বরাদ্ধ হয়। স্বাস্থ্যকর্মীদের সচেতনতা ও দক্ষতা বাড়াতে নেওয়া হয় ব্যাপক কর্মযজ্ঞ। সাধারণ মানুষ জানে না পেশাগত ও নৈতিকতার কোন পাঠ সেখানে দেওয়া হয় কি না। দেশের চিকিৎসা ব্যবস্থা মূলত দুইভাগে বিভক্ত; সরকারী ও বেসরকারী। সরকারী ও বেসরকারী সকল ক্ষেত্রেই নীতি নৈতিকতার একটা পাঠ বা শিক্ষা অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে আজ। সরকারী হাসপাতালগুলিতে যদিও তুলনামূলক ভাবে মানবিক দিকটা মোটামুটি দেখা হয়, বেসরকারী হাসপাতালে অর্থের জন্য যে কোন অনৈতিক কাজ করতে তাদের বাঁধে না। এক্ষেত্রে সরকারও বোধকরি অনেকটাই অসহায়। দেশের বড় বড় বেসরকারী হাসপাতাল গুলির বিরুদ্ধে প্রায়শ অনৈতিকতার ও ভুল চিকিৎসার অভিযোগ আসে। লাশকে দিনের পর দিন লাইফ সাপোর্ট দিয়ে টাকা নেওয়ার অভিযোগ তো নিয়মিতভাবেই শোনা যায়। ভুল চিকিৎসা, রোগীকে পর্যাপ্ত সময় না [বিস্তারিত...]

আন্তর্জাতিক স্বার্থান্বেষীদের ফাঁদে আটকা পড়েছে কাশ্মির জায়নবাদ এবং চীনের বেল্ট রোড ইনিশিয়েটিভ!

সংলাপ ॥ জায়নবাদের জন্ম হওয়ার পর কেবলমাত্র দুইবার এটি হুমকির সম্মুখীন হয়েছে। প্রথমবার জায়নবাদ হুমকির সম্মুখীন হয় যখন তারা উসমানীয় খিলাফতকে উৎখাত করতে যায়, তখন ভারতীয় উপমহাদেশে সংগঠিত হওয়া ‘খিলাফত আন্দোলন’-এর দ্বারা। দ্বিতীয়বার জায়নবাদ হুমকির সম্মুখীন হচ্ছে বর্তমান রুশ-চীন এলায়েন্সের দ্বারা। চীনের বেল্ট রোড ইনিশিয়েটিভ (BRI) জায়নবাদীদের অর্থনীতির জন্য অনেক বড় একটা হুমকি। বেল্ট রোড ইনিশিয়েটিভ হলো প্রাচীন সিল্ক রোডের আদলে গড়া একটি প্রকল্প যা তিনটি মহাদেশকে (এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপ) একটি অর্থনৈতিক বন্ধনে আবদ্ধ করবে সড়ক ও নৌপথের মাধ্যমে। আর এই ইজও প্রজেক্টে চীনের পাশে পাকিস্তান, শ্রীলংকা, মায়ানমারের মত বাংলাদেশও রয়েছে। চীনের এই প্রজেক্টকে টক্কর দেয়ার জন্য জায়নবাদীরা তৈরী করেছে Free Open Indo-Pacific (FOIP) স্ট্র্যাটেজি। এই স্ট্র্যাটেজির সাথে রয়েছে মার্কিন যুক্তরাস্ট্র, ভারত, অস্ট্রেলিয়া, জাপান। তারা চায় বাংলাদেশও এই স্ট্র্যাটেজিতে যোগ দিক। আর এজন্যই আফগানিস্তান, ইরাক, সিরিয়ায় যারা মুসলমানদের হত্যা [বিস্তারিত...]

দক্ষিণ এশিয়ায় উন্নয়নের সব সূচকে এগিয়ে বাংলাদেশ

সংলাপ ॥ উন্নয়নের সব সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ব ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকরা। গত সোমবার সন্ধ্যায় গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে সাক্ষাৎকালে বিগত এক দশকে বাংলাদেশের অর্জিত অবিশ্বাস্য উন্নয়নের ভূয়সী প্রশংসা করে একথা জানান তারা। পরে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব ইহসানুল করিম সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন। প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব বলেন, বিশ্ব ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালকরা বাংলাদেশের অবিশ্বাস্য উন্নয়ন ও এই উন্নয়নে বেসরকারি খাতকে সম্পৃক্ত করার প্রশংসা করে বলেছেন, উন্নয়নের সব সূচকে দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের চেয়ে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে। বাংলাদেশে বিশ্ব ব্যাংকের উন্নয়ন প্রকল্পগুলো সুন্দরভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে বলেও জানান নির্বাহী পরিচালকরা। বাংলাদেশের উন্নয়নে সহায়তা অব্যহত রাখবে জানিয়ে বিশ্বব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তারা বলেন, বাংলাদেশের উন্নয়নে বিশ্ব ব্যাংক তাদের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে। পাশাপাশি রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনেও সহযোগিতা করবে এ সংস্থা। কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্প পরিদর্শন করে তাদের অবস্থা দেখে আসার কথা [বিস্তারিত...]

কর্মফলে লব্ধ শিক্ষা জাতির জন্য কল্যাণকর

শেখ উল্লাস ॥ বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজারবাইজানে জোট নিরপেক্ষ আন্দোলনের (ন্যাম) ১৮তম সম্মেলনে যোগদান শেষে দেশে ফেরার আগে গত ১০ কার্তিক ১৪২৬,২৬ অক্টোবর ২০১৯ শনিবার ওই দেশের রাজধানী বাকুতে প্রবাসী বাংলাদেশীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে দেশে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন। এ সময় তিনি বলেন, ‘অন্যকে শিক্ষা দেওয়াটা নিজের ঘর থেকেই শুরু করা উচিত। আমি সেটাই করছি এবং এটি অব্যাহত রাখব’। অন্যায়কারীদের বিরুদ্ধে পুনরায় হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে তিনি বলেন, ‘অপরাধীদের বিরুদ্ধে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে, সে যে-ই হোক এবং যে দলই করুক না কেন। আপনারা দেখেছেন, ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। যদি আমাদের দলের কেউ অপরাধে জড়িত হয়, সে তৎক্ষণাৎ শাস্তি ভোগ করছে।’ শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘অপরাধীরা অপরাধীই, আমরা অপরাধী দৃষ্টিতেই দেখব এবং আমরা সেটাই দেখার চেষ্টা করছি।’ বিএনপি-জামায়াত সরকারের ব্যাপক দুর্নীতির প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, [বিস্তারিত...]

ঘৃণার চাষাবাদ কে বন্ধ করবে?

সময়ের সাফ কথা.... ঘৃণার চাষাবাদ কে বন্ধ করবে? হাসান জামান টিপু ॥ সমগ্র মানবজাতি এক ও অভিন্ন সত্বা। কিন্তু আজ আমরা ভয়ংকর রকমের বিভক্ত হয়ে পড়েছি। রাজনৈতিক, ধর্মীয়, শাসন, শোষণ এবং বাদ প্রতিবাদেও আমরা বিভক্ত হয়ে গেছি। রাজনীতির সংশ্লিষ্টতা থাকলে এক রকম প্রতিবাদ, রাজনীতি না থাকলে নির্লিপ্ততা। এই বাংলাদেশেই ইয়াসমিন, রাজন, সাগর-রুনি, তণু হত্যাকান্ড নিয়ে যেরকম সার্বজনিন প্রতিবাদ হয়েছিলো, ত্বকী হত্যার পর যেমন আলোড়ন হয়েছিলো এখনকার সেই প্রতিবাদে এক প্রকারের শ্রেণী বৈষম্য চলে আসছে। সড়ক দূর্ঘটনার পরে যে প্রতিবাদ হয়েছিলো তা সরকারের ভীত নাড়িয়ে দিয়েছিলো। বিশ্বজিৎ হত্যাকান্ডে মানুষ শিউরে উঠিয়েছিলো। মসজিদ, মাদ্রাসায়, স্কুলে, বাসা বাড়ীতে যখন আমাদেও মেয়েরা ধর্ষিত হয়, নির্যাতিত হয়, নূসরাতকে যখন পুড়িয়ে মারার চেষ্টা হয় তখন এদেশের সাধারণ মানুষ রাস্তায় নামে, প্রতিবাদ করে, আন্দোলন করে, পুলিশের মার খায়, গুলি খায়। এক শ্রেণীর মানুষ কখনোই রাস্তায় নামে না, তাদের মুখ থাকে [বিস্তারিত...]

ভারত বিরোধীতার নামে ধর্মীয় কার্ড ব্যবহারের সেই পুরোনো রাজনীতি!

নজরুল ইশতিয়াক ॥ ২২ ফেব্রুয়ারী ১৯৭৪ সালে, অর্গানাইজেশন অব ইসলামিক কো-অপারেশনের (ওআইসি) দ্বিতীয় সম্মেলনে ৩২ তম দেশ হিসেবে বাংলাদেশ যোগ দিয়েছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে একটি দল এতে যোগ দেয়। সম্মেলনে যোগ দেয়া না দেয়া নিয়ে আঞ্চলিক চাপ ছিল। সেই সম্মেলনে বাংলাদেশকে মুসলিম দেশগুলো কি কি দিয়েছিল সেটি একটি বিরাট আলোচনার বিষয়। তবে পুরাতন মসজিদগুলো নির্মাণের সহায়তার আশ্বাস মিলেছিল বলে জানা যায়। সেই বৈঠকে একমঞ্চে পাশাপাশি বসে থাকা বহু ইসলামিক দেশ বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেয়নি ১৯৭৫ সালের ১৫ অগাস্টের পূর্বে। উপরন্তু এই বৈঠকের মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ ফিলিস্তিনিদের নায্য দাবীর প্রতি অকুন্ঠ সমর্থন জানিয়েছিল। অথচ জাতির জনক শেখ মুজিবুর রহমান সহ বাংলাদেশের সাধারণ মুসলিম হয়তো আশা করেছিল ইসলামিক দেশগুলো বৃহত্তরস্বার্থেই বাংলাদেশকে সাহায্য সহযোগিতা করবে। সেটা তারা করেনি। পরবর্তীতে দেখা গেল সেনা শাসক জিয়াউর রহমান ক্ষমতায় আসার [বিস্তারিত...]

বিশ্ব রাজনীতির চক্রান্তের ফাঁদে ইসলাম ও বাংলাদেশসহ মুসলিম দেশগুলোর যুবসমাজ

ফয়সাল ॥ হান্টিংটন হলেন বিখ্যাত মার্কিন জিও-পলিটিশিয়ান। তিনি তার থিওরিতে যেটা বলতে চেয়েছিলেন সেটা হচ্ছে কমিউনিজমের পতনের পর মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সভ্যতার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হতে যাচ্ছে ইসলামিক সভ্যতা। মুসলিম দেশগুলি আলাদা-আলাদা ভাবে বিক্ষিপ্ত হয়ে থাকলেও তিনি পুরো মুসলিম সমাজকে একত্রেই দেখেছেন। যেহেতু পশ্চিমা সভ্যতা মুসলিমদেরকে প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী মনে করবে, কাজেই মুসলিমরাও প্রায় স্বভাবসিদ্ধভাবেই নিজেদেরকে একই কাতারে দেখা শুরু করবে...। এটা মুসলিম দেশগুলির সরকারের ক্ষেত্রে নয়, বরং মুসলিম দেশগুলির জনগণের চিন্তায় প্রতিফলিত হবে। হান্টিংটন দেখিয়েছেন যে, মুসলিম সভ্যতার সাথে সবচাইতে কম রেষারেষি হচ্ছে চৈনিক সভ্যতার বা চীনের। অর্থাৎ ইসলামিক দুনিয়াকে শক্তিশালী হতে চীন সাহায্য করতে পারে। এই গ্র্যান্ড থিউরির উপরে নির্ভর করে মার্কিন নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সভ্যতার জন্যে হান্টিংটন কিছু উপদেশ দিতেও কার্পণ্য করেননি যেখানে তিনি স্পষ্ট ভাষায় লিখেছেন `to restrain the development of the conventional and unconventional military power of [বিস্তারিত...]

ধর্মের নামে.... - ৬

‘যার যার অভ্যন্তরীণ গুণাবলীই তার ধর্ম। প্রতিটি জীব ও জড়ের অভ্যন্তরীণ গুণাবলীর স্বকীয় বিকাশকে ধর্ম বলা হয়। এসব প্রকৃতি যখন অনিয়ন্ত্রিত হয় তখন তা হয় অধর্ম। নিয়ন্ত্রিত হলে অর্থাৎ স্রষ্টার নির্দেশ মতে চললে তা হয় ধর্ম।’ সংলাপ ॥ প্রশ্ন হচ্ছে অন্য সব সৃষ্টিরও তো ধর্ম আছে অর্থাৎ ফিৎরাত আছে সেটা কেমন এবং কিভাবে? যার যার অভ্যন্তরীণ গুণাবলীই তার ধর্ম। এটাই ধর্মের একমাত্র পরিচয়-একমাত্র সংজ্ঞা। প্রতিটি পদার্থের প্রকৃতি ঐ পদার্থেই নিহিত থাকে সারাজীবন সুপ্তভাবে এবং তা যথাসময়ে প্রকাশিত হয়। ষড়রিপুকে পঞ্চইন্দ্রিয়ের মাধ্যমে যথাযথ নিয়ন্ত্রণের নাম ধর্ম। রিপু আসলে অপগুণ নয়। এগুলো মানব প্রকৃতির বিভিন্ন বিকাশ বা রূপ মাত্র। এক কথায়, এগুলো মানবীয় গুণ বিশেষ। আগুনের প্রকৃতি হচ্ছে দাহ করা, তাপ দেয়া, আলো দেয়া। যে কোনো একটি প্রকৃতি না থাকলে তাকে আগুন বলা যায় না। পানির প্রকৃতি হচ্ছে দ্রব করা এবং [বিস্তারিত...]

বাংলাদেশে গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক পরিবারের সংখ্যা কমছে

বাংলাদেশে গ্রামীণ কৃষিভিত্তিক পরিবারের সংখ্যা কমছে সংলাপ ॥ কৃষি প্রধান দেশ আমাদের এই সোনার বাংলা। অথচ দেশে গত এক দশকে কৃষিভিত্তিক পরিবারের সংখ্যা প্রায় তিন শতাংশ কমে গেছে। দেশে দ্রুত নগরায়ণ বৃদ্ধি পাওয়া, অকৃষিখাতে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি এবং কৃষি উৎপাদন কম লাভজনক হবার কারণে ধীরে ধীরে কৃষিভিত্তিক পরিবারের সংখ্যা তুলনামূলকভাবে হ্রাস পাচ্ছে। সম্প্রতি প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) কৃষি শুমারি ২০১৯-এর প্রাথমিক ফলাফলে এমন চিত্র ফুটে উঠেছে। সর্বশেষ কৃষি শুমারি অনুযায়ী, দেশে মোট পরিবারের (খানা) সংখ্যা ৩ কোটি ৫৫ লাখ ৩৩ হাজার ১৮০টি। এর মধ্যে কৃষি কাজের সঙ্গে যুক্ত রয়েছেন ১ কোটি ৬৫ লাখ ৬২ হাজার ৯৭৪ পরিবার। এক্ষেত্রে শহরে ৬ লাখ ১৭ হাজার ৮৫৫টি পরিবার এবং গ্রামে ১ কোটি ৫৯ লাখ ৪৫ হাজার ১১৯টি পরিবার। প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, ১৯৮৩ সালে দেশে পল্লী অঞ্চলে কৃষিভিত্তিক পরিবারের শতকরা পরিমাণ ছিল ৭২ দশমিক ১০ শতাংশ যা ২০০৮ [বিস্তারিত...]

ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের প্রতিনিধি

ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের প্রতিনিধি সংলাপ ॥ জাতিসংঘের ইয়েমেন বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি মার্টিন গ্রিফিত্স যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার উপায় নিয়ে আনসারুল্লাহ আন্দোলনের সঙ্গে আলোচনা করার উদ্দেশ্যে সানা সফরে গেছেন। তিনি এ সফরে স্টকহোম শান্তি চুক্তির ভিত্তিতে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠা করা যায় কিনা তা নিয়ে আনসারুল্লাহ নেতাদের সঙ্গে আলোচনা করবেন বলে বার্তা সংস্থাগুলো জানিয়েছে। সানা সফরে যাওয়ার আগে গ্রিফিত্স শুক্রবার রিয়াদ সফরে গিয়ে সৌদি উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী খালিদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন। সুইডেনের রাজধানী স্টকহোমে গত বছরের ডিসেম্বরে সৌদি আরব ও ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ প্রতিনিধিদের মধ্যে স্বাক্ষরিত শান্তি চুক্তি অনুযায়ী ২০১৮ সালের ১৮ ডিসেম্বর থেকে ইয়েমেনের হুদায়দা প্রদেশে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠিত হয়। কিন্তু সৌদি বাহিনী প্রতিদিনই ওই চুক্তি লঙ্ঘন করছে। ইয়েমেনে মানবিক ত্রাণ পাঠানো হলে তা গ্রহণের প্রধান সমুদ্রবন্দর হচ্ছে হুদায়দা। জাতিসংঘের উদ্যোগে এ পর্যন্ত ইয়েমেনে যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে বেশ কয়েকটি পদক্ষেপ নেয়া হয়েছে। কিন্তু সৌদি আরবের ষড়যন্ত্র ও গোয়ার্তুমির কারণে প্রতিটি [বিস্তারিত...]

তুর্কি বাহিনী সিরিয়ায় আগ্রাসন চালানোর কোনো অজুহাত নেই

তুর্কি বাহিনী সিরিয়ায় আগ্রাসন  চালানোর কোনো অজুহাত নেই সংলাপ ॥ সিরিয়া বলেছে, তুরস্ক সীমান্ত থেকে কুর্দি গেরিলারা সরে আসার পর এখন উত্তর সিরিয়ায় সামরিক আগ্রাসন চালানোর জন্য আর কোনো অজুহাত দেখাতে পারবে না আঙ্কারা। সিরিয়ার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় রোববার এক বিবৃতিতে এ মন্তব্য করেছে। ওই মন্ত্রণালয় বলেছে, সিরিয়ার সেনাবাহিনীর সহযোগিতায় কুর্দি গেরিলারা তুর্কি সীমান্ত থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে সরে গেছে। এর ফলে সিরিয়ার ভূখন্ডে তুর্কি বাহিনীর আগ্রাসন চালানোর প্রধান অজুহাত সরিয়ে ফেলা হয়েছে।  গত ৯ অক্টোবর সিরিয়া সীমান্তে আগ্রাসন চালায় তুর্কি সেনাবাহিনী। তুরস্কের সেনাবাহিনী গত ৯ অক্টোবর থেকে ‘সন্ত্রাস বিরোধী যুদ্ধ’ ও ‘তুর্কি-সিরিয়া সীমান্ত থেকে কুর্দি গেরিলাদের মূলোৎপাটনের’ অজুহাতে সিরিয়া সীমান্তে হামলা চালায়। অবশ্য ১৭ অক্টোবর থেকে পাঁচদিনের যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয় তুরস্কের এরদোগান সরকার। যুদ্ধবিরতির ওই সময়সীমা শেষ হওয়ার আগেই তুর্কি ও রুশ প্রেসিডেন্টের মধ্যে এক সমঝোতা হয় যাতে বলা হয় কুর্দি গেরিলারা তুর্কি-সিরিয়া সীমান্ত থেকে সরে যাবে [বিস্তারিত...]

আর্জেন্টিনার নতুন প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ

আর্জেন্টিনার নতুন প্রেসিডেন্ট আলবার্তো ফার্নান্দেজ সংলাপ ॥ আর্জেন্টিনায় নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন মধ্য-বামপন্থি-নেতা আলবার্তো ফার্নান্দেজ। গত ২৮অক্টোবর এমন তথ্যই জানিয়েছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম। সংবাদ মাধ্যমের খবরে বলা হয়, চলমান অর্থনৈতিক সংকটের মধ্য দিয়েই গত রোববার ২৭অক্টোবর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় দক্ষিণ আমেরিকার দেশ আর্জেন্টিনায়। যেখানে ৪৫ শতাংশেরও বেশি ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন বিরোধী দলীয় প্রার্থী ফার্নান্দেজ। পরাজিত করেছেন ক্ষমতাসীন কনজারভেটিভ দলের মাউরিসিও ম্যাক্রিকে। ৯০ শতাংশ ভোট গণনা শেষে দেখা যায়, ফার্নান্দেজ পেয়েছেন ৪৭ দশমিক ৭৯ শতাংশ ভোট। অন্যদিকে, ম্যাক্রি ভোট পেয়েছেন ৪০ দশমিক ৭১ শতাংশ। দেশটির নিয়মানুযায়ী, বিজয়ী হতে হলে পেতে হয় অন্তত ৪৫ শতাংশ ভোট কিংবা ৪০ শতাংশ ভোট ও নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীর চেয়ে ১০ শতাংশ এগিয়ে থাকতে হবে। সম্প্রতি আর্জেন্টিনায় অর্থনৈতিক সঙ্কট প্রকট রূপ নিয়েছে, যা দারিদ্র্যের দিকে ঠেলে দিয়েছে দেশটির এক তৃতীয়াংশ মানুষকে। যে কারণে এবারের নির্বাচনে ভোটাররা প্রাধান্য দিয়েছেন প্রার্থীদের [বিস্তারিত...]

অশুভ শক্তির ‘সূক্ষ্ম কারচুপি’র রাজনীতি আর চায় না জাতি

অশুভ শক্তির ‘সূক্ষ্ম কারচুপি’র রাজনীতি আর চায় না জাতি শেখ উল্লাস ॥ ক্ষমতায় যাওয়ার জন্য ধর্মকে সূক্ষ্মভাবে ব্যবহার করে অশুভ শক্তি সমাজ জীবনে কী ধরনের অশান্তি সৃষ্টি করতে পারে ভোলার বোরহানউদ্দিন সাম্প্রতিক ঘটনাবলী একটি নতুন উদাহরণ মাত্র। দুর্নীতির বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার যখন একটি বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে, সরকারের কর্মকান্ডে মানুষের আস্থা বাড়ছে তখন ভোলায় ধর্মের নামে আবারও অরাজকতা ও প্রাণহানির ঘটনায় জাতির বিবেক স্তব্ধ। সমাজে শান্তি-শৃঙ্খলা বিনষ্ট করতে অশুভ শক্তি এক এক সময়ে এক এক ভাবে তাদের অশুভ চরিত্র প্রকাশ করে। নয় বছরের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন-সংগ্রামে অবৈধ শাসক জেনারেল এরশাদের পতনের পর ১৯৯১ সালের ২৭ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনে ‘সূক্ষ্ম কারচুপি’ হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছিলেন আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ‘সূক্ষ্ম কারচুপি’র সেই নির্বাচনে জয়লাভের মাধ্যমে ক্ষমতায় আসীন হয় এরশাদেরই পূর্বসূরী এবং প্রায় একই আদর্শের অনুসারী মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমানের প্রতিষ্ঠিত দল [বিস্তারিত...]

এই সপ্তাহে….

abirvab_add_2018-[Converted

* নূরে মোহাম্মদী’র আদর্শ গুণসম্পন্ন মানুষই হলেন সূফী বা ‘সত্যমানুষ’

* নিজের কথা – ১২

* হাক্কানী মিশন বিদ্যাপীঠ ও মহাবিদ্যালয়ে মত বিনিময় সভা ও পিইসি ও জেএসসি পরীক্ষাথীদের বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠান

* সঠিক নেতৃত্বই সুশৃঙ্খলভাবে এগিয়ে নিয়ে যায়

* মৃত্যু বলে কিছু নেই আছে রূপান্তর….

* মহানবীর আবির্ভাব ও লোকান্তর কি একই দিনে?

* দয়ালের উপদেশ – ৭

* প্রবাহ

সত্য সন্ধানে সংলাপ