হোম পেজ

হাওয়া লাগছে সন্ত্রাসের আগাছায়!

পাঠ্যক্রম আর পাঠাভ্যাসের ফাঁক আছে। নিঃসন্দেহে পারিপার্শ্বিকে ধর্ম আর বেহায়া রাজনীতির নৈরাজ্য দেশের চিন্তাবিদদের আরও বেশি উদ্বিগ্ন করে তুলছে। সংলাপ ॥ বাংলার নানা প্রান্তে ইদানীং প্রায় ধর্ম আর হিংসার রাজনীতিকে কেন্দ্র করে অসহিষ্ণুতার উদ্গীরণ ঘটছে। হুমকি আর হুঙ্কার ছুঁড়ছে ক্ষমতামত্তরা। এ সব ঘটনায় সমাজের আতঙ্ক ক্রমশ বাড়ছে। উদ্বিগ্ন সম্মিলিত বিবেক। বহু দূরদর্শী ব্যক্তিত্ব গত কয়েক বছর জুড়ে ধর্ম আর হিংসার রাজনীতিকরণের বিরুদ্ধে, বহুমুখী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে, গঠনহীন রাজনীতির বিভাজনপ্রীতির বিরুদ্ধে লাগাতার বলে যাচ্ছেন, এই পথ বাংলাদেশের নয়। বিভ্রান্তি আমাদের সামাজিকতাকে ঘেরাও করছে। অবিলম্বে ঘৃণাকে প্রতিহত করা জরুরি। স্বাস্থ্যময় মতভেদ আর বহুত্বের সংস্কৃতিকে গুরুত্ব দিয়ে সমস্যার সুরাহা খুঁজতে হবে। দেশের রাজনীতিকরা ‘নীরব সংখ্যাগরিষ্ঠ’র চেহারাকে, তাদের উদাসীনতাকে, নিষ্ক্রিয় স্বভাবকে প্রশ্নহীন চিত্তে প্রশ্রয় দিয়ে যাচ্ছে। জনগণ নীরব, প্রতিবাদহীন, প্রতিরোধহীন মানসিকতার জন্য আজ অবরুদ্ধ বিকার বাইরে বেরিয়ে এসে হুমকি দিচ্ছে।  এখানে ওখানে মেতে উঠছে তান্ডব [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... বর্তমানটা সাধারণ সময় নয়

সংলাপ ॥ বর্তমান সময়টা ঠিক ‘সাধারণ’ সময় নয়। তাই, কোনও দিন যা ভাবা যায়নি, আজ সেটা ভাবা এবং স্পষ্ট করে বলা জরুরি হয়ে উঠছে। এত মানুষ চার দিকে এত অর্থহীন ও মিথ্যা কথা বলছেন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘লাইক’ আর ‘কমেন্ট’-এর সৌজন্যে সেই সব কথার এত বড় মাপের বিশ্বাসযোগ্যতা তৈরি হয়ে উঠছে, প্রতিদিন এত বেশি করে ফুলেফেঁপে উঠছে চিন্তা-ভাবনা বিচার-বিবেচনার প্রতি অভব্য, অন্যায়, উদ্ধত আক্রমণ যে চুপ করে থাকার এখন একটাই অর্থ: মেনে নেয়া। মেনে নেয়া যে, দেশ জুড়ে যা চলছে এখন, সে সবই ‘স্বাভাবিক’ ব্যাপার। মেনে নেয়া যে, ভুল ও মিথ্যে কথা বলা হলেও আমাদের উল্টে কিছুই বলার থাকতে পারে না। অন্য দিকে রোজ নিয়ম করে খবর: দেশ জুড়ে বিভিন্ন জায়গায় মানুষকে বেঁধে, ঘাড় ধরে টেনে, চলমান ট্রেন থেকে ধাক্কা মেরে ফেলে দেয়া হচ্ছে - মেরেও ফেলা হচ্ছে। [বিস্তারিত...]

সংকটাপন্ন হচ্ছে সাধারণ গরিব!

সংকটাপন্ন হচ্ছে সাধারণ গরিব! সংলাপ ॥ বাজেটের খবর বেরতে না বেরতেই বাজারে ফের যেন নতুন করে আগুন লেগে গেছে। এমনিতে বহুদিনই রোজকার বাজার অগ্নিশর্মা হয়ে আছে। বাজেট যেন তাতে আর একপ্রস্থ ঘৃতাহুতি দিয়ে গেল! দামের আগুনও উঠছে লকলকিয়ে। সব সব্জি এক ধাক্কায় কেজিতে পাঁচ/দশ টাকা ঊর্ধ্বমুখী! পরিচিত জনেদের কাছে এমন খবর পেয়ে অবশ্য দেশবাসীর খুব একটা অস্বাভাবিক লাগেনা। এ দেশে এমনটাই ঐতিহ্য। বাজেটের ভালোমন্দ, তাতে কী আছে না আছে, তাতে সত্যিই কতটা দাম বাড়তে পারে বা বাড়বে বা আদৌ বাড়বে কি না-ওসব দেখে বুঝে নেয়ার দরকার নেই। ধপাধপ রাতারাতি চড়িয়ে দিচ্ছে আনাজপাতি থেকে শুরু করে সব কিছুর দাম, যে যেখানে যেমন পারে। অতঃপর, আমজনতার নিত্যদিনের বাজারে ফড়েদের দাপাদাপি শুরু এবং তার অনিবার্য পরিণতিতে সবের দাম এক লাফে অনেকটা দূর! আর্থিকভাবে দুর্বল দিন আনে-দিন খায় থেকে সাধারণ মধ্যবিত্ত সকলের শোচনীয় অবস্থা আর একটু [বিস্তারিত...]

ভুল তো অবশ্যই হয়েছে-হচ্ছে!

সংলাপ ॥ কিছু ভুল তো অবশ্যই হয়েছে। মানুষের কাছ থেকে যে বা যারা সরে গিয়েছেন, তারা হাতেনাতে ফল পাচ্ছেন। মানুষের ক্ষোভ বাড়ছে। সেই মানুষের কাছে গিয়ে ক্ষমা চাইতে হবে। তাদের প্রয়োজনে সবসময় পাশে থাকতে হবে। মানুষ গালমন্দ করতেই পারেন, তা শুনতে হবে। এতে মানুষের ক্ষোভ কমবে। সরকারি প্রকল্পের সব সুযোগ-সুবিধা যাতে সাধারণ মানুষ পান, তা নিশ্চিত করতে হবে। রোগ সারাতে যে দাওয়াই এখন দলনেত্রী দিয়ে যাচ্ছেন, তা সব রোগের মহৌষধি বলে স্মরণ রাখতে হবে রাজনৈতিক মহলকে। সাধারণ মানুষ থেকে বিচ্ছিন্ন হচ্ছে আঃ লীগ দল। বিষয়টিকে মাথায় রেখে এবার প্রথম কাজ হোক দল ও সংসদ সদস্যদের মধ্যে যোগসূত্র আরো বাড়ানো। দলীয় রাজনৌতিক ব্যক্তিত্বদেরকে হতে হবে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারে দক্ষ। দলের নানা বিষয় প্রচার করার দায়িত্ব বর্তাক তাদের উপর। গণমাধ্যমকে সঙ্গে নিয়ে চলতে হবে। মিথ্যাচার কখনই নয়। বিরোধী দলের সঙ্গে [বিস্তারিত...]

দুষ্টচক্র থেকে মুক্তির মধ্যেই কৃতিত্ব

শাহ্ উল্লাস ॥ ‘রাজনীতি কোন পেশা বা ব্যবসা নয়, রাজনীতি একটা ব্রত, রাজনীতির মূল লক্ষ্য দেশপ্রেম, জনসেবা’-এই কথাগুলো মুক্তিযুদ্ধকালীন মুজিবনগর সরকারের অন্যতম উপদেষ্টা, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রাজনৈতিক জীবনের ঘনিষ্ট সহকর্মী, ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি (ন্যাপ) নেতা হিসেবে খ্যাত জীবন্ত কিংবদন্তী অধ্যাপক মোজাফ্ফর আহমদের। বর্তমানে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুক-এ কথাগুলো ভাইরাল হয়েছে। আজ দেশ যখন একদিকে অর্থনৈতিকভাবে অপার সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, তখন সমাজের শিক্ষা-সংস্কৃতি-মূল্যবোধ-নারীর সম্মান ও মর্যাদা ইত্যাদি ক্ষেত্রে নানা অবক্ষয়ের চিত্র গণমাধ্যমে প্রকাশিত হচ্ছে। আর এইসব অবক্ষয়ের জন্য সার্বিক ভাবে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যেকার দুষ্টচক্রকেই দায়ী করা হচ্ছে। সামাজিক অবক্ষয়ের সর্বশেষ চিত্র ফুটে উঠেছে চট্টগ্রামে ইংরেজি বিভাগের একজন প্রবীণ অধ্যাপককে শিক্ষার্থী কর্তৃক লাঞ্চিত করা এবং অধ্যাপকের গায়ে কেরোসিন ঢেলে দেয়ার ঘটনার মধ্য দিয়ে। বরগুনায় গত ২৬ জুন কলেজছাত্র রিফাতকে কুপিয়ে হত্যার প্রধান আসামী সাব্বির আহমেদ ওরফে নয়ন [বিস্তারিত...]

উন্নয়নের ক্ষতি বরদাশত করা হবে না

উন্নয়নের ক্ষতি বরদাশত করা হবে না সংলাপ ॥ বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, দুর্নীতির কারণে উন্নয়নের ক্ষতি বরদাশত করা হবে না। যে ঘুষ নেয় সেও যেমন অপরাধী তেমনি যে ঘুষ দেয় সেও সমান অপরাধী। গত সপ্তাহে শনিবার (১৩ জুলাই) সকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ আয়োজিত 'বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠান ২০১৯’  উপলক্ষ্যে তিনি এ সতর্কবাণী উচ্চারণ করেন। এ সময় সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিভাগ ও সংস্থা প্রধানদের উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের উন্নয়ন যেন কোনোভাবে দুর্নীতির কারণে ক্ষতিগ্রস্ত না হয় সে বিষয়ে সকলকে আরও ভালভাবে নজর রাখতে হবে। একেবারে নিম্নস্তর পর্যন্ত যারা কাজ করে তাদেরকে এ ব্যাপারে সচেতন করতে আপনাদেরই নির্দেশনা দিতে হবে।’ এ সময় কৃষিজমিতে বাড়িঘর নির্মাণ করে জমি নষ্ট করা একটা বড় সমস্যা হয়ে দেখা দিয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী  বলেন, কৃষিজমি রক্ষার জন্য একটা নীতিমালা বা মাস্টার প্ল্যান থাকা দরকার। এখন অনেকের টাকা-পয়সা হয়েছে। [বিস্তারিত...]

দেখা নয়, জরুরি একটি চিৎকার

দেখা নয়, জরুরি একটি চিৎকার সংলাপ ॥ মৃতের মুখ দেখা যাচ্ছে? না। কোনও ক্ষত, বা রক্ত? না, তা-ও নেই। শিশুটি চেনা যাচ্ছে নাকি? না, কোনও ভাবেই নয়। তা হলে এই ছবি ছাপতে অসুবিধে হওয়ার তো কথা নয়। এ রকমই কি কোনও সংলাপে সে দিন সরগরম হয়েছিল মেক্সিকোর সংবাদপত্র ‘লা হোর্নাদা’র নিউজরুম? ছবিটি ছাপার জন্য কি এ ভাবেই সওয়াল করতে হয়েছিল সাংবাদিক হুলিয়া ল্য দুক-কে? এল সালভাডর থেকে আসা শরণার্থী, ২৪ বছর বয়সি অস্কার আলবার্তো মার্তিনেজ রামিরেজ এবং তার ২৩ মাসের শিশুকন্যা অ্যাঞ্জি ভালেরিয়া এম-এর মৃতদেহের ছবি ‘লা হোর্নাদা’য় প্রকাশিত, একটি মার্কিন দৈনিকে পুনঃপ্রকাশিত এবং ইন্টারনেটের দুনিয়ায় ভাইরাল হওয়ার পরে আগে বহু বার করা প্রশ্নগুলি ফের মাথাচাড়া দিয়ে উঠল। মধ্য আমেরিকার দেশ এল সালভাডর। এই ভূখন্ডের সবচেয়ে ছোট্ট কিন্তু সবচেয়ে জনবহুল দেশ। মেক্সিকো পেরিয়ে আমেরিকা ঢোকার জন্য মধ্য আমেরিকা থেকে যে হাজার হাজার শরণার্থী ঘরবাড়ি [বিস্তারিত...]

অন্তিম লগ্নে স্থগিত ভারতের চন্দ্রযান ২-এর অভিযান

অন্তিম লগ্নে স্থগিত ভারতের চন্দ্রযান ২-এর অভিযান সংলাপ ॥ কাউন্টডাউন স্থগিত শেষ মুহূর্তে! গত রোববার শেষ রাতে, ২টো ৫১ মিনিটে মাটি কাঁপিয়ে উড়তে যাওয়ার কথা ছিল বাহুবলীর। না, সিনেমার চরিত্র নয়। বাহুবলী একটি রকেট, জিয়োসিনক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকল মার্ক থ্রি। ওড়ার নির্ধারিত সময়ের ৫৬ মিনিট ২৪ সেকেন্ড আগে ত্রুটি ধরা পড়ল তাতে। ইসরো-র বিজ্ঞানীরা জানালেন, রকেট থেকে জ্বালানি লিক করছে। কখন সেটি উড়তে পারবে, মাঝরাত পর্যন্ত জানাননি তাঁরা। অথচ সারাদিন সাজো সাজো রবই ছিল। ওজনদার মহাকাশযান বইতে সক্ষম বলে আদ্যোপান্ত ভারতীয় এই রকেট তেলেগু সিনেমার জনপ্রিয় চরিত্রের নামেই পরিচিত। ইসরো জানায়, শুধু এই রকেটের নিজের ওজনই ৬৪০ টন। তার উপরে চন্দ্রযানের ওজন আরও ৩৮০০ কিলোগ্রাম! সেই ওজন নিয়েই তার মাটি থেকে নির্দিষ্ট উচ্চতায় পৌঁছে দেওয়ার কথা চাঁদের উদ্দেশে পাড়ি দেওয়া ভারতের দূতকে। ইসরোর বক্তব্য, মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার মতো শক্তিশালী ও ব্যয়বহুল রকেট ভারতের নেই। তাই [বিস্তারিত...]

৬০ জন হত্যার কথা স্বীকার করল পেন্টাগন

৬০ জন হত্যার কথা স্বীকার করল পেন্টাগন  সংলাপ ॥ মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগন ঘোষণা করেছে, আফগানিস্তানে চলতি ২০১৯ সালের প্রথম পাঁচ মাসে সহিংসতায় সাড়ে নয়শ' বেসামরিক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে ৬০ জন বেসামরিক ব্যক্তিকে হত্যার কথা স্বীকার করেছে পেন্টাগন। মন্ত্রণালয়ের ওই বিবৃতিতে আরো বলা হয়েছে, মার্কিন নেতৃত্বাধীন জোটের হামলায় ৬০ জন বেসামরিক আফগান নিহত ও ৫৫ জন আহত হয়েছেন। প্রতিবেদনে বলা হয়, আফগান সরকারি বাহিনীর হামলায় নিহত বেসামরিক ব্যক্তির সংখ্যা ৬৮ জন। এছাড়া ৭৭৮ জন বেসামরিক মানুষের মৃত্যুর জন্য দায়ী বিভিন্ন সশস্ত্র গোষ্ঠী। ওই সব গোষ্ঠীর হামলায় আহত হয়েছে ৯৭১ জন বেসামরিক আফগান। পেন্টাগন আরো বলেছে, অজ্ঞাত অস্ত্রধারীদের হামলায়প্রাণহানি ঘটেছে ৪৪ জন বেসামরিক মানুষের। আফগান নিরাপত্তা ও স্থিতিশীলতা বিষয়ক যে প্রতিবেদন মার্কিন কংগ্রেসে পেশ করা হয়েছে তাতে এসব বিষয় এসেছে। ২০০১ সাল থেকে আফগানিস্তানে আগ্রাসন চালিয়ে আসছে মার্কিন বাহিনী। তবে এখন পর্যন্ত সেখানকার নিরাপত্তা পরিস্থিতির কোনো [বিস্তারিত...]

রাজনীতিতে সততা ও স্বচ্ছতা কমে আসছে!

সংলাপ ॥ রাজনীতির গতিপথ সর্বদা সর্পিল। সোজা ভাবনায় রাজনীতিকেরা বড় একটা চলেন না। সাদা এবং কালোর মধ্যবর্তী ধূসর রং তাদের দৃষ্টিকে বহু ক্ষেত্রেই আচ্ছন্ন করে রাখে। লাভালাভের নিজস্ব অঙ্কে তারা মগ্ন থাকেন। বাংলাদেশে শাস্ত্রীয় ধর্ম প্রবণতা বেড়ে ওঠার পিছনেও এমন যুক্তি খাড়া করা যায়। বাংলাদেশে ধর্মীয় মেরুকরণ এখন যে অবয়ব নিয়ে প্রতিভাত হচ্ছে, তা অভূতপূর্ব। যে ধরনের ধর্মীয় কর্মসূচি রাজনীতির মূল স্রোতের সাথে কার্যত অভিন্ন বলে স্বীকৃত, গত এক দশকে তিল তিল করে তার পুষ্টি ঘটেছে। এখন কলেবর অনেকটাই স্ফীত। রাজনীতিকরা সেই স্রোতকে এখানে পথ দেখিয়ে এনেছে। সেই স্রোতে গা ভাসাতে বর্তমান সরকর কম যাচ্ছে না। প্রতিযোগিতামূলক ধর্মীয় রাজনীতির ফলে দেশে মূল্যবোধহীন আনুষ্ঠানিকতা পালনের ঘটা বেড়ে চলেছে। কত বড় ধাক্কা খেলে আমাদের প্রশাসন বুঝবে যে, এ ভাবে প্রশাসন চলে না? প্রশাসনে বা শাসনক্ষমতায় থাকতে গেলে সংবিধানের প্রতি দায়বদ্ধ থাকতেই হয়। [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... জনতার মাঝে বন্ধু আছে

সংলাপ ॥ জনপ্রিয়তাবাদের ধরন হল তা জনকল্যাণকেন্দ্রিক, জনমুখী, এবং জনতাই তার শুরু ও শেষ। এই জনপ্রিয়তাবাদ জাতীয়তাবাদে উদ্বেল, উন্মত্ত হয় না, ভাষা, বর্ণ, জাতি বা অন্য পরিচিতিকে সম্বল করতে পারে, সমাজের নানা আইনবহির্ভূত কাজকে সহ্য করে এবং সংসদীয় সর্বস্বতার বাইরে জনতা বলে একটা কিছুর অস্তিত্ব বজায় রাখে। এ বারের সংসদ নির্বাচনে সর্বাত্মক ক্ষমতা দেখিয়েছে যে, তা বর্ণ, জাতি, ভাষা, লিঙ্গ ইত্যাদি পরিচিতি ও বিভেদকে অতিক্রম করে সমগ্র জাতির উপর একাধিপত্য বিস্তারে সক্ষম। কঠোরতার প্রতিশ্রুতি এবং বিশৃঙ্খলা দমনের আশ্বাস দিয়ে সে জনপ্রিয়তাবাদী প্রতিরোধকে পরাস্থ করতে পারে। জনপ্রিয়তাবাদীদের এত দিন ধারণা ছিল যে, জনকল্যাণমুখী কর্ম প্রসার এবং অসংগঠিত জনতাকে মূল সম্বল করে রাজনীতি করা যাবে। এই পথে প্রবল প্রতিপত্তিশালী আগ্রাসী ক্ষমতার বিরোধিতা বজায় রেখে স্বাধিকার ও স্বাতন্ত্র বজায় রাখা যাবে। কিন্তু এই চিন্তাধারায় প্রথম ভুল হল- জনপ্রিয়তাবাদীরা এটা হিসেবে রাখেনি যে ‘জনতা’র [বিস্তারিত...]

সরকারি-বেসরকারি টিভি চ্যানেল!

সংলাপ ॥ বাংলাদেশে বিদেশি চ্যানেলে বিজ্ঞাপন প্রচারে নিষেধাজ্ঞা কার্যকর করতে শক্ত অবস্থান নিয়েছে সরকার। মোবাইল কোর্ট পরিচালনার কথাও বলেছেন তথ্যমন্ত্রী। বেসরকারি চ্যানেলগুলোতে যে আর্থিক সংকট চলছে তা কি ভাবে মোকাবেলা করা যাবে? বাংলাদেশে অন এয়ারে থাকা বেসরকারি স্যাটেলাইট চ্যানেল এখন ৩০টি এর বাইরে বিটিভি, বিটিভি ওয়ার্ল্ড এবং সংসদ বাংলাদেশ নামে আরো ৩টি রাষ্ট্রীয় মালিকানাধীন টিভি চ্যানেল আছে। একমাত্র বিটিভি টেরিস্টেরিয়াল সম্প্রচার চালায়। ২০১২ সালে প্রকাশিত বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস)-এর জরিপ অনুযায়ী তখন বাংলাদেশে ১ কোটি ৮৬ লাখ ৭৬ হাজার পরিবারে টেলিভিশন ছিল। এই সংখ্যা আরো বেড়েছে। কেবল অপারেটর অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (কোয়াব)-এর সূত্র মতে বাংলাদেশে আনুমানিক ৫০ লাখ কেবল কানেকশন আছে। অ্যানালগ হওয়ায় তাদের নিকট কোনো পরিসংখ্যান নেই। এটা তাদের ধারণা। ২০১৮ সালে সাত হাজার ৯শ' ৬০ কোটি টাকার বিজ্ঞাপন গেছে বিটিভিসহ বাংলাদেশের বিভিন্ন টেলিভিশন চ্যানেলে। রায়ানস- এর মতে টেলিভিশনের রেটকার্ড ও [বিস্তারিত...]

পুলিশ : স্বচ্ছতা-অসচ্ছতার দোলাচলে

পুলিশ : স্বচ্ছতা-অসচ্ছতার দোলাচলে সংলাপ ॥ বাংলাদেশে পুলিশ যেন একটি প্রজাতি বিশেষ। দেশে-কালে কোথাও পুলিশকে রাষ্ট্রশাসনের হাতিয়ার, কোথাও ভয়ঙ্কর ও একাধারে হাসির পাত্র হিসেবে দেখা হয়েছে। সত্যিই পুলিশে চাকরির মতো বিড়ম্বনা বোধ হয় আর কোথাও নেই! তা সত্ত্বেও এক বিশেষ অর্থকরী মোহে পুলিশে চাকরির কোনও বিকল্প নেই। সমাজে ছেলেবেলা থেকেই অনেক সময় পুলিশ সম্পর্কে এক ভয়ভীতি চলে আসছে। পুলিশ এখনও পর্যন্ত আমজনতার কাছে ‘বন্ধু’ চরিত্রে পৌঁছতে পারেনি। বাঘে ছোঁয়ার চেয়েও পুলিশে ছোঁয়ার গুরুভার বাংলা প্রবাদেও আছে। সব মিলিয়ে পুলিশ আমাদের স্বাভাবিক জনজীবন-বিচ্ছিন্ন ও সাধারণ মানুষের হৃদয়ের কাছ থেকে অনেক দূরের হয়েই রয়েছে। আর পুলিশি চরিত্রের সেই তকমাকেই ফের একবার ঘষেমেজে চকচকে রূপ দিলেন তাদেরই এক কর্মকর্তা। একথা অবশ্য স্বীকার্য যে, একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনাকে কখনওই সামগ্রিক রূপ দিলে চলবে না। তা সত্ত্বেও বলা যায়, ওই ভদ্রলোক অভিন্ন পোষাক গায়ে গোটা পুলিশ বিভাগের প্রতিনিধি, [বিস্তারিত...]

জি-টোয়েন্টি মঞ্চে ক্ষমতার হাসি

জি-টোয়েন্টি মঞ্চে ক্ষমতার হাসি সংলাপ ॥ রতনে রতন চেনে। ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং ভ্লাদিমির পুতিনের জুটি অবলীলাক্রমে একের পর এক আপন রেকর্ড ভাঙিয়া চলেছেন। দু’বৎসর আগে ওয়াশিংটনে এক বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের দেখিয়ে রুশ প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ‘এরাই বুঝি আপনাকে অপমান করেন?’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট জবাব দেন নি, স্বভাবসিদ্ধ মুখভঙ্গি করে হেসেছিলেন, সেই মুখব্যাদানে যোগ দিয়েছিলেন পুতিন। তার পরে দু’বছর কেটে গেছে, অশোভন কথা ও ভঙ্গির বহু অনুশীলনে অভ্যাস আরও অনেক জমেছে। বিশেষত, ডোনাল্ড ট্রাম্পের আচরণবিধি নিয়ে আজ আর নূতন করে অবাক হবার কোনও প্রশ্ন নেই। জাপানের ওসাকা শহরে জি-২০ দেশগোষ্ঠীর শীর্ষ সম্মেলন উপলক্ষে তিনি আবারও, পুতিন সহযোগে, নূতন কীর্তি স্থাপন করলেন। দু’নেতা সাংবাদিকদের মুখোমুখি বসবার পরেই রুশ নায়কের দিকে চেয়ে তার মন্তব্য: ‘ওদের নিকেশ করা যাক। মিথ্যা সংবাদ (ফেক নিউজ) দারুণ ব্যাপার। আপনার তো এই সমস্যা নেই।’ এক মুহূর্ত চুপ করেই পুতিনের জবাব, [বিস্তারিত...]

অসম বাঙালি কি বিদেশি?

অসম বাঙালি কি বিদেশি? সংলাপ ॥ নতুন করে আরও ১,০২,৪৬২ জন অসমবাসীকে খসড়া নাগরিক পঞ্জি (এনআরসি) থেকে বহিষ্কার করা হল। গত বছর ৩০ জুলাই ৪০,০৭,৭০৭ জন অসমবাসীকে এনআরসির বাইরে রাখা হয়েছিল। তাদের মধ্যে প্রায় ৩৬ লক্ষ খসড়াছুট লোক গত ১৫/২২ জুন পর্যন্ত ‘শুনানি’, ‘বায়োমেট্রিক এনরোলমেন্ট’ ইত্যাদি নিয়ে এই জেলা থেকে ওই জেলায় দফায় দফায় ছোটাছুটি করেছেন। এখন নতুন করে এই ১,০২,৪৬২ জন লোক ছোটাছুটি আরম্ভ করবেন। ১১ জুলাইয়ের মধ্যেই এই নতুন খসড়াছুট ব্যক্তিদের প্রয়োজনীয় দস্থাবেজ জমা দিয়ে নিজেদের নাগরিকত্ব প্রমাণ করতে হবে। অন্যথায় তারা বিদেশি বলে প্রমাণিত হবেন এবং তাদের ঠাঁই হবে ডিটেনশন ক্যাম্পে। আগের দফার খসড়াছুটদের মধ্যে প্রায় ৪ লক্ষ লোক নিজেদের নাগরিকত্বের সপক্ষে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র পেশ করতে পারেননি। তাদের গায়ে বিদেশি ছাপ পড়েই গেছে। এবার আরও ১,০২,৪৬২ জন সম্ভাব্য বিদেশি। তাদের বন্দি রাখতে নতুন, বিপুলায়তন ডিটেনশন ক্যাম্প তৈরি হচ্ছে। যে প্রক্রিয়া [বিস্তারিত...]

বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পেয়েছে ব্যাবিলন শহর

বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পেয়েছে ব্যাবিলন শহর সংলাপ ॥ বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা পেয়েছে ব্যাবিলন শহর; স্বাগত জানাল ইরাক সরকার।ইরাকের প্রাচীন শহর ব্যাবিলনকে বিশ্ব ঐতিহ্যের অংশ হিসেবে ঘোষণা করেছে ইউনেস্কো। ইরাকের সাবেক প্রেসিডেন্ট সাদ্দামের স্বেচ্ছাচারিতার কারণে ১৯৮০’র দশকে শহরটি বিশ্ব ঐতিহ্যের মর্যাদা হারিয়েছিল। ইউনেস্কো ওই তালিকা থেকে তা বাদ দিয়েছিল। সাদ্দাম সেখানে তার জন্য প্রাসাদ নির্মাণ করেছিল। ব্যাবিলন হচ্ছে মেসোপটেমিয়ার প্রাচীন শহর। এটি প্রায় চার হাজার বছরের পুরনো। ব্যাবিলনের ঝুলন্ত উদ্যান প্রাচীন বিশ্বের সপ্ত আশ্চর্যের মধ্যে অন্যতম ছিল। নতুন যে স্থানগুলো এই মর্যাদা পেতে পারে তা নির্ধারণের জন্য জাতিসংঘের বিশ্ব ঐতিহ্য কমিটি সম্প্রতি আজারবাইজানের রাজধানী বাকুতে বৈঠকে মিলিত হয়েছিল। বিশ্ব মানবতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত স্থান বা স্থাপনাকে এই মর্যাদায় ভূষিত করা হয়। ঘোষণার পর ওই স্থানগুলোকে আন্তর্জাতিক চুক্তির অধীনে সুরক্ষা দেওয়া হয়। ব্যাবিলনকে এই মর্যাদা দেওয়ার সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছে ইরাক সরকার। তবে ব্যাবিলন এখনও অত্যন্ত হুমকির মধ্যে [বিস্তারিত...]

সৌদি সেনাঘাটিতে ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত

সৌদি সেনাঘাটিতে ইয়েমেনি ক্ষেপণাস্ত্রের আঘাত সংলাপ ॥ ইয়েমেনের আনসারুল্লাহ আন্দোলন সমর্থিত সামরিক বাহিনী সৌদি আরবের একটি সেনাঘাঁটিতে পাল্টা হামলা চালিয়েছে। সৌদি আরবের এই সেনা ঘাঁটিটি ইয়েমেনের অভ্যন্তরে তায়িজ প্রদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলে অবস্থিত। অনুচরদের সহযোগিতায় ওই এলাকাটি নিয়ন্ত্রণ করছে সৌদি নেতৃত্বাধীন আগ্রাসী বাহিনী। লেবাননের আল-মায়াদিন টিভি চ্যানেল জানিয়েছে, ইয়েমেনের সামরিক বাহিনী গত শুক্রবার রাতে তায়িজ প্রদেশে খালিদ সেনাঘাঁটিতে দু’টি যিলযাল ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং দু’টি ক্ষেপণাস্ত্রই সেখানে আঘাত হেনেছে। তবে এখন পর্যন্ত ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে কোনো তথ্য প্রকাশ করেনি সৌদি আরব। এর আগে ইয়েমেনের সেনাবাহিনী সৌদি সীমান্তে আগ্রাসী বাহিনীর এ কটি হামলা প্রতিহত করেছে। এ সময় সংঘর্ষে কয়েকজন সৌদি সেনা প্রাণ হারিয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় জিযান ও নাজরান প্রদেশে কয়েকজন সৌদি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইয়েমেনের স্নাইপার ইউনিট। এর আগে গত বৃহস্পতিবার রাতে ইয়েমেনের সেনাবাহিনীর ড্রোন ইউনিট আবহা ও জিযান বিমানবন্দরে ড্রোন হামলা [বিস্তারিত...]

সত্য সন্ধানে সংলাপ