হোম পেজ

ক্ষমতার লোভে আদর্শচ্যুতি দেশ-জাতির জন্য অকল্যাণকর

যে ব্যক্তি অনুতপ্ত হয়, বিশ্বাস আনে, সৎকার্য করে এবং হেদায়েতপ্রাপ্ত হয়, আমি নিশ্চয়ই তাহার জন্য পরম ক্ষমাশীল। - আল কুরআন ২০ঃ৮২নিশ্চয়ই যাহারা অস্বীকার করিয়াছে তাহাদের বিশ্বাস আনার পর, অতঃপর অস্বীকার আরো বাড়িয়া গিয়াছে, তাহাদের অনুশোচনা আদৌ কবুল করা হবে না; বস্তুতঃ তাহারাই পথভ্রষ্ট। - আল কুরআন ৩ঃ৯০ সংলাপ ।। আল কুরআনের এই দুই আয়াতের দিক নির্দেশনা থেকে আমরা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং পরবর্তীকালের সামাজিক অবস্থান ভালো করেই উপলব্ধি করতে পারি। বাঙালি স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলো স্বতঃস্ফ‚র্তভাবেই বাঙালিত্বকে বরণ করে নিয়ে। গর্ব ছিলো আমরা বাঙালি। কিন্তু ক্ষমতার লোভে বাঙালি আদর্শকে জলাঞ্জলি দিয়ে তথাকথিত মিথ্যা ধর্মীয় নামাবলী গায়ে জড়িয়ে রাজনীতিকরা আজ বাঙালি জাতিকে আদর্শচ্যুত করার প্রচেষ্টায় রত। ধর্মান্ধ স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিকে আল-কুরআনের উল্লিখিত দুই আয়াতের আলোকে বলা যায়, ওরা জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে অনুশোচনা করেনি, নিজে বাঙালি হয়ে বাঙালিত্বকে বিশ্বাস করেনি, ব্যক্তি-গোষ্ঠীর স্বার্থ ছাড়া সৎকাজ করে না তাই দেশপ্রেম ও আদর্শে উদ্বুদ্ধ হওয়ার [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা....

সময়ের সাফ কথা.... চীন নাকি ভারত! কৌশলী সিদ্ধান্তই সমাধান ড. সরফরাজ ।। বিশ্ব অর্থনীতিতে ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠেছে চীন ও ভারত। আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি, লাগসই বিনিয়োগ ও শ্রম বাণিজ্যকে পুঁজি করে চীন অনেকটা একচেটিয়া বাজার দখল করে নিয়েছে বলে প্রতীয়মান হলেও এ প্রতিযোগিতায় ভারতও পিছিয়ে নেই। দেশপ্রেম, পাণ্ডিত্য, প্রজ্ঞা ও তথ্য-প্রযুক্তির জ্ঞানকে কাজে লাগিয়ে দক্ষিণ এশিয়ার দেশটি এ অঞ্চলেই শুধু নয় বিশ্ব বাজারে নিজেদের অবস্থান শক্ত করতে সক্ষম হয়েছে বেশ ক’বছর ধরেই। শান্তিপ্রিয় ও সম্ভাবনাময় রাষ্ট্র বিবেচনায় বাংলাদেশ-এর প্রতি এ দুই দেশের নজর ও আগ্রহ অতি সম্প্রতি ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ক‚টনৈতিক প্রতিযোগিতা, ব্যবসায়িক বিনিয়োগ, নিজস্ব লোকবলের কর্মসংস্থানসহ বহুবিধ পন্থায় উভয় দেশই যে কোন উপায়ে বাংলাদেশে স্বীয় অবস্থান পোক্ত করতে এখন মরিয়া হয়ে উঠেছে। বন্ধুপ্রতীম দেশ হিসেবে চীন এবং ভারতকে বরাবরই পাশে পেয়ে আসছে বাংলাদেশ। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে বাংলাদেশের বিনির্মাণে প্রথমে ভারত এবং আরো পরে অন্যান্য দেশের মত চীনও রেখেছে [বিস্তারিত...]

জনগণতান্ত্রিক নীতির পথ উন্মুক্ত করতে

সংলাপ ।। শেষ হয়েও যেন হলো না শেষ। দেখা যাচ্ছে, রাজনীতির ধারায় কোন জননীতি নেই। একটু চোখ মেলে তাকালে বিগত চার দশকের রাজনীতিতে বন্যতা আর বর্বরতার উর্বর একটি মাঠ প্রস্তুত করেছে ক্ষমতার রাজনীতি। রাজনীতির লক্ষ্য অবশ্যই রাষ্ট্রীয় সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনার জন্য, ক্ষমতা কিন্তু রাজনীতিকদের ক্ষমতার আকাক্সক্ষা লুটের জন্য, লুটের অংশীদারিত্বের নিরঙ্কুশতায় দল বা জোটের প্রয়োজন, প্রয়োজন হয় - গণতন্ত্রের মুখোশ। তার জন্যই সংবিধান, সংসদ ইত্যাদি। এই সবকিছু মিলে যে সন্ত্রাস ও লুটতন্ত্র ইতোমধ্যে চলছে, তার বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষকেই মাঠে নামতে হবে, অন্যথায় এমনিভাবে রাজনৈতিক সন্ত্রাসের কবলে পড়ে পুড়ে কয়লা হতে হবে অসহায় মানুষদের। সন্ত্রাস এবং রাজনীতিকদের মিথ্যাচার এখন রাজনৈতিক অঙ্গনে রাজনীতিকেই করছে গণশত্রু। এই গণশত্রুকে মোকাবেলা করার জন্য, জনগণ কী করবে - এখন ভাববার বিষয় দেশপ্রেমিকদের। রাজনীতিকদের চেপে ধরে এক টেবিলে বসিয়ে আগাম নির্বাচনের ব্যবস্থা করলে সংকটের সমাধান হবে না। কারণটা ওই জননীতিহীন রাজনীতির অভ্যস্ততায়, রাজনীতিকদের ব্যক্তিক অহং, লোভ, ক্ষমতার [বিস্তারিত...]

সাম্প্রদায়িক সংকীর্ণতার উর্দ্ধে না উঠলে পৃথিবীতে শান্তি আসবে না

সংলাপ ।। সর্বজীবের প্রতি সহানুভূতিশীলতা ও উপকারের জন্য যে ভাব তার নাম সেবা। অপরের দুঃখে দুঃখিত হওয়া, অন্যের বিপদে সাধ্যমতো সাহায্য করা, পিতা-মাতার যত্ন নেয়া, সাধু-মহৎ, গুরুজনদের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া, সর্বোপরি প্রত্যেক মানুষ তথা সৃষ্টির মধ্যে স্রষ্টা বিরাজমান এই জ্ঞান করতঃ সর্বজীবে ও বিশ্ব মানবতার সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখার প্রচেষ্টার নাম মানব ধর্ম। মানব ধর্ম নতুন কোন ধর্ম নয় বরং সকল ধর্মের নির্যাস। স্রষ্টা সৃষ্টির সঙ্গে এক হয়ে আছেন। সর্বব্যাপী, সর্বাত্মক তিনি। যা কিছু অস্তিত্ব অর্জন করেছে তা এখন, এখানেই প্রতিষ্ঠিত। জগত যা দিয়ে গঠিত মানবদেহও তা দিয়েই গঠিত। এতটুকু জানাই মানব ধর্ম পালনের জন্য যথেষ্ট। মানব ধর্ম পালন করতে হলে রাজনৈতিক দলের ন্যায় দল গঠন করতে হয় না, তীর্থে যেতে হয় না, কোন বিশেষ প্রকারের পোশাক পরিধান করতে হয় না, কোন প্রতীক ধারণ করতে হয় না, কোন আনুষ্ঠানিকতা করতে হয় না, পিতা-মাতা, স্বামী-স্ত্রী, পূত্র-কন্যা ত্যাগ করে সন্ন্যাসী [বিস্তারিত...]

রাশিয়ার মধ্যস্থতায় সীমান্তে শান্তি বজায়ে সম্মত ভারত ও চীন

রাশিয়ার মধ্যস্থতায় সীমান্তে শান্তি বজায়ে সম্মত ভারত ও চীন সংলাপ ।। লাদাখ সীমান্তে গত কয়েক মাস ধরে চলা উত্তেজনা নিরসনে পাঁচটি পরিকল্পনায় সম্মত হয়েছে চীন ও ভারত। রাশিয়ার মস্কোতে চলতে থাকা সাংহাই কোঅপারেশন অর্গানাইজেশনের (এসসিও) সম্মেলনের পার্শ্ববৈঠকে সম্প্রতি দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা এই সম্মতিতে পৌঁছান। শুক্রবার ভোরে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক যৌথ বিবৃতিতে বলা হয়েছে, দুই মন্ত্রীর ‘খোলামেলা এবং গঠনমূলক’ আলোচনায় পাঁচটি পরিকল্পনায় ঐক্যমত প্রতিষ্ঠা হয়েছে। ভারতীয় স¤প্রচারমাধ্যম এনডিটিভির প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। গত মে মাস থেকে লাদাখ সীমান্তে মুখোমুখি অবস্থানে রয়েছে ভারত ও চীনের সেনাবাহিনী। জুন মাসে একবার প্রাণঘাতী সংঘাতের পর স¤প্রতি দুই দেশই ৪৫ বছর পরে প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় পরস্পরের বিরুদ্ধে গুলি চালানোর অভিযোগ তুলেছে। প্রথম দফা সহিংসতার পর রাশিয়ার হস্তক্ষেপেই প্রতিবেশী দুই দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ফোনে কথা বলেন। কিন্তু প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখায় পরিস্থিতি ভালো হওয়ার চেয়ে আরও জটিল হয়ে যায়। পরে এসসিও সম্মেলনের ফাঁকে ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর ও চীনা পররাষ্ট্রমন্ত্রী ওয়াং ই-এর মধ্যে বৈঠকের উদ্যোগ নেন রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী [বিস্তারিত...]

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বপ্ন ক্ষীণ হচ্ছে আরব বিশ্বের বিশ্বাসঘাতকতায়

ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের স্বপ্ন ক্ষীণ হচ্ছে আরব বিশ্বের বিশ্বাসঘাতকতায় সংলাপ ।। সবশেষ আরব দেশ হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দিয়েছে বাহরাইন। মধ্যস্থতাকারী হিসেবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প গত সপাহের শুক্রবার এ কথা জানান। ট্রাম্প প্রশাসন এ নিয়ে জোর প্রচেষ্টা চালাচ্ছে। গত মাসে সংযুক্ত আরব আমিরাতও ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার কথা জানায়। ডোনাল্ড ট্রাম্প ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেঞ্জামিন নেতানিয়াহু এবং বাহরাইনের বাদশাহ হামাদ বিন ইসা আল খলিফার সঙ্গে কথা বলেন। এরপর যৌথ বিবৃতি দিয়ে চুক্তিতে উপনীত হওয়ার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয় যুক্তরাষ্ট্র, বাহরাইন ও ইসরায়েল। ট্রাম্প এই চুক্তিকে ‘যুগান্তকারী পদক্ষেপ’ হিসেবে অভিহিত করেছেন। প্রথম উপসাগরীয় দেশ হিসেবে এক মাসে আগে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দিয়েছিল সংযুক্ত আরব আমিরাত। এক মাস না পেরোতেই উপসাগরীয় দ্বিতীয় দেশ এবং মিসর, জর্ডান ও আমিরাতের পর আরব বিশ্বের চতুর্থ দেশ হিসেবে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করার ঘোষণা দিল বাহরাইন। ট্রাম্প বলেছেন, হোয়াইট হাউসে ১৫ সেপ্টেম্বর আমিরাত-ইসরায়েল চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে বাহরাইনও যোগ দেবে। [বিস্তারিত...]

জাপানের প্রধানমন্ত্রী কৃষকের ছেলে সুগা

জাপানের প্রধানমন্ত্রী কৃষকের ছেলে সুগা সংলাপ ।। প্রধানমন্ত্রী হওয়ার দৌঁড়ে দলীয় ভোটে বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়েছেন জাপানের বর্তমান মন্ত্রীপরিষদের মুখ্য সচিব ইয়োশিহিদে সুগা। ফলে তিনি পদত্যাগী প্রধানমন্ত্রী শিনজো আবের উত্তরসূরী হতে যাচ্ছেন। ক্ষমতাসীন দলের ৩৯৩ ও অন্যান্য রাজনৈতিক দলের ১৪১ ভোট মিলে মোট ৫৩৪ ভোটের মধ্যে ইয়োশিহিদে সুগা পেয়েছেন ৩৭৭। তার প্রতিদ্ব›দ্বী নীতি-নির্ধারক পরিষদের চেয়ারম্যান ফুমিদো কিশিদা পেয়েছেন ৮৯ ভোট। আর সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী শিগেরু ইশিবা পেয়েছেন ৬৮ ভোট। সুগার বয়স এখন ৭১ বছর। তার বাবা ছিলেন একজন স্ট্রবেরি চাষী। মেধা আর কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে তিনি জাপানের রাজনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছেন।  রক্ষণশীল লিবারেল ডেমোক্রেট পার্টি (এলডিপি) ক্ষমতায় এলে তাকে মন্ত্রীপরিষদের মুখ্য সচিব করা হয়। এখন প্রধানমন্ত্রীর ক্ষমতার মধ্যমেয়াদ। ফলে সরকারের বাকি অর্ধেক সময় টেনে নিতে হবে ইয়োশিহিদে সুগাকেই। ২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে নতুন সাধারণ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে জাপানে। [বিস্তারিত...]

‘শান্তি’ আলোচনার পাশাপাশি চলছে আফগান-তালেবান সংঘাত

‘শান্তি’ আলোচনার পাশাপাশি চলছে আফগান-তালেবান সংঘাত সংলাপ ।। কাতারের রাজধানী দোহায় বিবদমান দুই পক্ষের মধ্যে দীর্ঘ প্রতিক্ষিত ‘শান্তি আলোচনা’ শুরুর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আফগান সরকার ও সশস্ত্র তালেবান যোদ্ধাদের মধ্যে আফগানিস্তানজুড়ে ব্যাপক সংঘর্ষও শুরু হয়েছে। ফলে ১৯ বছর ধরে চলা যুদ্ধ-সহিংসতা সমাপ্তির যে সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল তা পড়েছে চ্যালেঞ্জের মুখে। গত ফেব্রæয়ারিত তালেবানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের চুক্তি সইয়ের পরই দুই পক্ষের মধ্যে আলোচনা শুরু করা কথা থাকলেও এরপরপ তালেবানের দেশজুড়ে সহিংস হামলার কারণে দীর্ঘ কয়েক মাস সেই আলোচনা বিলম্বিত হয়। ফের অনেক জল্পনা-কল্পনার পর সেই আলোচনা শুরু হলেও আবার দেখা দিয়েছে সহিংস পরিস্থিতি। রয়টার্সের প্রতিবেদন অনুযায়ী আফগান সরকারের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ফাওয়াদ আমান বলেছেন, ‘আন্তঃআফগান আলোচনার শুরুর কারণে আমরা প্রত্যাশা করেছিলাম তালেবান হয়তো তাদের হামলা কমিয়ে দেবে কিন্তু দুঃখের বিষয় হলেও সত্যি যে তারা এখনও ব্যাপক মাত্রায় হামলা চালানো অব্যাহত রেখেছে।’ আফগান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওই মুখপাত্র জানান গত সপ্তাহের শুক্রবার শান্তি আলোচনা শুরুর আগে আগে সশস্ত্র তালেবান গোষ্ঠী [বিস্তারিত...]

সাম্প্রদায়িকতা ধর্মের নয় রাজনীতির ব্যাপার

সংলাপ ॥ ধর্ম বলতে সদাচার, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, কল্যাণকামিতা, আধ্যাত্মিকতা বোঝায়। সব মানুষেরই ধর্ম আছে। আনুষ্ঠানিকতা করতে গিয়ে ধর্ম ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও আচার-আচরণের ব্যাপার থাকে না, সমাজের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ধর্মের ভিত্তিতে সমাজে বিভাজনও দেখা দেয়, ধর্ম প্রবেশ করে রাজনীতিতে। রাজনীতির মূল বিষয়টি হচ্ছে ক্ষমতা। যখন ক্ষমতার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করা হয় তখন উদ্ভব ঘটে সাম্প্রদায়িকতার। সাম্প্রদায়িকতা ধর্মের নয়,রাজনীতির ব্যাপার। সাম্প্রদায়িকতায় ধর্ম চলে যায় রাজনীতির অধীনে, তখন হানাহানি অনিবার্য হয়ে পড়ে। আমাদের এই উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতার অনাচার আমরা অতীতে দেখেছি,এখনো দেখছি। কেবল উপমহাদেশে কেন,বিশ্বের প্রায় সর্বত্রই তো এখন সাম্প্রদায়িকতার তাণ্ডব চলছে। ক্রুসেড ও জিহাদের ঘটনা অতীতের মতো একালেও বিদ্যমান। ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনে ফিলিস্তিনবাসীকে উচ্ছেদ করে ধর্মরাজ্য কায়েম করা হয়েছে। রাজনীতিতে তাই ধর্ম আসে; ধর্মের স্বার্থে নয়, রাজনীতিকদের বস্তুগত স্বার্থে। নিষ্পেষিত মানুষকে শান্ত রাখার উদ্দেশ্যেও তারা ধর্মকে ব্যবহার করে। উপাসনার মধ্য দিয়ে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের যে অনুভূতি তৈরি হয়, তা ব্যক্তির বিচ্ছিন্নতা তো [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা....আমরা ইব্রাহিমের ধর্মাদর্শে হানিফ

সাদিকুল হক ॥ আল্লাহ আদেশ করেছেন - ‘কুল বাল মিল্লাতা ইব্রাহিমা হানিফা’ (২:১৩৫)। অর্থাৎ, ‘বল, আমরা ইব্রাহিমের ধর্মাদর্শে হানিফ।’ আল্লাহ ইব্রাহিম (আ.)-কে মানবজাতির নেতা হিসেবে মনোনীত করেছেন (২:১২৪); মক্কার কাবাঘর ইব্রাহিম (আ.)-ই প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন (২:৯৬)। মানব-ধর্মে সংকল্পের বিধান তাঁর সময় থেকে। এক উপাস্যের তত্ত্ব দিয়ে তিনিই প্রথম প্রার্থনা বা সালাতের পদ্ধতি শিখিয়েছিলেন। মৌলিকভাবে মানব ধর্মের সূচনা করেছিলেন ইব্রাহিম (আ.)। তিনিই ধর্ম বিধান দিয়ে ইসলামের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন (২:১৩১, ১৩২)। তাই কুরআন আদেশ করে - তোমরা হানিফ হয়ে ইব্রাহিমের ধর্মাদর্শ অনুসরণ কর, ইব্রাহিমের ধর্মাদর্শে হানিফ হও। কুরআনের আদেশটি পালন করা অবশ্য কর্তব্য। হানিফ অর্থ একনিষ্ঠতা।একের প্রতি নিষ্ঠা আছে যার কেবল তার ক্ষেত্রেই আরবি হানিফ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। হযরত মোহাম্মদ (যাঁর কৃপা আমাদের উপর বর্ষিত) এঁর আবিভার্বের পূর্বেও একনিষ্ঠ মানুষ ছিল। এই একনিষ্ঠ সম্প্রদায়কে বলা হতো হানিফ সম্প্রদায়। ইব্রাহিম (আ.)-এঁর একনিষ্ঠতার বিবরণ সকলেরই জানা। স্বজাতির লোকেরা তাঁকে নিক্ষেপ করেছিল জ্বলন্ত আগুনে। কিন্তু [বিস্তারিত...]

নিজেকে বদলালে দেশ ও জাতিকে বদলানো যায়

সংলাপ ॥ ইতিহাস বলছে, আমলা-সুশীল -সামরিক শাসনের থেকে এবং সমাজকল্যাণের নামে এনজিও-র দাপাদাপি থেকে যে-কোনও নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের শাসন ব্যবস্থা অনেক ভাল। পঁচতে পঁচতে তারা এক জায়গাতে থামতে বাধ্য হয় বলেই একসময় তারা বদলায়। সীমাহীন মিথ্যাচার, ভন্ডামী, বেঈমানী, অকৃতজ্ঞতা থেকে তারা সহজে নিজেদের বদলায় না। কিন্তু জনতার চাপ পড়লে বা তাদের ওপর অত্যাচার হলে বদলায় অনেক সময়। জমির চরিত্র বদল চাইলে, কৃষকের কৃষি-উত্তর বদল হয় না, মানুষের সংস্কার বদলাতে চাইলে, নিজের চারিত্রিক বদলও হয় না। এগুলোর বদল করতে গেলে বদলাতে হবে নিজেকে, ত্যাগ করতে হবে অনবরত মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অভ্যাস। নিজের মিথ্যা বলার অভ্যাস, বলতে বলতে একজন মাদক -আসক্তের মতো মিথ্যাবাদী হয়ে যায়। মসজিদের অনেক ইমামদের মতো কুরআনের আয়াত বিশ্লেষণ করতে গিয়ে হাদিসের নামে মিথ্যা বলা শুরু করে। মিথ্যার মজা হচ্ছে দুধ দোহনের মতো, মনে হয় বালতি ভরে গেছে, রেখে দিলে একটু পরে দেখা যাবে ২০০ [বিস্তারিত...]

বাংলা এবং বাঙালির স্বপ্ন

সংলাপ ॥ পৃথিবীর অন্যান্য জাতির মতো বাঙালি একটি জাতি। রয়েছে পাঁচ হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস। সে ইতিহাস নিখুঁতভাবে আমরা আজও গবেষণা করে বের করতে পারিনি। তা সত্ত্বেও যে ইতিহাস আমরা পেয়েছি তাতে করে এই জাতির ভাষা, নৃতাত্ত্বিক পরিচয় এবং ভৌগলিক অবস্থান অনেক গৌরবময়। বহু জাতির সংমিশ্রণের ফলে বাঙালি জাতি একটি শংকর জাতিতে পরিণত হয়েছে যুগ এবং শতাব্দির ধাপে ধাপে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় এই যে, অনেক জাতির সংমিশ্রণ হলেও এই জাতি নিজেদের বাঙালি অস্তিত্বকে বিলুপ্ত হতে দেয়নি। স্বাধীনতা ও পরাধীনতার অনেক উত্থান পতনের মধ্যে কোনো অর্থনৈতিক মুক্তিও আসেনি। বাংলাদেশ, ত্রিপুরা, আসামের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল তথা মেঘালয়, উত্তরবঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গ সহ বাঙালির ভৌগলিক পরিচয় নিয়ে এই জাতির আদিকাল থেকেই বসবাস। যে সমস্ত বাঙালি বিজ্ঞ রাজনীতিক বৃটিশ আমলে একটি স্বাধীন বৃহৎ বাংলা গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন তারা বৃটিশ এবং তৎকালীন দিল্লী কেন্দ্রিক রাজনীতিকদের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা আদায় করতে পারেননি। এটা বাঙালির সবচেয়ে বড় দৈনতা। তা না [বিস্তারিত...]

রাষ্ট্রধর্ম কেন করা হয়?

নজরুল ইশতিয়াক ॥ রাষ্ট্র এবং ধর্ম । দুটি বিষয়ে পরিস্কার ধারণা থাকা জরুরী। রাষ্ট্রের জন্ম এবং একটি কাঠামোর মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ধর্ম কিভাবে কতটুকু সহায়ক হবে সেটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। ধর্ম বোধ একটি গভীর বিষয়, আর প্রচলিত ধর্মীয়  ধারণা নানান বিভ্রান্তির মিশেল। বহু মত পথ, মনগড়া গালগল্পে ভরা। অনেকটা বিড়ালের হাতে খুন্তি দেয়ার মতো। অসংখ্য অসংগতি  গতি বিরুদ্ধ অবস্থা বিরাজ করছে ধর্মের নামে। ওহাবী কিছু বিভ্রান্ত পীরতন্ত্র যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে আধিপত্যবাদীদের বিরাট বিনিয়োগ। মাটিতে মানুষের মাঝে ধর্ম নেই, ধর্ম শুধু গ্রন্থ,ওয়াজে, দাঁড়ি টুপিতে, বেহেশত দোজখে,বহুমাত্রিক শোষনে। বাস্তবে জীবিত জীবনে ধর্ম মৃত। পুরোটাই আকাশে বাতাসে বইয়ের পাতায় পাতায়,আর সুরম্য উপাসনালয় প্রাসাদে। যে যার মতো ধর্ম ব্যাখ্যা করে। লোক জোগাড় করে ব্যবসা করে। এখন চোরের হাতে মুরগী বরগা দেয়ার মতো। ফলে ধর্ম এখন হাতের পুতুল।   ধর্ম আছে, ছিল থাকবে। জীবন জগত সবই ধর্মময়। সব আবিস্কার উদ্ভাবন, [বিস্তারিত...]

সৌদিতে খাশোগি হত্যায় ফাঁসির দণ্ড ক্ষমা করলো তার পরিবার

সৌদিতে খাশোগি হত্যায় ফাঁসির দণ্ড ক্ষমা করলো তার পরিবার সংলাপ ॥ সৌদি আরবের একটি উচ্চ আদালত সেদেশের ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা করার দায়ে পাঁচ ব্যক্তির ফাঁসির দণ্ড লঘু করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে। এ ছাড়া, আরো তিন ব্যক্তি সাত থেকে ১০ বছরের কারাদন্ড পেয়েছে। গত বছর ওই পাঁচ ব্যক্তিকে একটি নিম্ন আদালত ফাঁসির আদেশ দিয়েছিল। কিন্তু খাশোগির পরিবার হত্যাকারীদের ‘ক্ষমা’ করে দেয়ার পর আদালত তাদের দন্ড কমিয়ে দেয়। আদালতের সোমবারের রায়ই চূড়ান্ত এবং এ রায়ের ব্যাপারে আর আপিল করা যাবে না। সৌদি আদালত দন্ড প্রাপ্ত আট ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি। প্রায় দুই বছর আগে তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীতে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাশোগি নির্মমভাবে নিহত হন। সে সময় বিভিন্ন দলিল-প্রমাণ উপস্থাপন করে তুর্কি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো স্থির সিদ্ধান্ত দিয়েছিল যে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এ হত্যকা- ঘটেছে। বিন সালমানের একান্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তারা খাশোগিকে হত্যা কারলেও সৌদি যুবরাজ এ হত্যাকান্ডে নিজের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে গত বছরের অক্টোবরে ঘোষণা করেন, সৌদি [বিস্তারিত...]

আমেরিকাকে শক্তি দেখাচ্ছে চীন উত্তর-পূর্ব উপকূলে নৌমহড়া শুরু

আমেরিকাকে শক্তি দেখাচ্ছে চীন উত্তর-পূর্ব উপকূলে নৌমহড়া শুরু সংলাপ ॥ চীন নতুন করে তার উত্তর-পূর্ব ও পূর্ব উপকূলে নৌমহড়া শুরু করেছে। আমেরিকার সঙ্গে চীনের সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখন এ মহড়া শুরু করলো বেইজিং। দেশটির এ মহড়াকে আমেরিকার জন্য শক্তি প্রদর্শন বলেই ব্যাপকভাবে মনে করা হচ্ছে। চীনের সমুদ্র নিরাপত্তা প্রশাসন জনিয়েছে, দেশের নৌবাহিনী গত সোমবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বহাই সমুদের সিনহুয়াংদো বন্দরের কাছে প্রথম দফা নৌমহড়া শুরু করেছে। পীত সাগরের দক্ষিণাংশে মঙ্গল ও বুধবার দ্বিতীয় দফা মহড়া চলবে। এ মহড়ায় তাজা গুলির ব্যবহার করা হবে। এজন্য ওই এলাকায় সব ধরনের জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বেইজিং চার স্তরের আলাদা সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে যা বহাই সাগর থেকে শুরু করে পূর্ব চীন সাগর ও পীত সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এছাড়া, যে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে চীনের চরম দ্বন্দ্ব সেখানেও জুলাই মাসের শেষ দিকে মহড়া চলেছে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত পূর্ব ও দক্ষিণ চীন সাগরে [বিস্তারিত...]

মহাপ্রয়াণে -

মহাপ্রয়াণে - বাংলাদেশের বন্ধু প্রণব মুখোপাধ্যায় সংলাপ ॥ ৩১ আগস্ট ২০২০ তারিখটা ভারতের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেল। এই দিনেই মহাপ্রয়াণে গেলেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি উপমহাদেশের বরেণ্য রাজনীতিক, বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, আজকের ভারতের অন্যন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রণব মুখোপাধ্যায়। তাঁর প্রয়াণের খবরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাষ্ট্রপতি মো.আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর শোক বার্তায় বলেন, ‘প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ এক আপনজনকে হারালো।’  ০২ সেপ্টেম্বর বুধবার বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়েছে। ইতিহাস, রাজনীতি বিজ্ঞান আর আইনে মাস্টার্স শেষ করে কলেজ শিক্ষক আর সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন প্রণব মুখার্জি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেকে তুলে এনেছিলেন রাজনীতির শীর্ষে, হয়েছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। স্বাধীনতার ৬৫ বছর পর ২০১২ সালের জুলাইয়ে ভারত পায় প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি। ব্রিটিশ আমলে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিতে বীরভূমের মিরাটি গ্রামে ১৯৩৫-র ১১ ডিসেম্বর জন্ম প্রণব মুখার্জির। বাবা কামদাকিঙ্কর মুখার্জি ছিলেন স্বদেশী [বিস্তারিত...]

প্রণব বাঙালি প্রমাণ দিয়েছিলেন

প্রণব বাঙালি প্রমাণ দিয়েছিলেন সংলাপ ॥ প্রণব মুখার্জী তখন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সময়টি ১৪১৫ বঙ্গাব্দের ২৭ মাঘ,২০০৯ খ্রিস্টাব্দের ০৯ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশে এসেছিলেন বর্তমান সরকারের আমন্ত্রণে। দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় সরকারের প্রতিশ্রুতি কোনভাবেই বাংলাদেশকে সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল হতে দেবে না। বাণিজ্য লগ্নির দুটি চুক্তি সই হলো বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে। হলো বোঝাপড়ার অঙ্গীকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে ভারত গড়ে দিচ্ছে একটি কলাভবন। ওইদিন সোমবার বিকেলে তার উদ্বোধন করতে প্রণব মুখার্জি গিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৫২-র ভাষা শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশে এখন একুশের আবেগভরা ফেব্রুয়ারি মাস। একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবতা পালনের পর প্রণব ভাষণ দিতে শুরু করলেন বাংলায়। একেবারে প্রথা ভেঙে। ভারতের বাঙালি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলা ভাষণে বঙ্গীয় ভ্রাতৃত্বের খুশির ঢেউ ছড়িয়ে পড়ল অধ্যাপক, বুদ্ধিজীবী, ছাত্র-ছাত্রীদের এই সমাবেশে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকেলের এ-অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন তৎকালীন উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। তৎকালীন উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। প্রধান অতিথি ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি। নাহিদ বললেন, প্রণব মুখার্জি আমাদের প্রিয়জন। আমাদের আপ্লুত শ্রদ্ধা, ভালবাসা [বিস্তারিত...]

এই সপ্তাহে….

* ধাতুসুধায় লালন পাঠ – ৪

* নিজের কথা – ৩৫

* দয়ালের উপদেশ – ৩৫

* হাক্কানী চিন্তন বৈঠকে ‘নিয়ন্ত্রণ’ বিষয়ে ৬ষ্ঠ পর্বে আলোচনা

* প্রতিটি মানুষের জীবনে একজন মহাপুরুষের সাক্ষাত অতি জরুরী

* অন্যের সমালোচনা নয়, নিজেকে যোগ্য করে তুলুন সৎ কর্ম গুণে

 

 

সত্য সন্ধানে সংলাপ