হোম পেজ

আত্মপ্রতিষ্ঠার ভাবনায়....

সংলাপ ॥ শক্ত অপশক্তির বাধাকে পরাজিত করে বাঙালি জাতির প্রচেষ্টায় অর্জিত হয় স্বাধীনতা। সেই অর্জিত বিজয়ের সার্থকতা আসে চর্যার মধ্যে দিয়ে। বিজয় একটা অবস্থান, বাংলাদেশের জন্য এটা বড় প্রাপ্তি। এর পরিচর্যা না করলে, শুধুই আচার-নীতির মাঝেই সীমাবদ্ধ থাকলে একসময় হারিয়ে যাবে প্রাপ্তিটুকুও। একটা দেশ শান্তির বাগান হিসেবে গড়ে উঠতে পারে যখন মা-মাতৃভাষা-মাতৃভূমি-মানুষ সেই দেশে বেশি সম্মান ও গুরুত্ব পাবে। মায়ের জাতকে অবহেলা করে, দাবিয়ে রেখে বা ভোগের সামগ্রী হিসেবে ব্যবহার করে কোনো জাতি বিশ্বে সম্মানজনক স্থান দখল করতে পারেনি। মা পারেন যেমন একটা সংসারকে সুখের আধার ও শান্তিধাম করে গড়ে তুলতে তেমনি সুযোগ পেলে সমাজ ও রাষ্ট্রেরও আমূল সংস্কার সাধন করতে পারেন মায়ের জাত। তাই মা ও মায়ের জাতকে আমাদের দেশে সর্বস্তরে সবচেয়ে বেশি অধিকার, দায়িত্ব ও কর্তব্য দিয়ে জায়গা ছেড়ে দিতে হবে যাতে এ দেশ গড়ে উঠতে [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... নীতি ও দায়িত্ববোধ নিয়ে পথ চলা

সংলাপ ॥ জাতি-রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশ কিসের উপর দাঁড়িয়ে থাকবে। একটি ইমারত বানাতে কমপক্ষে চারটি স্তম্ভ দরকার হয়। ভারসাম্যপূর্ণ বিকাশমান একটি রাষ্ট্রের ক্ষেত্রে এটি জরুরি বলেই ৭২’ এর সংবিধানে চারটি মূলনীতির সন্নিবেশ ঘটেছিল। বাংলাদেশ আওয়ামীলীগের দলীয় পতাকায় চারটি তারকা দেয়া হয়েছিল। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব যুদ্ধবিধ্বস্ত জাতি পুনর্গঠনে বাকশালের মতো মহাকর্মযজ্ঞ চালু করতে চেয়েছিলেন। ঘাতকেরা বুঝেছিল বাকশাল কায়েম হলে বাংলাদেশ খুব দ্রুত মাথা উঁচু করে দাঁড়াবে। ফলে তারা সেটি করতে দেয়নি। কারা করতে দেয়নি, কেন করতে দেয়নি তা অনুসন্ধান করে দেখতে হবে। বাকশাল ছিল একটি যুগান্তকারী কর্মসূচী। যদিও পরবর্তীতে এটিকে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করে বিভাজন সৃষ্টির অপচেষ্টা হয়েছে। বঙ্গবন্ধু হত্যার পর সংবিধান বারবার সংশোধনের কারণে, পাল্টাতে পাল্টাতে দীর্ঘদিন বাংলাদেশ নামক রাষ্ট্রের জাতিগত স্বকীয় চরিত্র খুঁজে পাওয়া যায়নি। জবরদখলকারী সব শাসকেরাই নিজেদের মতো করে সংবিধান কাঁটাছেড়া করেছে। ’৭৫- পরবর্তী দীর্ঘসময় [বিস্তারিত...]

বিজয়ের ৪৮-বছরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকার তালিকা নতুন পথ দেখাবে

বিজয়ের ৪৮-বছরে প্রকৃত মুক্তিযোদ্ধা ও রাজাকার তালিকা নতুন পথ দেখাবে শেখ উল্লাস ॥ বিজয়ের ৪৮তম বছরে এসে বাঙালি জাতি, বাঙালির দেশ আজ কোন্ পথে? -এ প্রশ্নের উত্তরে বলা চলে, বিজয়ের চেতনায় উজ্জীবিত হয়ে দেশ অনেক দূর এগিয়ে গেছে। বাংলাদেশ একদিকে কল্যাণমুখী রাষ্ট্রের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে, অপরদিকে দুর্নীতি আজ এদেশের জাতীয় জীবনের সর্বস্তরে এমনি করেই বাসা বেঁধেছে যে, যে অবস্থার কথা খোদ্ দেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মুখের কথা থেকেই আন্দাজ করা যায়। ‘দুর্নীতির সংস্কৃতি থেকে বের হয়ে এসে সৎ জীবন-যাপনে উদ্বুদ্ধ করার জন্য তিনি নিজের দলসহ দেশের জনগণকে নির্দেশনা দিচ্ছেন, আহ্বান জানাচ্ছেন। এবারের বিজয়ের মাসের প্রথম দু’দিন- ১ ও ২ ডিসেম্বরের সকল জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত সংবাদে দেখা যায়, প্রধানমন্ত্রী বলেছেন,‘টাকা বানানো একটি রোগ, একটি অসুস্থতা। একবার যে টাকা বানাতে থাকে, তার শুধু টাকা বানাতেই ইচ্ছা করে। অথচ টাকার ফলে ছেলেমেয়ে বিপথে যায়। ছেলেমেয়ের পড়াশোনা নষ্ট হয়, মাদকাসক্ত হয়-সেটা দেখারও [বিস্তারিত...]

বাসচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু দুই চালকসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড

বাসচাপায় শিক্ষার্থীর মৃত্যু  দুই চালকসহ তিনজনের যাবজ্জীবন কারাদন্ড সংলাপ ॥ বাসচাপায় রাজধানীর রমিজ উদ্দিন ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজের দুই শিক্ষার্থীর মৃত্যুর ঘটনায় জাবালে নূর পরিবহণের দুই চালক ও এক সহকারীকে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছেন ঢাকার আদালত। বছর দেড়েক আগের এই মৃত্যু সারাদেশে আলোড়ন তুলেছিল। আদালত অপরাধে সংশ্লিষ্টতা না পাওয়ায় জাবালে নূর বাসের মালিক জাহাঙ্গীর আলম ও হেলপার এনায়েত হোসেনকে খালাস দেন। ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কে এম ইমরুল কায়েশ গত রোববার তিন আসামিকে দোষী সাব্যস্ত করে এ রায় ঘোষণা করেন। দন্ডপ্রাপ্তরা হলেন জাবালে নূর পরিবহণের দুই চালক মাসুম বিল্লাহ ও জুবায়ের সুমন এবং এক বাসের সহকারী কাজী আসাদ। এর মধ্যে কাজী আসাদ পলাতক থাকলেও রায় ঘোষণার সময় বাকি দু'জন আদালতে উপস্থিত ছিলেন। এ মামলায় আরেক বাসের মালিক শাহদাত হোসেন আকন্দের বিচার হাইকোর্টে স্থগিত থাকায় রায় দেওয়া হয়নি। রায় ঘোষণার পর তাদের কারাগারে ফিরিয়ে নেওয়া হয়। আসামিদের প্রত্যেককে [বিস্তারিত...]

ধর্মের নামে.... ১০

সংলাপ ॥ উপধর্ম নিয়ে আলোচনায় আসছি। উপধর্ম বলছি এ কারণে যে সাধারণ মানুষ এই উপধর্মকেই ধর্ম মনে করে কম বেশি পালন করে থাকেন। এই উপধর্মের শাখা-প্রশাখা প্রায় আড়াই হাজার। অর্থাৎ মানুষের মূল ধর্ম থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে ধর্মের নামেও যাকে আকড়িয়ে ধরল তার মধ্যে বিভক্তি এসে গেল। আসলে ভক্তি না থাকলে বিভক্তি হয়। এখন কথা হলো বিভক্তি হয়ে গেল কেন? মত যত, পথ তত, এটাও একটা কারণ। আবার সঠিক জ্ঞানের অভাবে মূল কথার মর্মবাণী না বুঝে ওঠার কারণেও বিভক্তি হতে পারে। এটাও সত্য যে নিজের স্বার্থ উদ্ধারের জন্য মূল ধর্মের ব্যাখ্যা নিজের পক্ষে নেবার চেষ্টা করার ফলে বিভক্তি এসেছে। ইতিহাস থেকে দেখা যায় সাম্রাজ্য বিস্তার তথা রাজ্য পরিচালনায় কিন্তু বেতনভোগী যাজক সম্প্রদায়কে রাজা বা সামাজ্যবাদীদের পক্ষে ধর্মকে ব্যাখ্যা করে বিভক্তি করা হয়েছে। রাগের বশে, জিদের বশে মতানৈক্য হওয়াতেও অনেক [বিস্তারিত...]

ইরাক থেকে সিরিয়ায় ঢুকেছে অস্ত্রভর্তি মার্কিন যান

ইরাক থেকে সিরিয়ায় ঢুকেছে অস্ত্রভর্তি মার্কিন যান সংলাপ ॥ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র তার স্বার্থ থেকে পিছপা হয় না কখনো। সাময়িক দুরে গেলেও আবার পূর্বের চেহারায় ফেরত আসে। সম্প্রতি ইরাক থেকে সামরিক সরঞ্জামভর্তি আরও ২০টি মার্কিন ট্রাক ও লরি সিরিয়ায় ঢুকেছে। সিরিয়ার টিভি চ্যানেল 'আস-সুরিয়া' - জানিয়েছে, ইরাক থেকে সীমান্ত পথে এসব ট্রাক সিরিয়ার হাসাকা প্রদেশে ঢুকেছে। এর কয়েক দিন আগেই মার্কিন সেনাবাহিনীর ৬০টি সামরিক গাড়ী ও লরি অস্ত্র নিয়ে আল-হাসাকা প্রদেশের তেল খনির অদূরে অবস্থান নিয়েছে। এর আগে এসব গাড়ী ও ট্রাককে ওই প্রদেশ থেকে সরিয়ে নিয়েছিল মার্কিন বাহিনী। সিরিয়ার উত্তরাঞ্চলে তুর্কি হামলা শুরুর আগে বেশ কয়েকটি ঘাঁটি থেকে সেনা ও অস্ত্রশস্ত্র সরিয়ে নিয়েছিল আমেরিকা। কিছু সেনা ও অস্ত্রশস্ত্র তারা ইরাকে পাঠিয়ে দিয়েছিল বলে তখন খবর প্রকাশিত হয়েছিল। গত কয়েক সপ্তাহে ওই সব সেনা ও সরঞ্জাম আগের অবস্থানে ফিরিয়ে আনা হয়েছে। গত মাসে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, সিরিয়ার [বিস্তারিত...]

সত্য দেখার আগে সত্য নিজের জীবনে প্রতিষ্ঠা করা শ্রেয়

সূফী সাধক আবু আলী আক্তার উদ্দিন-এঁর বাণী তাৎপর্য অন্বেষণে সত্য দেখার আগে সত্য নিজের জীবনে প্রতিষ্ঠা করা শ্রেয় শাহ্ সূফী ড. এমদাদুল হক ॥ ‘সত্য’ একটি বহু অর্থবোধক শব্দ। সত্যের কোন সংজ্ঞা দেয়া যায় না। কারণ, সকল সংজ্ঞাই মানুষের ধারণা প্রসূত। সত্য কোন ধারণা নয় যাকে শব্দের সীমানায় আবদ্ধ করা যায়। ব্যাংকে টাকা জমানোর মতো কিংবা লাইব্রেরীতে বই সংগ্রহ করার মতো সত্য সংগ্রহ করা যায় না। সত্যকে স্মৃতিতে আটকে রাখা যায় না। বরঞ্চ স্মৃতি ও পূর্ব ধারণা আছে বলেই আমরা সত্যকে দেখতে পারি না। পানির সংজ্ঞা আমরা দিতে পারি। কিন্তু পানির সংজ্ঞা আর পানি এক নয়। এক ফোঁটা পানি সত্য, কিন্তু পানি সম্পর্কে হাজার পৃষ্ঠার বিবরণ ও বিশ্লেষণ পানি নয়। পানি সম্পর্কে তথ্যপূর্ণ বিশ্লেষণ যেমন পানি নয়, সত্য সম্পর্কে পর্যালোচনাও তেমনি সত্য নয়। পানি পান করা ছাড়া পানি সম্পর্কে কোন জ্ঞান লাভ করা অসম্ভব। [বিস্তারিত...]

গুজব সৃষ্টিকারীদের সাথে কোনো আপোষ নয়

সংলাপ ॥ ১৯৭১ সালে ৭ই মার্চ সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণে সমবেত লাখো জনতার উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘মনে রাখবেন, শত্রু বাহিনী পেছনে ঢুকেছে, নিজেদের মধ্যে আত্মকলহ সৃষ্টি করবে, লুটতরাজ করবে। এই বাংলায় হিন্দু-মুসলমান, বাঙালি, নন্-বাঙালি যারা আছে তারা আমাদের ভাই। তাদের রক্ষার দায়িত্ব আপনাদের ওপর, আমাদের যেন বদনাম না হয়।’ -বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণ চিরকাল বাংলাদেশের মানুষ ও বাঙালি জাতিকে প্রেরণা যোগাবে, পথনির্দেশনা দেবে। ধর্ম অবমাননার গুজব ছড়িয়ে সাম্প্রতিক হাঙ্গামা, পেঁয়াজ ও লবণ সঙ্কটের গুজব ছড়িয়ে জনমনে অস্বস্তি তৈরি, সড়ক পরিবহন আইনে মৃত্যুদ-ের গুজব রটিয়ে ধর্মঘট ডেকে দুর্ভোগ সৃষ্টি বঙ্গবন্ধুর ভাষণের কথাগুলোই স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে। বিভিন্নভাবে এই সব গুজব সৃষ্টি করে দেশ ও দেশের জনগণকে অস্বস্তিকর অবস্থায় ফেলে দেয়া একটি বিশেষ মহলের সুগভীর ষড়যন্ত্র  কি-না তা সচেতন ও বিবেকবান মহলকে ভাবিয়ে তুলছে। শত্রুবাহিনী এখন [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... দেশবাসীকে শান্ত ও সত্য চর্যা করা সময়ের দাবী

যে ব্যক্তি অনুতপ্ত হয়, বিশ্বাস আনে, সৎকার্য করে এবং হেদায়েতপ্রাপ্ত হয়, আমি নিশ্চয় তাহার জন্য পরম ক্ষমাশীল।- আল কুরআন ২০ঃ৮২ নিশ্চয় যাহারা অস্বীকার করিয়াছে তাহাদের বিশ্বাস আনার পর, অতঃপর অস্বীকার আরো বাড়িয়া গিয়াছে, তাহাদের অনুশোচনা আদৌ কবুল করা হবে না; বস্তুতঃ তাহারাই পথভ্রষ্ট। - আল কুরআন ৩ঃ৯০ সংলাপ ॥ আল-কুরআনের এই দুই আয়াতের দিক নির্দেশনা থেকে আমরা আমাদের স্বাধীনতা যুদ্ধ এবং পরবর্তীকালের সামাজিক অবস্থান ভালো করেই উপলব্ধি করতে পারি। বাঙালি স্বাধীনতার জন্য যুদ্ধ করেছিলো স্বতঃস্ফূর্তভাবেই বাঙালিত্বকে বরণ করে নিয়ে। গর্ব ছিলো আমরা বাঙালি। কিন্তু ক্ষমতার লোভে বাঙালি আদর্শকে জলাঞ্জলি দিয়ে তথাকথিত মিথ্যা ধর্মীয় নামাবলী গায়ে জড়িয়ে রাজনীতিকরা আজ বাঙালি জাতিকে আদর্শচ্যূত করার প্রচেষ্টায় রত। ধর্মান্ধ ও স্বাধীনতার পরাজিত শক্তিকে আল-কুরআনের উল্লিখিত দুই আয়াতের আলোকে বলা যায়, ওরা জাতির কাছে ক্ষমা চেয়ে অনুশোচনা করেনি, নিজে বাঙালি হয়ে বাঙালিত্বকে বিশ্বাস করেনি, ব্যক্তি-গোষ্ঠীর স্বার্থ [বিস্তারিত...]

রাজনীতিতে শিক্ষাবিদের আগমনে নতুন সম্ভাবনা!

রাজনীতিতে শিক্ষাবিদের আগমনে নতুন সম্ভাবনা! শেখ উল্লাস ॥ বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের শীর্ষ পদ-চেয়ারম্যান হিসেবে ইংরেজি সাহিত্য বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষকের আগমন সাম্প্রতিক কালের রাজনৈতিক ইতিহাস ও সংস্কৃতির জন্য একটি ভিন্নধর্মী ও ইতিবাচক ঘটনা বৈকি। সংগঠনটির  শীর্ষস্থানীয় কয়েকজন নেতার বিরুদ্ধে নানা অভিযোগে দলটি মারাত্মক ইমেজ সঙ্কটে পড়ার পর কে হচ্ছেন চেয়ারম্যান-এই প্রশ্ন যখন মুখে মুখে ফিরছিল তখনই এই পদে ঘোষণা হলো একজন শিক্ষকের নাম। গত ২৩ নভেম্বর সরকার দলীয় গুরুত্বপূর্ণ এই অঙ্গ সংগঠন-আওয়ামী যুবলীগের ৭ম কংগ্রেসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অভিপ্রায়ক্রমে সর্বসম্মতিক্রমে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় - ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ে ইংরেজি বিভাগের দীর্ঘদিনের অভিজ্ঞ অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ। অধ্যাপক শেখ ফজলে শামস পরশ মহান মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাগ্নে ও ঘনিষ্ট রাজনৈতিক সহচর শেখ ফজলুল হক মনি’র বড় ছেলে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগষ্ট কালরাতে বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার সময় শেখ ফজলুল [বিস্তারিত...]

ধর্মের নামে....-১০

সংলাপ ॥ এ পর্যায়ে ধর্ম এবং উপধর্ম নিয়ে আলোচনায় আসব। প্রতিটি জীব তার ধর্ম তার দেহেই ধারণ করে আছে। প্রতিটি বস্তুও তার ধর্ম তার দেহে ধারণ করে আছে। জীব ও জড় ধর্মহীন নয়। ধর্মের বিকাশ ও প্রকাশ ঠিকমতো না হলে অধর্ম হয়ে যায়। একটু দেখি ধর্ম কি? সত্য বলা ধর্ম - মিথ্যা বলা অধর্ম। ন্যায় পথে চলা ধর্ম - অন্যায় পথে চলা অধর্ম। লোভ করা অধর্ম - লোভ না করা ধর্ম। হিংসা করা অধর্ম - হিংসা না করা ধর্ম। বিবেক খাটিয়ে চলা ধর্ম - বিবেকহীন হওয়া অধর্ম। অসহায়কে সাহায্য করা ধর্ম - অসহায়কে সাহায্য না করা অধর্ম। বিপদে ধৈর্য ধারণ করা ধর্ম - না করা অধর্ম। ঘৃণা করা অধর্ম - ঘৃণা না করা ধর্ম। অহংকার করা অধর্ম - অহংকার না করা ধর্ম। জিঘাংসা অধর্ম-ক্ষমা করা ধর্ম। প্রবঞ্চনা করা [বিস্তারিত...]

দেশের ওষুধের বাজারে চলছে  নৈরাজ্য: নীরব প্রশাসন

দেশের ওষুধের বাজারে চলছে  নৈরাজ্য: নীরব প্রশাসন সংলাপ ॥ পরিবেশ পরিস্থিতির বাস্তবতায় চিকিৎসাসেবা খাতের পরিস্থিতি অত্যন্ত নাজুক হয়ে পড়েছে দিনকে দিন। সাধারণ মানুষেরা নিরুপায় হয়ে পড়ছে। চিকিৎসা, রোগ নির্ণয়ের পরীক্ষা-নীরিক্ষা ও ওষুধের দামবৃদ্ধিতে নাকাল দেশবাসী। বিশেষ করে দেশের ওষুধের বাজারে চলছে নৈরাজ্য। ইচ্ছামতো দাম বাড়িয়ে নিচ্ছে ওষুধ প্রস্তুতকারী কোম্পানিগুলো। খুচরা ব্যবসায়ীরা নির্ধারিত মূল্য মানছে না। নিয়ন্ত্রণকারী প্রতিষ্ঠান ঔষধ প্রশাসন অধিদফতর এক্ষেত্রে নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছে। আর নিয়ন্ত্রণহীন বাজারে নাকাল হচ্ছেন রোগী আর তাদের পরিবার। রাজধানীর মিটফোর্ডের পাইকারি ওষুধের বাজার ও খুচরা ওষুধ বিক্রেতারা জানান, সম্প্রতি সবচেয়ে দাম বেড়েছে ইনসুলিনের। এছাড়া হৃদরোগ, ক্যান্সার ও হেপাটাইটিসের ওষুধের দাম বেড়েছে। এক্ষেত্রে এক হাজার টাকার ইনসুলিন বিক্রি হচ্ছে ৩ হাজার টাকায়। ডায়াবেটিস রোগীদের বিভিন্ন ধরনের ট্যাবলেটের দাম বেড়েছে ৯ থেকে ২০ টাকা। হৃদরোগের যেসব ওষুধের এক প্যাকেটের দাম ছিল ৬০ টাকা, তার বর্তমান মূল্য ১৫০ টাকা। হেপাটাইটিস (বি+সি) কম্বিনেশন [বিস্তারিত...]

আইএস সৃষ্টিতে মার্কিন ভূমিকার বাস্তব চিত্র

আইএস সৃষ্টিতে মার্কিন ভূমিকার বাস্তব চিত্র সংলাপ ॥ গত দুই দশকে বিশ্বে নজিরবিহীনভাবে উগ্রবাদ ও সন্ত্রাসবাদের ভয়াবহ বিস্তার ঘটেছে। বিশেষ করে উগ্র সন্ত্রাসবাদের কবলে পড়ে পশ্চিম এশিয়ার নিরাপত্তা আজ চরম হুমকির মুখে পড়েছে আর এর সুযোগ নিচ্ছে সা¤্রাজ্যবাদী আমেরিকা। সন্ত্রাসবাদ দমনের অজুহাতে আমেরিকা এ অঞ্চলের দেশগুলোকে হয় দখল করার চেষ্টা করছে অথবা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করছে। উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশ তথা আইএস আমেরিকারই সৃষ্টি অথচ তারাই আইএসের বিরুদ্ধে যুদ্ধের কথা বলে মধ্যপ্রাচ্যে ব্যাপক সেনা সমাবেশ ঘটিয়েছে এবং গোটা অঞ্চলকে নিরাপত্তাহীনতা ও উত্তেজনার দিকে ঠেলে দিয়েছে। ২০০১ সালের ১১ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্কে সন্ত্রাসী হামলার পর মার্কিন পররাষ্ট্র নীতিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসে। তৎকালীন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ ডাব্লুউ বুশ সন্ত্রাসবাদ দমনের অজুহাতে ব্যাপক হামলা চালিয়ে ইরাক ও আফগানিস্তান দখল করে। ইরাক দখলের পর উগ্র তাকফিরি সন্ত্রাসী গোষ্ঠী দায়েশ বা আইএসএর উদ্ভব ঘটে। এ সন্ত্রাসী গোষ্ঠী ইরাক ও সিরিয়ায় [বিস্তারিত...]

ইরাকে অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা সামরিক বাহিনী!

ইরাকে অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা সামরিক বাহিনী! সংলাপ ॥ ইরাকের সামরিক বাহিনী দেশে অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার কথা অস্বীকার করেছে। ইরাকের জয়েন্ট অপারেশন্স কমান্ড বলেছে, কাউন্টার টেরোরিজম সার্ভিস বা সিটিএস’র অফিশিয়াল পেইজ হ্যাক করে এই অপপ্রচার চালানো হয়েছে। তুরস্কের আনাদোলু বার্তা সংস্থা জানিয়েছে, গতকাল সিটিএস’র ফেইসবুক ও টুইটার পেইজ হ্যাক করে সামরিক অভ্যুত্থানের গুজব ছড়ানো হয়। সেখানে বলা হয়-ইরাকে সমারিক অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা চলছে। জয়েন্ট অপারেশন্স কমান্ড বলেছে, “আমরা বলতে চাই যে, কিছু দুষ্কৃতকারী সিটিএস’র ফেইসবুক ও টুইটারের অফিশিয়াল পেইজ হ্যাক করে সামরিক অভ্যুত্থানের কথা প্রচার করেছে যা একেবারেই ভিত্তিহীন এবং অবিশ্বাস্য।” সিটিএস’র প্রধান তালিব শাকাতি আল-কানানি নিজেও অভ্যুত্থান প্রচেষ্টার কথা অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, সিটিএস সবসময় দেশ, জনগণ, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থা ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলো রক্ষার কাজে নিয়োজিত ছিল এবং থাকবে। গত মাস থেকে এ পর্যন্ত ইরাকের সামাজিক যোগাযোগের সরকারি পেইজগুলে কয়েকবার হ্যাকিংয়ের কবলে [বিস্তারিত...]

রাষ্ট্রের প্রতি নাগরিকের আনুগত্য যেন নড়বড়ে না হয়

সংলাপ ॥ নিশ্চিত করে বলা মুশকিল। বলা উচিতও নয়। কিন্তু সমস্যা হলো, দেশের সিংহভাগ খবরে শুধু হিংসা-হানাহানি-হাহাকার আর হতাশার ছবি! সাধারণ মানুষের মর্মান্তিক সব মৃত্যুর কথা! এসব শুধু আমাদের দেশে বা ঘরের পাশেই ঘটছে না, ঘটছে বিশ্বজুড়ে! কোথাও শান্তি নেই, স্থিতি নেই, বিশ্বাস নেই। মানুষের ভালোচিন্তা, সকলের সঙ্গে মিলেমিশে থাকার স্বাভাবিক ইচ্ছে সবকিছু তছনছ করে দিচ্ছে  বিদ্বেষ-হিংসা-হানাহানির বিষ! কে কোথায় কখন ভয়ংকর একটা কান্ড বাধিয়ে দেবে নিরাপত্তার তাবড় কর্তারাও তা ঠাহর করতে হিমশিম খাচ্ছেন। পুলিশের তো কথাই নেই। ফলে একের পর এক মারাত্মক ঘটনা ঘটে যাচ্ছে, মরছে মানুষ, নিরপরাধ শিশু, বৃদ্ধ মহিলা-পুরুষ। ছড়াচ্ছে আতঙ্ক। আর স্বজন হারানোর যন্ত্রণা-হাহাকারে কিছুক্ষণের জন্য ভারী হয়ে থাকছে আক্রান্ত এলাকার আকাশ! হিংসা-সন্ত্রাসের খবর দেখলে, পড়লে অসহায়তায় ভারী হয়ে উঠছে সাধারণ মানুষের বুক। চিন্তা হচ্ছে, কাল কী হবে? কাল আবার পৃথিবীর কোন প্রান্তে কোন [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... গুজব সৃষ্টিকারী অশুভ চক্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধে জয়ী হতেই হবে

শেখ উল্লাস ॥ দেশে বিভিন্নভাবে গুজব-গুঞ্জন তৈরি করা হচ্ছে। নতুন সড়ক পরিবহন আইন কার্যকর হওয়ার আগেই ১১টি জেলায় যাত্রী ও পণ্য চলাচল ব্যাহত হওয়ার ঘটনা ঘটেছে। লবণ নিয়ে গুজব তৈরির চেষ্টা হচ্ছে। এর আগে  পেঁয়াজের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধির মাধ্যমে সাময়িক সময়ের জন্য হলেও জনগণের নাভিশ্বাস তুলে দুর্নীতিবাজ চক্র (সিন্ডিকেট) দেখিয়ে দিয়েছে ওরা কতটা শক্তিশালী! সরকারের প্রশাসনযন্ত্রসহ রাজনৈতিক শক্তিকেও তারা পরোয়া করে না। নিত্যপ্রয়োজনীয় এই দ্রব্যটির লাগামহীন মূল্যবৃদ্ধি এমন এক সময় ঘটলো যখন দেশে দুর্নীতিবিরোধী অভিযান চলছে। সরকারি দলের কয়েকটি অঙ্গসংগঠনের শীর্ষস্থানীয় পদে আসীন বেশ কয়েকজনকে  গ্রেফতার করা হয়েছে, সংগঠনগুলোর সম্মেলন অনুষ্ঠান করে নেতৃত্বে পরিবর্তনও আনা হয়েছে। দুর্নীতিবাজচক্রটি চলমান শুদ্ধি অভিযানকে বাঁধাগ্রস্ত করতে বঙ্গবন্ধুকন্যা দেশরত্ন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃতা¡ধীন সরকারের শুভ উদ্যোগের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিয়েছে কি-না সেটাই এখন চিন্তার বিষয়। অশুভ সকল শক্তির মূল হোতাদের উৎসগুলো একই সূত্রে [বিস্তারিত...]

মানবতাই মানুষের ধর্ম

সংলাপ ॥ মানবপ্রকৃতি স্বভাবতই দ্বিমুখী। একদিকে সে নিজের স্বজন-সম্পত্তি রক্ষার প্রতি সতত যত্নবান। অপরদিকে তার টান বৃহত্তর জনসমাজের জন্য আত্মোৎসর্গের প্রতি। দেশের সাথে, দশের সাথে নিজেকে মিলিয়ে সে তৃপ্তির সন্ধান করে। ক্ষুদ্র স্বার্থসিদ্ধি হতে সমাজের বৃহত্তর সার্থকতায় ব্যক্তি মানুষের উত্তরণের পথ প্রধানত দুইটি, ধর্ম এবং রাজনীতি। গুরু কিংবা রাজনৈতিক নেতা নিজের জীবনে যে আদর্শ অনুসরণ করেন, অনুসরণকারী দেশবাসী তা অনুসরণ করে তাদের প্রদর্শিত পথ ধরে নিজের স্বার্থান্ধতা অতিক্রম করে। দেহদান একটি দৃষ্টান্ত। এই কাজের মূল্য যে কেবল প্রতীকী, এমন চিন্তা করবার কারণ নেই। যা অপরের কাজে লাগে, বিজ্ঞান ও জনকল্যাণের কাজে লাগে, তাকে কোনও ব্যক্তি কেবলমাত্র প্রচলিত সংস্কারবশত নষ্ট করে ফেললে তা শুধু অপচয়ই নয়, অপরাধ। অনেকেই ‘এ দেহ কী কাজে লাগবে’, ঠিক মতো সংরক্ষিত হবে কি না, এমন নানা সন্দেহের বশবর্তী হয়ে দেহদানে নিরুৎসাহ প্রকাশ করেন। অনেকে বিষয়টির [বিস্তারিত...]

 TAM_3402-08aeec8bf338425791

এই সপ্তাহে….

* সূফী সাধক আবু আলী আক্তার উদ্দিন

* সত্য প্রতিষ্ঠায় স্বেচ্ছাশ্রম যাহা নিত্য তাহাই সত্য – ১০

* দয়ালের উপদেশ – ১১

* সচেতন হোন – জনগণের কল্যাণে

* শান্তি চুক্তির ২২ বছর আজও কাঙ্খিত শান্তি আসেনি পাহাড়ে

* হাক্কানী কথা – ২

সত্য সন্ধানে সংলাপ