হোম পেজ

সাম্প্রদায়িকতা ধর্মের নয় রাজনীতির ব্যাপার

সংলাপ ॥ ধর্ম বলতে সদাচার, সততা, ন্যায়পরায়ণতা, কল্যাণকামিতা, আধ্যাত্মিকতা বোঝায়। সব মানুষেরই ধর্ম আছে। আনুষ্ঠানিকতা করতে গিয়ে ধর্ম ব্যক্তিগত বিশ্বাস ও আচার-আচরণের ব্যাপার থাকে না, সমাজের ব্যাপার হয়ে দাঁড়ায়। ধর্মের ভিত্তিতে সমাজে বিভাজনও দেখা দেয়, ধর্ম প্রবেশ করে রাজনীতিতে। রাজনীতির মূল বিষয়টি হচ্ছে ক্ষমতা। যখন ক্ষমতার জন্য ধর্মকে ব্যবহার করা হয় তখন উদ্ভব ঘটে সাম্প্রদায়িকতার। সাম্প্রদায়িকতা ধর্মের নয়,রাজনীতির ব্যাপার। সাম্প্রদায়িকতায় ধর্ম চলে যায় রাজনীতির অধীনে, তখন হানাহানি অনিবার্য হয়ে পড়ে। আমাদের এই উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িকতার অনাচার আমরা অতীতে দেখেছি,এখনো দেখছি। কেবল উপমহাদেশে কেন,বিশ্বের প্রায় সর্বত্রই তো এখন সাম্প্রদায়িকতার তাণ্ডব চলছে। ক্রুসেড ও জিহাদের ঘটনা অতীতের মতো একালেও বিদ্যমান। ইহুদি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার প্রয়োজনে ফিলিস্তিনবাসীকে উচ্ছেদ করে ধর্মরাজ্য কায়েম করা হয়েছে। রাজনীতিতে তাই ধর্ম আসে; ধর্মের স্বার্থে নয়, রাজনীতিকদের বস্তুগত স্বার্থে। নিষ্পেষিত মানুষকে শান্ত রাখার উদ্দেশ্যেও তারা ধর্মকে ব্যবহার করে। উপাসনার মধ্য দিয়ে সৃষ্টিকর্তার সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের যে অনুভূতি তৈরি হয়, তা ব্যক্তির বিচ্ছিন্নতা তো [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা....আমরা ইব্রাহিমের ধর্মাদর্শে হানিফ

সাদিকুল হক ॥ আল্লাহ আদেশ করেছেন - ‘কুল বাল মিল্লাতা ইব্রাহিমা হানিফা’ (২:১৩৫)। অর্থাৎ, ‘বল, আমরা ইব্রাহিমের ধর্মাদর্শে হানিফ।’ আল্লাহ ইব্রাহিম (আ.)-কে মানবজাতির নেতা হিসেবে মনোনীত করেছেন (২:১২৪); মক্কার কাবাঘর ইব্রাহিম (আ.)-ই প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন (২:৯৬)। মানব-ধর্মে সংকল্পের বিধান তাঁর সময় থেকে। এক উপাস্যের তত্ত্ব দিয়ে তিনিই প্রথম প্রার্থনা বা সালাতের পদ্ধতি শিখিয়েছিলেন। মৌলিকভাবে মানব ধর্মের সূচনা করেছিলেন ইব্রাহিম (আ.)। তিনিই ধর্ম বিধান দিয়ে ইসলামের ভিত্তি স্থাপন করেছিলেন (২:১৩১, ১৩২)। তাই কুরআন আদেশ করে - তোমরা হানিফ হয়ে ইব্রাহিমের ধর্মাদর্শ অনুসরণ কর, ইব্রাহিমের ধর্মাদর্শে হানিফ হও। কুরআনের আদেশটি পালন করা অবশ্য কর্তব্য। হানিফ অর্থ একনিষ্ঠতা।একের প্রতি নিষ্ঠা আছে যার কেবল তার ক্ষেত্রেই আরবি হানিফ শব্দটি ব্যবহৃত হয়। হযরত মোহাম্মদ (যাঁর কৃপা আমাদের উপর বর্ষিত) এঁর আবিভার্বের পূর্বেও একনিষ্ঠ মানুষ ছিল। এই একনিষ্ঠ সম্প্রদায়কে বলা হতো হানিফ সম্প্রদায়। ইব্রাহিম (আ.)-এঁর একনিষ্ঠতার বিবরণ সকলেরই জানা। স্বজাতির লোকেরা তাঁকে নিক্ষেপ করেছিল জ্বলন্ত আগুনে। কিন্তু [বিস্তারিত...]

নিজেকে বদলালে দেশ ও জাতিকে বদলানো যায়

সংলাপ ॥ ইতিহাস বলছে, আমলা-সুশীল -সামরিক শাসনের থেকে এবং সমাজকল্যাণের নামে এনজিও-র দাপাদাপি থেকে যে-কোনও নির্বাচিত রাজনৈতিক দলের শাসন ব্যবস্থা অনেক ভাল। পঁচতে পঁচতে তারা এক জায়গাতে থামতে বাধ্য হয় বলেই একসময় তারা বদলায়। সীমাহীন মিথ্যাচার, ভন্ডামী, বেঈমানী, অকৃতজ্ঞতা থেকে তারা সহজে নিজেদের বদলায় না। কিন্তু জনতার চাপ পড়লে বা তাদের ওপর অত্যাচার হলে বদলায় অনেক সময়। জমির চরিত্র বদল চাইলে, কৃষকের কৃষি-উত্তর বদল হয় না, মানুষের সংস্কার বদলাতে চাইলে, নিজের চারিত্রিক বদলও হয় না। এগুলোর বদল করতে গেলে বদলাতে হবে নিজেকে, ত্যাগ করতে হবে অনবরত মিথ্যা তথ্য দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করার অভ্যাস। নিজের মিথ্যা বলার অভ্যাস, বলতে বলতে একজন মাদক -আসক্তের মতো মিথ্যাবাদী হয়ে যায়। মসজিদের অনেক ইমামদের মতো কুরআনের আয়াত বিশ্লেষণ করতে গিয়ে হাদিসের নামে মিথ্যা বলা শুরু করে। মিথ্যার মজা হচ্ছে দুধ দোহনের মতো, মনে হয় বালতি ভরে গেছে, রেখে দিলে একটু পরে দেখা যাবে ২০০ [বিস্তারিত...]

বাংলা এবং বাঙালির স্বপ্ন

সংলাপ ॥ পৃথিবীর অন্যান্য জাতির মতো বাঙালি একটি জাতি। রয়েছে পাঁচ হাজার বছরের ঐতিহ্যবাহী ইতিহাস। সে ইতিহাস নিখুঁতভাবে আমরা আজও গবেষণা করে বের করতে পারিনি। তা সত্ত্বেও যে ইতিহাস আমরা পেয়েছি তাতে করে এই জাতির ভাষা, নৃতাত্ত্বিক পরিচয় এবং ভৌগলিক অবস্থান অনেক গৌরবময়। বহু জাতির সংমিশ্রণের ফলে বাঙালি জাতি একটি শংকর জাতিতে পরিণত হয়েছে যুগ এবং শতাব্দির ধাপে ধাপে। সবচেয়ে আশ্চর্যের বিষয় এই যে, অনেক জাতির সংমিশ্রণ হলেও এই জাতি নিজেদের বাঙালি অস্তিত্বকে বিলুপ্ত হতে দেয়নি। স্বাধীনতা ও পরাধীনতার অনেক উত্থান পতনের মধ্যে কোনো অর্থনৈতিক মুক্তিও আসেনি। বাংলাদেশ, ত্রিপুরা, আসামের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চল তথা মেঘালয়, উত্তরবঙ্গ এবং পশ্চিমবঙ্গ সহ বাঙালির ভৌগলিক পরিচয় নিয়ে এই জাতির আদিকাল থেকেই বসবাস। যে সমস্ত বাঙালি বিজ্ঞ রাজনীতিক বৃটিশ আমলে একটি স্বাধীন বৃহৎ বাংলা গঠনের স্বপ্ন দেখেছিলেন তারা বৃটিশ এবং তৎকালীন দিল্লী কেন্দ্রিক রাজনীতিকদের কাছ থেকে বিশেষ সুবিধা আদায় করতে পারেননি। এটা বাঙালির সবচেয়ে বড় দৈনতা। তা না [বিস্তারিত...]

রাষ্ট্রধর্ম কেন করা হয়?

নজরুল ইশতিয়াক ॥ রাষ্ট্র এবং ধর্ম । দুটি বিষয়ে পরিস্কার ধারণা থাকা জরুরী। রাষ্ট্রের জন্ম এবং একটি কাঠামোর মধ্যে থেকে সর্বোচ্চ সুশাসন নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে ধর্ম কিভাবে কতটুকু সহায়ক হবে সেটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা। ধর্ম বোধ একটি গভীর বিষয়, আর প্রচলিত ধর্মীয়  ধারণা নানান বিভ্রান্তির মিশেল। বহু মত পথ, মনগড়া গালগল্পে ভরা। অনেকটা বিড়ালের হাতে খুন্তি দেয়ার মতো। অসংখ্য অসংগতি  গতি বিরুদ্ধ অবস্থা বিরাজ করছে ধর্মের নামে। ওহাবী কিছু বিভ্রান্ত পীরতন্ত্র যেমন রয়েছে, তেমনি রয়েছে আধিপত্যবাদীদের বিরাট বিনিয়োগ। মাটিতে মানুষের মাঝে ধর্ম নেই, ধর্ম শুধু গ্রন্থ,ওয়াজে, দাঁড়ি টুপিতে, বেহেশত দোজখে,বহুমাত্রিক শোষনে। বাস্তবে জীবিত জীবনে ধর্ম মৃত। পুরোটাই আকাশে বাতাসে বইয়ের পাতায় পাতায়,আর সুরম্য উপাসনালয় প্রাসাদে। যে যার মতো ধর্ম ব্যাখ্যা করে। লোক জোগাড় করে ব্যবসা করে। এখন চোরের হাতে মুরগী বরগা দেয়ার মতো। ফলে ধর্ম এখন হাতের পুতুল।   ধর্ম আছে, ছিল থাকবে। জীবন জগত সবই ধর্মময়। সব আবিস্কার উদ্ভাবন, [বিস্তারিত...]

সৌদিতে খাশোগি হত্যায় ফাঁসির দণ্ড ক্ষমা করলো তার পরিবার

সৌদিতে খাশোগি হত্যায় ফাঁসির দণ্ড ক্ষমা করলো তার পরিবার সংলাপ ॥ সৌদি আরবের একটি উচ্চ আদালত সেদেশের ভিন্ন মতাবলম্বী সাংবাদিক জামাল খাশোগিকে হত্যা করার দায়ে পাঁচ ব্যক্তির ফাঁসির দণ্ড লঘু করে যাবজ্জীবন কারাদন্ড দিয়েছে। এ ছাড়া, আরো তিন ব্যক্তি সাত থেকে ১০ বছরের কারাদন্ড পেয়েছে। গত বছর ওই পাঁচ ব্যক্তিকে একটি নিম্ন আদালত ফাঁসির আদেশ দিয়েছিল। কিন্তু খাশোগির পরিবার হত্যাকারীদের ‘ক্ষমা’ করে দেয়ার পর আদালত তাদের দন্ড কমিয়ে দেয়। আদালতের সোমবারের রায়ই চূড়ান্ত এবং এ রায়ের ব্যাপারে আর আপিল করা যাবে না। সৌদি আদালত দন্ড প্রাপ্ত আট ব্যক্তির পরিচয় প্রকাশ করেনি। প্রায় দুই বছর আগে তুরস্কের ইস্তাম্বুল নগরীতে অবস্থিত সৌদি কনস্যুলেটে জামাল খাশোগি নির্মমভাবে নিহত হন। সে সময় বিভিন্ন দলিল-প্রমাণ উপস্থাপন করে তুর্কি গোয়েন্দা সংস্থাগুলো স্থির সিদ্ধান্ত দিয়েছিল যে, সৌদি যুবরাজ মোহাম্মাদ বিন সালমানের প্রত্যক্ষ নির্দেশে এ হত্যকা- ঘটেছে। বিন সালমানের একান্ত ব্যক্তিগত নিরাপত্তা কর্মকর্তারা খাশোগিকে হত্যা কারলেও সৌদি যুবরাজ এ হত্যাকান্ডে নিজের জড়িত থাকার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তবে গত বছরের অক্টোবরে ঘোষণা করেন, সৌদি [বিস্তারিত...]

আমেরিকাকে শক্তি দেখাচ্ছে চীন উত্তর-পূর্ব উপকূলে নৌমহড়া শুরু

আমেরিকাকে শক্তি দেখাচ্ছে চীন উত্তর-পূর্ব উপকূলে নৌমহড়া শুরু সংলাপ ॥ চীন নতুন করে তার উত্তর-পূর্ব ও পূর্ব উপকূলে নৌমহড়া শুরু করেছে। আমেরিকার সঙ্গে চীনের সামরিক ও রাজনৈতিক উত্তেজনা যখন তুঙ্গে তখন এ মহড়া শুরু করলো বেইজিং। দেশটির এ মহড়াকে আমেরিকার জন্য শক্তি প্রদর্শন বলেই ব্যাপকভাবে মনে করা হচ্ছে। চীনের সমুদ্র নিরাপত্তা প্রশাসন জনিয়েছে, দেশের নৌবাহিনী গত সোমবার উত্তর-পূর্বাঞ্চলীয় বহাই সমুদের সিনহুয়াংদো বন্দরের কাছে প্রথম দফা নৌমহড়া শুরু করেছে। পীত সাগরের দক্ষিণাংশে মঙ্গল ও বুধবার দ্বিতীয় দফা মহড়া চলবে। এ মহড়ায় তাজা গুলির ব্যবহার করা হবে। এজন্য ওই এলাকায় সব ধরনের জাহাজ চলাচল নিষিদ্ধ করা হয়েছে। বেইজিং চার স্তরের আলাদা সামরিক মহড়ার পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে যা বহাই সাগর থেকে শুরু করে পূর্ব চীন সাগর ও পীত সাগর পর্যন্ত বিস্তৃত হবে। এছাড়া, যে দক্ষিণ চীন সাগর নিয়ে আমেরিকার সঙ্গে চীনের চরম দ্বন্দ্ব সেখানেও জুলাই মাসের শেষ দিকে মহড়া চলেছে। এরপর থেকে এ পর্যন্ত পূর্ব ও দক্ষিণ চীন সাগরে [বিস্তারিত...]

মহাপ্রয়াণে -

মহাপ্রয়াণে - বাংলাদেশের বন্ধু প্রণব মুখোপাধ্যায় সংলাপ ॥ ৩১ আগস্ট ২০২০ তারিখটা ভারতের ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে গেল। এই দিনেই মহাপ্রয়াণে গেলেন ভারতের সাবেক রাষ্ট্রপতি উপমহাদেশের বরেণ্য রাজনীতিক, বাংলাদেশের অকৃত্রিম বন্ধু, আজকের ভারতের অন্যন্য রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রণব মুখোপাধ্যায়। তাঁর প্রয়াণের খবরে বাংলাদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। রাষ্ট্রপতি মো.আব্দুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর শোক বার্তায় বলেন, ‘প্রণব মুখোপাধ্যায়ের মৃত্যুতে বাংলাদেশ এক আপনজনকে হারালো।’  ০২ সেপ্টেম্বর বুধবার বাংলাদেশে একদিনের রাষ্ট্রীয় শোক পালিত হয়েছে। ইতিহাস, রাজনীতি বিজ্ঞান আর আইনে মাস্টার্স শেষ করে কলেজ শিক্ষক আর সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন প্রণব মুখার্জি। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তিনি নিজেকে তুলে এনেছিলেন রাজনীতির শীর্ষে, হয়েছিলেন ভারতের রাষ্ট্রপতি। স্বাধীনতার ৬৫ বছর পর ২০১২ সালের জুলাইয়ে ভারত পায় প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি। ব্রিটিশ আমলে বেঙ্গল প্রেসিডেন্সিতে বীরভূমের মিরাটি গ্রামে ১৯৩৫-র ১১ ডিসেম্বর জন্ম প্রণব মুখার্জির। বাবা কামদাকিঙ্কর মুখার্জি ছিলেন স্বদেশী [বিস্তারিত...]

প্রণব বাঙালি প্রমাণ দিয়েছিলেন

প্রণব বাঙালি প্রমাণ দিয়েছিলেন সংলাপ ॥ প্রণব মুখার্জী তখন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। সময়টি ১৪১৫ বঙ্গাব্দের ২৭ মাঘ,২০০৯ খ্রিস্টাব্দের ০৯ ফেব্রুয়ারি। বাংলাদেশে এসেছিলেন বর্তমান সরকারের আমন্ত্রণে। দ্বিপাক্ষিক আলোচনায় সরকারের প্রতিশ্রুতি কোনভাবেই বাংলাদেশকে সন্ত্রাসীদের আশ্রয়স্থল হতে দেবে না। বাণিজ্য লগ্নির দুটি চুক্তি সই হলো বাংলাদেশ-ভারতের মধ্যে। হলো বোঝাপড়ার অঙ্গীকার। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগে ভারত গড়ে দিচ্ছে একটি কলাভবন। ওইদিন সোমবার বিকেলে তার উদ্বোধন করতে প্রণব মুখার্জি গিয়েছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ে। ১৯৫২-র ভাষা শহীদদের স্মরণে বাংলাদেশে এখন একুশের আবেগভরা ফেব্রুয়ারি মাস। একুশে ফেব্রুয়ারির শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে নীরবতা পালনের পর প্রণব ভাষণ দিতে শুরু করলেন বাংলায়। একেবারে প্রথা ভেঙে। ভারতের বাঙালি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বাংলা ভাষণে বঙ্গীয় ভ্রাতৃত্বের খুশির ঢেউ ছড়িয়ে পড়ল অধ্যাপক, বুদ্ধিজীবী, ছাত্র-ছাত্রীদের এই সমাবেশে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিকেলের এ-অনুষ্ঠানে সভাপতি ছিলেন তৎকালীন উপাচার্য আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক। তৎকালীন উপস্থিত ছিলেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ। প্রধান অতিথি ভারতের তৎকালীন পররাষ্ট্রমন্ত্রী প্রণব মুখার্জি। নাহিদ বললেন, প্রণব মুখার্জি আমাদের প্রিয়জন। আমাদের আপ্লুত শ্রদ্ধা, ভালবাসা [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... শিক্ষা নিয়ে নতুন চিন্তার সময় বয়ে যায়!

শেখ উল্লাস ॥ করোনাভাইরাস পরিস্থিতি শুরু হওয়ার পর থেকে এদেশের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা এবং এই প্রচলিত প্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষা, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা নতুন এক চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। ইতিমধ্যে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি), জুনিয়র স্কুল সার্টিফিকেট পরীক্ষা (জেএসসি) ও জুনিয়র দাখিল পরীক্ষা (জেডিসি) পরীক্ষাসমূহ এ বছরের জন্য বাতিল করা হয়েছে। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলো পাঁচ মাস ধরে বন্ধ থাকার পর গত ১২ ভাদ্র ১৪২৭, ২৭ আগস্ট ২০২০ বৃহস্পতিবার এক সরকারি ঘোষণায় এগুলোতে ছুটির মেয়াদ আগামী ০৩ অক্টোবর পর্যন্ত বাড়ানোর হয়েছে। অর্থাৎ কোনো আনুষ্ঠানিক পরীক্ষা ছাড়াই ২০২০ শিক্ষাবর্ষ অতিক্রান্ত হওয়ার অবস্থা ও আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। বিশ্বজুড়ে করোনাভাইরাসজনিত অতিমারীর এই সময়ের বাস্তবতা হচ্ছে, এই ভাইরাসের সংক্রমণ এখনো নিয়ন্ত্রণের বাইরেই রয়েছে। প্রতিদিন আক্রান্ত এবং মৃতের সংখ্যাটাও বড় হচ্ছে দিন দিন। এমনিতেই দেশে বাণিজ্যিক, ব্যবসায়িক এবং বিভিন্ন ধরনের বৈষম্যমূলক অবস্থা ও ব্যবস্থার কারণে শিক্ষাঙ্গনগুলোতে সঠিক শিক্ষাপ্রদানের ক্ষেত্রটি এবং এর বাস্তবতা [বিস্তারিত...]

জনপ্রতিনিধিরা সংবিধান প্রদত্ত নাগরিক অধিকারের গুরুত্ব বুঝবেন কবে?

সংলাপ ॥ শুধু নিজের কথাটা বলব, বলা শেষ হলেই সব দরজা-জানালা বন্ধ করে দেব। যে কথাটা বললাম, তার পাল্টা-ও কারও কিছু বলার থাকতে পারে, কারও কোনও প্রশ্ন থাকতে পারে বা অসন্তোষ থাকতে পারে ভাববই না এসব। পাল্টা কিছু শুনতে আমি প্রস্তুত নই, কোনও অস্বস্তিকর প্রশ্নের মুখোমুখি হতে রাজি নই, অসন্তোষকে গুরুত্বই দিই না। নিজের কথাটা ঢাক-ঢোল পিটিয়ে সবাইকে শুনিয়ে দিয়েছি সেখানেই কথা শেষ। অন্য কারও কথা শুনবই না। রাজনীতিকদের আচরণ এবং মানসিকতা এখন এ রকমই। রাজনৈতিক ক্ষমতাবৃদ্ধির সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক ঔদ্ধত্যও বোধহয় বাড়ে। কিন্তু সেই ঔদ্ধত্যের এমন বেপরোয়া প্রকাশ বিপদটাকে বাড়াচ্ছে। আগে কোথাও একটা সৌজন্যের বা লোক দেখানো বিনয়ের আব্রু ছিল। এখন সে আব্রুটাও উধাও হয়ে যাচ্ছে রাজনীতিকদের আচরণ থেকে। গণতন্ত্রে জনপ্রতিনিধিকে জনতার কাছে জবাবদিহি করতেই হবে। জবাব দিতে দায়বদ্ধ তারা। জনতা সরাসরি প্রশ্ন পৌঁছে দিতে পারেন না রাজনীতিকদের দরবারে। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হয়ে সংবাদমাধ্যম রাজনীতিকদের সামনে তুলে ধরে জনতার প্রশ্নগুলো। [বিস্তারিত...]

স্বাস্থ্যবিধি মেনে ‘জ্যোতিভবন’-এ হাক্কানী চিন্তন বৈঠকের প্রথম দিনের আলোচনায় বক্তারা

নিজের ওপর ‘নিয়ন্ত্রণ’ অর্জনেই শান্তি সংলাপ ॥ সূফী সাধক শেখ আবদুল হানিফ প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ হাক্কানী খানকা শরীফ (বাহাখাশ) আয়োজিত সাপ্তাহিক নিয়মিত হাক্কানী চিন্তন বৈঠক আবারও শুরু হয়েছে। পরিপূর্ণ স্বাস্থ্যবিধি মেনে এবং শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে ‘নিয়ন্ত্রণ’ বিষয়ে গত ১৫ ভাদ্র ১৪২৭, ৩০ আগষ্ট ২০২০ শনিবার রাজধানীর মিরপুর আস্তানা শরীফের জ্যোতিভবনে আবু আলী আক্তারউদ্দীন মিলনায়তনে প্রথম দিনের বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন বাহাখাশ সহ-সভাপতি শাহ্ আশরিফা সুলতানা। আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন বাহাখাশ মহাসচিব শাহ্ খায়রুল মোস্তফা, যুগ্ম-সচিব অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহিদ এবং সাংগঠনিক সচিব দেলোয়ার হোসেন পিন্টু। নির্ধারিত আলোচনায় অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, অন্যকে নয়, নিজের ওপর ‘নিয়ন্ত্রণ’ অর্জনের মধ্যেই মানবজীবনে শান্তি নিহিত।   বাহাখাশ মহাসচিব শাহ্ খায়রুল মোস্তফা তার বক্তব্যে ‘স্বীয় জিহ্বা শাসনে রেখো, পলকে পলকে মুর্শিদ দেখো’-মহান সাধকের এই বাণী স্মরণ করে বলেন, যে ব্যক্তি নিজেকে যতই চিনবে, সে ততই তার আল্লাহকে [বিস্তারিত...]

সুইডেনে পবিত্র কুরআনের অবমাননা : মুসলমানদের ক্ষুব্ধ করাই কি মূল লক্ষ্য?

সুইডেনে পবিত্র কুরআনের অবমাননা : মুসলমানদের ক্ষুব্ধ করাই কি মূল লক্ষ্য? সংলাপ ॥ ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা ওআইসি সুইডেনের দক্ষিণাঞ্চলীয় মালমো শহরে উগ্রপন্থি ইসলাম বিদ্বেষীদের মাধ্যমে মহাগ্রন্থ আল-কুরআন পোড়ানোর কড়া নিন্দা জানিয়েছে। মুসলিমদের ক্ষুব্ধ করতে ইচ্ছাকৃতভাবে এ উসকানিমূলক অপরাধ সংঘটিত করা হয়েছে বলে ওআইসি এক বিবৃতিতে জানিয়েছে। গত সপ্তাহে ওআইসির জেনারেল সেক্রেটারিয়েট বা মহাসচিবের দফতর এক বিবৃতিতে বলেছে, এই ধরনের ন্যক্কারজনক অপরাধ বিশ্বব্যাপী উগ্রবাদ এবং ধর্ম ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে সৃষ্ট ঘৃণার বিরুদ্ধে লড়াইয়ের বিরুদ্ধে অবস্থান নিয়েছে। মুসলমানদের ক্ষেপিয়ে তুলতে ইচ্ছাকৃতভাবে কুরআনের প্রতি এই ধরনের অবমাননা করা হয়েছে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়েছে।  গত সপ্তাহের শুক্রবার মালমো শহরের কেন্দ্রস্থলে উগ্র ডানপন্থি ইসলাম বিদ্বেষীরা পবিত্র কুরআনে আগুন ধরিয়ে দেয়ার পর সেখানকার অভিবাসী অধিবাসীরা এর প্রতিবাদে রাস্তায় নেমে আসেন। তাদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ হয়। সুইডেনের পুলিশ বলছে, প্রায় ৩০০ মানুষ প্রতিবাদ বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিল। এদিকে গত সপ্তাহের শুক্রবার সুইডেনের উগ্র ডানপন্থিরা মালমো শহরের দু’টি স্থানে আলাদাভাবে পবিত্র কুরআনের অবমাননা করে। একটি ঘটনায় এই মহাগ্রন্থে [বিস্তারিত...]

গ্রিসের পানিসীমা বাড়ানোর পরিকল্পনায় তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যুদ্ধের হুমকি

গ্রিসের পানিসীমা বাড়ানোর পরিকল্পনায় তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রীর যুদ্ধের হুমকি সংলাপ ॥ তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মেভলুত চাভুসওগ্লু বলেছেন, গ্রিস আইওনিয়ান সাগরের পানি সীমা বাড়ানোর যে পরিকল্পনা করছে তাতে যুদ্ধ শুরু হতে পারে। তিনি বলেন, ওই সাগরে গ্রিসের পানিসীমা ৬ নটিক্যাল মাইল থেকে বাড়িয়ে ১২ নটিক্যাল মাইল করা হলে তা দু’দেশের মধ্যে যুদ্ধ ডেকে আনতে পারে। গত সপ্তাহের শনিবার তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী গ্রিসকে সতর্ক করে বলেন, গ্রিস পানিসীমা বাড়িয়ে ১২ মাইল করতে পারে না। ভূমধ্যসাগরে তেল-গ্যাস অনুসন্ধান নিয়ে সম্প্রতি গ্রিস ও তুরস্কের সঙ্গে উত্তেজনা বেড়েছে। এর মধ্যেই অ্যাথেন্সের এমন পদক্ষেপ নতুন করে উত্তেজনা বাড়িয়েছে। গ্রিসের একটি পত্রিকায় সেদেশের প্রধানমন্ত্রী ক্রিয়াকোস মিতসোটাকিসের উদ্ধৃতি দিয়ে বলা হয়, গ্রিস সরকার আইওনিয়ান সাগরে ইতালির মুখোমুখি আঞ্চলিক জলসীমা দ্বিগুণ করার একটি বিল জমা দেয়ার পরিকল্পনা করছে। ভবিষ্যতে অন্যান্য সামুদ্রিক এলাকায় গ্রিস তার আঞ্চলিক জলসীমা বাড়াবে। পূর্ব ভূমধ্যসাগরে গ্রিসকে সরাসরি সমর্থন দিচ্ছে ফ্রান্স। এ প্রসঙ্গে তুর্কি পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ফ্রান্স ইউরোপীয় নেতৃত্ব নিয়ে খেলছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও ন্যাটোর বিরুদ্ধে ফ্রান্স নিরাপত্তা বাহিনী [বিস্তারিত...]

ট্রাম্পের আমেরিকা : নিরাপদ নয় কেউ !!!

ট্রাম্পের আমেরিকা : নিরাপদ নয় কেউ !!! সংলাপ ॥ মার্কিন বিরোধী ডেমোক্র্যাট দলের সিনেটর অ্যামি ক্লুবুচার বলেছেন, প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আমলে আমেরিকায় কেউ এখন আর নিরাপদ নন। একইসঙ্গে তিনি আমেরিকার অভ্যন্তরীন এবং আন্তর্জাতিক অঙ্গনের নানা সংকট মোকাবেলায় ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের নীতির সমালোচনা করেন। আমেরিকার এবিসি নিউজ টেলিভিশনকে গত সপ্তাহের রোববার দেয়া এক সাক্ষাৎকারে ক্লুবুচার আমেরিকার কৃষ্ণাঙ্গ জনগোষ্ঠী বিরুদ্ধে মার্কিন পুলিশের সহিংসতার তীব্র সমালোচনা করেন। চলমান গণবিক্ষোভ এবং অবিচার ও সামাজিক বৈষম্যের বিরুদ্ধে চলমান আন্দোলনের বিষয়ে কথা বলেন তিনি। ক্লুবুচার বলেন, ‘এগুলো শুধু আমেরিকার এক জায়গায় হচ্ছে না বরং প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের দৃষ্টির মধ্যেই সারা দেশে এগুলো হচ্ছে। এ অবস্থায় আমরা কেউ ট্রাম্প-শাসিত আমেরিকায় নিরাপদ নই। গত সপ্তাহের সোমবার সাক্ষাৎকারে ক্লুবুচার আমেরিকার ডেমোক্রেটিক দল থেকে প্রেসিডেন্ট পদে মনোনীত প্রার্থী জো বাইডেনের প্রতি সমর্থন ঘোষণা করেন। বাইডেন প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হলে আমেরিকা আরো বেশি অনিরাপদ হয়ে উঠবে বলে যে খবর ছড়ানো হচ্ছে তাও নাকচ করে দেন মার্কিন এ সিনেটর। তিনি জোর দিয়ে [বিস্তারিত...]

লেবাননে কূটনীতিক হচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী

লেবাননে কূটনীতিক হচ্ছেন নতুন প্রধানমন্ত্রী সংলাপ ॥ লেবাননের প্রেসিডেন্ট মিশেল আউন দেশটির জন্য মুস্তাফা আদিব নামে একজন কূটনীতিককে নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নাম ঘোষণা করেছেন। জার্মানিতে লেবাননের রাষ্ট্রদূত হিসেবে কাজ করা মুস্তাফা আদিব গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক দলগুলোর সমর্থন পাওয়ার পর প্রেসিডেন্ট আউন তাকে প্রধানমন্ত্রী পদের জন্য মনোনীত করেন। লেবাননের সংবিধান অনুসারে, সরকার গঠনের জন্য প্রেসিডেন্ট আউন রাষ্ট্রদূত আদিবকে দায়িত্ব দেয়ার আগে তাকে লেবাননের বেশিরভাগ সংসদ সদস্যের সমর্থন অর্জন করতে হয়েছে। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিক পরামর্শের সময় বেশিরভাগ রাজনৈতিক দলের সংসদ সদস্য মুস্তাফা আদিবের প্রতি সমর্থন দেন। লেবাননের ১২০ জন সংসদ সদস্যের মধ্যে মুস্তাফা আদিব ৬৬ জন সদস্যের ভোট পান যা মোট ভোটের অর্ধেকেরও বেশি। এর আগে লেবাননের ক্রিশ্চিয়ান ফ্রি মুভমেন্ট মুস্তাফা আদিবকে নিজেদের প্রার্থী হিসেবে মনোনীত করার কথা ঘোষণা করে। এছাড়া, সাবেক প্রধানমন্ত্রী সা’দ হারিরির দল ‘ফিউচার মুভমেন্ট পার্টি’ও সমর্থন দিয়েছে। লেবাননের সংসদে সাধারণত ১২৮ জন সদস্য থাকেন কিন্তু গত ০৪ আগস্ট বৈরুত বন্দরে ভয়াবহ [বিস্তারিত...]

রাষ্ট্রধর্ম বিতর্ক

নজরুল ইশতিয়াক ॥ প্রকৃতপক্ষে  ধর্মকে ধারণ করে দেশ পরিচালনা করা আর ধর্মীয় মোড়কে কার্যত জনগণকে জিম্মি করে ক্ষমতা ধরে রাখা এক নয়। কারণ ধর্ম বিষয়টি ধারণের সাথে সম্পর্কযুক্ত ও জীবন্ত একটি উপলব্ধির সাথে যুক্ত। জগত সংসারে সব কিছুরই ধর্ম আছে, আছে পরিবর্তন-বির্বতন ও রূপান্তরের সত্য। মানুষকেও তার ধর্ম অন্বেষণ করেই তা চর্চা ও চর্যা করতে হয়। ফলে শাসক শ্রেণী কোন যাদুমন্ত্র বলে ধর্ম সেবা করার যোগ্যতা রাখে সেটি গভীর আলোচনার বিষয়। খোদ মধ্যপ্রাচ্যে ইসলামিক প্রজাতন্ত্র খ্যাত দেশগুলোর শাসক শ্রেণীর আয়েশী জীবন ও বেপোরোয়া কর্মকান্ড কোন ধর্মের পরিচয় দেয় তাও গুরুত্ব দিয়ে দেখতে হবে। হাল আমলেও সীমাহীন উদ্ধ্যত্ব বর্বরতা, বৈষম্য সৃষ্টি এবং চরম ভোগবাদী জীবন যাপন আর যাই হোক কোরআনের স্পিরিটের সাথে সাংঘর্ষিক। আর ইসলামের মহান নবী মুহাম্মদ (যার কৃপা আমাদের উপর বর্ষিত) এঁর সময় কাল এবং পরবর্তীতে সংগঠিত [বিস্তারিত...]

এই সপ্তাহে….

* সূফী সাধক আবু আলী আক্তার উদ্দিন এঁর বাণী তাৎপর্য অন্বেষণে

* নিজের কথা – ৩৪

* দয়ালের উপদেশ – ৩৪

* ভালোবাসা সমীরণ

* হাক্কানী চিন্তন বৈঠকে ‘নিয়ন্ত্রণ’ বিষয়ে

* জীবনের সব থেকে বড় পাঠ!

* আজকের তথ্যপ্রযুক্তি – ৪

* ধাতুসুধায় লালন পাঠ – ৩

* প্রবাহ

 

সত্য সন্ধানে সংলাপ