হোম পেজ

এমন তো কথা ছিল না

নজরুল ইশতিয়াক।। এমন তো কথা ছিল না। তবু সব কথা, সব সময় পূরণ হয়না, চাইলেও পূরণ করা যায় না। কথা দিয়ে কথা রাখার ক্ষমতাও থাকে না।  কথা তো ছিল ২১, ৪১ সালের রূপকল্প অনুযায়ী সব পেয়ে যাবো আমরা। ১০০ বছরের ডেল্টা প্লানও আলোর মুখ দেখবে কোন এক সময়। এ জন্যই রাজনীতি কিংবা সমাজিক চরিত্রের-সক্ষমতার উন্নয়নের দিকে না তাকিয়ে অবকাঠামোগত উন্নয়নের দিকটিকেই প্রাধান্য দেয়া হয়েছে। সমাজে তীব্র বৈষম্য, মুর্খতা, পশ্চাৎপদতাকে রঙিন কাগজে মুড়িয়ে উপস্থাপন করা হয়েছে নানা নামে। কিছু ভাতা কার্যক্রম দিয়ে ভাতের বদলে লজেন্স মুখে পুরে ঘুম পাড়ানী গান শোনানো হয়েছে।  ফেসবুক, ইউটিউব নির্ভরতা, হুজুরের বয়ান আর নেতা কর্মীদের দাপটে ফাঁকা মাঠে একের পর এক গোল দেয়ার মহড়া চলেছে এতদিন। বিকল্প সামাজিক -রাজনৈতিক শক্তির অভাব কিংবা চেনা কিছু রাজনৈতিক দলের দস্যুপনার ক্ষত তো ছিলই মানুষের মনে। সেসব ভয়ংকর দুঃশাসনের কথা ভেবে দোদুল্যমান জনগণ মন্দের ভালো হিসেবে মেনে নিয়েছে সব। আপাতদৃষ্টিতে [বিস্তারিত...]

বাজেট ভাবনা ও বাস্তবতা

বাজেট ভাবনা ও বাস্তবতা হাসান জামান টিপু  করোনার আঘাতে কঠিন বিপদে বিশ্বের প্রতিটি মানুষ, প্রতিটি দেশ। মাঝ দরিয়ায় ঝড়ে পড়লে যে রূপ ঠাহর করা যায় না কোথায় তীর বা কোন দিকে দিশা,এখন সকলের অবস্থাই তাই। এখন শুধুই টিকে থাকার লড়াই।  বাংলাদেশের সামগ্রিক অবস্থা সকলে অবহিত। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে প্রচুর মেগা প্রকল্প নিয়ে নূন্যতম গণতন্ত্র নিয়ে বিরোধীদলহীন অদ্ভুতভাবে দেশ এগিয়ে চলছিলো। এতোদিন ইকোনোমিস্টসহ বিভিন্ন পত্রিকা তাই লিখছিলো- অর্থনৈতিক সকল সূচকে আমরা উড়ন্তগতিতে বাংলাদেশ । টাকা সারাদেশে উড়ছিলো, হাজার হাজার কোটি টাকা পাচার হচ্ছিল, কানাডায় বেগম পল্লী, মালয়েশিয়ায় ও দুবাইতে সেকেন্ড হোম, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের দূর্নীতিববাজদের উপনিবেশ তৈরী হচ্ছিল। সুইচ ব্যাংকে জমা হচ্ছিল এই গরিব দেশের কোটিপতি লুটেরাদের টাকা। করোনায় সব তছনছ হয়ে গেল। বিদেশ থেকে আমাদের শ্রমিক রেমিট্যান্স যোদ্ধারা ফেরত আসছেন দলে দলে, গার্মেন্টস এর অর্ডার একে একে বাতিল হচ্ছে, আমাদের বায়ার জায়ান্ট কোম্পানীগুলি একে একে দেউলিয়া যাচ্ছে, রপ্তানীর সকল খাত বন্ধ নতুন বিনিয়োগ [বিস্তারিত...]

'আঙ্কেল আপনি কি হিন্দু'! কোথায় আমরা! কোন অভিমুখে!!

'আঙ্কেল আপনি কি হিন্দু'! কোথায় আমরা! কোন অভিমুখে!!  সাগর সগীর ফেইসবুকে এই প্রশ্নের মুখোমুখি হয়েছি আমি অন্তত দু'জনের কাছ থেকে। সম্বোধন থেকে পরিস্কার যে এরা বাঙ্গালি মুসলমান তরুন প্রজম্মের প্রতিনিধি। একই ধরনের আরও প্রশ্ন ধেয়ে আসছে। এর উত্তর দেয়াটা এখনি প্রয়োজন মনে হওয়ায় এই লেখা। ফেইসবুক কমেন্ট বক্সে আমার ফেইসবুক কাভার ফটোর প্রেক্ষিতে করা প্রশ্ন ছিলো এটি।  এনিয়ে প্রয়োজনীয় বিশদ উত্তর দেয়ার আগে প্রশ্ন কর্তাকে তাৎক্ষনিক কমেন্ট বক্সে যে উত্তর দিয়েছিলাম সেটা আগে উল্লেখ করে নেই। উত্তর হিসাবে আমি পাল্টা প্রশ্ন করেছিলাম, স্যুট কোট পরা কাউকে দেখে (যদি জানা মতে তিনি বাঙ্গালি এবং/ অথবা বাঙ্গালি মুসলমান হন) তাকে কি জিজ্ঞেস করা যায় যে ' আপনি কি খৃষ্টান, আপনি কি ইহুদি ?' অথবা কি জিজ্ঞেস করা যায় 'আপনি কি বৃটিশ, আপনি কি ইউরোপিয়ান? আমেরিকান? কানাডিয়ান? ওয়েষ্টার্ন কেউ? প্রশ্নকর্তাকে অবশ্য এই প্রশ্নটি তাৎক্ষনিক করিনি যে  আপনি কি আপনি [বিস্তারিত...]

সমাজ -জীবনের রোজনামচা

নজরুল ইশতিয়াক।। কোন কোন সময় বিশেষ পরিস্থিতি কিংবা উপলক্ষ্য আসে,  যখন ভিতরের ক্ষত প্রকাশ হয়ে পড়ে। কসমেটিক চেহারাও লুকিয়ে রাখা যায় না। মন ভুবনের বিক্ষিপ্ত  অবস্থার প্রতিচ্ছবি প্রতিটি আচারণে প্রকাশ হয়, এটা ধরতে পারে একজন শান্ত- শিষ্ট মানুষ। এই যে সত্য এটা ব্যক্তির ক্ষেত্রে যেমন, সমাজ কিংবা দেশের বেলায় একই ।  আপনি হয়তো এতদিন পুরোপুরি জানতেনই না  এক সাথে, একই ঘরে থাকা মানুষটা কেমন। সময় ও বাস্তবতা সেটিকে যথাযথভাবে প্রকাশ করতে দেয়নি। সারাদিনের দৌঁড়ঝাপের ব্যস্ততা শেষে খাওয়া-দাওয়া, ক্ষণিক সময়ের ক্লান্তি এবং ঘুমের মধ্যে বন্দি জীবন, সবার ক্ষেত্রে কম বেশী এমনই। সীমাহীন রুগ্ন অস্থির বাজে কয়েদী অথচ অবাধ্য জীবনে যা হয় তাই-ই হচ্ছে এখন বহু ঘরে। লুকোচুরির বিভ্রান্তি থেকে পালিয়ে বাঁচা জীবনে যা হয় তারই চিত্র আমরা বর্তমানে দেখছি। এভাবেই করোনাকালীন এই সময়ে থলের বিড়ালই যেন বের হয়ে আসছে। চরম [বিস্তারিত...]

ছাব্বিশ বাঙালী, জর্জ ফ্রয়েড একটি গর্ভবতী হাতি ও একজন সাহাবউদ্দীন

হাসান জামান টিপু  বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে পরিযায়ী মানুষ বিভিন্ন দেশ হয়ে কান্খিত দেশে আশ্রয় নেয়। সাদারা এশিয়া, আফ্রিকা অস্ট্রিয়ায় গিয়েছে, ভুমিপুত্রদের তাদের দাস বানিয়েছে, ভূমিপুত্রদের উচ্ছেদ করেছে, খুন, ধর্ষণ, লুট, অগ্নিসংযোগ করেছে পরিবেশ ধ্বংস করেছে। কেউ গিয়েছে যোদ্ধার বেশে, কেউ বণিক হয়ে, কেউ গিয়েছে বাইবেল হাতে। উদ্দেশ্য একটাই দখল, প্রভূত্ব। সবাই নিজ দেশে কিছু করতে না পেরে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছে।  দ্বিতীয়, মহাযুদ্ধের পরে সাম্রাজ্যবাদী এই বিস্তার একসময় থেমে যায়, আসে অর্থনৈতিক দখলদারিত্ব। স্নায়ুযুদ্ধ পরবর্তীতে মানুষ বিভিন্ন দেশে মাইগ্রেট করতে থাকে, তৃতীয় বিশ্ব থেকে লোকজন নানান কায়দায় ইউরোপ, আমেরিকায় যেতে থাকে। কমিউনিস্টদের পতনের পর আশি নব্বই দশকগুলিতে এদেশের মানুষ ব্যাপকহারে ইউরোপ আমেরিকায় যেতে থাকে। তুরস্ক, রাশিয়া, রুমানিয়া, লিবিয়া হয়ে বাঙালিরা জীবনবাজী রেখে বিভিন্ন পন্থায় দালালের মাধ্যমে পাড়ি দিতে থাকে। এটা নিরন্তর প্রক্রিয়ায় মানুষ তার ভাগ্যান্বেষণে দেশান্তরি হতে থাকে, এটা দেশের ভিতরে ও বাইরে হয়ে থাকে।  কিছুদিন পূর্বে লিবিয়ায় ছাব্বিশ বাংলাদেশীকে দ্রোণ দিয়ে [বিস্তারিত...]

করোনায় হচ্ছে কি বোধোদয়?

শাহ্ শেখ মজলিশ ফুয়াদ ।। মানুষে-মানুষে সংক্রামক ব্যাধি করোনার মহামারিতে সমগ্র বিশ্বই আজ মহাসংকটে। কভিট-১৯ নামের এক ভাইরাসের তাণ্ডবে গোটা বিশ্ব এখন তটস্থ। গত ৮মার্চ বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো করোনা রোগী সনাক্ত হওয়ার পর এরই মধ্যে তিন মাস পার হয়েছে। বাংলাদেশে ২৫ মার্চ সরকার কর্তৃক গণপরিবহন বন্ধ ঘোষণার পরই মূলত এই মহামারী-পরিস্থিটা আঁচ করতে পারে দেশবাসী। একই ধরনের বা একটি মহামারী সমগ্র মানব জাতি এক সাথে মোকাবেলা করেছে- এমন নজির এর আগে পৃথিবীর কেউ কখনও দেখেনি। বিশ্বায়নের যুগ ও তথ্য-প্রযুক্তির অভূতপূর্ব প্রয়োগের সুবিধার কারণে বর্তমান মানবসভ্যতার কাছে এই মহামারী তাই সম্পূর্ণ এক নতুন অভিজ্ঞতা। এই প্রেক্ষাপটে করোনা-সংকট মোকাবেলায় সাধারণ জনগণ ও সরকারের গৃহীত ব্যবস্থাদি এবং জনজীবনে এর প্রতিফলন, আর্থ-সামাজিক-রাজনৈতিক সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে এর প্রভাব-প্রতিক্রিয়া-বাস্তবতা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-তর্ক-বিতর্ক ও গবেষণা প্রয়োজন।    এই ভাইরাস ধনী-গরীব-উঁচু-নীচ-শিক্ষিত-অশিক্ষিত কাউকেই পরোয়া করছে না। বিশ্বের সবচাইতে পরাক্রমশালী রাষ্ট্র [বিস্তারিত...]

করোনা ঠেকানোর আগে চাই ভয় কে ঠেকানো-

সাগর সগীর করোনা ভাইরাসের প্রতিকার নিয়ে মাথা ব্যথা হচ্ছে তাদের যারা করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন কিংবা করোনা রোগিদের সুস্থ করে তোলার দায়িত্ব যাদের কাঁধে সেই চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীদের এবং আক্রান্তদের পরিবার পরিজন তথা স্বজনদেরও (অবুঝ শিশু,পাগল এবং যাদের এ-নিয়ে কোন খোঁজ খবর নেই, মাথা ব্যথাই নেই তারা ছারা)। করোনা ভাইরাস নিয়ে আজকের বাস্তবতায় মানুষের মাথাব্যথা হচ্ছে কি করলে করোনার সংক্রমন হবে না অর্থাৎ করোনা ভাইরাসের প্রতিষেধক কি এই ভাবনা। করোনার ছোবল থেকে নিজেকে দূরে রাখার মোক্ষম উপায় নিয়ে কথা বলার শুরুতে একটি ছোট্ট গল্প বলে নেয়া যাক। পেটের অসুখে প্রায়শঃই ভোগা এক রোগীকে নিয়মিতই একজন ডাক্তারের কাছে যেতে হতো। ডাক্তার যথারীতি ঔষধ দিতেন এতে রোগীর কিছুটা বা অনেকটা কখনওবা পুরোটা উপশম হলেও কিছুদিন পর আবারো ডাক্তারের কাছে যেতে হতো ঐ পেটের গন্ডগোল নিয়েই। এবার ডাক্তার রোগীকে তার রোগী দেখার টেবিলে শুইয়ে দিয়ে তার চোখে 'আই ড্রপ' দিতে উদ্দত হলেন। রোগী তখন চেঁচিয়ে [বিস্তারিত...]

কে তুমি অচেতন, কোথায় ছিলে সে মহাসৃজন কালে?

কে তুমি অচেতন, কোথায় ছিলে সে মহাসৃজন কালে? নজরুল ইশতিয়াক।। আমরা এই ধরাধামে সাধারণের ভীড়ে যে নজরুল ইসলামকে জানি চিনি সেটা বহুমাত্রিক বৈচিত্র্যময় নজরুল ইসলাম। গানে কবিতায় প্রবন্ধে তার ক্ষুদ্র প্রকাশ মেলে। তিনি নিজেই বলেছেন আমার ষোল আনা সৃষ্টির নেশায় ডগমগ। এক আনা প্রকাশ পায়। আবার মাজারের খাদেম, লেটোর দলের গাতক-লেখক পরবর্তীতে সৈনিক, বাম আন্দোলনের নেতা।। একই সাথে মাতৃশক্তির সাধক, যোগ সাধক এবং সূফী সাধক। সামগ্রিক নজরুল ইসলাম এক অখণ্ড চরিত্র হয়ে উঠে। জীবনের নানান রূপান্তরের ধারায় পর্যবেক্ষণ- অনুসন্ধানের দৃষ্টি দেয়া ছাড়া তাঁকে চিহ্নিত করা মস্ত ভুল হবে, এটা শতভাগ সত্যি। মাজারের খাদেম কিংবা লেটোর দলের নজরুল মনস্তত্ত্ব উপলব্ধি করলেও বিস্ময় অপেক্ষা করে। কি করতেন, কি ভাবতেন কিশোর নজরুল? আর দশম শ্রেণীর ছাত্র নজরুল ইসলাম তো তখনই বিশ্বটাকে এক প্রকার জেনে গেছেন।  বীরত্বে- বিদ্রোহে, লেখায়, বলায় তিনি খণ্ড, বৈচিত্রময়। আর স্রষ্টা নজরুল একটি কালে এসে মহাকালের তীর্থযাত্রী। ফলে সাধক কাজী [বিস্তারিত...]

দেশবাসী কবে সত্যদ্রষ্টা সাধক নজরুলকে চিনবে!

দেশবাসী কবে সত্যদ্রষ্টা সাধক নজরুলকে চিনবে! সংলাপ ॥ ধর্মীয় গোঁড়ামি, সামাজিক অনাচার আর শোষণের বিরুদ্ধে এবং প্রেম, সৌন্দর্য মানবতার পক্ষে সাধক কবি নজরুলের সৃজন কর্ম যুগ যুগ ধরে আজ পর্যন্ত প্রতিটি সূফী সাধকের কাছে সাধনায় অনুপ্রেরণার উৎস। তাই তিনি সাধকদের কাছে পুরুষোত্তম। “মুখোশের যুগ এটা। মুখোশ! হা-হা মুখোশ চতুর্দিকে। শুয়োরের চামড়া ঢাকা, মাথায় মোষের শিং। ভাড়ামির রঙ্গশালায়। প্রগলভ সঙ্গীত, মুখোশের মঞ্চে মঞ্চে। মহাযোগ্যশালা পিচাশের প্রদর্শনী! শশংকিত, সুরক্ষিত দ্বার! টিকেট লাগেনা মুখোশে! মুখ খোলা নিষিদ্ধ এইখানে। খোলা কথা খোলাখুলি বলা অসম্ভব। মুখোশের আভিজাত্য উচ্চমার্গে উচ্চ প্রশংসিত। খোলাখুলি মত বিনিময় অবাঞ্চিত, অবাস্তব মুখোশের দেশে। মুখোশ হা হা মুখোশ চতুর্দিকে! মুখোশের রঙ্গালয়ে যারা আজো পায়নি টিকিট- অনাহূত, উপেক্ষিত, অনিমন্ত্রিত, অনন্তর, অদ্ভূত হস্তপদ- এ নগরী পথ নিষিদ্ধ যাদের কাছে, খোলামুখ, খোলাবুক, খোলামন ভৈরব উল্লাসে, তারা আসে, দলে দলে আসে। কাঁপে উঠে রঙ্গশালা’- ভেঙ্গে পড়ে নিষিদ্ধ তোরণ।” এখানে প্রথম অংশে সমাজ চিত্র এবং পরে নজরুলের আত্মচিত্র ফুটে উঠেছে। জাহেরী অর্থ তো ব্যাখার [বিস্তারিত...]

সৃষ্টিশীলতা ও অন্ধত্বের সংঘাতে আলো আসবেই

হাসান জামান টিপু  ।। প্রকৃতিতে নিরন্তর সঙ্গীত বেজেই চলছে। কত রকমের সঙ্গীত যে বাতাস বাজিয়ে চলছে তা শোনার জন্য কান নয়- পবিত্র  হৃদয়তন্ত্রীর অধিকারী হতে হয়। বাতাসে কান পাতলে অনেকেই শুনবে না সেই সঙ্গীত। শুধু বাতাস কেন বৃষ্টির গান, সমুদ্রের নিরন্তর গর্জন, পাখির কলকাকলী, নদীর স্রোতের গান, নৌকা ও পানির ঐক্যতান, ধানক্ষেতে এলোমেলো বাতাসের গান, রাখালের গান, মাঝির গান, কৃষকের গান, গাড়িয়ালের গান সেই সঙ্গীত শুনে শুনে প্রকৃতির সুরকে আত্মস্থ করে যুগে যুগে একধরনের সৃষ্টিশীল মানুষ - বাউলরা নিরন্তর সাধনায় তাদের  সঙ্গীতকে আমাদের কাছে উপস্থাপন করেছেন। এই সুরের সম্মিলন তা চলতে থাকবে কারণ সংঙ্গীত অপার্থিব।  ভাটির পুরুষ শাহ আবদুল করিম আমাদের সেই সঙ্গীতই শুনিয়েছিলেন। আমরা এই সুরের যাদুকরের কাছে ঋণি। আমাদের আবহমানকালের সংস্কৃতিকে সমৃদ্ধ করে দিয়ে গেছেন শাহ আবদুল করিম। কত সহজ ভাষায় আমাদের হৃদয়তন্ত্রীতে ঝংকার তুলেছেন সেই সাধক। সেই সাধকের সুরের উত্তরাধিকারগণ সেই সঙ্গীত, সেই সুরকে মানুষের হৃদয়তন্ত্রীতে সুরের আবহ ধরে রাখার জন্য কাজ করে চলেছেন।  বাউলরা সাধারণত নিরীহ হন, আপন ভাবে নিজেকে নিমগ্ন রাখেন প্রকৃতিকে উপলব্ধি করার জন্য। তাদের দুনিয়ার কোন মোহ কাজ করে না, তারা আমাদের প্রাত্যহিক জীবনের এই সমাজের অবিচ্ছেদ্য এক সাধককূল। তবুও বারে বারে এই সকল নিভৃতচারীদের উপর হামলা হয়। লালনকে নানান প্রতিকূলতার মধ্যেই তার সাধন কার্য চালিয়ে নিতে হয়। কালজয়ী লালন আজ বাংলাদেশের [বিস্তারিত...]

সত্য যে কঠিন; তবু বলিলাম

নজরুল ইশতিয়াক। সত্য বলাটা বিপদ। তবু দায়িত্বশীল সচেতন মানুষগুলো অন্তরের বেদনা চাপিয়ে রাখতে পারেনা বলে স্রোতের প্রতিকুলে দাঁড়ায় সব সময়। আওয়াজ তোলে, জনগণ ধীরে ধীরে ভয় শংকা ছেড়ে রাস্তায় বের হয়ে আসে। এ কারণে রাজার প্রাসাদ ভেঙে পড়ে, অথবা রাজা অট্টালিকা ছেড়ে পালায়। অনেকে হয়তো ভাবছেন রাজা কোথায়? এখন তো জনগণের শাসন চলে, গণতন্ত্রের শাসন।  বাস্তবে এসবই কথার কথা। বহু রাজার শাসন চলছে নানাভাবে। কেউ কেউ রাজাদেরও রাজা। এরা গণতন্ত্রের নামে, ব্যবসা বাণিজ্যের নামে, সরকারী চাকুরীর নামে রীতিমত রাজায় পরিণত হয়েছেন। নামী দামী গাড়ি বাড়ী, পাইক পেয়াদা, অস্ত্র, লেকলসকর সব আছে, দেশে বিদেশে।  দুই /তিন পুরুষে আগে যাদের থাকার ঘরটুকু ছিল না কোন অদৃশ্য জাদুর কাঠির বদলে রাতারাতি এত বিপুল বিত্ত বৈভব। এটা কি উন্নয়নের সুফল? না আরো কিছু আছে? আছে জনগণের আমানত খেয়ানত। লুটপাটের নীতিদীর্ঘ অধ্যায়। কোন ভাবেই এই পাগলা ঘোড়া থামানো যাচ্ছে না। থামানো যাচ্ছে না [বিস্তারিত...]

সত্যানুসন্ধানে - সিয়াম

সত্যানুসন্ধানে - সিয়াম আরবি সিয়াম অর্থ সংযম, নিয়ন্ত্রণ, দমন, আয়ত্তে আনয়ন, রোধ, প্রতিহতকরণ, বিরত থাকা, পরিত্যাগ করা। অনুষ্ঠানবাদীদের কাছে রমজান মাসে সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার ও যৌনকর্ম থেকে বিরত থাকাই সিয়াম। পৃথিবীতে এখন ধর্মের নামে এদেরই আধিপত্য চলছে। অনুষ্ঠানবাদীদের কাছে সিয়ামের আর কোন তাৎপর্য নেই। এরা সূর্যোদয় থেকে সূর্যাস্ত পর্যন্ত পানাহার এবং যৌনকর্ম থেকে বিরত থাকে কিন্তু ইফতারের সময় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি পুষ্টিকর ও তৈলাক্ত খাদ্য গ্রহণ করে একবেলা না খেয়ে থাকার ঘাটতি পূরণ করে নেয়। রমজান সিয়াম সাধনার মাস হলেও অনুষ্ঠানবাদীরা কার্যত এটিকে ভোজন বিলাসের মহাউৎসবে পরিণত করে। এরা নিজেদের ভোজন বিলাসের পক্ষে একটি সাংঘর্ষিক হাদিস ব্যবহার করে। হাদিসটি এরকম - ‘তিন ব্যক্তির খাবারের কোন হিসেব নেয়া হবে না ইনশাআল্লাহ, যদি তা হালাল ও পবিত্র হয়। তারা হচ্ছেন - রোযাদার, সেহেরীর খাবার গ্রহণকারী এবং আল্লাহর পথের মোজাহিদ’ (বাজ্জার)। এ [বিস্তারিত...]

করোনা বার্তা করোনা শিক্ষা

করোনা বার্তা  করোনা শিক্ষা সাগর সগীর বিংশ শতাব্দী শুরুর প্রথম এক দুই দশকে বিজ্ঞান প্রযুক্তিসহ সমাজ ও অর্থনীতিতে সম্ভাবনার যে পদধ্বনি ভেসে আসছিল তার প্রেক্ষিতে শুরু হওয়া এই শতাব্দীকে 'সম্ভাবনার যুগ' বলে অভিহিত করা হয়েছিল। বিস্ময়কর সেই সম্ভাবনার 'যান্ত্রিক তরী' বেয়ে বিংশ শতাব্দী বিদায় নিয়েছিল মানব জাতির জন্য  অবাক-করা সব উপহার দিয়ে। আর ২১ শতক, বিশেষ করে তথ্যপ্রযুক্তিসহ ব্যাক্তি, পরিবার সমাজ ও রাষ্ট্র, একই সাথে অর্থনীতি রাজনীতি, সমাজনীতি প্রায় সবকিছুকেই এনে দাঁড় করিয়ে দিতে শুরু করে যুগান্তকারী পরিবর্তনের মুখে অপ্রত্যাশিত ভাবে, যার ফলে একবিংশ শতাব্দী হয়ে উঠতে শুরু করে 'অতি সম্ভাবনার যুগ' হিসাবে। আর আজ চলমান এই শতকের দুই দশক সমাপ্তির মুখে এসে গোটা বিশ্ব আকস্মিক মুখোমুখি হলো অভাবনীয় অচিন্তনীয় অভূতপূর্ব এক পরিস্থিতির, এক বাস্তবতার। বলার অপেক্ষা রাখে না যে এর নায়ক অথবা খলনায়ক, যাই বলা হোক না কেন সেটি হলো করোনা ভাইরাস- কোভিট ১৯। মানব সভতার ইতিহাসে এই প্রথম তথাকথিত অনুন্নত বিশ্ব থেকে উন্নয়নশীল এবং এমনকি উন্নত বিশ্ব পর্যন্ত করোনার কাছে করতে হয়েছে অসহায় আত্মসমর্পন, যার নাম 'লকডাউন'। গোটা পৃথিবীতে মুখে মুখে বক্তৃতা, বিবৃতি, আলোচনায়, পর্যালোচনায়, সংবাদপত্রের পাতায় পাতায়  এবং ইলেক্টনিক কিংবা সোস্যাল মিডিয়ায় দুটি শব্দ ঘুরে ফিরে উঠে [বিস্তারিত...]

ভয়ঙ্কর গতিতে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’

ভয়ঙ্কর গতিতে ধেয়ে আসছে ঘূর্ণিঝড় ‘আমফান’ সংলাপ।। দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের গভীর নিম্নচাপটি আজ, শনিবার বিকেলের মধ্যেই ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে চলেছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ের চেহারা নিতে চলেছে। থাইল্যান্ড ওই ঘূর্ণিঝড়ের নাম দিয়েছে ‘আমফান’। প্রথমে ঘূর্ণিঝড়ের অভিমুখ উত্তরমুখী হলেও, পরে বাঁক নিয়ে তা উত্তর-পূর্ব দিকে ধীরে ধীরে এগোবে। এখনও পর্যন্ত যা গতিপ্রকৃতি, তাতে মঙ্গল-বুধবার নাগাদ উপকূলে ‘আমফান’-এর আছড়ে পড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। আবহাওয়া অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, আগামি রবিবার ঘূর্ণিঝড়টি  ভয়ঙ্কর ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হবে। পরে তা আরও শক্তি বাড়িয়ে অতি ভয়ঙ্কর রূপ নেবে। মঙ্গলবার ঘূর্ণিঝড়ের গতি পৌঁছে যেতে পারে প্রতি ঘণ্টায় ১৭০-২০০ কিলোমিটার। স্থলভাগের দিকে যত এগুবে, তার গতি কিছুটা কমে। তবে আছড়ে পড়ার সময় আমফান কতটা শক্তি বাড়াবে, তা এখনই নিশ্চিত করে বলা যাচ্ছে না। এখন থেকেই মৎস্যজীবীদের সমুদ্রে যেতে নিষেধ করা হচ্ছে।  শনিবার দুপুরে দক্ষিণ বঙ্গোপসাগরের উপরে গভীর নিম্নচাপটি পটুয়াখালির জেলার খেপুপাড়া থেকে ১ হাজার ৩৩০ কিলোমিটার, ভারতের ওড়িশার পারাদ্বীপ থেকে ১ হাজার ৬০ কিলোমিটার দূরে রয়েছে। দিঘা থেকে ১ হাজার ২২০ কিলোমিটার,  দূরে রয়েছে। ভয়ঙ্কর রূপ নিয়ে ‘আমফান’ যদি উপকূলে আছড়ে পড়ে, তা হলে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কাও রয়েছে। ক্ষতি হতে পারে চাষের। একে করোনার জেরে ত্রাহি ত্রাহি অবস্থা, তার উপরে ‘আমফান’ যদি সরাসরি ছোবল মারে উপকূল এলাকায়, তা হলে সঙ্কট আরও বাড়বে। ইতিমধ্যেই প্রশাসনের তরফে সব রকম ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। আমফানের প্রভাবে  সমুদ্র উপকূল প্রবল জলোচ্ছ্বাস হতে পারে। তার প্রভাব পড়তে পারে  গাঙ্গেয় উপকূলের প্রায় সব জেলাতেই। তবে সব কিছুই নির্ভর করছে উত্তর-পূর্ব দিকে নেওয়া ওই বাঁকের উপরেই। গত বছরের নভেম্বর মাসে ঘূর্ণিঝড় ‘বুলবুল’-এর গতিপ্রকৃতিও ঠিক একই রকম ছিল।  ওড়িশার পারাদ্বীপের কাছ থেকে বাঁক নিয়ে সুন্দরবনের উপর দিয়ে বাংলাদেশে চলে এসেছিল [বিস্তারিত...]

বাবা-মেয়ের করোনা-গবেষণায় অনন্য সাফল্য

বাবা-মেয়ের করোনা-গবেষণায় অনন্য সাফল্য সংলাপ।। সাফল্যের পাল্লায় বাঙালির আরেকটি অর্জন। বাংলাদেশের ‘চাইল্ড হেল্‌থ রিসার্চ ফাউন্ডেশন’ (সিএইচআরএফ)-এর ৮ সদস্যের একটি গবেষক দল সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স ম্যাপিংয়ের কাজ করেছে। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন সেঁজুতি সাহা, যিনি ঢাকা শিশু হাসপাতালে চাইল্ড রিসার্চ ফাউন্ডেশনের গবেষক। সিএইচআরএফ-এর কার্যনির্বাহী পরিচালক সমীর বাবু যিনি সেজুতির বাবা। মাপে ৬ ফুট বাই ১২ ফুট হবে। বাংলাদেশ শিশু হাসপাতাল লাগোয়া ছোট্ট এই ঘরটাতেই ১৯৮৩ সালে মাইক্রোবায়োলজি ডিপার্টমেন্ট তৈরি করেছিলেন সমীরকুমার সাহা । তার পর থেকে বিভিন্ন রোগের প্রতিষেধক নিয়ে কাজ করেছেন দেশের এই গবেষক । একাধিক সম্মানও পেয়েছেন ‘ইউনেস্কো’, ‘দ্য আমেরিকান সোসাইটি ফর মাইক্রোবায়োলজি’-র মতো সংস্থা থেকে। এ বারে ফের মেয়ে সেঁজুতিকে নিয়ে চমকে দিলেন সমীরবাবু। বিশ্বজুড়ে ত্রাস সৃষ্টি করা করোনা ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স উদঘাটন করলেন বাবা-মেয়ে।  ভাইরাসের জিনোম সিকোয়েন্স জানা গেলে রোগের গতিবিধি সম্পর্কে জানা যাবে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং ও বায়োটেকনোলজি [বিস্তারিত...]

ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে করোনা ‘মহামারিমুক্ত’ ঘোষনা স্লোভেনিয়া’র

ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে করোনা ‘মহামারিমুক্ত’ ঘোষনা স্লোভেনিয়া’র সংলাপ।। করোনা মহামারিমুক্ত দেশ হিসেবে ঘোষণা দিল ইউরোপের দেশ স্লোভেনিয়া। জনসংখ্যা মাত্র ২০ লক্ষ। তার মধ্যেও প্রতি দিন করোনাভাইরাসে আক্রান্ত ও মৃতের সংখ্যা বাড়ছে। তবু করোনা-মহামারি থেকে দেশ মুক্ত বলে ঘোষণা করল স্লোভেনিয়ার সরকার। ইউরোপের প্রথম দেশ হিসেবে ‘মহামারিমুক্ত’ ঘোষণা করে বিজ্ঞপ্তি জারি হয়েছে সে দেশে। খুলে দেওয়া হয়েছে ইটালির সীমান্তও। তবে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি সামাজিক দূরত্বের বিধিনিষেধ জারি রাখা হয়েছে। সরকারি ভাবে বিজ্ঞপ্তি জারির পাশাপাশি স্লোভেনিয়ার প্রধানমন্ত্রী জানেজ জানসা বলেছেন, ‘‘মহামারি পরিস্থিতিতে এখন ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে ভাল অবস্থায় রয়েছে স্লোভেনিয়া। সেই কারণেই মহামারির ইতি ঘোষণা করা হচ্ছে দেশে।’’ পাহাড়-পর্বতে ঘেরা ছোট্ট দেশ স্লোভেনিয়ার জনসংখ্যা ২০ লক্ষের মতো। ইটালির সঙ্গে সীমান্ত রয়েছে। সেই ইটালি, ইউরোপের মধ্যে সবচেয়ে বেশি করোনার সংক্রমণ ছড়িয়েছে যে দেশে। স্লোভেনিয়া মোট করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা দেড় হাজারের মতো। মৃত্যু হয়েছে শতাধিক মানুষের। স্বাভাবিক ভাবেই এমন পরিস্থিতিতে দেশকে ‘মহামারিমুক্ত’ ঘোষণা করা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন অনেকেই। যদিও স্লোভেনিয়া সরকারের দাবি, সংক্রমণ বৃদ্ধির হার অনেক কমে এসেছে বলেই মহামারিমুক্ত ঘোষণা করা হয়েছে। ওই বিজ্ঞপ্তিতে ইটালি-সহ সমস্ত ইউরোপিয়ান ইউনিয়নভুক্ত দেশের নাগরিকদের জন্যই স্লোভেনিয়ার সীমান্ত খুলে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। ইউরোপীয় ইউনিয়ন ছাড়া অন্য কোনও দেশ থেকে এলে কোয়ারেন্টিনে থাকতে হবে। তবে সামাজিক, রাজনৈতিক, ধর্মীয়-সহ সব রকম জমায়েতের উপর নিষেধাজ্ঞা জারি রয়েছে। আগামী সপ্তাহ থেকে ধীরে ধীরে শপিং মল, রেস্তরাঁ খুলে দেওয়ার কথা আগেই জানিয়েছিল প্রশাসন। পাশাপাশি ২৩ মে থেকে ফুটবল-সহ যাবতীয় ক্রীড়া প্রতিযোগিতা চালু করার কথাও বলা হয়েছিল। সেগুলো চালু হলে নতুন করে অনেকেই আক্রান্ত হতে পারেন বলেই আশঙ্কা অনেকের। তবে স্লোভেনিয়া বাদ দিলে বাকি বিশ্বে করোনা নিয়ে এখনও যথেষ্টই উদ্বেগের কারণ রয়েছে। জন্স হপকিন্স বিশ্ববিদ্যালয়ের হিসেবে সারা বিশ্বে এই মুহূর্তে আক্রান্তের সংখ্যা ৪৫ লক্ষাধিক। করোনা আক্রান্ত হয়ে [বিস্তারিত...]

সত্য যে কঠিন কঠিনেরে ভালোবাসিলাম

সত্য যে কঠিন কঠিনেরে ভালোবাসিলাম সংলাপ ॥ রবীন্দ্র-মানবতাবাদ আসন নিয়ে ছিল ভাববাদের ওপর। ইউরোপীয় রেনেসাঁয় জাগরিত রবীন্দ্রনাথ ‘নানা রবীন্দ্রনাথের’ জন্ম দিয়েছেন কিন্তু সাধারণের রবীন্দ্রনাথ কি তিনি হতে পেরেছেন? ‘পঁচিশে বৈশাখ চলেছে জন্মদিনের ধারাকে বহন করে মৃত্যুদিনের দিকে। সেই চলতি আসনের উপর বসে কোন ভাবুক গাঁথছে জন্মমৃত্যুর সীমানায় নানা রবীন্দ্রনাথের একখানা মালা’। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে স্মরণে রাখতে হয় রবীন্দ্রনাথের নানামুখী সৃষ্টি কর্মে গাঁথা একখানা কালোত্তর বৃহত্তর রবীন্দ্রনাথের জন্যেই। সাহিত্যের সৃজনশীল ধারায় নিজের একক অবস্থানকে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করে গেছেন তিনি। নিজের কালের এবং পাঠকের কালে তাঁর ব্যাপ্তি এতোটাই প্রসারিত যে রবীরশ্মির জাজ্জ্বল্যমানতা এখনো অক্ষুন্ন। সাহিত্যে শিল্পমানের বিচারে রবীন্দ্রনাথ অপ্রতিদ্বন্দ্বী নিঃসন্দেহে। বাংলা সাহিত্যের গলিপথ থেকে রাজপথ তাঁর হাতেই পেয়েছে উৎকর্ষতা। সদ্য প্রসূত বাংলা গদ্য যখন হাঁটি হাঁটি পা পা করে চলতে শুরু করেছে, প্রবেশ করছে সাহিত্যের নানা ধারায়, তখন রবীন্দ্রনাথের সৃজনশীল প্রতিভালোকে বাংলা গদ্য পেল নতুন প্রাণরস, পল্লবিত হলো যৌবন রাগে। পদ্যকেও তিনি প্রসারিত করলেন তাঁর আদর্শিক স্রোতধারায়। [বিস্তারিত...]

এই সপ্তাহে….

* আবির্ভাবের মাহেন্দ্রক্ষণে…….

* ‘উপলব্ধি’ বিষয়ে শাহ্ সূফী শেখ আবদুল হানিফ

* …. হাক্কানী সম্পর্ক ….

* স্ব-ভাব

* সত্যমানুষতত্ত্ব

 

 

সত্য সন্ধানে সংলাপ