হোম পেজ

বাংলা ও বাঙালির আত্মপরিচয়ের ঠিকানা বঙ্গবন্ধু

বাংলা ও বাঙালির আত্মপরিচয়ের ঠিকানা বঙ্গবন্ধু পুরো বাংলা আর বাংলাদেশটাই ধারণ করে রয়েছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবের অবয়ব। ‘এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, জয় বাংলা।’এই ঘোষণার সঙ্গে সঙ্গেই বাঙালি স্পর্শ করে তার নিজস্ব স্বাধীন ভূমিখণ্ড। দেশের মানুষের প্রকৃত মুক্তির সন্ধানে নিজের জীবনটাই উত্সর্গ করেছিলেন তিনি।   সংলাপ ॥ বাংলার মাটি বাংলার জল বাংলার প্রকৃতি রোদ হাওয়া তার আপন প্রয়োজনেই জন্ম দিয়েছিল বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের, কেননা তাঁর জন্ম না হলে বাংলা মা খুঁজে পেত না নিজের সার্বভৌম ঠিকানা। হ্যাঁ, শেখ মুজিবুর নামের প্রচণ্ড আবেগের বিস্ফোরণেই যেমন অভ্যুদয় হয়েছিল বাংলাদেশ নামে বাঙালির একমাত্র স্বাধীন রাষ্ট্রের, তেমনই এ দেশের প্রকৃতিও যেন নিজ হাতে গোপালগঞ্জের এক সাধারণ মধ্যবিত্ত পরিবারের সন্তানকে ধীরে ধীরে তৈরি করে দিয়েছে অবিসংবাদিত নেতা হিসেবে! শুধু কি অবিসংবাদিত নেতা? বিশ্বের যুগান্ত সৃষ্টিকারী যত নেতা রয়েছেন, তাদের সঙ্গে অনায়াসে যুক্ত করা যায় তাঁর নাম। হয়তো লেনিন, চার্চিল বা নেহরুর [বিস্তারিত...]

এসো সত্যব্রতী এসো পথিকজন ‘লালন’কে করিতে লালন

এসো সত্যব্রতী এসো পথিকজন  ‘লালন’কে করিতে লালন সংলাপ ॥ বছর ঘুরে আবার এলো লালন স্মরণ উৎসব - দোল পূর্ণিমা। সাধক লালন সাইজীর স্মরণে বসছে লালন মেলা কুষ্টিয়ার ছেউড়িয়ায় বাংলার মহান সাধক পুঁরুষ লালন সাঁইজীর সমাধি কেন্দ্রে। দোলপূর্ণিমায় এই অনুষ্ঠানটি লালন সাঁই নিজেও পালন করতেন বলে ইতিহাস থেকে জানা যায়। দোল পূর্ণিমা উৎসবের একটি প্রধান বৈশিষ্ট্য হলো - সাধক লালন এঁর রীতি অনুযায়ী উপস্থিতিদের মধ্যে খাবার সরবরাহ করা। কলা পাতায় পরিবেশিত এই খাবার সাঁইজীর অনুরাগী ও অনুসারী সম্প্রদায় ‘সেবা’ হিসেবে গ্রহণ করে। সাঁইজীর নাম করে ‘আলেক সাঁই’ ডেকে সবাই একত্রে ‘সেবা’ নেয়া বাউলদের ঐতিহ্যের অংশ। লালন ভক্তদের মতে, লালন সাঁইজী-কে শরীয়তি মুসলমান বানিয়ে লালন দর্শন ভিন্ন পথে প্রবাহিত করার প্রচেষ্টা সেই পাকিস্তান আমল থেকেই। ১৯৬০ সালে ছিল লালন শাহ আখড়া কমিটি। ১৯৬৩ সালে মোনায়েম খাঁ যখন উদ্বোধন করেন, তখন ফলক উন্মোচন করার সময় দেখা যায় ‘লালন মাজার শরীফ’। লালন [বিস্তারিত...]

ডাকসু নির্বাচনের ধারা অব্যাহত থাকুক দেশের সকল শিক্ষাঙ্গনে

ডাকসু নির্বাচনের ধারা অব্যাহত  থাকুক দেশের সকল শিক্ষাঙ্গনে শেখ উল্লাস ॥ পরিবর্তন, বিবর্তন আর রূপান্তর-এইভাবেই বয়ে চলে সময়, বয়ে চলে জীবন, সমাজ-সংস্কৃতি-রাজনীতি-জননীতি। এই পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার আমন্ত্রণে ১৬ মার্চ শনিবার বিকেলে গণভবনে নবনির্বাচিত ডাকসু ও হল সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ছাত্রপ্রতিনিধিদের অংশগ্রহণ একটি নজিরবিহীন অনুষ্ঠান ছিল বৈকি। সেখানে দেশের প্রধানমন্ত্রী এবং ডাকসুর নবনির্বাচিত ভিপির ভাষণ ও অভিব্যক্তি দেশের গণমাধ্যমে সম্প্রচারিত ও প্রকাশিত হওয়ার কারণে অনুষ্ঠানটি দেশের শিক্ষাঙ্গণে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখার পথে নতুন একটি মাইলফলক হিসেবে গণ্য করছে সচেতন ও বিবেকবান মহল। এখন দেশগড়ার সময়, প্রয়োজন শিষ্টতা। দেশকে আরও এগিয়ে নেয়ার জন্য প্রয়োজন ছাত্রযুবসমাজের মধ্য থেকে নতুন নেতৃত্ব তৈরি করা। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যথার্থই বলেছেন, ‘আমরা ভবিষ্যত নেতৃত্ব খুঁজি। আর ছাত্রজীবন থেকেই তা গড়ে তুলতে হবে। সেজন্য স্কুল পর্যায়ে ক্যাবিনেট চালু হয়েছে। আগে রাজনীতির পরিবেশ এত সুষ্ঠু ছিল না। কিন্তু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান তো লেখাপড়ার জায়গা।  ২০০৮ সালে আমরা ক্ষমতা [বিস্তারিত...]

বিদ্বেষপূর্ণ মনোভাব নির্মূল না হলে আমরা কেউ সুরক্ষিত নই

সুহৃদ ॥ মানবতা আজ বিদ্বেষের জ্বালায় জ্বলছে। পূর্ব থেকে পশ্চিম, উত্তর থেকে দক্ষিণ, প্রাচ্য আর পাশ্চাত্য সবখানের প্রায় অভিন্ন এক বিদ্বেষের দহন জ্বালা। এই জ্বালায় জ্বলে পুড়ে ছারখার হচ্ছে মানুষ-মানুষেরই দ্বারা। সাদার বিদ্বেষ কালোর প্রতি, ধনীর বিদ্বেষ গরীবের প্রতি, ধর্মের বিদ্বেষ ধর্মের  প্রতি। স্বঘোষিত সৃষ্টির শ্রেষ্ঠ জীব মানুষ নামক প্রজাতিগুলো হিংস্রতায় ছাড়িয়ে গেছে সকল হিংস্র প্রাণীকূলকে। মানুষের হিংস্রতা-ই সারাবিশ্ব জুড়ে প্রতি দিন, প্রতিনিয়ত প্রদর্শন হয়ে চলেছে যার সবশেষ প্রদর্শনী হলো শান্তির দেশ নামে পরিচিত নিউজিল্যান্ডের ক্রাইস্টচার্চে। রক্তাক্ত হল মানবতা, বিদ্বেষের করাল গ্রাস লহমায় শব দেহের মিছিল সাজিয়ে দিল। নিন্দার ভাষা নেই, সে কথা উচ্চারিত হওয়ার অপেক্ষা রাখে না। শুধু নিন্দা করেই থেমে যাওয়া আর চলে না। হিংসা, বিদ্বেষ, সন্ত্রাস যে দেশ-কাল-জনগোষ্ঠীর সীমানা মানে না, তা বুঝে ও মেনে নিয়ে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তোলা জরুরি হয়ে পড়েছে যারা মানবতাকে ধর্ম [বিস্তারিত...]

পরিবারের সহযোগিতায় বিরাট হৃদয়ের অধিকারী হয়ে উঠেছিলেন বঙ্গবন্ধু: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

পরিবারের সহযোগিতায় বিরাট হৃদয়ের অধিকারী হয়ে উঠেছিলেন বঙ্গবন্ধু: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপ ॥ বাংলার অকৃত্রিম বন্ধু বঙ্গবন্ধু। গত ১৭ মার্চ ছিল তাঁর ৯৯ তম জন্মবার্ষিকী। বঙ্গবন্ধুর জন্মভিটা গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন ও জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন- বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে হত্যার মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ উন্নত জীবন পাওয়ার সম্ভাবনা হারিয়েছে। জাতির পিতা একটি সুন্দর দেশ গড়ে তুলতে চেয়েছিলেন। দেশের মানুষ একটি উন্নত জীবন পাবে, এটাই তার লক্ষ্য ছিল। কিন্তু সে কাজ তিনি করে যেতে পারেননি। ১৫ই আগস্ট তাকে মেরে ফেলা হলো। আমি পরিবার হারালাম, আপনজন হারালাম কিন্তু বাংলাদেশের মানুষ হারিয়েছিল তাদের স্বাধীনতার চেতনা, উন্নত জীবন পাওয়ার সম্ভাবনা। প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন বঙ্গবন্ধু ছিলেন মানব দরদি। পরিবারের সহযোগিতায় বিরাট হৃদয়ের অধিকারী হয়ে উঠেছিলেন বঙ্গবন্ধু। এদেশে প্রায়ই দুর্ভিক্ষ লেগে থাকতো, নিজের গোলা খুলে দিয়ে ধান বিলিয়ে দিতেন তিনি। আমার দাদা-দাদি কখনও বকাঝকা করেননি। সবসময় তার [বিস্তারিত...]

ডোনাল্ড ট্রাম্পরা নিউজিল্যান্ডের গণহত্যার দায় এড়াতে পারেন না

ডোনাল্ড ট্রাম্পরা নিউজিল্যান্ডের  গণহত্যার দায় এড়াতে পারেন না সংলাপ ॥ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো শ্বেতাঙ্গ রাজনীতিবিদদের পাশাপাশি পশ্চিমা মূলধারার গণমাধ্যমগুলো নিউজিল্যান্ডের দু’টি মসজিদে চালানো সন্ত্রাসী হামলার দায় এড়াতে পারে না বলে মন্তব্য করেছেন ব্রিটিশ সাংবাদিক ও লেখক ইভোন রিডলি। তিনি শুক্রবার ক্রাইস্টচার্চের দু’টি মসজিদে ভয়াবহ সন্ত্রাসী হামলায় অন্তত ৪৯ মুসল্লি নিহত হওয়ার পর এক নিবন্ধে লিখেছেন, পশ্চিমা রাজনীতিবিদ ও গণমাধ্যমগুলোকে এখনই ইসলাম-বিদ্বেষী প্রচারণায় বিরতি দিয়ে ক্রাইস্টচার্চের গণহত্যায় তাদের কি ভূমিকা আছে তা নিয়ে আত্মসমালোচনায় বসতে হবে। শুক্রবার নিউজিল্যান্ডের দুই মসজিদে হামলা  চালান ২৮ বছর বয়সি শ্বেতাঙ্গ নাগরিক ব্রেনটন ট্যারান্ট। নিজের মাথায় ক্যামেরা লাগিয়ে ১৭ মিনিট ধরে চালানো গণহত্যার ভিডিও তিনি ইন্টারনেটে লাইভ শেয়ার করেন। অনেকটা ভিডিও গেম খেলার মতো করে তিনি মুসল্লিদের ওপর পাশবিক গণহত্যা চালান। এর আগে টুইটারে একটি ‘ইশতেহার’ প্রকাশ করে তিনি নিজের অভিবাসী-বিরোধী ও ইসলাম-বিদ্বেষী চিন্তাধারার কথা তুলে ধরেন।  নিজেকে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের [বিস্তারিত...]

৭ মার্চের ভাষণেই স্বাধীনতার মূল ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

৭ মার্চের ভাষণেই স্বাধীনতার  মূল ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংলাপ ॥ ‘বঙ্গবন্ধু ৭ মার্চ ভাষণের মাধ্যমেই স্বাধীনতার  মূল ঘোষণা দিয়েছিলেন এবং এদেশের স্বাধীনতাপ্রিয় মানুষদের সশস্ত্র যুদ্ধে উদ্বুদ্ধ করেছিলেন; আর পাকিস্তানের সঙ্গে সব সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করেছিলেন। বাংলা ও বাঙালির জীবনে অবিস্মরণীয় দিন ৭ মার্চ উদযাপন  উপলক্ষে  ৮ মার্চ রাজধানীতে ‘জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৭ মার্চের ভাষণ: রাজনীতির কবি ও অমর কবিতা’ শীর্ষক এক সেমিনারে বঙ্গবন্ধুকন্যা  প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সভাপতির ভাষণে এ কথা বলেন। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেমোরিয়েল ট্রাস্ট ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি যাদুঘর যৌথ উদ্যোগে ফার্মগেটস্থ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে এই সেমিনারের আয়োজন করে। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক আবদুল মান্নান। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফারজানা ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নিলয় রঞ্জন বিশ্বাস ও বঙ্গবন্ধু স্মৃতি জাদুঘরের চেয়ারপারসন শিল্পী হাসেম খান মূল প্রবন্ধের [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... আমার সত্য আমাকেই আবিষ্কার করতে হবে

সময়ের সাফ কথা....  আমার সত্য আমাকেই আবিষ্কার করতে হবে সংলাপ ॥ যা সত্য নয় তাই মিথ্যা। কারো কারো মতে, শুধুমাত্র জেনেশুনে মিথ্যা বললেই তা মিথ্যা বলে গণ্য হবে; ভুলবশত, কিংবা অনিচ্ছায় প্রকৃত অবস্থার বিপরীত কিছু বললে তা মিথ্যা বলে গণ্য না করে অজ্ঞতা হিসেবে গণ্য করা উচিত। কথা বলার আগে সত্য-মিথ্যা যাচাই করা বক্তার দায়িত্ব। যে যা বলে তার দায়িত্ব তাকেই নিতে হয়, অন্যের উপর চাপানো যায় না। বক্তার ইচ্ছা, অনিচ্ছা, অজ্ঞতা বা অন্য কোনো বিষয় এখানে ধর্তব্য নয়। সুতরাং ইচ্ছাকৃতভাবে, অনিচ্ছাকৃতভাবে, অজ্ঞতার কারণে বা অন্য যে কোনো কারণেই হোক বাস্তবের বিপরীত কোনো কথা বলাই মিথ্যা। অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যত যে কোন কালের কথা বাস্তবের বিপরীত হলে তা মিথ্যা বলে বিবেচিত হবে। ভবিষ্যত সম্পর্কেও যদি কেউ বলে - ‘আজ বৃষ্টি হবে’, বৃষ্টি না হলে সে মিথ্যাবাদী হিসেবে গণ্য হবে। ধর্ম, জাতি ও বর্ণ নির্বিশেষে মিথ্যাকে পাপ, অন্যায় [বিস্তারিত...]

নিজেকে নিজেই বিচার করতে হবে

আমি প্রত্যেক রাসুলকেই তার স্বজাতির ভাষাভাষি করে পাঠিয়েছি, তাদের কাছে পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা করার জন্য (১৪:৪), আর তাঁর নির্দেশনাবলীর মধ্যে অন্যতম নিদর্শন আকাশ ও পৃথিবীর সৃষ্টি এবং তোমাদের ভাষা ও বর্ণের বৈচিত্র্য। এতে জ্ঞানীদের জন্য অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে (৩০:২২)। সংলাপ ॥ নির্বোধ আর মতলববাজ। চরিত্র বিপরীত! সময়ে অথবা প্রায়শই এ দু’য়ের ভূমিকা হয়ে পড়ে অভিন্ন। দেশটার নাম জাপান তাই জাতীয়তায় ওরা জাপানী। দেশটার নাম চীন কিংবা জার্মান। জাতীয়তা ওদের চীনা-জার্মানী। দেশটার নাম বাংলাদেশ। সুতরাং জাতীয়তা হতে হবে বাংলাদেশী! সরলভাবে শুনলে গভীরভাবে না ভাবলে চট করেই হয়ত যে কেউ বলে বসবেন ‘ঠিকই তো। বাংলাদেশীই তো।’ কিন্তু বিষয়টি এরকম সরল নয়। মাঝে ফাঁক রয়েছে। এই ফাঁক গলিয়েই মতলববাজরা আশ্রয় নেয় ফাঁকির সুচতুরভাবে। দেশটার নাম চীন, ভাষা তার চীনা, জাতীয়তাও চীনা। দেশটার নাম জাপান, ভাষাও জাপানী, তাই জাতীয়তায় জাপানী। এক্ষেত্রে ভাষা বলতে একক [বিস্তারিত...]

পাক-ভারত পরমাণু যুদ্ধ গোটা বিশ্বে বিপর্যয় ঘটাবে!

পাক-ভারত পরমাণু যুদ্ধ গোটা বিশ্বে বিপর্যয় ঘটাবে! সংলাপ ॥ পাকিস্তান এবং ভারতের মধ্যে 'সীমিত' পরমাণু যুদ্ধ হলে বিশ্বে তা বিপর্যয় ডেকে আনবে। বেশ কয়েকটি সমীক্ষার ভিত্তিতে এ আশংকা ব্যক্ত করা হয়েছে। অবশ্য, বিশ্ব অনেক সময়ই পরমাণু যুদ্ধের দ্বারপ্রান্তে পৌঁছে গেলেও সৌভাগ্যক্রমে কখনো সর্বাত্মক পরমাণু যুদ্ধ হয় নি। তাই এ জাতীয় যুদ্ধ নিয়ে সমীক্ষা চালানো তুলনামূলক ভাবে কঠিন। পাকিস্তান এবং ভারত যদি ১০ দিনের কথিত 'সীমিত' পরমাণু যুদ্ধে নামে গোটা বিশ্বে তার ভয়াবহ প্রভাব পড়বে। যুদ্ধে পাকিস্তান এবং ভারত উভয়ই পরস্পরের লক্ষ্যেবস্তুতে ৫০টি করে ১৫ কিলোটন পরমাণু বোমা ফেলবে বলে ধরে নেয়া হয়েছে। দ্বিতীয় মহাযুদ্ধের শেষদিকে এসে জাপানের হিরোশিমার ওপর আণবিক বোমা ফেলেছিল আমেরিকা। ইউরেনিয়াম থেকে নির্মিত 'লিটল বয়' নামের সে বোমা ছিল ১৫ কিলোটনের। পাক-ভারত এ রকম বোমা ফেললে তার প্রভাব বিশ্বজুড়ে পড়বে। এ ছাড়া, মানচিত্র থেকে কাশ্মিরকে খুঁজে বের করা যাবে না। অবশ্য, বিপর্যয়ের [বিস্তারিত...]

ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ফিলিস্তিনের

ইসরাইলে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা ফিলিস্তিনের সংলাপ ॥ ইহুদিবাদী ইসরাইলের সেনাবাহিনীর হামলায় ফিলিস্তিনের এক তরুণের শহীদ হওয়ার প্রতিশোধ নিতে গাজা থেকে অন্তত দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়েছে। গাজার ইসলামি প্রতিরোধ আন্দোলনগুলো ওই হামলা চালায়। ইহুদিবাদী ইসরাইলের কর্মকর্তারা গাজা থেকে ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সত্যতা স্বীকার করেছে। তারা বলেছে, গাজা থেকে ছোঁড়া ক্ষেপণাস্ত্র ইসরইলের এসকোল শহরের একটি নির্জন এলাকায় পড়ে। তবে গাজা থেকে কারা এই ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে তা পরিষ্কার নয়। গাজায় হামাস ও ইসলামি জিহাদ আন্দোলনের সশস্ত্র তৎপরতা রয়েছে। ‘মার্চ অব রিটার্ন’ আন্দোলনের অংশ হিসেবে গত শুক্রবার ফিলিস্তিনিরা গাজা সীমান্তে বিক্ষোভ করতে গেলে ইহুদিবাদী সেনারা হামলা চালায়। এতে ওই তরুণ শহীদ হয়। গাজা থেকে ইসরাইলের ভেতরে যে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালানো হয়েছে তাতে কী ধরনের ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে তা পরিষ্কার নয়। নাকাবা দিবস উপলক্ষে  গত বছরের ১৫ মে থেকে ‘মার্চ অব রিটার্ন’ আন্দোলন চালিয়ে আসছেন ফিলিস্তিনিরা। ১৯৪৮ সালে ফিলিস্তিনি ভূমি দখল [বিস্তারিত...]

সত্য প্রতিষ্ঠার সময় বহমান বাঙালির ব্যাকুলতা : স্বাধীনতা দিবস ৭ মার্চ

সত্য প্রতিষ্ঠার সময় বহমান  বাঙালির ব্যাকুলতা : স্বাধীনতা দিবস ৭ মার্চ বিভ্রান্তির বেড়াজাল থেকে জাতিকে মুক্ত করতে এবং চরম সত্যকে প্রতিষ্ঠার জন্য সংসদকেই এগিয়ে আসতে হবে। সরকার সংকীর্ণমুক্ত হয়ে দূরদর্শিতার পরিচয় দিক এটাই বাংলাদেশের মানুষ দেখতে চায়। অতীতের দলীয়  অদূরদর্শিতায় ভুলের প্রায়শ্চিত্ত সত্য প্রতিষ্ঠার মধ্য দিয়েই করতে হয়। তবেই জাতি কৃতজ্ঞ থাকে সেই রাজনৈতিক  দলের প্রতি। * ৭ মার্চ বাংলার মানুষের শপথের দিন। * ৭ মার্চ থেকে বাংলার মানুষ জীবন উৎসর্গ করার জন্য প্রস্তুত হয়েছিলো। * ৭ মার্চে বঙ্গবন্ধুর ভাষণের প্রতিটি বাক্য বাংলার মানুষের কাছে ছিল সত্য, বাস্তব ও প্রেরণামুখী। * বাংলা আর বাংলার মানুষ যতদিন থাকবে ৭ মার্চ থাকবে। * ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধুর ভাষণ একটি জাতিকে স্বাধীন করার জন্য অনুপ্রেরণা, জাতির অধ্যাত্মশক্তি এবং বিশ্ব স্বীকৃত। সংলাপ ॥ বাংলা-বাঙালি, বাংলাদেশ-এর জাতীয় জীবনে ৭ মার্চ ধ্রুব সত্য। সেই সত্যকে প্রতিষ্ঠিত করতে হলে, ১৫ কোটি মানুষের সাক্ষী গ্রহণ করা হলে, ৭ মার্চ স্বাধীনতা দিবস অবশ্যই পালন করতে হবে। বঙ্গবন্ধুর [বিস্তারিত...]

ফিরে দেখা ৯ মার্চ : পল্টনে ভাসানীর দৃঢ় প্রত্যয়

ফিরে দেখা ৯ মার্চ : পল্টনে ভাসানীর দৃঢ় প্রত্যয় সংলাপ ॥ ১৯৭১ সালের ৯ মার্চ। মিছিলে মিছিলে সারাদেশ উত্তাল। বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পর থেকেই মূলত তার নির্দেশ অনুযায়ী চলতে থাকে দেশ। চরমে পৌঁছাতে লাগলো দেশব্যাপী অসহযোগ আন্দোলন। একাত্তরের এই দিনে ঢাকা শহর মিছিলের নগরীতে পরিণত হয়েছিল। যেখানে সেখানে জটলা, মিছিল, মিটিং চলতেই থাকে। উত্তাল এই দিনে ঢাকার ঐতিহাসিক পল্টন ময়দানে অনুষ্ঠিত এক বিশাল জনসভায় বাঙালির স্বাধীনতা আন্দোলনের প্রতি একাত্মতা প্রকাশ করে মজলুম জননেতা আব্দুল হামিদ খান ভাসানী ভাষণ দেন। ভাসানী তার চিরাচরিত দরাজ কণ্ঠে ঘোষণা দেন, ‘হে বাঙালিরা, আপনারা মুজিবের উপর বিশ্বাস রাখেন, তাকে খামোকা কেউ অবিশ্বাস করবেন না, কারণ মুজিবকে আমি ভালো ভাবে চিনি।’ তিনি ওই সময় পাকিস্তানের প্রেসিডেন্ট ইয়াহিয়া খানের উদ্দেশ্যে বলেন, ‘অনেক হয়েছে আর নয়, তিক্ততা বাড়িয়ে লাভ নেই। লা-কুম দ্বিনিকুম ওয়ালিয়া দ্বিনের - মতো অর্থাৎ তোমার ধর্ম তোমার, আমার ধর্ম আমার বলে পূর্ব [বিস্তারিত...]

সময়ের সাফ কথা.... নারীশক্তির জাগরণে মহিমান্বিত হোক পৃথিবী

সময়ের সাফ কথা....  নারীশক্তির জাগরণে মহিমান্বিত হোক পৃথিবী সংলাপ ॥ মানুষের মধ্যে পৃথক বৈশিষ্ট্যমন্ডিত দু’টি সৃষ্টি - নারী ও পুরুষ। শান্তিপূর্ণ সমাজ গঠনে এদের উভয়েরই স্রষ্টা কর্তৃক নির্ধারিত দায়িত্ব ও কর্তব্য রয়েছে। কুরআনে নারী-পুরুষের সঠিক অবস্থান নির্ণয়ে সকলেই সুরা নেসার ৩৪ নং আয়াতকে ভিত্তি হিসাবে উপস্থাপন করেন। এ আয়াতের পক্ষে-বিপক্ষে বাদানুবাদের অন্ত নেই। আয়াতটির প্রচলিত অনুবাদ হলো - ‘পুরুষেরা নারীদের উপর কর্তৃত্বশীল এ জন্য যে, তারা তাদের অর্থ ব্যয় করে। সে মতে নেক্কার স্ত্রীলোকগণ হয় অনুগতা এবং আল্লাহ্ যা হেফাযতযোগ্য করে দিয়েছেন লোকচক্ষুর অন্তরালেও তার হেফাযত করে।’ ধর্মান্ধগোষ্ঠী নারীদের ক্ষমতায়নের বিরোধিতা করতে আশ্রয় নেয় এই আয়াতটির। সত্য হলো এই যে - উক্ত আয়াতে নারী ও পুরুষের সমন্বয়ে গঠিত পরিবারে কার কি অবস্থান, অধিকার ও কর্তব্য সে সম্পর্কে একটি মূলনীতি ঘোষিত হয়েছে। কুরআনের দৃষ্টিতে নারী কোন ভোগ্যবস্তু নয়, দাসীও নয়। এই আয়াতে আল্লাহ্ পুরুষের ক্ষেত্রে বিশ্লেষণ ব্যবহার করেছেন ‘কাওয়্যামুনা’। ‘কাওয়্যামুনা’ [বিস্তারিত...]

নির্বাচনে জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে

নির্বাচনে জনআস্থা ফিরিয়ে আনতে হবে শেখ উল্লাস ॥  ‘জগতে মিথ্যা বলিতে কিছু নেই, সবই সত্য’-এ কথাটি একজন সাধকের। এখন গণতন্ত্র, ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স’, নির্বাচন, সুশাসন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, বঙ্গবন্ধুর আদর্শ-এসব কথা আজ বাংলাদেশের জনজীবন ও জাতীয় জীবনের আলাপ-চারিতার নিত্য-নৈমিত্তিক বিষয়বস্তু। কিন্তু এ বিষয়গুলোকে সত্য ও ন্যায়ের মাপকাঠিতে প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে জাতি তথা এ দেশবাসী কতটুকু যোগ্যতা অর্জন করেছে বা করছে সেটাই আজ প্রশ্ন হয়ে দেখা দিয়েছে। বহু ত্যাগ- তিতিক্ষার বিনিময়ে অর্জিত স্বাধীনতার ৫০ বছরে পদার্পণের আর মাত্র এক বছর বাকী। তাই স্বাধীনতার ৪৮ বছর পার হয়ে আসার পর উপরোল্লিখিত মানদ-গুলোর বিচারে দেশ কতটুকু এগিয়েছে, এই সময়ে দেশের জনগণ, নির্বাচন এবং গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি ও মূল্যবোধ আজ কোন্ অবস্থায় উপনীত হয়েছে সে বিষয়টুকু গভীর অনুসন্ধানের বিষয় হয়ে উঠেছে দেশকে কাঙ্খিত অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার জন্য। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে দেশের [বিস্তারিত...]

বিশ্বের ক্ষমতাধর ১০টি দেশের তালিকায় সৌদি আরব

বিশ্বের ক্ষমতাধর ১০টি দেশের তালিকায় সৌদি আরব সংলাপ ॥ বিখ্যাত মার্কিন বিজনেস ম্যাগাজিন ‘বিজনেস ইনসাইডার’ বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষমতাধর ১০টি দেশের তালিকা প্রকাশ করেছে। নতুন এ তালিকায় ক্ষমতাধর ১০টি দেশের মধ্যে প্রথমে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্র আর সৌদি আরব রয়েছে নবম স্থানে। এর মাধ্যমে সামরিক শক্তিতে ইসরাইলের পরই এখন সৌদি আরবের অবস্থান। ২০১৯ সালের সেরা দেশ নির্বাচনের প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে পেনসিলভেনিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতায় ইউএস নিউজ এবং ওয়ার্ল্ড রিপোর্টের যৌথ উদ্যোগে এই জরিপমূলক গবেষণাটি পরিচালিত হয়। গবেষণায় প্রতিটি দেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক প্রভাব ও সক্ষমতার দিকটি বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। ৮০টি দেশের প্রায় ২০ হাজার মানুষের মতামতের ভিত্তিতে এ জরিপটি পরিচালিত হয়। সৌদি আরবের রাজনৈতিক প্রভাব, অর্থনৈতিক সক্ষমতা, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক, সামরিক শক্তি এবং সংকট সমাধানে ভূমিকা পালনের বিবেচনায় বিশ্বের নবম সবচেয়ে শক্তিশালী দেশ হিসেবে মনোনীত করা হয় জরিপমূলক এ গবেষণাটিতে। এ প্রচারণায় সৌদি আরবকে ‘মিডিলইস্ট দৈত্য’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়েছে। গবেষণাটিতে বিশ্বের বিভিন্ন তেলধারী দেশের [বিস্তারিত...]

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মহড়া অবসানের পক্ষে ট্রাম্প

দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে মহড়া অবসানের পক্ষে ট্রাম্প সংলাপ ॥ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে বড় পরিসরে সামরিক মহড়া বাতিলের যে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তার সমর্থনে তিনি বক্তব্য রেখেছেন। উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে পরমাণু আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার ভেতরেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সামরিক মহড়া বাতিলের পক্ষে নিজের অবস্থান তুলে ধরলেন। তিনি এক টুইটার বার্তায় বলেন, “আমি দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে যে কারণে সামরিক মহড়া অব্যাহত রাখতে চাই না তা হচ্ছে- আমেরিকার কোটি কোটি ডলার বাঁচাতে চাই আমি। প্রেসিডেন্ট হওয়ার বহু আগে থেকেই এটা ছিল আমার অবস্থান। অবশ্য, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে এ মুহূর্তে উত্তেজনা কমানোও ভালো কিছু।” ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনের সঙ্গে পরমাণু নিরস্ত্রীকরণ আলোচনা ব্যর্থ হওয়ার অল্প পরেই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এসব মন্তব্য করলেন। মার্কিন প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পেন্টাগন ঘোষণা করেছে যে, দক্ষিণ কোরিয়া ও আমেরিকার যৌথ সামরিক মহড়া বাতিলের অর্থ [বিস্তারিত...]

এই সপ্তাহে….

Haqqani-astana-add

* অতিরহস্যময় লালনভাষা

* শান্তিনিকেতনে বসন্ত উৎসব

* পারস্পরিক বিদ্বেষের জলন্ত আগ্নেয়গিরির উপর বসে আছে বিশ্বের মানুষ

* প্রযুক্তির কারণে মানুষের প্রতি ভরসা আর ভালোবাসা হারাচ্ছে মানুষ!!!

* মৃত্যু বলে কিছু নেই আছে রূপান্তর…..

* জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এর জন্ম বার্ষিকী ও জাতীয় শিশু দিবস উদ্যাপিত হলো হাক্কানী মিশন বিদ্যাপীঠ ও মহাবিদ্যালয় প্রাঙ্গনে

* প্রবাহ

সত্য সন্ধানে সংলাপ